কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রক
আরও বেশি করে রাজ্যের অংশগ্রহণের মাধ্যমে কেভিকেগুলিকে শক্তিশালী করার জন্য প্রস্তুত কর্মপরিকল্পনার সমীক্ষা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী শিবরাজ সিং চৌহান
পোস্ট করার দিনক্ষণ:
07 SEP 2026 3:00PM by PIB Agartala
নতুন দিল্লি ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আরও বেশি করে রাজ্যের অংশগ্রহণের মাধ্যমে কেভিকেগুলিকে শক্তিশালী করার জন্য প্রস্তুত কর্মপরিকল্পনার সমীক্ষা করলেন কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ এবং গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী শিবরাজ সিং চৌহান। আজ নতুন দিল্লিতে তাঁর পৌরোহিত্যে এক বৈঠকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল প্রধান সুপারিশগুলির রূপায়ণ। এই সুপারিশগুলি করা হয়েছিল ২০২৫ সালের পঞ্চম মুখ্য সচিবদের সম্মেলনে। রূপায়ণে গতি আনতে কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে সেই নিয়েও আলোচনা হয়। কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শ্রী ভগীরথ চৌধুরী, কৃষি গবেষণা ও শিক্ষা দপ্তরের সচিব ও আইসিএআর-এর মহা নির্দেশক ডঃ মাঙ্গিলাল জাঠ উপস্থিত ছিলেন।
২০২৭-এর মার্চের মধ্যে অগ্রাধিকার প্রাপ্ত ৩০০ কেভিকে-র পরিকাঠামো ও লজিস্টিক উন্নত করার পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। নির্দিষ্ট সময়ে লক্ষ্যপূরণে রাজ্যগুলির সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সময়মতো সাহায্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন শ্রী শিববাজ সিং চৌহান।
২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সবকটি কেভিকে-তে ইনকিউবেশন-কাম -স্কিল সেন্টার স্থাপন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগে কেভিকেগুলির সঙ্গে কৃষি ভিত্তিক সংস্থা, কারিগরি অংশীদারি প্রতিষ্ঠান এবং জেলা ভিত্তিক কৃষির সুবিধা সমীক্ষা করা হবে। প্রতিটি কেভিকে সংক্রান্ত ইনকিউবেশন পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে দেওয়ার জন্য।
কেভিকে কর্মীদের সংস্কার নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। বেতন, ভাতা এবং পদোন্নতি সংক্রান্ত প্রস্তাবিত সংস্কারগুলি ব্যয় দপ্তরের অনুমোদন পেয়েছে। এনপিএস এবং অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা যেখানে প্রযোজ্য সেখানে রাজ্য সরকারগুলির ভূমিকার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় কেভিকেগুলিকে সময়মতো অর্থ প্রদানের গুরুত্বের দিকে। বিশে্ষ করে মরশুমি কর্মসূচিতে, যাতে পরিকল্পনা রূপায়িত হয় উপযুক্ত কৃষিকালে। ২০২৬-২৭- এর জন্য ডাল এবং তৈলবীজ কর্মসূচি সংক্রান্ত ক্লাস্টার ফ্রন্টলাইন ডেমোনেস্ট্রেশন (সিএফএলডি)-এর অধীনে ৩৫৩টি কেভিকে / জেলার মাধ্যমে ২৪টি রাজ্যে রূপায়িত হচ্ছে। ১২,৩৪৯ হেক্টর চাষের জমিতে এই কাজ করা হবে। ইতিমধ্যে ৯,৭৫০ হেক্টরে কাজ হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ধনধান্য কৃষি যোজনাকে সাহায্য করতে কেভিকেগুলির ভূমিকা বিশেষ করা পর্যালোচনা করা হয়। রাজ্যগুলিকে যথেষ্ট পরিমানে অর্থ সাহায্য দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। সক্ষমতা বর্ধন কর্মসূচি ছাড়াও জেলাস্তরে কেভিকেগুলির গৃহীত কার্যকলাপ নির্দিষ্ট পোর্টালে তুলতে বলা হয়েছে সার্বিক তদারকি, প্রতিবেদন এবং মূল্যায়ণ করার জন্য।
শ্রী শিবরাজ সিং চৌহান জোর দিয়ে বলেন যে, কেভিকেগুলির রূপান্তরের জন্য প্রয়োজন কেন্দ্র—রাজ্য জোরালো সম্মিলন, সময়মতো আর্থিক সাহায্য, আধুনিক পরিকাঠামো যথেষ্ট সংখ্যায় কর্মী এবং জেলা ভিত্তিক কর্ম পরিকল্পনার কার্যকরী রূপায়ণ। কেভিকেগুলির জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো, মানব সম্পদ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি, যাতে কৃষক সমাজ লাভবান হয় এবং কৃষিক্ষেত্রের সমস্যাগুলির মোকাবিলা করা যায়।
কেভিকেগুলি শক্তিশালী হলে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, উন্নতমানের বীজ, দক্ষতা, উদ্ভাবন এবং উদ্যোগপতি হওয়ার সুযোগ কৃষক এবং গ্রামীণ মানুষের কাছে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। বৈঠকে আলোচনায় রাজ্যসরকারগুলি এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি যাতে দ্রুততার সঙ্গে কর্মসূচি রূপায়ণ করতে পারে, তারজন্য তাদের কেন্দ্র এবং অন্য পক্ষের সঙ্গে মিলে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে মত বিনিময় হয় যাতে কেভিকেগুলি হয়ে ওঠে কার্যকরী মঞ্চ।
(প্রেস বিজ্ঞপ্তির আইডি: 2307541)
ভিজিটরদের কাউন্টার : 5