প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
azadi ka amrit mahotsav

চণ্ডীগড়ে ₹৪,৭০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের শিলান্যাস ও জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করলেন প্রধানমন্ত্রী

प्रविष्टि तिथि: 17 JUL 2026 5:24PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লী, ১৭ জুলাই ২০২৬


আজ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী চণ্ডীগড়ে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সড়ক পরিকাঠামো ক্ষেত্রে ₹৪,৭০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের শিলান্যাস করেন এবং জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। দেশের সুশৃঙ্খল অগ্রগতির এক অনুকরণীয় মডেল হিসেবে চণ্ডীগড়ের অনন্য মর্যাদার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নত জীবনযাত্রা ও সহজ জীবনযাপনের পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য এই শহর সুপরিচিত। এই অঞ্চলের ওপর মা চণ্ডীর আশীর্বাদের কথা স্মরণ করে তিনি চণ্ডীগড়ের ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত উন্নয়নের প্রতি বর্তমান সরকারের অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। শ্রী মোদী বলেন, “চণ্ডীগড়ের উন্নয়ন সবসময়ই বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ছিল।”

প্রায় দেড় বছর আগে দেশের বিচারব্যবস্থায় আনা সংস্কারের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঔপনিবেশিক যুগের শাস্তিমূলক আইন থেকে দেশ এখন ন্যায়বিচার-কেন্দ্রিক আইনব্যবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, “ভারতীয় ন্যায় সংহিতার  বাস্তবায়ন চণ্ডীগড় থেকেই শুরু হয়েছিল।”

শহরকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলতে গৃহীত আর্থিক বিনিয়োগের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী ইন্টিগ্রেটেড কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, স্মার্ট ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট এবং ডিজিটাল গভর্ন্যান্সের মতো রূপান্তরমূলক উদ্যোগগুলির উল্লেখ করেন। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধনের জন্য চণ্ডীগড়বাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, এই সব  উন্নয়নের পেছনে বিপুল মূলধনী বিনিয়োগ করা হয়েছে। শ্রী মোদী বলেন, “শহরটিকে হাই-টেক করে তুলতে এই মিশনে আড়াই হাজার কোটিরও বেশি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।”

 প্রধানমন্ত্রী বলেন যে তিনি এর আগে হরিয়ানার জিন্দে একটি কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন এবং এর পর পাঞ্জাবের জলন্ধর সফর করবেন। তিনি তাঁর চন্ডীগড়কে প্রতিবেশী রাজ্যগুলিকে সুসংহতভাবে যুক্ত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক সেতু হিসেবে তুলে ধরেন। " চণ্ডীগড়  হরিয়ানা ও পাঞ্জাব—উভয় রাজ্যকেই সংযুক্ত করে,” বলেন শ্রী মোদী।

স্থানীয় স্তরে নগর উন্নয়নের বৃহত্তর আঞ্চলিক প্রভাবের উপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, শহরের উন্নয়ন কীভাবে হিমাচল প্রদেশ ও জম্মু ও কাশ্মীরের মতো প্রতিবেশী অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মানকে সরাসরি উন্নত করে। তিনি বিশেষভাবে আঞ্চলিক স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থায় চণ্ডীগড়ের অপরিহার্য ও কেন্দ্রীয় ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। “চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রে, চণ্ডীগড় গোটা অঞ্চলের একটি বৃহৎ স্বাস্থ্যকেন্দ্র,”  বলেন শ্রী মোদী।

স্থানীয় চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে উন্নত স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর বড় সম্প্রসারণের ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী নিউরোসায়েন্স সেন্টার, মা ও শিশু কেন্দ্র এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ার হাসপাতাল ব্লকের মতো গুরুত্বপূর্ণ নতুন সুবিধার কথা জানান। “এই প্রকল্পগুলি লক্ষ লক্ষ মানুষকে আরও উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করবে,” বলেন শ্রী মোদী।

২০১৫ সালে এই প্রতিষ্ঠানের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তাঁর সফরের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী গত এক দশকে এখানকার  অসাধারণ সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশংসা করেন। তিনি এই অগ্রগতির ধারাকে অব্যাহত রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে চলা প্রশাসনিক দল, শিক্ষকমণ্ডলী এবং চিকিৎসকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। “আমি এখানকার অধ্যাপক ও তরুণ চিকিৎসকদের প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা সম্প্রসারণের জন্য প্রশংসা করি,” বলেন শ্রী মোদী।

