কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা
azadi ka amrit mahotsav

জল জীবন মিশন (জেজেএম) এর – মেয়াদ ২০২৮ এর ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সবুজ সংকেত, বরাদ্দ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত, জেজেএম ২.০ রূপায়িত হবে নতুন কাঠামোগত ভিত্তিতে

প্রকাশিত: 10 MAR 2026 4:12PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ১০ মার্চ, ২০২৬

 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা আজ জল জীবন মিশনের পুনর্গঠনের লক্ষ্যে জলশক্তি মন্ত্রকের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে। পরিকাঠামো নির্মাণ থেকে পরিষেবা প্রদান, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা এবং ধারাবাহিকভাবে গ্রামীণ পরিবারগুলিতে নলবাহিত পানীয় জল সরবরাহ – সবক্ষেত্রেই কার্যকর নতুন ও উন্নততর কাঠামোগত ভিত্তিতে কাজ এগিয়ে চলবে।

 

কর্মসূচির মেয়াদ ২০২৮ –এর ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এজন্য মোট বরাদ্দ বাড়িয়ে ৮.৬৯ লক্ষ কোটি টাকা করা হচ্ছে। কেন্দ্রের তরফে সহায়তার পরিমাণ ২০১৯-২০-তে অনুমোদিত ২.০৮ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হবে ৩.৫৯ লক্ষ কোটি টাকা।

 

নতুন ব্যবস্থাপনায় জাতীয় স্তরে একটি অভিন্ন ডিজিটাল কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে – যার নাম “সুজলম ভারত”। এর আওতায় প্রতিটি গ্রামের জন্য একটি অনন্য সুজল গ্রাম পরিষেবা অঞ্চল আইডি গড়ে উঠবে। তার ফলে উৎস থেকে পরিষেবা প্রদান স্থল পর্যন্ত সমগ্র ব্যবস্থাপনার ডিজিটাল মানচিত্রায়ন সম্ভব হবে। গ্রাম পঞ্চায়েত এবং গ্রামের জল সরবরাহ সমিতিগুলির দায়বদ্ধতা বাড়াতে “জল অর্পণ” নামে একটি কর্মসূচির সূচনা হবে। 

কাজ সম্পন্ন হলে গ্রাম পঞ্চায়েত নির্দিষ্টভাবে তা ঘোষণা করবে। “হর ঘর জল” নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের তরফে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টিও থাকছে। বিষয়টি এগিয়ে নিতে যেতে গোষ্ঠীগত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বার্ষিক ভিত্তিতে “জল উৎসব” – এর আয়োজন হবে।

২০১৯-এ ৩.২৩ কোটি গ্রামীণ পরিবারে (১৭ শতাংশ) নলবাহিত জলসংযোগ ছিল। জলজীবন মিশনের আওতায় আরও ১২.৫৬ কোটি গ্রামীণ পরিবারে এই সংযোগ পৌঁছেছে। বর্তমানে দেশের রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মাধ্যমে চিহ্নিত ১৯.৩৬ কোটি গ্রামীণ পরিবারের মধ্যে ১৫.৮০ কোটি পরিবারে (৮১.৬১ শতাংশ) নলবাহিত জলসংযোগ রয়েছে। 

শুধুমাত্র বস্তুগত সাফল্যের মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ নেই। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক নানা প্রতিষ্ঠানের সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে জল জীবন মিশনের সুবাদে জল বয়ে আনার কাজ থেকে মুক্তি পেয়েছেন ৯ কোটি মহিলা। তাঁরা অন্য অর্থকরী কাজে যুক্ত হতে পারছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী জল জীবন মিশনের সুবাদে দৈনিক ৫.৫ কোটি কর্মপ্রহর বেঁচে যাচ্ছে। ডায়ারিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা কমানো গেছে ৪ লক্ষ কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। নোবেল জয়ী প্রফেসর মাইকেল ক্রেমার-এর হিসেব অনুযায়ী ৫ বছরের কম বয়সী শিশুর মৃত্যু কমেছে ৩০ শতাংশ। আইআইএম ব্যাঙ্গালোর এবং ইন্টার ন্যাশনাল লেবার অরগানাইজেশনের সমীক্ষা অনুযায়ী জেজেএম-এর সুবাদে প্রত্যক্ষভাবে ৫৯.৯ লক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ২.২ কোটি কর্মবর্ষ তৈরী হওয়ার কথা। 

 

জেজেএম ২.০, বিকশিত ভারত@২০৪৭ - এর স্বপ্নপূরণে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হয়ে উঠতে চলেছে অবশ্যই।  

 

SC/ AC/SG


(রিলিজ আইডি: 2237741) ভিজিটরের কাউন্টার : 52