ভোক্তা বিষয়ক,খাদ্য ও গণবন্টন মন্ত্রক
পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ: সরকার 'কান্দা এক্সপ্রেস' ও সড়ক পরিবহনের মাধ্যমে বাফার স্টক থেকে পেঁয়াজ ছাড়ার প্রক্রিয়া সুপরিকল্পিত ও লক্ষ্য-ভিত্তিক উপায়ে সম্প্রসারিত করেছে
পোস্ট করার দিনক্ষণ:
01 SEP 2026 2:38PM by PIB Agartala
নয়াদিল্লি, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
মরসুমি মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ ও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার বাফার স্টক বা সংরক্ষিত মজুত বাজারে ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। রেলওয়ে রেক (কান্দা এক্সপ্রেস) এবং সড়কপথ - উভয় মাধ্যম ব্যবহার করে একটি মিশ্র পরিবহন ব্যবস্থায় এটি সম্পন্ন করা হচ্ছে। পেঁয়াজের ‘প্রাইস স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড’ - এর আওতায় সংরক্ষিত পেঁয়াজ বাজারে ছাড়ার এই কর্মসূচিটি ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘নাফেড’ এবং ‘এনসিসিএফ’ - এর মাধ্যমে শুরু হয়।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নাসিক থেকে ‘কান্দা এক্সপ্রেস’-এর মাধ্যমে দুটি চালান পাঠানো হয়েছে। ৪৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজবাহী প্রথম ট্রেনটি ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে গভীর রাতে দিল্লিতে পৌঁছায়। এর মধ্যে ১৪০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বারাণসী, লখনউ, চণ্ডীগড় ও অমৃতসরে পাঠানো হয় এবং বাকি অংশ দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে বিতরণ করা হয়।
৮৪০ মেট্রিক টন পেঁয়াজবাহী দ্বিতীয় ট্রেনটি ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে চেন্নাইয়ে পৌঁছায়। তামিলনাড়ু রাজ্য সরকার ‘পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম’ বা গণবন্টন ব্যবস্থা - এর মাধ্যমে এই পেঁয়াজ বিতরণের পরিকল্পনা করেছে। প্রতিটি রেশন কার্ডের বিপরীতে ১ কেজি করে পেঁয়াজ দেওয়া হবে।
সড়কপথে প্রায় ১,০০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ পরিবহন - বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি ও দামের প্রবণতা বিবেচনা করে, পেঁয়াজের সহজলভ্য করতে এবং মরসুমি মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে সড়কপথে প্রায় ১,০০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ প্রধান উপভোক্তা কেন্দ্রগুলিতে পাঠানো হচ্ছে।
পেঁয়াজ যেন ব্যাপক পরিমানে পাওয়া যায় তা নিশ্চিত করতে ৩০টিরও বেশি ট্রাক পাঠানোর মাধ্যমে ১৯টি শহরে খুচরা পর্যায়ে হস্তক্ষেপ বা বিক্রয় কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত করা হয়েছে। এই শহরগুলির মধ্যে রয়েছে কলকাতা, দিল্লি, জয়পুর, জম্মু, দেরাদুন, শিমলা, অমৃতসর, চণ্ডীগড়, গুয়াহাটি, লখনউ, বারাণসী, পাটনা, ভোজপুর (বিহার), শরীফ (বিহার), ভুবনেশ্বর, চেন্নাই, মাদুরাই, ত্রিশূর এবং কোচি। এছাড়া, উপভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শ্রী বি.এল. ভার্মা লখনউতে এই খুচরা বিক্রয় কর্মসূচির সূচনা করেছেন।
কেজি প্রতি ৩৫ টাকা দরে খুচরা পেঁয়াজ বিক্রি - উপভোক্তাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে পেঁয়াজ নিশ্চিত করতে এনসিসিএফ, নাফেড, কেন্দ্রীয় ভাণ্ডার আউটলেট এবং ভ্রাম্যমাণ ভ্যানের মাধ্যমে কেজি প্রতি ৩৫ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট প্রায় ৬৬৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে ২২৩ মেট্রিক টন ই-ন্যাম পোর্টাল ও অনুরূপ অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পাইকারি চ্যানেলে (বাজারের প্রচলিত দরে) এবং ৪৪৬ মেট্রিক টন সারা দেশে খুচরা চ্যানেলের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে।
সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম নিয়ন্ত্রণে সহায়তা - বাফার স্টক বা সংরক্ষিত মজুত থেকে পেঁয়াজ বাজারে ছাড়ার ফলে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং দাম কিছুটা কমেছে। বিশেষ করে বারাণসী, অমৃতসর, দিল্লি এবং এর পার্শ্ববর্তী বাজারগুলির মতো যেসব কেন্দ্রে পেঁয়াজের চালান পৌঁছেছে, সেখানে এই প্রভাব স্পষ্ট। পেঁয়াজ ছাড়া বা বিক্রয় কর্মসূচি শুরুর পর থেকেই দাম কমতে শুরু করেছে এবং সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে ভবিষ্যতে দামের স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কৃষকদের সময়মতো অর্থ প্রদান - পাশাপাশি, প্রায় ৩,৪০০ জন কৃষকদের সময়মত অর্থপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সরাসরি ২১০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। সরকার পেঁয়াজ চাষিদের সহায়তা করার পাশাপাশি উপভোক্তাদের জন্য পর্যাপ্ত ও সাশ্রয়ী মূল্যে পেঁয়াজ পাওয়া নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এছাড়া, রেলওয়ের রেক বা ওয়াগনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ পরিবহন ও বিতরণের সময় কোনো ধরনের অনিয়ম বা পাচার রোধ এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলি সামাল দিতে সরকার কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
বিস্তারিত জানতে এই লিঙ্কটি দেখুন -
https://www.pib.gov.in/PressReleaseDetail.aspx?PRID=2305416®=48&lang=1
*****
PS/AL
(প্রেস বিজ্ঞপ্তির আইডি: 2305569)
ভিজিটরদের কাউন্টার : 3