প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
azadi ka amrit mahotsav

গুজরাটের ভাদোদরায় আয়োজিত ‘নমো ফর বিকশিত ভারত’ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

প্রকাশিত: 08 SEP 2026 4:23PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ৮  সেপ্টেম্বর  ২০২৬

 

ভারত মাতা কি জয়।

ভারত মাতা কি জয়।

গুজরাটের রাজ্যপাল আচার্য দেবব্রত জি, গুজরাটের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্র ভাই প্যাটেল, অন্যান্য রাজ্য থেকে অনলাইনে আমাদের সাথে যুক্ত হওয়া বহু বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ, যেমন মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল জিষ্ণু দেব বর্মা জি, মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ জি, উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে জি, উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার জি এবং অন্যান্য মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক ও সেখানে সমবেত লক্ষ লক্ষ নাগরিক। এখানে মঞ্চে উপস্থিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার আমার সহকর্মী অশ্বিনী বৈষ্ণব, উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও তরুণ নেতা হর্ষ সাংভি, গুজরাট সরকারের মন্ত্রীগণ, অন্যান্য জনপ্রতিনিধি এবং গুজরাটের আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা।

আর বিশেষ করে, যেহেতু ভদোদরার মহারাজা সয়াজিরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রাঙ্গনটি বিভিন্ন ক্ষেত্রের সঙ্গীদের একত্রিত করেছে এবং এখানে উন্নয়নের এই উৎসবটি একসঙ্গে উদযাপিত হচ্ছে...

বন্ধুরা,

আজ আমি আপনাদের মাঝে এসেছি 'বিকশিত ভারত'-এর যাত্রাকে আরও গতিশীল করতে। কিছুক্ষণ আগেই দেশের উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। আমি দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। উন্নয়নের এই উৎসবে আপনারা যেভাবে সেবার মনোভাব নিয়ে ভদোদরা শহরজুড়ে পরিচ্ছন্নতা ও স্বাগত জানানোর কর্মসূচি পালন করেছেন, তার জন্য আমি ভদোদরার প্রতিটি নাগরিককে আন্তরিক অভিনন্দন ও সাধুবাদ জানাই। 


বন্ধুরা,

এই বছর লাল কেল্লা থেকে আমি 'বিকশিত ভারত'-এর সংকল্পের 'সপ্তধারা'র কথা বলেছিলাম। এর মধ্যে একটি ধারা হলো 'গতি শক্তি'। 'বিকশিত ভারত'-এর জন্য আমাদের এমন সংযোগ ব্যবস্থা প্রয়োজন, যা মসৃণ এবং সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে দ্রুতগতির হবে। ভদোদরা হলো 'গতি শক্তি বিশ্ববিদ্যালয়'-এর শহর। আজ এখান থেকেই 'ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর'-এর শেষ সংযোগকারী অংশগুলিও যুক্ত করা হয়েছে। আজ, ২,৮০০ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ 'ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর' (পণ্য পরিবহনের জন্য বিশেষ রেলপথ)-এর কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

বন্ধুরা,

এই ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোরটি প্রমাণ করে যে, গত ১২ বছরে দেশের কর্মসংস্কৃতি কতটা পরিবর্তিত হয়েছে। এই করিডোরের ধারণাটি ২০০৪ সালে শুরু হয়েছিল। অর্থাৎ এখানে উপস্থিত তরুণ বন্ধুদের বলছি, যখন এই ধারণাটি এসেছিল, তখন আপনাদের অনেকেরই জন্ম হয়নি। ২০০৬ সালে এই কাজটি বাস্তবায়নের জন্য একটি বিশেষ সংস্থা গঠন করা হয়েছিল; কিন্তু ২০১৪ সাল পর্যন্ত ফাইলগুলি কেবল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে ঘুরপাক খেয়েছে। ফাইলগুলি টেবিলের ওপর দিয়ে যাতায়াত করত, আর দুর্ভাগ্যবশত, সেই ফাইলগুলির জন্যই কোনও 'ডেডিকেটেড করিডোর' বা নির্দিষ্ট পথ ছিল না। ২০১৪ সালে গুজরাটের ভদোদরা এবং গোটা দেশের মানুষ আমাকে গুজরাট থেকে দিল্লিতে পাঠালেন। আগের সরকার ২০১৪ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল। আপনারা আমাকে পাঠালেন, আর তারা বিদায় নিল। সত্যটা হল, আমার তরুণ বন্ধুরা, মনোযোগ দিয়ে শুনুন এবং মনে রাখবেন, সেই সাত-আট বছরে ফ্রেইট করিডোরের এক কিলোমিটার কাজও সম্পন্ন হয়নি। 

