লোকসভা সচিবালয়
বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জনভাগীদারি, উদ্যোগ এবং উদ্ভাবন: লোকসভার অধ্যক্ষ
प्रविष्टि तिथि:
07 JUN 2026 9:33PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ০৭ জুন, ২০২৬
লোকসভার অধ্যক্ষ শ্রী ওম বিড়লা আজ বলেছেন, বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর লক্ষ্য একমাত্র পূরণ হওয়া সম্ভব জনভাগীদারি, উদ্ভাবন, উদ্যোগ এবং সমবেত সংকল্পের মাধ্যমে। নতুন দিল্লিতে মাহেশ্বরী সম্প্রদায়ের জাতীয় সম্মেলনে ‘মাহেশ্বরীজ অ্যান্ড মেকিং অফ বিকশিত ভারত ২০৪৭’ শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি জোর দিয়ে বলেন, উদ্যোগ এবং দেশ গঠনকে হাতে হাত মিলিয়ে এগোতে হবে, যদি উন্নয়নের সুফল সমাজের সকলের কাছে পৌঁছে দিতে হয়। তিনি বলেন, উন্নত দেশ হওয়ার পথে ভারতের যাত্রাকে পথ নির্দেশ করবে অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ।
ভারতের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে মাহেশ্বরী সম্প্রদায়কে প্রাণবন্ত শক্তি হিসেবে বর্ণনা করে শ্রী বিড়লা তাদের সেবা, নীতিসম্মত বাণিজ্যিক কাজকর্ম, দানধ্যান এবং সামাজিক দায়িত্ববোধের মাধ্যমে দেশ গঠনে তাদের অমূল্য অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই সম্প্রদায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নিয়মিত সব অঞ্চলে সামাজিক কল্যাণে কাজ করে চলেছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জনসেবা ক্ষেত্রে নানা ধরনের প্রতিষ্ঠান, সংস্থা স্থাপন করে এবং পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে।
লোকসভার অধ্যক্ষ বলেন, মাহেশ্বরী সম্প্রদায় ঐতিহাসিকভাবে দেখিয়েছে তাদের উদ্যোগী মনোভাব এবং যে কোনো অবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার অতুলনীয় ক্ষমতা, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক রূপান্তরকে উল্লেখযোগ্যভাবে চালিত করেছে। মেট্রো নগরীতেই হোক কিংবা উত্তরপূর্ব অথবা দক্ষিণ ভারত এই সম্প্রদায়ের সদস্যরা তৈরি করেছে সুযোগ, সৃষ্টি করেছে কর্মসংস্থানের এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছে। তিনি আরও বলেন, সততা, নৈতিক আচরণ এবং সামাজিক সম্প্রীতির প্রতি এই সম্প্রদায়ের দায়বদ্ধতা, বাণিজ্য মহলে উদাহরণের মানদণ্ড তৈরি করেছে।
শ্রী বিড়লা জোর দিয়ে বলেন, সাফল্যের প্রকৃত পরিমাপ শুধুমাত্র সম্পদ সৃষ্টি দিয়ে হয় না, বরং মূল্যবোধ এবং ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনের মাধ্যমে বোঝা যায়। শ্রী আনন্দ রাঠির উদ্যোগের সাফল্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তাঁর অতুলনীয় যাত্রা তরুণ উদ্যোগপতিদের প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণা। তিনি বিচারপতি জে কে মাহেশ্বরীর অবদানের প্রশংসা করেন, বলেন, বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে এবং আইনি সংস্কারকে এগিয়ে নিয়ে যেতে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। তিনি বলেন, এই ধরনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব প্রমাণ করে এই সম্প্রদায়ের উৎকর্ষ, নেতৃত্ব এবং জনসেবার দৃঢ়মূল ঐতিহ্য।
ভবিষ্যৎ গঠনে যুব সম্প্রদায়ের ভূমিকা তুলে ধরে শ্রী বিড়লা বলেন, শিক্ষিত, দক্ষ এবং প্রযুক্তি সক্ষম, তরুণ সম্প্রদায় বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি তরুণ প্রজন্মকে উদ্ভাবন, কৃত্রিম মেধা এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তিকে আঁকড়ে ধরে ভারতকে বিশ্ব নেতার স্থানে পৌঁছে দেওয়ার আবেদন জানান। তিনি বলেন, আগামী যুগ পরিচালিত হবে জ্ঞান এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে। তিনি তরুণ সমাজকে চাকরিপ্রার্থী না হয়ে চাকরি দাতা হওয়ার পরামর্শ দেন।
অধ্যক্ষ আরও বলেন, গত এক দশকে ভারতের অগ্রগতি দেখিয়েছে দেশের দৃঢ়তা, আত্মবিশ্বাস এবং সংঘবদ্ধ নিষ্ঠা। তিনি অধিকার এবং কর্তব্যের মধ্যে ভারসাম্য রাখার গুরুত্বকে তুলে ধরেন। তিনি জোর দেন দায়িত্ববান নাগরিকত্বে, প্রতিষ্ঠানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনে এবং জনজীবনে সক্রিয় অংশগ্রহণে, যা দীর্ঘমেয়াদী জাতীয় উন্নয়নের পক্ষে জরুরি। সংসদ এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির মাধ্যমে যে আইনি সংস্কারের কাজ হয়েছে তা সহজে ব্যবসা করার সুযোগ তৈরি করেছে এবং স্বচ্ছতা এনেছে বলে অধ্যক্ষ মন্তব্য করেন।
ভাষণের শেষে শ্রী বিড়লা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, একতা, সেবা, উদ্যোগ এবং ‘দেশ আগে’ এই নীতির ভাবনা ভারতকে বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম করে তুলবে। মাহেশ্বরী সম্প্রদায় বিশেষ করে তাদের যুব সম্প্রদায়কে তিনি উদ্ভাবন, নীতি সম্মত নেতৃত্ব এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নকে চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। শ্রী বিড়লা পুনরায় ব্যক্ত করেন যে, উন্নত ভারত একমাত্র তৈরি হতে পারে তখনই যখন প্রত্যেক নাগরিক অগ্রগতিতে সক্রিয় ভূমিকা নেবে এবং যখন অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং সকলের কল্যাণের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে চলবে।
SC/AP/SKD
(रिलीज़ आईडी: 2270199)
आगंतुक पटल : 11