অর্থমন্ত্রক
সরকার, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং এনপিসিআই-এর সমন্বিত উদ্যোগে ডিজিটাল লেনদেন দ্রুত বেড়ে চলেছে; তাৎক্ষণিক খুচরো ডিজিটাল লেনদেন প্রণালী হিসেবে বিশ্বের বৃহত্তম ব্যবস্থাপনা হয়ে উঠেছে ইউপিআই
প্রকাশিত:
16 MAR 2026 4:31PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ১৬ মার্চ ২০২৬
সরকার, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং এনপিসিআই-এর সমন্বিত উদ্যোগে ডিজিটাল লেনদেন দ্রুত বেড়ে চলেছে।
২০২১-২২-এ ডিজিটাল লেনদেনের সংখ্যা ছিল ৭১৭৬.৯০ কোটি, ২০২২-২৩-এ এই সংখ্যা দাঁড়ায় ১১,৩৬৯.৫৬ কোটিতে। ২০২৩-২৪-এ এই সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬,৪১৬.০২ কোটি এবং ২০২৪-২৫-এ ২২,১৬৭.৯০ কোটি। সংখ্যার নিরিখে বাৎসরিক ভিত্তিতে ২০২১-২২ অর্থবর্ষের তুলনায় ডিজিটাল লেনদেন ২০২২-২৩-এ ৫৮.৪২ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৩-২৪-এ বৃদ্ধির হার ৪৪.৩৯ শতাংশ। বাৎসরিক ভিত্তিতে ২০২৪-২৫-এ এই বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩৫.০৪ শতাংশ।
২০২১-২২-এ ডিজিটাল লেনদেনের মোট আর্থিক মূল্যমান ছিল ৪৫৭.৪৪ কোটি টাকা। ২০২২-২৩-এ এই মূল্যমান দাঁড়ায় ৫৮৭.৩৯ কোটি টাকা। ২০২৩-২৪-এ তা আরও বেড়ে ৭১৯.৩৭ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। ২০২৪-২৫-এ পৌঁছে যায় ৮৪৯.১২ কোটি টাকায়। বাৎসরিক ভিত্তিতে বৃদ্ধির হার ২০২২-২৩-এ ২৮.৪১ শতাংশ, ২০২৩-২৪-এ ২২.৪৭ শতাংশ এবং ২০২৪-২৫-এ ১৮.০৪ শতাংশ।
২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে খুচরো ডিজিটাল লেনদেনের ৮১ শতাংশই হয়েছে ইউপিআই মারফৎ। বর্তমানে তাৎক্ষণিক খুচরো ডিজিটাল লেনদেন প্রণালী হিসেবে বিশ্বের বৃহত্তম ব্যবস্থাপনা হয়ে উঠেছে ইউপিআই।
ভৌগোলিক এবং জনবিন্যাসগত ভিত্তিতে ডিজিটাল লেনদেনের প্রবণতার বিষয়ে তথ্য সেভাবে রাখা হয় না। তবে এক্ষেত্রে স্মার্ট ফোনের ব্যবহার, আধার ভিত্তিক যাচাই, ই-কেওয়াইসি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে।
ডিজিটাল লেনদেন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল সাক্ষরতা, মোবাইল নেটওয়ার্কের মতো বিষয়গুলি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তবে মহারাষ্ট্র এবং অন্ধ্রপ্রদেশের ক্ষেত্রে এই ধরনের সমস্যার নির্দিষ্ট কোনও খবর মেনেনি। ডিজিটাল জালিয়াতি রুখতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং এনপিসিআই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গ্রাহকের মোবাইল ফোন এবং মোবাইল নম্বরের মধ্যে বিশেষ সংযোগ স্থাপন, পিআইএন-এর মাধ্যমে দ্বিস্তরীয় যাচাই, লেনদেনের দৈনিক সীমা নির্ধারণ ইত্যাদি। এনপিসিআই ব্যাঙ্কগুলির হাতে ডিজিটাল জালিয়াতি রোধ করার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত প্রকৌশল তুলে দিচ্ছে। এছাড়াও আরবিআই এবং বিভিন্ন ব্যাঙ্ক এসএমএস, বেতার এবং আরও নানা পন্থায় সচেতনতা প্রসারে উদ্যোগী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক চালু করেছে ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টাল (http://www.cybercrime.gov.in) এবং সাইবার ক্রাইম হেল্পলাইন নম্বর ১৯৩০। রয়েছে টেলি-যোগাযোগ দপ্তরের ডিজিটাল ইন্টেলিজেন্স প্ল্যাটফর্ম এবং “চক্ষু” ব্যবস্থাপনা। এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপ, বা ফোনে সন্দেহজনক কোনও বার্তা পেলে নাগরিকরা ওইসব প্রণালীর মাধ্যমে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনতে পারেন।
গ্রাম এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডিজিটাল লেনদেন পরিকাঠামোর প্রসারে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক একটি বিশেষ তহবিল (পিআইডিএফ) গড়ে তুলেছে। এছাড়াও রয়েছে এনপিসিআই-এর ইউপিআই ১২৩পিএওয়াই (আইভিআর ভিত্তিক) এবং হ্যালো ইউপিআই (আলাপচারিতা ভিত্তিক) ব্যবস্থাপনা।
ডিজিটাল সাক্ষরতার প্রসারে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ২৪২১টি কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে (২০২৫-এর ৩১ মার্চ পর্যন্ত)।
লোকসভায় আজ এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমন।
SC/AC /NS….
(রিলিজ আইডি: 2241076)
ভিজিটরের কাউন্টার : 4