PIB Backgrounder
azadi ka amrit mahotsav

ভারতের উদীয়মান প্রযুক্তি পরিকাঠামো

যে প্রযুক্তি গড়ে তুলছে ভারতের আগামী

प्रविष्टि तिथि: 22 JUN 2026 10:41AM by PIB Agartala

নয়াদিল্লি, ২২ জুন, ২০২৬

 

গত এক দশকে ভারত শুধু একটি বৃহৎ ডিজিটাল বাজার নয়, বরং উদীয়মান আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামো, স্বদেশি উদ্ভাবন, স্টার্টআপ পরিমণ্ডল এবং উদীয়মান প্রযুক্তিতে সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ভারত আজ বৈশ্বিক প্রযুক্তি বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, সুপারকম্পিউটিং, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং সাইবার নিরাপত্তার মতো ক্ষেত্রে মিশনভিত্তিক উদ্যোগ একটি শক্তিশালী উদ্ভাবন পরিমণ্ডল গড়ে তুলছে। নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামো, অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল শাসনব্যবস্থা এবং ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ভারতকে বিশ্বস্ত প্রযুক্তি অংশীদার হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করছে।

অগ্রযাত্রার সূচনা

প্রায় ১২ বছর আগে প্রযুক্তিকে বিকশিত ভারতের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু হয়। ডিজিটাল পরিকাঠামো সম্প্রসারণ, উদ্ভাবনকে উৎসাহ এবং প্রযুক্তির সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ধারাবাহিক উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, সুপারকম্পিউটিং, ব্লকচেন ও ক্লাউড পরিকাঠামোর মতো ক্ষেত্রে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা পরিকাঠামো, স্টার্টআপ সহায়তা এবং শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা জোরদার করা হয়েছে।

ডিজিটাল ইন্ডিয়া : প্রযুক্তি বিকাশের ভিত্তি

২০১৫ সালে চালু হওয়া ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচি দেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ভিত্তি স্থাপন করে।

অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কের বিস্তার ২০১৯ সালের ১৯.৩৫ লক্ষ রুট কিলোমিটার থেকে ২০২৫ সালে ৪২.৩৬ লক্ষ রুট কিলোমিটারে পৌঁছেছে। ৫জি পরিষেবা দেশের ৯৯.৯% জেলায় পৌঁছে গেছে।

ইন্টারনেট সংযোগ ২০১৪ সালের ২৫.১৫ কোটি থেকে ২০২৬ সালে ১০২.৮৬ কোটিতে পৌঁছেছে। একই সময়ে ব্রডব্যান্ড সংযোগ ৬.১ কোটি থেকে বেড়ে ৯৯.৫৬ কোটিতে উন্নীত হয়েছে।

এই সম্প্রসারণ এআই, ক্লাউড কম্পিউটিং, ব্লকচেইন, ফিনটেক-সহ তথ্যভিত্তিক প্রযুক্তির বিকাশকে ত্বরান্বিত করেছে।

সুপারকম্পিউটিং-এ আত্মনির্ভরতার পথে

২০১৫ সালে ৪,৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চালু হওয়া জাতীয় সুপারকম্পিউটিং মিশনের অধীনে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৩৮টি সুপারকম্পিউটার স্থাপন করা হয়েছে, যাদের সম্মিলিত কম্পিউটিং ক্ষমতা ৪৭ পেটাফ্লপস।

স্বদেশে নির্মিত পরম রুদ্র সিরিজের সুপারকম্পিউটার উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিংয়ে ভারতের আত্মনির্ভরতার গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।

সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে অগ্রগতি

সেমিকন্ডাক্টর আধুনিক প্রযুক্তির মূলভিত্তি। এই ক্ষেত্রে সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২১ সালে ৭৬,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সেমিকন ইন্ডিয়া কর্মসূচি চালু করা হয়।

২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন ২.০-এর জন্য প্রাথমিকভাবে ১,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত প্রায় ১.৬৪ লাখ কোটি টাকা মূল্যের ১২টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে একটি সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাব, দুটি কম্পাউন্ড সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাব এবং নয়টি প্যাকেজিং ইউনিট।

কোয়ান্টাম প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত

কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ভবিষ্যতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে উঠে এসেছে।

২০২৩ সালে ৬,০০৩.৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে জাতীয় কোয়ান্টাম মিশন অনুমোদিত হয়। কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, কোয়ান্টাম যোগাযোগ, কোয়ান্টাম সেন্সিং ও কোয়ান্টাম উপাদান উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

দেশে চারটি থিমভিত্তিক কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে এবং ৪৩টি প্রতিষ্ঠানের ১৫২ জনেরও বেশি গবেষক এই উদ্যোগে যুক্ত রয়েছেন।

ভারত ইতিমধ্যেই ১,০০০ কিলোমিটার নিরাপদ কোয়ান্টাম যোগাযোগ নেটওয়ার্ক প্রদর্শন করেছে। ২০২৬ সালে অমরাবতীতে দেশের প্রথম কোয়ান্টাম ভ্যালির শিলান্যাস করা হয়েছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ভারতের উত্থান

