অর্থমন্ত্রক
উত্তর প্রদেশে পান মসলা ও তামাক উৎপাদনের গোপন নেটওয়ার্কের হদিশ পেল ডিজিজিআই; ২৭টি পাউচ-প্যাকিং মেশিন বাজেয়াপ্ত, প্রায় ১৮৫ কোটি টাকার কর ফাঁকি শনাক্ত
प्रविष्टि तिथि:
21 AUG 2026 1:48PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ২১ অগাস্ট, ২০২৬
ডিজিজিআই-এর লখনউ আঞ্চলিক শাখা উত্তর প্রদেশের চিত্রকূট এবং বান্দা জেলার ছয়টি জায়গায় পান মশলা, সুগন্ধী জর্দা এবং গুটখা তৈরির একটি গোপন উৎপাদন চক্রের হদিশ পেয়েছে। নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, আধিকারিকরা ১৮.০৮.২০২৬ তারিখ মধ্যরাতে সমন্বিত তল্লাশি শুরু করেন। এর সঙ্গে দুটি সংস্থা যুক্ত, একটি পান মশলা ও সহযোগী পণ্য উৎপাদন করে এবং অন্যটি এর কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত।
তল্লাশি চালিয়ে ২৭টি পাউচ-প্যাকিং মেশিন শনাক্ত করা হয়, যার মধ্যে সুগন্ধি জর্দার জন্য ৬টি, পান মশলার জন্য ৯টি এবং দোহারা/দেশি গুটখার জন্য ১২টি মেশিন ছিল। এছাড়া মিশ্রণ, সুপারি ভাঙা এবং শুকানোর মেশিনও পাওয়া যায়। এই অভিযানে পান মশলা, চিবানোর তামাক, সুগন্ধী জর্দা এবং সুগন্ধী সুপারি ভর্তি ১৫,৫০,৯২২টি পাউচ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা কাঁচামাল ও প্যাকিং সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ৩২.৯ টন সুপারি ও কাটা সুপারি, ২.৮ টন তামাক, ৮.৪ টন প্যাকিং সামগ্রী, পাউচ ও ল্যামিনেট, ৪৭০ কেজি কথা পাউডার, ৮৫০ কেজি গ্লিসারিন, ৫৪৫ কেজি এসেন্স এবং ২৫৬ কেজি প্যাকেটবিহীন পান মসলা। এপর্যন্ত প্রায় ১৮৫ কোটি টাকার জিএসটি, এইচএসএনএস সেস এবং কেন্দ্রীয় আবগারি শুল্ক ফাঁকির ঘটনা ধরা পড়েছে।
উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মালিককেই এই গোপন উৎপাদন ও বিক্রির সংগঠক এবং ব্যবস্থাপক হিসেবে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাকে ১৯.০৮.২০২৬ তারিখে এইচএসএনএস সেস আইন, ২০২৫-এর ২৬ ধারা এবং কেন্দ্রীয় আবগারি আইন, ১৯৪৪-এর ১৩ ধারার অধীনে গ্রেপ্তার করা হয় এবং লখনউয়ের বিশেষ মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট (কাস্টমস)-এর সামনে হাজির করা হয়। আদালত তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে।
পান মসলা এবং তামাকের ক্ষেত্রে ১লা ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে একটি সেস এবং কর ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জাতীয় সুরক্ষা সেস আইন, ২০২৫ (এইচএসএনএস)-এর আওতায় পান মসলার উপর মাসিক সেস প্রযোজ্য, যা প্যাকিং মেশিনের সংখ্যা, ধরন এবং ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে গণনা করা হয়। কেন্দ্রীয় আবগারি আইন, ১৯৪৪-এর আওতায় চিবানোর তামাক, জর্দা এবং গুটখার উপরও অনুরূপ কেন্দ্রীয় আবগারি শুল্ক আরোপ করা হয়। অসাধু উৎপাদকরা এই শুল্ক এড়ানোর চেষ্টা করে।
২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে, দেশজুড়ে ডিজিজিআই গোপনে পণ্য উৎপাদন, বিক্রি এবং প্রযোজ্য শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে ২৭টি মামলা দায়ের করেছে। মোট ৬৬৮ কোটি টাকার শুল্ক, কর এবং সেস ফাঁকি উদ্ঘাটন করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্তরা স্বেচ্ছায় ১১.৭ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। মোট ১৩১টি পাউচ-প্যাকিং মেশিন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
SC/SD/SKD/
(रिलीज़ आईडी: 2302010)
आगंतुक पटल : 4