বন্ধুরা,

২০১৪ সালের পর আপনারা আমাকে এখানে যে শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা দিয়েছিলেন, এই মাটি আমাকে যা শিখিয়েছিল এবং সেই শিক্ষা নিয়ে আমি দিল্লিতে গিয়েছিলাম। সেখানে পৌঁছনোর পরপরই আমরা এই প্রকল্পের কাজে গতি আনতে শুরু করি। আজ, ২,৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সেই করিডোর সম্পন্ন হয়েছে। আর আজ, পূর্ব ও পশ্চিমের ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোরগুলি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান ভিত্তি হয়ে উঠছে।

বন্ধুরা,

ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর হল, দ্রুত বিকাশশীল ভারতের প্রাণশক্তি। এটি ভারতের পরিবহন ব্যবস্থাকে বদলে দিয়েছে। আগে যাত্রীবাহী ট্রেন এবং মালবাহী ট্রেন একই লাইনে চলত। এর ফলে যাত্রী পরিবহন ও পণ্য পরিবহন, উভয়ই ধীরগতির হয়ে পড়ত। কিন্তু ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর এই পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে। আজ পূর্ব ও পশ্চিমের পণ্যবাহী করিডোর দিয়ে প্রতিদিন ৪৩০টিরও বেশি মালবাহী ট্রেন চলাচল করছে। আগে একটি মালবাহী ট্রেনের ১০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সাড়ে ছয় ঘণ্টা সময় লাগত; এখন সেই একই ট্রেন ওই দূরত্ব অতিক্রম করে অর্ধেকেরও কম সময়ে। ট্রাকে করে পণ্য পরিবহনে যেখানে সাধারণত ৩০ ঘণ্টা সময় লাগত, সেখানে ‘ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর’-এর মাধ্যমে একই দূরত্ব ১০-১২ ঘণ্টায় পাড়ি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

বন্ধুরা,

এই পণ্যবাহী করিডোরের মাধ্যমে পূর্ব ও পশ্চিম ভারতের কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য এখন দ্রুত বড় বড় বাজারে পৌঁছচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের ফুল, শাকসবজি ও ফল অর্থাৎ ঋতুভেদে দ্রুত নষ্ট হয়ে যায় এমন সব পণ্য, এখন সঠিক সময়ে পাইকারি বাজার ও ক্রেতাদের কাছে পৌঁছনোর সুযোগ পাচ্ছে। এর ফলে কৃষকরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়েছেন।

বন্ধুরা,

পণ্যবাহী করিডোরের পাশাপাশি, রেল পরিষেবা এখন এমন সব জায়গায় পৌঁছচ্ছে, যেখানে কয়েক দশক ধরে তা পৌঁছয়নি। গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যগুলিতে এই প্রকল্পের মাধ্যমে আদিবাসী এলাকাগুলিকেও রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হচ্ছে। আগের সরকারগুলির আমলে বাজেটে হয়তো একটি বা দুটি ট্রেন ঘোষণা করা হত এবং তা নিয়ে সারা বছর ধরে ঢাক-ঢোল পেটানো হত। আজ সারা বছর ধরেই একের পর এক নতুন ট্রেন চালু করা হচ্ছে। 


বন্ধুরা,

সড়কপথ, রেলপথ, মেট্রো, বিমানবন্দর, গ্যাস পাইপলাইন কিংবা দরিদ্রদের জন্য গৃহনির্মাণ – দেশের কোটি কোটি মানুষের জন্য যখন এসব পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়, তখন জীবনযাত্রা সহজ হয়ে ওঠে; আর একই সঙ্গে ছোট থেকে বড়, সব ধরনের কর্মীদের জন্য লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। শুধু রেলের কথাই ধরুন, এবারে রেল বাজেটের পরিমাণ ২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি, যা ১২ বছর আগের তুলনায় বহুগুণ বেশি। এর অর্থ হল, রেলের আধুনিকীকরণের জন্য যে ব্যয় করা হচ্ছে, তা হাজার হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। আর নির্মাণকাজ চলাকালীনই এই কর্মসংস্থানগুলি তৈরি হচ্ছে। একবার রাস্তাঘাট, রেলপথ, পাইপলাইন, বন্দর ও বিমানবন্দর তৈরি হয়ে গেলে তার চারপাশে নতুন নতুন শিল্প ও ব্যবসা গড়ে ওঠে এবং এর ফলে নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়।

