• Sitemap
  • Advance Search
Social Welfare

জন বিশ্বাস (বিধানের সংশোধন) বিল, ২০২৬

সহজতর আইন, আস্থা আর-ও মজবুত

Posted On: 04 APR 2026 11:46AM

মূল বিষয়

 

জন বিশ্বাস (বিধানের সংশোধন) বিল, ২০২৬-এ ২৩টি মন্ত্রকের অধীন ৭৯টি কেন্দ্রীয় আইনে সংশোধনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এর আওতায় রয়েছে ৭৮৪টি বিধান।

 

সামান্য প্রক্রিয়াগত ত্রুটির ক্ষেত্রে ফৌজদারি শাস্তি তুলে দিয়ে তার পরিবর্তে দেওয়ানি জরিমানা বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

মোটরযান আইন, ১৯৮৮ এবং নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল আইন, ১৯৯৪-সহ একাধিক আইনে সংশোধনের মাধ্যমে জীবনযাপন সহজতর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

এমএসএমই এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নিয়ম মানার চাপ কমাতে ধাপে ধাপে প্রয়োগব্যবস্থা আনার প্রস্তাব রয়েছে অর্থাৎ, জরিমানার আগে পরামর্শমূলক নোটিস ও সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

 

ভূমিকা : অবিশ্বাস থেকে আস্থার পথে

 

দীর্ঘদিন ধরে ভারতে এমন বহু আইন কার্যকর ছিল, যেখানে ছোটখাটো প্রক্রিয়াগত ভুলকেও ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে দেখা হত। কোনও নথি জমা দিতে দেরী হওয়া, ফর্ম ভুলভাবে পূরণ করা বা কাগজপত্রে সামান্য ত্রুটির জন্যও নাগরিক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে কখনও কখনও ফৌজদারি শাস্তির মুখে পড়তে হত। এমনকি কারাবাসের আশঙ্কাও থাকত।

 

এই ধরনের বহু বিধান পুরনো নিয়ন্ত্রক কাঠামো থেকে এসেছে। আইনকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ, বাস্তবসম্মত এবং নাগরিকবান্ধব করতে কেন্দ্রীয় সরকার এই বিধানগুলি পুনর্বিবেচনার কাজ শুরু করে। সেই পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল জন বিশ্বাস (বিধানের সংশোধন) আইন, ২০২৩। ওই আইনের মাধ্যমে একাধিক কেন্দ্রীয় আইনে থাকা ছোটখাটো অপরাধের ক্ষেত্রে ফৌজদারি শাস্তি তুলে দেওয়া হয়।

 

জন বিশ্বাস (বিধানের সংশোধন) বিল, ২০২৬ সেই সংস্কার প্রক্রিয়াকেই আরও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এর লক্ষ্য, ছোটখাটো লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে অপরাধীকরণের প্রবণতা কমিয়ে উপযুক্ত দেওয়ানি জরিমানা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা চালু করা।

 

জন বিশ্বাস বিল, ২০২৬-এর চারটি প্রধান স্তম্ভ

 

এই বিল চারটি মূল ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। লক্ষ্য, এমন একটি আইনব্যবস্থা তৈরি করা যেখানে নিয়ম মানা উৎসাহিত হবে এবং আইনের সঙ্গে নাগরিকের দৈনন্দিন সম্পর্ক আরও সহজ হবে।

 

১) শাস্তির আগে সতর্কবার্তা

 

প্রথমবার বা ছোটখাটো ত্রুটির ক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে শাস্তি নয়, আগে সতর্কবার্তা দেওয়া হবে। এতে নাগরিক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ভুল শুধরে নেওয়ার ন্যায্য সুযোগ মিলবে।

 

২) অপরাধ অনুযায়ী উপযুক্ত জরিমানা

 

অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী জরিমানার মাত্রা নির্ধারণ করা হবে। ফলে, প্রয়োগব্যবস্থা হবে ন্যায্য, সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং যৌক্তিক।

 

৩) দ্রুত ও ন্যায়সংগত নিষ্পত্তি

 

বিশেষ নির্ধারক আধিকারিক এবং আপিল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দ্রুত ও স্বচ্ছ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা থাকবে। এতে আদালতের উপর চাপও কমবে।

 