শক্তিশালী জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং পরিচ্ছন্নতার মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী স্বচ্ছ ভারত অভিযানের সূচনার কথা স্মরণ করেন। তিনি কোটি কোটি শৌচালয় নির্মাণ থেকে শুরু করে খোলা জায়গায় শৌচকর্মের অবসান পর্যন্ত যে ব্যাপক পরিকাঠামোগত পরিবর্তন আনা হয়েছে, তার বিস্তারিত উল্লেখ করেন। পাশাপাশি শহরটি পরিচ্ছন্নতার র‌্যাঙ্কিংয়ে আরও উন্নতি করার জন্য যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, তারও প্রশংসা করেন। “পরিচ্ছন্নতা যেন আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে, সেই লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে,” বলেন শ্রী মোদী।

নাগরিক দায়বদ্ধতার অসাধারণ নজির স্থাপনকারী স্থানীয় অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস আধিকারিকের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ‘ব্রুম ওয়ারিয়র' নামে পরিচিত ইন্দরজিৎ সিং সিধুর প্রশংসা করেন। তিনি জানান, তাঁর উদ্যোগে তৃণমূল স্তরে পরিচ্ছন্নতা আন্দোলনের সূচনা হয়েছে। এই ধরনের অনুপ্রেরণাদায়ক জনসেবামূলক প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য সরকার জাতীয় পুরস্কারের মাধ্যমে তাঁকে সম্মানিত করেছে, তা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী গর্ব প্রকাশ করেন। “নতুন এক সচেতনতা জাগিয়ে তোলার জন্য আমাদের সরকার এ বছর তাঁকে পদ্ম পুরস্কারে সম্মানিত করেছে,” বলেন শ্রী মোদী।

জনস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতাকে কোনও এককালীন কর্মসূচি নয়, বরং নিরন্তর জীবনযাপনের একটি অংশ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন যে, এদিনের অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে ‘স্বচ্ছতা সে স্বাগত’ অভিযানকে যুক্ত করা হয়েছে। এই উদ্যোগকে সাধারণ মানুষ যেভাবে গ্রহণ করেছেন, তার প্রশংসা করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোগ প্রতিরোধে আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে এই উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। “দেশজুড়ে বহু রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান অত্যন্ত সহায়ক প্রমাণিত হয়েছে,” বলেন শ্রী মোদী।

অতীতে দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর সক্ষমতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে সংশয় ছিল, তার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী করোনা মহামারির সময় ভারতের সক্রিয় নেতৃত্বের সঙ্গে সেই পুরনো ধারণার তুলনা করেন। তিনি গর্বের সঙ্গে বলেন, সাহায্যের জন্য হাত পাতার পরিবর্তে ভারত সেই সংকটের সময় অন্য দেশগুলিকে সাহায্য করেছিল এবং আজ জটিল চিকিৎসার জন্য বিশ্বের অন্যতম প্রধান গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। “আমাদের সরকার ভারতের সক্ষমতাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে এবং বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গিতেও আমূল পরিবর্তন এনেছে,” বলেন শ্রী মোদী।
গত বারো বছরের নিরলস নীতি বাস্তবায়নের ফলেই এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন, চিকিৎসার অভাব দূর করা এবং সকল নাগরিকের জন্য সাশ্রয়ী ও উন্নতমানের স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই সরকার প্রথম থেকেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। “গত বারো বছরে দেশের যে সাফল্য এসেছে, তা এই সংকল্পেরই সরাসরি ফল,” বলেন শ্রী মোদী।

চিকিৎসা পরিকাঠামোর দেশব্যাপী দ্রুত সম্প্রসারণের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, ২০১৪ সালের পর দেশে ১৫টি নতুন এইমস  অনুমোদিত হয়েছে, শতাধিক মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হয়েছে এবং বিশেষ হাসপাতালের সংখ্যা  বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি গর্বের সঙ্গে স্মরণ করেন, ২০২২ সালে চণ্ডীগড়ে তাঁর উদ্বোধন করা হোমি ভাবা ক্যান্সার হাসপাতাল বর্তমানে হাজার হাজার রোগীকে দক্ষতার সঙ্গে পরিষেবা প্রদান করছে। শ্রী মোদী বলেন, “সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত তার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর দ্রুত ও ব্যাপক সম্প্রসারণ করেছে।”