বন্ধুরা,

আমি একটি উন্নত ভারতের লক্ষ্যে ‘সপ্তধারা’ বা সংকল্পের সাতটি ধারার রূপরেখা দেশের সামনে তুলে ধরেছি। এই ধারাগুলির মধ্যে অন্যতম হলো উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং। আর ভাদোদরা শহর এই শক্তিকে খুব ভালোভাবেই জানে ও বোঝে। শিক্ষা, দক্ষতা এবং শিল্পের মধ্যে কীভাবে সমন্বয় ঘটে, ভাদোদরা প্রায় ১৫০ বছর ধরে তার নিদর্শন রেখে চলেছে। কয়েক দশক আগে এখানকার যাত্রা শুরু হয়েছিল বস্ত্র ও টাইলস উৎপাদনের মাধ্যমে, যা পরবর্তীকালে তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পের হাত ধরে আরও এগিয়েছে। গত দুই থেকে আড়াই দশকে ভাদোদরা এমএসএমই-র একটি প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। শহরটি দেশের প্রথম ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ সামরিক পরিবহন বিমানের জন্যও পরিচিত হয়ে উঠেছে। এখানকার আকাশে ইতিমধ্যেই সি-২৯৫ বিমানকে প্রথম উড়তে দেখা গেছে। 

বন্ধুরা,

আমরা যখন দেশের উৎপাদন শিল্পের কথা বলি, তখন আমি আরও একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরতে চাই। গত এক দশকে ভারত রেলের কোচ, মেট্রো কোচ এবং রেল ইঞ্জিনের একটি বড় উৎপাদক দেশে পরিণত হয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে ভারত প্রায় ৫০,০০০ আধুনিক রেল কোচ তৈরি করেছে। এই সংখ্যাটির দিকে খেয়াল করুন – ২০১৪ সাল থেকে ভারত ৫০,০০০ আধুনিক কোচ তৈরি করেছে। অথচ আগের সরকার ১০ বছরে ৫০,০০০ শৌচালয়ও তৈরি করতে পারেনি। আমরা ৫০,০০০ আধুনিক কোচ তৈরি করেছি এবং ভারতীয় রেলের বহরে পণ্যবাহী ট্রেনের জন্য প্রায় ২,৫০,০০০ ওয়াগন যুক্ত করেছি।

বন্ধুরা,

এখন ভারত উৎপাদন শিল্পের ক্ষেত্রে এক নতুন আখ্যান রচনা করছে, ‘চিপ থেকে শিপ’ (অর্থাৎ মাইক্রোচিপ থেকে জাহাজ পর্যন্ত সবকিছুই দেশে তৈরি হচ্ছে)। এর অর্থ হল, যন্ত্রাংশও আমাদের এবং পণ্যও আমাদের; ভারতের মাটিতেই গড়ে উঠবে আত্মনির্ভরতার এক পূর্ণাঙ্গ শৃঙ্খল। সৌরশক্তির ক্ষেত্রে আমরা এটি প্রত্যক্ষ করছি।
কয়েক বছর আগেও দেশে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ছিল, কারণ পিভি মডিউল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বিদেশ থেকে আমদানি করতে হত। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আমরা ভারতেই পিভি মডিউল উৎপাদন শুরু করেছি। বর্তমানে আমাদের ২০০ গিগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশের ৫৫ লক্ষ পরিবার তাদের বাড়ির ছাদে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করেছে। এর মধ্যে ১১ লক্ষ পরিবার গুজরাটের। এখানকার বহু পরিবার এখন বিদ্যুৎ উৎপাদকে পরিণত হয়েছে।