৪) সময়োপযোগী জরিমানা কাঠামো

 

জরিমানার অঙ্ক সময় সময় পুনর্বিবেচনা করা হবে, যাতে প্রয়োগব্যবস্থা কার্যকর, প্রাসঙ্গিক এবং সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

 

এই বিল কঠোর দণ্ডনির্ভর কাঠামোর পরিবর্তে আরও মানবিক ও ভারসাম্যপূর্ণ আইনি কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়াস। এতে বহু ক্ষেত্রে কারাদণ্ড ও ফৌজদারি জরিমানার বদলে দেওয়ানি জরিমানা আনা হচ্ছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে সেই বিধান সম্পূর্ণ তুলে দেওয়া হচ্ছে। লক্ষ্য, শাস্তি নয়, নিয়ম মানাকে উৎসাহ দেওয়া।

 

আইন প্রণয়নের পথ : আলোচনা ও ঐকমত্যভিত্তিক সংস্কার

 

এই সংস্কারযাত্রা শুরু হয়েছিল জন বিশ্বাস (বিধানের সংশোধন) আইন, ২০২৩ কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে। ওই আইনে ৪২টি কেন্দ্রীয় আইন সংশোধন করে ১৮৩টি বিধানে কারাদণ্ডের পরিবর্তে আর্থিক জরিমানা ও অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা আনা হয়। ছোটখাটো ও প্রক্রিয়াগত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ফৌজদারি পরিণতি তুলে দেওয়ার এটাই ছিল প্রথম বৃহৎ ও সমন্বিত আইনগত পদক্ষেপ।

 

এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বিভিন্ন মন্ত্রক ও বিভাগের আওতাধীন কেন্দ্রীয় আইনগুলিতে থাকা ফৌজদারি বিধানগুলি আরও বিস্তৃতভাবে খতিয়ে দেখা হয়। সেই পর্বে জন বিশ্বাস (বিধানের সংশোধন) বিল, ২০২৫ গত বছর ১৮ অগস্ট লোকসভায় পেশ করা হয়। সেখানে ১০টি মন্ত্রকের অধীন ১৬টি কেন্দ্রীয় আইনে ৩৫৫টি বিধান সংশোধনের প্রস্তাব রাখা হয়েছিল।

 

পরবর্তীতে বিলটি বিস্তারিত পরীক্ষার জন্য সংসদের নির্বাচিত কমিটি-র কাছে পাঠানো হয়। কমিটি ৪৯টি বৈঠক করে এবং এ বছর ১৩ মার্চ লোকসভায় তাদের রিপোর্ট জমা দেয়। তারা সংস্কারের পরিধি আরও বাড়ানোর সুপারিশ করে।

 

কমিটি শুধু পূর্বপ্রস্তাবিত বিধানই খতিয়ে দেখেনি, তার সঙ্গে আরও ৬২টি আইনে সংশোধনের প্রস্তাবও বিবেচনা করেছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক ও বিভাগের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে বিলটির পরিধি আরও বাড়ানো হয়, যাতে ব্যবসা করা সহজ হয় এবং দৈনন্দিন জীবনযাপনও সহজতর হয়।

 

সংশোধিত রূপে জন বিশ্বাস (বিধানের সংশোধন) বিল, ২০২৬-এ এখন ২৩টি মন্ত্রকের অধীন ৭৯টি কেন্দ্রীয় আইনে মোট ৭৮৪টি বিধান সংশোধনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ৭১৭টি বিধান অপরাধমুক্তকরণ-সংক্রান্ত এবং ৬৭টি বিধান জীবনযাপন সহজতর করার লক্ষ্যে আনা হয়েছে।

 

নাগরিককেন্দ্রিক সংস্কার : সাধারণ মানুষের কি লাভ

 

এই বিলের একাধিক সংশোধন সরাসরি সাধারণ মানুষের উপকারে আসবে। ছোটখাটো দৈনন্দিন ভুলের জন্য আর ফৌজদারি মামলার মুখে পড়তে হবে না।

 

রেল আইন, ১৯৮৯

 

অন্য যাত্রীর জন্য সংরক্ষিত বার্থ ছাড়তে অস্বীকার করলে আগে ফৌজদারি জরিমানার বিধান ছিল। এখন তা বদলে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা দেওয়ানি জরিমানা করা হয়েছে। ফলে, এই ধরনের বিষয় প্রশাসনিকভাবে মেটানো যাবে।

