পেট্রোলিয়ামওপ্রাকৃতিকগ্যাসমন্ত্রক
পশ্চিম এশিয়ার ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান ক্ষেত্রগুলির সর্বশেষ পরিস্থিতি
প্রকাশিত:
02 MAY 2026 4:24PM by PIB Kolkata
নিউ দিল্লি, ০২ মে ২০২৬
পশ্চিম এশিয়ার ক্রমপরিবর্তনশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে, ভারত সরকার সমন্বিত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রধান ক্ষেত্রে প্রস্তুতি এবং ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে সক্রিয়ভাবে নিয়োজিত রয়েছে। শক্তি সরবরাহ, সামুদ্রিক কার্যক্রম এবং ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তার বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপগুলি নিচে তুলে ধরা হলো:
*শক্তি সরবরাহ এবং জ্বালানির প্রাপ্যতা*
পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক বর্তমান জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে পেট্রোলিয়াম পণ্য ও এলপিজি-র (LPG) নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপগুলি সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেছে। এটি উল্লেখ করা হয়েছে যে:
*জনসাধারণের জন্য পরামর্শ এবং নাগরিক সচেতনতা*
* নাগরিকদের পেট্রোল, ডিজেল এবং এলপিজি-র জন্য আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা (panic purchase) এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, কারণ সরকার এগুলোর প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সমস্ত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
* গুজবে কান দেবেন না এবং সঠিক তথ্যের জন্য কেবল সরকারি সূত্রের ওপর নির্ভর করুন।
* এলপিজি গ্রাহকদের ডিজিটাল বুকিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হচ্ছে এবং ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে যাওয়া এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
* নাগরিকদের পিএনজি (PNG) এবং ইলেকট্রিক বা ইন্ডাকশন কুকটপ ব্যবহারের মতো বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
* বর্তমান পরিস্থিতিতে সমস্ত নাগরিককে তাদের দৈনন্দিন ব্যবহারে শক্তি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা চালানোর অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
*সরকারি প্রস্তুতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত পদক্ষেপ*
* চলতি ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও সরকার ঘরোয়া এলপিজি, ঘরোয়া পিএনজি এবং সিএনজি (পরিবহন) ক্ষেত্রে ১০০% সরবরাহ নিশ্চিত করেছে।
* বাণিজ্যিক এলপিজি-র ক্ষেত্রে হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ফার্মা, স্টিল, অটোমোবাইল, বীজ, কৃষি ইত্যাদি ক্ষেত্রকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ৫ কেজির এফটিএল (FTL) সিলিন্ডার সরবরাহ ২ এবং ৩ মার্চ ২০২৬-এর গড় দৈনিক সরবরাহের ভিত্তিতে দ্বিগুণ করা হয়েছে।
* সরকার সরবরাহ এবং চাহিদা উভয় ক্ষেত্রেই বেশ কিছু যৌক্তিক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করেছে, যার মধ্যে রিফাইনারি উৎপাদন বৃদ্ধি, শহরাঞ্চলে বুকিংয়ের ব্যবধান ২১ থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন এবং গ্রামাঞ্চলে ৪৫ দিন করা এবং সরবরাহের ক্ষেত্রে বিভিন্ন খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া অন্তর্ভুক্ত।
* এলপিজি-র চাহিদার ওপর চাপ কমাতে কেরোসিন এবং কয়লার মতো বিকল্প জ্বালানি সহজলভ্য করা হয়েছে।
* কয়লা মন্ত্রক কোল ইন্ডিয়া এবং সিঙ্গারেনি কোলিয়ারিজ-কে নির্দেশ দিয়েছে যাতে তারা ছোট ও মাঝারি গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণের জন্য রাজ্যগুলিকে অতিরিক্ত কয়লা সরবরাহ করে।
* রাজ্যগুলিকে ঘরোয়া ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের জন্য নতুন পিএনজি সংযোগের সুবিধা প্রদানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
*রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সঙ্গে সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা*