এআই অর্থনীতি ও শিল্পক্ষেত্রে দ্রুত পরিবর্তন আনছে। এই ক্ষেত্রকে এগিয়ে নিতে ২০২৪ সালে ১০,৩০০ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে ইন্ডিয়াএআই মিশন অনুমোদিত হয়।

এই মিশনের আওতায় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং পরিকাঠামো, গবেষণা, স্টার্টআপ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জনসেবায় এআই ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশে প্রায় ১.৮ লক্ষ স্টার্টআপ রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৮৯% নতুন স্টার্টআপ এআই-ভিত্তিক সমাধান ব্যবহার করছে।

বস্তুত, ৩৮,০০০-এর বেশি জিপিইউ-সমৃদ্ধ কম্পিউটিং পরিকাঠামো এবং এআই কোষ প্ল্যাটফর্মে ১২,১১৫টি তথ্যভাণ্ডার ও ৩০৬টি এআই মডেল গবেষণা ও উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

ক্লাউড কম্পিউটিং-এ স্বদেশি সক্ষমতা

ডিজিটাল শাসনব্যবস্থা ও তথ্য সুরক্ষার জন্য ক্লাউড পরিকাঠামো আজ অপরিহার্য।

বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের মেঘরাজ কর্মসূচি ২০১৪ সালে চালু হয়। পরবর্তীতে মেঘরাজ ২.০-এর মাধ্যমে হাইব্রিড ক্লাউড ও উন্নত সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়।

২০২৫-২৬ সালে যেখানে ৩৪২টি সরকারি বিভাগ এই পরিষেবা ব্যবহার করত, বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে ২,৩২৩-এ পৌঁছেছে। ডিজিলকার, মাইগভ এবং জাতীয় বৃত্তি পোর্টালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মগুলি এই ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল।

বিকশিত ভারতের প্রযুক্তিগত ভিত্তি

ডিজিটাল পরিকাঠামো, সেমিকন্ডাক্টর, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সুপারকম্পিউটিং এবং ক্লাউড ব্যবস্থায় ধারাবাহিক বিনিয়োগ ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। এই উদ্যোগগুলি শুধু আত্মনির্ভরতা নয়, বরং ২০৪৭ সালের বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী প্রযুক্তিগত ভিত্তি নির্মাণ করছে।

ব্লকচেন : ডিজিটাল উদ্ভাবনের নতুন অধ্যায়

ব্লকচেন একটি নিরাপদ ও বিকেন্দ্রীভূত ডিজিটাল লেজার ব্যবস্থা, যা মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই তথ্য সংরক্ষণ ও যাচাই করতে সক্ষম। স্বচ্ছতা, অপরিবর্তনীয়তা ও নির্ভরযোগ্যতার কারণে এটি প্রশাসন, অর্থনীতি, সরবরাহ ব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা এবং ডিজিটাল পরিষেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ২০২১ সালে বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক ৬৪.৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে জাতীয় ব্লকচেন কাঠামো চালু করে।

২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ব্লকচেনভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে ৩ কোটির বেশি সম্পত্তি সংক্রান্ত নথি যাচাই করা হয়েছে। পাশাপাশি, ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ডিজিটাল রুপির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করেছে এবং টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা অবাঞ্ছিত বার্তা নিয়ন্ত্রণে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।

তথ্যকেন্দ্র : ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তি

তথ্যকেন্দ্র বা ডেটা সেন্টার ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও আদানপ্রদানের মূল পরিকাঠামো। ক্লাউড পরিষেবা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ব্লকচেন এবং ভবিষ্যতের প্রযুক্তিগুলির কার্যক্রম এই পরিকাঠামোর ওপর নির্ভরশীল।

ভারতের তথ্যকেন্দ্র সক্ষমতা ২০২০ সালের প্রায় ৩৭৫ মেগাওয়াট থেকে ২০২৫ সালে প্রায় ১,৫০০ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। মুম্বই, নবি মুম্বই, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু, নয়ডা ও জামনগর তথ্যকেন্দ্রের প্রধান কেন্দ্র হিসাবে গড়ে উঠেছে।

জৈবপ্রযুক্তি: উদ্ভাবননির্ভর বিকাশের নতুন পর্ব

গত এক দশকে জৈবপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে উদ্ভাবন, উদ্যোগ এবং উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

১,৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে জাতীয় বায়োফার্মা মিশন, বায়োই-থ্রি নীতি, বায়োনেস্ট ইনকিউবেটর এবং বিভিন্ন উদ্ভাবনভিত্তিক প্রকল্প এই ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করেছে।

২০২৩ সালে ভারতের জৈবপ্রযুক্তি ক্ষেত্র ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের গণ্ডি অতিক্রম করে এবং ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এর আকার ১৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। দেশের ২৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৯৪টি বায়ো-ইনকিউবেটর গড়ে তোলা হয়েছে।