 

কোর্ট ফি আইন, ১৮৭০

 

আদালতের স্ট্যাম্প অনুমতি ছাড়া বিক্রি করা বা সংশ্লিষ্ট নিয়ম না মানলে আগে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান ছিল। এখন প্রতারণা না থাকলে কারাদণ্ডের বদলে আর্থিক জরিমানা হবে।

 

ক্লিনিক্যাল এস্টাবলিশমেন্টস আইন, ২০১০

 

চিকিৎসাকেন্দ্রে ছোটখাটো ত্রুটি থাকলেও আগে ফৌজদারি মামলা হতে পারত। এখন তার বদলে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা দেওয়ানি জরিমানা হবে, যাতে ত্রুটি সংশোধনের সুযোগ থাকে।

 

কলকাতা মেট্রোরেল আইন, ১৯৮৫

 

মেট্রোর কামরা বা ভূগর্ভস্থ স্টেশনে ধূমপান করলে আগে ফৌজদারি মামলা হত। এখন তা বদলে ২,০০০ টাকা দেওয়ানি জরিমানা করা হয়েছে।

 

জীবনযাপন সহজতর করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন

 

অপরাধমূলক বিধান কমানোর পাশাপাশি, এই বিল এমন কিছু পদক্ষেপও এনেছে, যা নাগরিকের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ করবে।

 

সরকারি জল বেআইনিভাবে ব্যবহার করলে তা আর ফৌজদারি মামলা নয়, দেওয়ানি জরিমানা হবে

(এনডিএমসি আইন, ১৯৯৪ - ধারা ২৯৫)

 

ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ৩০ দিন পর্যন্ত তা কার্যকর বলে ধরা হবে, সঙ্গে সঙ্গে শাস্তি নয়

(মোটরযান আইন, ১৯৮৮)

 

এনডিএমসি-র সম্পত্তিকর ব্যবস্থায় বহু বছরের বিভ্রান্তি দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে

 

দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা ক্ষতিপূরণের আবেদন করার জন্য আরও বেশি সময় পাবেন

(মোটর যান আইন, ১৯৮৮ - ধারা ১৬৬)

 

রাতে বাইরে থাকা মাত্রই সন্দেহভাজন হিসেবে গণ্য করা হবে না

(দিল্লি পুলিশ আইন, ১৯৭৮ - ধারা ১০২(সি))

 

টিকিট-সংক্রান্ত ছোটখাটো বিষয় আর ফৌজদারি অপরাধ নয়, প্রশাসনিকভাবে নিষ্পত্তিযোগ্য হবে

(মোটর যান আইন, ১৯৮৮ - ধারা ১৭৮)

 

ব্যবসা সহজ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা

 

এই বিল শুধু নাগরিকের জন্য নয়, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রেও নিয়ম মানার চাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

 

প্রধান দিকগুলি

 

ফৌজদারি শাস্তির বদলে দেওয়ানি জরিমানা

 

ধাপে ধাপে প্রয়োগব্যবস্থা

 

রপ্তানি ও বাণিজ্যক্ষেত্রে নিয়ম সহজতর করা

 

অচল বা অপ্রয়োজনীয় বিধান তুলে দেওয়া

 

ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগগুলির জন্য কি সুবিধা

 

ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের জন্য এই বিল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ছোটখাটো ত্রুটির জন্য যাতে অযথা কঠোর ব্যবস্থা না হয়, সেই দিকেই জোর দেওয়া হয়েছে।

 

লিগ্যাল মেট্রোলজি আইন, ২০০৯

 

প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণ বা পেশ করতে না পারলে আগে সঙ্গে সঙ্গে জরিমানার বিধান ছিল। এখন প্রথমবারের ক্ষেত্রে সংশোধনের নোটিস দেওয়া হবে।

 

প্রাইভেট সিকিউরিটি এজেন্সিজ আইন, ২০০৫

 

ব্যবসার জায়গায় লাইসেন্স প্রদর্শন না করলে আগে ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ফৌজদারি জরিমানা হতে পারত। এখন সেই বিধান তুলে দেওয়া হয়েছে।

 