বন্ধুরা,

আগামী যুগে প্রতিটি আধুনিক ক্ষেত্রই বিদ্যুৎ চালিত হবে এবং বৈদ্যুতিক পরিমণ্ডলের ওপর নির্ভর করবে। উদাহরণস্বরূপ, চিপ শিল্প, ডেটা সেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর সাথে যুক্ত শিল্পগুলির প্রধান চালিকাশক্তিই হলো বিদ্যুৎ। তাই, বিশ্বের বুকে এআই-এর ক্ষেত্রে যদি আমরা মহাশক্তি হতে চাই, তবে দেশকে তার পরিমণ্ডল গড়ে তুলতে হবে। ঠিক এই কাজটিই ভারত বাস্তবে করে দেখাচ্ছে। আর এ কারণেই ইউরেনিয়ামের জন্য কোনও কোনও দেশের সাথে, আবার কোনও দেশের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও 'রেয়ার আর্থ' খনিজের জন্য চুক্তি করা হচ্ছে। 

বন্ধুরা,

বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, তাই বিশ্বের চাহিদাও পাল্টাচ্ছে। আর সেই সাথে আমাদের পড়াশোনা ও শেখার পদ্ধতিও বদলে যাচ্ছে। আগে কেবল ডিগ্রির ওপর জোর দেওয়া হত, কিন্তু এখন ডিগ্রির পাশাপাশি দক্ষতার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দক্ষতার গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। তরুণদের দক্ষতা থাকা এবং সেই দক্ষতা সময়ে সময়ে উন্নত করা এখন অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। তাই আজ আমরা আমাদের শিক্ষানীতি এবং শিক্ষাদান ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলিকে নতুনভাবে সাজাচ্ছি। আর এই ভাবনা থেকেই লাল কেল্লা থেকে আমি যুবশক্তির জন্য দুটি বড় ঘোষণা করেছিলাম। প্রথম ঘোষণাটি দেশের একটি প্রথাগত চাহিদার সাথে যুক্ত। আপনারা সবাই জানেন যে, আমাদের দেশে লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়। প্রতি বছর মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির আয়ের একটি বড় অংশ এই ছেলেমেয়েদের কোচিংয়ের পিছনেই খরচ হয়ে যায়। আমাদের লক্ষ্য হল, এমন দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির অর্থ সাশ্রয় করা। তাই সরকার এখন শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে অনলাইন কোচিংয়ের ব্যবস্থা করার পথে এগিয়ে চলেছে। আর এই কোচিং দেবেন ভারতের সেরা শিক্ষকরা। যে তরুণ-তরুণীরা পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তাঁদের কোচিংয়ের দায়িত্ব সরকার নিজেই গ্রহণ করবে।

বন্ধুরা,

ভারতের জন্য এই সময়টি অভূতপূর্ব। এটি ভারতের যুবশক্তির উত্থানের যুগ। ভারতের ইতিহাসে এমন সময় আর ফিরে আসবে না। তাই ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যকেই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। আমাদের ভারতকে উন্নত করে তুলতেই হবে। এই আহ্বান জানিয়ে, উন্নয়নের বিভিন্ন কাজের জন্য আমি আপনাদের সবাইকে আবারও অনেক অনেক অভিনন্দন জানাচ্ছি।


আমি দেখেছি আমাদের তরুণরা দিন-রাত এক করে পরিচ্ছন্নতার কাজ করেছে। কিন্তু আসুন আমরা একবার সিদ্ধান্ত নিই যে, এখন থেকে আমরা ভদোদরাকে আর কখনও নোংরা হতে দেব না। আমরা প্রত্যেকে যদি এই প্রতিজ্ঞা করি যে, "আমি নিজে কোনও আবর্জনা বা নোংরা ছড়াব না," তবে কি ভদোদরা আর নোংরা হবে? তখন দীপাবলি উজ্জ্বল হয়ে উঠবে, নবরাত্রি ধুমধাম করে পালিত হবে এবং গণেশোৎসব মহিমান্বিত হয়ে উঠবে। তাই এইটুকু কাজ নিশ্চয়ই করা সম্ভব।

সাবাশ।

ধন্যবাদ।

ভারত মাতা কি জয়!

ভারত মাতা কি জয়!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!


SC/MP/NS…


(রিলিজ আইডি: 2308247) ভিজিটরের কাউন্টার : 4
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Urdu , हिन्दी , Manipuri , Assamese , Punjabi , Gujarati , Telugu , Malayalam