* রাজ্য সরকারগুলিকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন, ১৯৫৫ এবং এলপিজি কন্ট্রোল অর্ডার, ২০০০-এর অধীনে সরবরাহ পর্যবেক্ষণ এবং মজুতদারি ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
* পেট্রোল, ডিজেল এবং এলপিজি-সহ অত্যাবশ্যকীয় পণ্যগুলির সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সরকারকে প্রাথমিক ভূমিকা পালন করতে হবে। ভারত সরকার একাধিক চিঠি এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সমস্ত রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে এই বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
* ভারত সরকার ২৭.০৩.২০২৬ এবং ০২.০৪.২০২৬ তারিখের চিঠির মাধ্যমে পর্যাপ্ত জ্বালানির প্রাপ্যতা সম্পর্কে নাগরিকদের আশ্বস্ত করার জন্য সক্রিয় জনযোগাযোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে। রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সাথে নিয়মিত পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ০২.০৪.২০২৬ এবং ০৬.০৪.২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলিতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে:
* দৈনিক প্রেস ব্রিফিং করা এবং নিয়মিত জনস্বার্থে পরামর্শ জারি করা।
* সামাজিক মাধ্যমে ভুয়ো খবর/ভুল তথ্যের ওপর সক্রিয় নজরদারি চালানো এবং তা মোকাবিলা করা।
* জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে দৈনিক এনফোর্সমেন্ট ড্রাইভ জোরদার করা এবং তেল সংস্থাগুলোর (OMCs) সাথে সমন্বয় করে তল্লাশি ও পরিদর্শন অব্যাহত রাখা।
* নিজ নিজ রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দের আদেশ জারি করা।
* রাজ্যগুলিকে বরাদ্দ করা অতিরিক্ত কেরোসিনের (SKO) জন্য বরাদ্দের আদেশ জারি করা।
* পিএনজি গ্রহণ এবং বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া।
* এলপিজি সরবরাহের ক্ষেত্রে বিশেষত ঘরোয়া চাহিদা এবং ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডার বন্টনে অগ্রাধিকার দেওয়া।
* সমস্ত রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মজুতদারি ও কালোবাজারি রুখতে কন্ট্রোল রুম এবং জেলা পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করেছে।
* অনেক রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং পরিচালনা করছে।
*এনফোর্সমেন্ট এবং মনিটরিং অ্যাকশন*
* এলপিজি-র মজুতদারি ও কালোবাজারি রোধে দেশজুড়ে এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। গতকাল দেশজুড়ে ১৭০০-র বেশি রেইড চালানো হয়েছে।
* রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি আকস্মিক পরিদর্শন জোরদার করেছে এবং গতকাল পর্যন্ত ৩৪২টি এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরশিপের ওপর জরিমানা আরোপ করেছে এবং ৭৩টি ডিস্ট্রিবিউটরশিপ স্থগিত করেছে।
এলপিজি (LPG) সরবরাহ
**ঘরোয়া এলপিজি সরবরাহের স্থিতি:**
* বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এলপিজি সরবরাহ প্রভাবিত হওয়া অব্যাহত রয়েছে।
* ঘরোয়া পরিবারগুলিতে এলপিজি সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
* এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে কোনো 'ড্রাই-আউট' (dry-out) বা ঘাটতি রিপোর্ট করা হয়নি।
* গতকাল শিল্প স্তরে অনলাইন এলপিজি সিলিন্ডার বুকিং ৯৯% পর্যন্ত পৌঁছেছে।
* ডাইভারশন রুখতে ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড (DAC) ভিত্তিক ডেলিভারি প্রায় ৯৪% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্রাহকের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে এই DAC পাঠানো হয়।
**বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ এবং বরাদ্দ সংক্রান্ত পদক্ষেপ:**
* মোট বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ সংকটের আগের স্তরের প্রায় ৭০%-এ উন্নীত করা হয়েছে, যার মধ্যে ১০% সংস্কার-সংযুক্ত বরাদ্দ অন্তর্ভুক্ত।
* ভারত সরকার ০৬.০৪.২০২৬ তারিখের চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছে যে, পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডারের দৈনিক সরবরাহ দ্বিগুণ করা হচ্ছে। এই সিলিন্ডারগুলি রাজ্য সরকারের হাতে তেল সংস্থাগুলির (OMCs) সহায়তায় বন্টনের জন্য রাখা হয়েছে।
* ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে এ পর্যন্ত ২২.৭৮ লক্ষের বেশি ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।
* ৩ এপ্রিল ২০২৬ থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি ৯৯৮০-র বেশি সচেতনতামূলক শিবির আয়োজন করেছে, যেখানে ১,৭১,০০০-এর বেশি ৫ কেজির সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।
* IOCL, HPCL এবং BPCL-এর একজিকিউটিভ ডিরেক্টরদের নিয়ে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি রাজ্য এবং শিল্প সংস্থাগুলির সাথে পরামর্শ করে বাণিজ্যিক এলপিজি বন্টন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে।
* এপ্রিল ২০২৬ থেকে এ পর্যন্ত মোট ২,০৫,৮৪৯ মেট্রিক টন বাণিজ্যিক এলপিজি বিক্রি হয়েছে (যা ১০৮.৩৪ লক্ষেরও বেশি ১৯ কেজির সিলিন্ডারের সমান)।
* এপ্রিল ২০২৬ থেকে এ পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির মাধ্যমে মোট ১০,৬৯৮ মেট্রিক টন অটো এলপিজি বিক্রি হয়েছে।
*প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ এবং পিএনজি সম্প্রসারণ উদ্যোগ*
* ঘরোয়া পিএনজি (D-PNG) এবং সিএনজি (পরিবহন) ক্ষেত্রে ১০০% সরবরাহ বজায় রাখা হয়েছে।
* সার কারখানাগুলিতে গ্যাসের সামগ্রিক বরাদ্দ তাদের ছয় মাসের গড় ব্যবহারের প্রায় ৯৮%-এ উন্নীত করা হয়েছে।
* অন্যান্য শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে (সিজিডি নেটওয়ার্ক-সহ) গ্যাস সরবরাহ ৮০% পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
* বাণিজ্যিক এলপিজি-র প্রাপ্যতা সংক্রান্ত উদ্বেগ মেটাতে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও ক্যান্টিনের মতো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে পিএনজি সংযোগকে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে।
* IGL, MGL, GAIL Gas এবং BPCL-এর মতো সংস্থাগুলি নতুন সংযোগের জন্য বিশেষ উৎসাহভাতা (incentives) প্রদান করছে।
* সিজিডি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন দ্রুত কার্যকর করতে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
* ১৮.০৩.২০২৬ তারিখের চিঠির মাধ্যমে রাজ্যগুলিকে অতিরিক্ত ১০% বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যদি তারা দীর্ঘমেয়াদী পিএনজি রূপান্তরে সহায়তা করে। বর্তমানে ২২টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এই সুবিধা পাচ্ছে।
* পাইপলাইন স্থাপনের জন্য একটি সময়োপযোগী কাঠামো প্রদান করতে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের অধীনে 'প্রাকৃতিক গ্যাস এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য বন্টন আদেশ, ২০২৬' বিজ্ঞাপিত করা হয়েছে। এটি পিএনজি নেটওয়ার্কের বৃদ্ধি এবং ভারতের গ্যাস-ভিত্তিক অর্থনীতিকে ত্বরান্বিত করবে।
* জাতীয় পিএনজি ড্রাইভ ২.০ এর সময়সীমা ৩০.০৬.২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
* রাজ্যগুলোকে নিজস্ব সিবিজি (CBG) নীতি তৈরিতে সহায়তার জন্য একটি মডেল খসড়া নীতি তৈরি করা হয়েছে।
* সিজিডি পরিকাঠামোর জন্য প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ১৫ দিনের মধ্যে প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
* মার্চ ২০২৬ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৫.৯৬ লক্ষ পিএনজি সংযোগ গ্যাসীকরণ করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত ২.৬৮ লক্ষ সংযোগের পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে (মোট ৮.৬৪ লক্ষ সংযোগ)। এছাড়া ৬.৬৬ লক্ষ গ্রাহক নতুন সংযোগের জন্য নিবন্ধিত হয়েছেন।
* ০১.০৫.২০২৬ পর্যন্ত ৪৩,৩৫০-এর বেশি গ্রাহক এলপিজি ছেড়ে পিএনজি গ্রহণ করেছেন।
*অপরিশোধিত তেল পরিস্থিতি এবং শোধনাগার কার্যক্রম*
* সমস্ত শোধনাগার উচ্চ ক্ষমতায় কাজ করছে এবং পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে। পেট্রোল ও ডিজেলেরও যথেষ্ট স্টক বজায় রাখা হয়েছে।
* অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে শোধনাগার থেকে ঘরোয়া এলপিজি উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে।