প্রাথমিক স্তরে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো মিশন কীভাবে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্লক এবং জনস্বাস্থ্য ল্যাবরেটরির মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করছে। তিনি জানান, বর্তমানে প্রায় ১.৭৫ লক্ষ আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির শহর, গ্রাম ও জনজাতি অধ্যুষিত অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সমন্বিত স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান করছে। শ্রী মোদী বলেন, “প্রতিটি গ্রামে দ্রুত প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা পরিকাঠামোর উন্নয়নের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।”
জনস্বাস্থ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তির বৈপ্লবিক সংযোজনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ই-সঞ্জীবনী  উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই পরিষেবা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের সুযোগকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজলভ্য করে তুলেছে। এখন প্রত্যন্ত এলাকার মানুষও দীর্ঘ পথ ভ্রমণ না করেই দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করতে পারছেন। শ্রী মোদী জানান, “আজ পর্যন্ত সারা দেশে ৪৮ কোটিরও বেশি টেলিমেডিসিন পরামর্শ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”

এই ব্যাপক চিকিৎসা সংস্কারের জীবনরক্ষাকারী প্রভাবের পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ৯০ শতাংশেরও বেশি প্রসব অত্যন্ত নিরাপদ প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার মধ্যে সম্পন্ন হচ্ছে। তিনি মাতৃমৃত্যুর হার ৮৬ শতাংশ হ্রাস এবং দেশজুড়ে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য কম হবার মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। “স্বাস্থ্য পরিষেবার এই ব্যাপক সম্প্রসারণের ফলে শিশুমৃত্যুর হারে বিরাট হ্রাস ঘটেছে,” বলেন শ্রী মোদী।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে অগ্রগতির পাশাপাশি সক্রিয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা কৌশলের উপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি পুষ্টি অভিযান, মিশন ইন্দ্রধনুষ, যোগ, এইচপিভি টিকাকরণ অভিযান এবং U-WIN প্ল্যাটফর্মের মতো  উদ্যোগগুলির প্রশংসা করেন, যা বিপুল সংখ্যক মানুষকে সম্ভাব্য স্বাস্থ্য সংকট থেকে সুরক্ষা দিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। “এই ধরনের বহু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের কারণে কোটি কোটি মানুষের জীবন নিরন্তর সুরক্ষিত হচ্ছে,” বলেন প্রধানমন্ত্রী।

যক্ষ্মার বিরুদ্ধে দেশের ব্যাপক অভিযানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী  ‘টিবি মুক্ত ভারত অভিযান’-এর কথা তুলে ধরেন, যেখানে দ্রুত শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সাম্প্রতিক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টের উল্লেখ করে তিনি জানান, গত এক দশকে যক্ষ্মা সংক্রমণ ২১ শতাংশ কমেছে এবং চিকিৎসার আওতায় আসার হার ৯০ শতাংশেরও বেশি হয়েছে। “সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রত্যেক ব্যক্তিকে এই বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন করে তোলা হচ্ছে,” বলেন শ্রী মোদী।

এই স্বাস্থ্য বিপ্লবের প্রধান সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলিই এর সবচেয়ে বড় সুফল পাচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশে সবার জন্য সমান চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি মৌলিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এসেছে। “ভারতে স্বাস্থ্য পরিষেবা এখন আর কোনও বিশেষ সুবিধা নয়, এটি ধীরে ধীরে মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে,” বলেন শ্রী মোদী।
চিকিৎসা শিক্ষার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী অতীতে মেডিক্যাল শিক্ষার আসনের তীব্র ঘাটতির কথা স্মরণ করেন, যার ফলে বহু মেধাবী ছাত্রছাত্রীর স্বপ্ন ভেঙে যেত। তিনি জানান, দেশে মেডিক্যাল কলেজের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। স্নাতকোত্তর স্তরের আসনেও রেকর্ড বৃদ্ধি ঘটেছে এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানে একটি নতুন এমবিবিএস কলেজ স্থাপনের বহু প্রতীক্ষিত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। “এই বিপুল সম্প্রসারণের ফলে প্রতিভাবান তরুণরা সেরা প্রতিষ্ঠানগুলিতে পড়াশোনার সুযোগ পাবে এবং দেশ পাবে সর্বোত্তম চিকিৎসক,” বলেন শ্রী মোদী।