ডেলিভারি অফ বুকস অ্যান্ড নিউজপেপার্স (পাবলিক লাইব্রেরিজ) আইন

 

প্রকাশক সময়মতো কপি জমা না দিলে আগে জরিমানা হত। এখন আগে সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

 

খনি ও খনিজ (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ১৯৫৭

 

আইনের অধীন প্রণীত নিয়ম লঙ্ঘন করলে আগে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা হতে পারত। এখন তার বদলে সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা আর্থিক জরিমানার নিয়ম আনা হয়েছে।

 

এই পরিবর্তনগুলি এমএসএমই-র জন্য নিয়ম মেনে চলাকে সহজ করবে, অনিশ্চয়তা কমাবে এবং স্বেচ্ছায় নিয়ম মানার পরিবেশ তৈরি করবে।

 

গুরুত্বপূর্ণ আইনগুলিতে কি কি সংশোধন আনা হয়েছে

 

বিভিন্ন ক্ষেত্র জুড়ে একাধিক কেন্দ্রীয় আইনে সংশোধনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যাতে ছোটখাটো প্রক্রিয়াগত ভুলের ক্ষেত্রে কারাদণ্ড বা ফৌজদারি জরিমানার বদলে উপযুক্ত দেওয়ানি ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

 

ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিক্স আইন, ১৯৪০

 

কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ (আয়ুর্বেদ, সিদ্ধা, ইউনানি) কোথায় তৈরি বা মজুত করা হচ্ছে, তা জানাতে ব্যর্থ হলে আগে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান ছিল। এখন কারাদণ্ডের বদলে উচ্চতর আর্থিক জরিমানা আনা হচ্ছে।

 

দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন আইন, ১৯৫৭

 

লাইসেন্স ছাড়া হকারি, পুরসভার কাজে বাধা বা কিছু স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের মতো ছোটখাটো নাগরিক ত্রুটিকে আগে ফৌজদারি বিষয় হিসেবে দেখা হত। এখন সেগুলিকে দেওয়ানি জরিমানায় রূপান্তর করা হয়েছে। কিছু পুরানো বিধান সম্পূর্ণ তুলে দেওয়া হয়েছে।

 

অ্যাপ্রেন্টিসেস আইন, ১৯৬১

 

প্রক্রিয়াগত নিয়ম না মানার ক্ষেত্রে এখন তিন ধাপের প্রয়োগব্যবস্থা থাকবে :

প্রথমে পরামর্শ,

তারপর সতর্কবার্তা,

পুনরাবৃত্তি হলে আর্থিক জরিমানা।

 

এছাড়া, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রপ্তানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ১৯৮৫, রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনস আইন, ১৯৫০, কয়ার ইন্ডাস্ট্রি আইন, ১৯৫৩-সহ আরও একাধিক আইনে ছোটখাটো প্রক্রিয়াগত ত্রুটির ক্ষেত্রে ফৌজদারি শাস্তির বদলে দেওয়ানি ব্যবস্থা বা সম্পূর্ণ অবলুপ্তির প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

 

উপসংহার

 

জন বিশ্বাস (বিধানের সংশোধন) বিল, ২০২৬ ভারতের নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে আধুনিক ও বাস্তবসম্মত করার কেন্দ্রীয় সরকারের প্রয়াসের ধারাবাহিকতা। ফৌজদারি শাস্তি কমিয়ে এবং ধাপে ধাপে প্রয়োগব্যবস্থা চালু করে এই বিল আইনকে আরও সহজ, যৌক্তিক এবং মানবিক করে তুলতে চায়। এর ফলে, নাগরিক ও ব্যবসা, উভয়েরই নিয়ম মানার অযথা চাপ কমবে। একই সঙ্গে, গুরুতর লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগও থাকবে। ফলে, এই বিল এমন এক আস্থাভিত্তিক নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে, যা জীবনযাপন সহজতর করবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশও উন্নত করবে।

 

তথ্যসূত্র 

Ministry of Commerce & Industry

https://www.pib.gov.in/PressReleaseIframePage.aspx?PRID=1945263&reg=3&lang=2

PIB Research

See in PDF

 

SSS/AS

(Explainer ID: 158008) आगंतुक पटल : 12
Provide suggestions / comments
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , हिन्दी , Gujarati
National Portal Of India
STQC Certificate