* পেট্রোকেমিক্যাল ফিডস্টক নিশ্চিত করতে একটি আন্তঃমন্ত্রক জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ (JWG) গঠন করা হয়েছে। ফার্মা এবং রাসায়নিক খাতের সংস্থাগুলির জন্য প্রতিদিন ১০০০ মেট্রিক টন এলপিজি বরাদ্দ করা হয়েছে।
* ৯ এপ্রিল ২০২৬ থেকে এ পর্যন্ত মুম্বাই, কোচি, ভাইজ্যাগ, চেন্নাই, মথুরা এবং গুজরাট শোধনাগার থেকে ১০,০০০ মেট্রিক টনের বেশি প্রোপিলিন এবং ১২০০ মেট্রিক টনের বেশি বিউটাইল অ্যাক্রিলেট বিক্রি করা হয়েছে।
*খুচরা জ্বালানির প্রাপ্যতা এবং মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত পদক্ষেপ*
* সারা দেশে সমস্ত পাইকারি বিক্রয়কেন্দ্র স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।
* মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়লেও গ্রাহকদের সুরক্ষায় ভারত সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর এক্সাইজ ডিউটি প্রতি লিটারে ১০ টাকা কমিয়েছে।
* ভারত সরকার ৩০.০৪.২০২৬ তারিখের গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ডিজেলের ওপর রপ্তানি শুল্ক প্রতি লিটারে ৫৫.৫০ টাকা থেকে কমিয়ে ২৩ টাকা এবং এটিএফ (ATF)-এর ওপর ৪২ টাকা থেকে কমিয়ে ৩৩ টাকা করেছে।
* গুজবের কারণে কিছু পাইকারি বিক্রয়কেন্দ্রে আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা (Panic Buying) দেখা গেছে। তবে জানানো হচ্ছে যে দেশের সমস্ত পেট্রোল পাম্পে পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলোর বিক্রয়কেন্দ্রে খুচরা দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
*কেরোসিনের প্রাপ্যতা এবং বন্টন ব্যবস্থা*
* নিয়মিত বরাদ্দের বাইরে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে অতিরিক্ত ৪৮,০০০ কিলোলিটার কেরোসিন বরাদ্দ করা হয়েছে। ১৮টি রাজ্য ইতিমধ্যেই বরাদ্দের আদেশ জারি করেছে।
*সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং জাহাজ চলাচল*
* পারস্য উপসাগরের সামুদ্রিক পরিস্থিতি এবং ভারতীয় জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন্দর, নৌপরিবহন ও জলপথ মন্ত্রক বিদেশ মন্ত্রক এবং ভারতীয় মিশনগুলির সাথে সমন্বয় বজায় রাখছে।
* অঞ্চলের সমস্ত ভারতীয় নাবিক নিরাপদ এবং গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজের ওপর হামলার খবর নেই।
* ডিজি শিপিং কন্ট্রোল রুম সক্রিয় হওয়ার পর থেকে ৮,৩৩৫টি কল এবং ১৭,৮৩৮টির বেশি ইমেল পরিচালনা করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৭টি ফোনকল ও ১৪৪টি ইমেল গ্রহণ করা হয়েছে।
* এ পর্যন্ত ২,৯২২ জন ভারতীয় নাবিককে নিরাপদভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ৩০ জন নাবিক রয়েছেন।
* ভারতের বন্দরগুলোতে কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো জট নেই।
*ওই অঞ্চলে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা*
* বিদেশ মন্ত্রক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর সাথে তথ্য আদানপ্রদান ও সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে।
* সংযুক্ত আরব আমীরশাহী (UAE), সৌদি আরব ও ওমান থেকে বিমান চলাচল অব্যাহত রয়েছে।
* কাতারের আকাশপথ আংশিক খোলা। এয়ার ইন্ডিয়া, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস এবং ইন্ডিগো কাতার থেকে ভারতে বিমান পরিষেবা শুরু করেছে।
* কুয়েতের আকাশপথ খোলা। জাজিরা এয়ারওয়েজ এবং কুয়েত এয়ারওয়েজ সীমিত পরিষেবা দিচ্ছে।
* বাহরিনের আকাশপথ খোলা। এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস এবং গালফ এয়ার পরিষেবা দিচ্ছে। ইন্ডিগো আজ থেকে পরিষেবা শুরু করার পরিকল্পনা করছে।
* ইরান থেকে ভারতীয় নাগরিকদের স্থলপথ দিয়ে ফিরে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তেহরানের ভারতীয় দূতাবাস এ পর্যন্ত ২,৪৯০ জন ভারতীয় নাগরিককে স্থলপথ দিয়ে ইরান থেকে সরিয়ে নিতে সহায়তা করেছে।
* ইরাক ও ইজরায়েলের আকাশপথ খোলা এবং সীমিত বিমান চলাচল করছে।
ভারত সরকার ওই অঞ্চলের ভারতীয় নাগরিকদের কল্যাণ ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
SC/PK
(রিলিজ আইডি: 2257508)
ভিজিটরের কাউন্টার : 13
এই রিলিজটি পড়তে পারেন:
English
,
Urdu
,
Marathi
,
हिन्दी
,
Assamese
,
Gujarati
,
Odia
,
Tamil
,
Telugu
,
Kannada
,
Malayalam