শহরের অনন্য শিক্ষা, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং চিকিৎসা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যদ্বাণী করেন যে, এটি দ্রুত স্টার্টআপ ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। এই শিক্ষাগত অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করতে তিনি পাঞ্জাব ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে কুরুক্ষেত্র বয়েজ হস্টেলের উদ্বোধন এবং নতুন গবেষক আবাসনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা উল্লেখ করেন। “আমাদের লক্ষ্য হল, দেশের তরুণরা যাতে উন্নত গবেষণার জন্য সর্বোত্তম ল্যাবরেটরি ও আরও উন্নতমানের শিক্ষক-শিক্ষিকা পান,” বলেন শ্রী মোদী।

কঠোর একাডেমিক পরিবেশকে প্রযুক্তিগত সাফল্যের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা,  সেমিকন্ডাক্টর এবং ডিপ-টেক ক্ষেত্রে অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে একটি শক্তিশালী গবেষণা পরিকাঠামো অপরিহার্য। তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় লক্ষ্য পূরণে দেশের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতার প্রতি অটুট আস্থা প্রকাশ করেন। শ্রী মোদী বলেন, “গবেষণার পরিবেশ যখন সত্যিকার অর্থে শক্তিশালী হবে, তখনই উদ্ভাবনের গতি দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।”

অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মূল নকশা হিসেবে উন্নত পরিকাঠামোর গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী সরকারের নতুন সমন্বিত উন্নয়নমূলক দৃষ্টিভঙ্গির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বিমানবন্দর সড়কের যানজট কমাতে আইটি সিটি থেকে কুরালি পর্যন্ত ছয় লেনের গ্রিনফিল্ড হাইওয়ের উদ্বোধন করেন এবং ‘PR Seven Spur’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, যা আঞ্চলিক যাতায়াতকে আরও সহজ ও দ্রুত করবে। শ্রী মোদী বলেন, “এই ধরনের সমস্ত কৌশলগত উন্নয়নমূলক কাজের ফলে শিল্প ও ব্যবসা ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব নতুন গতি আসবে।”
আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রসার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী একইসঙ্গে জলন্ধরে রেল প্রকল্পের সূচনা এবং দেশের প্রথম  হাইড্রোজেন ট্রেনের ঐতিহাসিক যাত্রার কথা ঘোষণা করেন, যা জিন্দ থেকে সোনিপত পর্যন্ত চলবে। তিনি এই  অগ্রগতির জন্য দেশবাসীকে অভিনন্দন জানান এবং পরিবেশবান্ধব পরিবহণ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এটিকে এক নতুন যুগের সূচনা বলে অভিহিত করেন। শ্রী মোদী বলেন, “সম্পূর্ণ পরিষ্কার জ্বালানিতে চলা এই ট্রেন দেশের জন্য এক ঐতিহাসিক সূচনা চিহ্নিত করছে।”
বিকশিত ভারতের দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণের শেষে ভবিষ্যৎ-প্রস্তুত প্রযুক্তি, আধুনিক পরিবহণ ব্যবস্থা এবং উন্নত স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর ওপর নিরন্তর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও চণ্ডীগড়ের জনগণকে আশ্বস্ত করেন যে বর্তমান সরকার এমন স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা আগামী প্রজন্মের জন্য দীর্ঘদিন সেবা প্রদান করবে। শ্রী মোদী বলেন, “আমাদের দৃঢ়ভাবে এমন সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যার সর্বাধিক সুফল সহজেই আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে যায়।”

https://x.com/narendramodi/status/2078041151890989396?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2078041151890989396%7Ctwgr%5E958c17ed6f474edd44f3d64ceac2befd112a89ea%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasePage.aspx%3FPRID%3D2285808reg%3D3lang%3D1


https://x.com/PMOIndia/status/2078043332195090592?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2078043332195090592%7Ctwgr%5E958c17ed6f474edd44f3d64ceac2befd112a89ea%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasePage.aspx%3FPRID%3D2285808reg%3D3lang%3D1

https://x.com/PMOIndia/status/2078043809280413939?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2078043809280413939%7Ctwgr%5E958c17ed6f474edd44f3d64ceac2befd112a89ea%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasePage.aspx%3FPRID%3D2285808reg%3D3lang%3D1

https://x.com/PMOIndia/status/2078045343183511609?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2078045343183511609%7Ctwgr%5E958c17ed6f474edd44f3d64ceac2befd112a89ea%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasePage.aspx%3FPRID%3D2285808reg%3D3lang%3D1

 

 


SC/


(रिलीज़ आईडी: 2286006) आगंतुक पटल : 2
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: Malayalam , English , Urdu , Marathi , हिन्दी , Assamese , Punjabi , Gujarati , Tamil