গবেষণা ও উদ্ভাবনের পরিকাঠামো শক্তিশালীকরণ

প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ গড়তে গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালে অনুসন্ধান জাতীয় গবেষণা ফাউন্ডেশন (এএনআরএফ) কার্যকর করা হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর, উন্নত উপাদান এবং অন্যান্য অগ্রগামী প্রযুক্তিতে গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।

২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত উচ্চ-প্রভাবসম্পন্ন প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ২৬৪.৭০ কোটি টাকা মূল্যের অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া, ২০২৫ সালে ১ লাখ কোটি টাকা তহবিল নিয়ে গবেষণা, বিকাশ ও উদ্ভাবন কর্মসূচি অনুমোদিত হয়েছে।

উদীয়মান প্রযুক্তির জন্য দক্ষ মানবসম্পদ

প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য দক্ষ মানবসম্পদ অপরিহার্য। এই লক্ষ্য নিয়ে ২০১৮ সালে ফিউচারস্কিলস প্রাইম কর্মসূচি চালু করা হয়।

২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ২৭.৫৩ লক্ষের বেশি ব্যক্তি এই প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন করেছেন এবং ১৭.১৪ লক্ষের বেশি শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ বা পাঠক্রম সম্পন্ন করেছেন। অংশগ্রহণকারীদের প্রায় ৮০% দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের শহর থেকে এসেছেন।

এনআইইএলআইটি : প্রযুক্তি দক্ষতার প্রসার

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি (এনআইইএলআইটি) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ব্লকচেইন, আইওটি ও ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মতো ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

দেশজুড়ে ৫৬টি কেন্দ্র, ৭৫০টি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান এবং ৯,০০০-এর বেশি সহায়ক কেন্দ্রের মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় সক্ষমতা বৃদ্ধি

‘মেক এআই ইন ইন্ডিয়া, মেক এআই ওয়ার্ক ফর ইন্ডিয়া’ ভাবনায় ১,৪৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সুস্থায়ী নগরায়ণ এবং কৃষি ক্ষেত্রে এই কেন্দ্রগুলি কাজ করছে। পাশাপাশি, এসওএআর কর্মসূচির মাধ্যমে বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই এআই বিষয়ে দক্ষতা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে মানবসম্পদ উন্নয়ন

২০২২ সালে ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে চিপস টু স্টার্টআপ (সি-টু-এস) কর্মসূচি চালু করা হয়।

এর লক্ষ্য সেমিকন্ডাক্টর ও চিপ নকশা ক্ষেত্রে ৮৫,০০০ দক্ষ পেশাজীবী তৈরি করা এবং গবেষণা, উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ বিকাশকে উৎসাহ দেওয়া।

বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারতের ক্রমবর্ধমান গ্রহণযোগ্যতা

গত এক দশকে ভারত প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে।

গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৫-এ ভারতের অবস্থান ২০১৫ সালের ৮১তম স্থান থেকে উঠে ৩৮তম স্থানে পৌঁছেছে।

দেশে বর্তমানে ২,১০০-এর বেশি গ্লোবাল কেপেবিলিটি সেন্টার (জিসিসি) রয়েছে, যেখানে প্রায় ২৩.৬ লক্ষ পেশাজীবী কর্মরত।

ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামোয় বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব

আধার, ইউপিআই, ডিজিলকার, কোউইন, উমঙ্গ এবং জেম-এর মতো প্ল্যাটফর্ম ভারতের ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামো (ডিপিআই)-কে বিশ্বমানের উদাহরণে পরিণত করেছে।

ভারত ইতিমধ্যে ২৩টি দেশের সঙ্গে ডিপিআই সহযোগিতা সংক্রান্ত চুক্তি করেছে। ইউপিআই সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, ফ্রান্স, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা-সহ একাধিক দেশে চালু হয়েছে।

বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর প্রযুক্তিগত ভিত্তি

গত ১২ বছরের অর্জন কেবল বিচ্ছিন্ন সাফল্যই নয়, বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর প্রযুক্তিগত ভিত্তি নির্মাণের ধারাবাহিক প্রয়াস-ও।

ডিজিটাল পরিকাঠামো, গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিশ্বব্যাপী অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ভারত আজ শুধু প্রযুক্তি গ্রহণকারী দেশ নয়, বরং অন্তর্ভুক্তিমূলক, নির্ভরযোগ্য ও মানবকেন্দ্রিক প্রযুক্তি উন্নয়নের বিশ্বব্যপী আলোচনার অন্যতম পথপ্রদর্শক।

তথ্যসূত্র

Ministry of Electronics and Information Technology

Ministry of Communications

PIB Backgrounders

Cabinet

Ministry of Science and Technology

Ministry of Defence

Ministry of External Affairs

Department of Higher Education (Ministry of Education)

Ministry of Skill Development and Entrepreneurship

Prime Minister’s Office

Ministry of Finance

Network Readiness Index

NASSCOM

Click Here To See PDF

*****

PS/Agt


(रिलीज़ आईडी: 2276728) आगंतुक पटल : 5
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , हिन्दी , Bengali , Gujarati