শিল্পওবাণিজ্যমন্ত্রক
পিএম গতিশক্তির আওতায় বহুমুখী সংযোগ বৃদ্ধির জন্য সড়ক পরিকাঠামো প্রকল্পগুলির মূল্যায়নে নেটওয়ার্ক পরিকল্পনা গোষ্ঠীর ১০৮তম বৈঠক
প্রকাশিত:
04 FEB 2026 12:20PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
শিল্প প্রসার ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য দপ্তরের নেটওয়ার্ক পরিকল্পনা গোষ্ঠীর ১০৮তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। এই বৈঠকে পরিকাঠামো সংক্রান্ত প্রকল্পগুলির মূল্যায়ন করা হয়। বিশেষ জোর দেওয়া হয় পিএম গতিশক্তি জাতীয় মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বহুমুখী সংযোগ ও লজিস্টিক্স দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর। নেটওয়ার্ক পরিকল্পনা গোষ্ঠী পিএম গতিশক্তি নীতির আওতায় সংযুক্ত বহুমুখী পরিকাঠামো, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলির সঙ্গে শেষ পর্যায়ের সংযোগ এবং ‘সার্বিক সরকার’ দৃষ্টিভঙ্গীর মাপকাঠিতে সাতটি সড়ক প্রকল্পের মূল্যায়ন করে।
এইসব উদ্যোগ লজিস্টিক্স দক্ষতা বাড়াবে, যাতায়াতের সময় কমাবে এবং উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক সুফল দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এগুলির মূল্যায়ন এবং প্রত্যাশিত প্রভাব সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হল :
সড়ক, পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক
জাতীয় মহাসড়ক ৫৪৪-এর সালেম-কুমারপালিয়াম অংশ ছ’লেনের করা (তামিলনাড়ু) – এর মোট দৈর্ঘ্য ১০২.০৩৫ কিলোমিটার। এর আওতায় বিভিন্ন সার্ভিস রোড, সেতু, ফ্লাইওভার, কালভার্ট প্রভৃতি গড়ে তোলা হবে। এর ফলে, আঞ্চলিক সংযোগ ব্যাপকভাবে বাড়বে এবং রেল, সড়ক, বিমান ও বন্দরের সঙ্গে সংযোগ উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অমরাবতী আউটার রিং রোড (অন্ধ্রপ্রদেশ) – এর দৈর্ঘ্য ১৮৯.৯৩ কিলোমিটার। বিজয়ওয়াড়া, গুন্টুর, তেনালি সহ অমরাবতী রাজধানী অঞ্চলকে যানজট মুক্ত করা এবং বিজয়ওয়াড়া বিমানবন্দরের সঙ্গে সংযোগ মসৃণ করার লক্ষ্যে এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর সুবাদে জাতীয় জলপথ-৪ এবং মছলিপত্তনম ও কৃষ্ণপত্তনমের মতো বন্দরের সঙ্গে সংযোগও সুদৃঢ় হবে।
দু’লেনের রফিয়াবাদ-কুপওয়াড়া-চৌকিবাল-তাংধার সড়ক (জম্মু-কাশ্মীর) – এর দৈর্ঘ্য ৬২.১০ কিলোমিটার। এর ফলে এই সীমান্ত এলাকায় কৌশলগত ও আঞ্চলিক সংযোগ উন্নত হবে। নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি থাকা গ্রামগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করা আরও সহজ হবে। এর সুবাদে ঐ অঞ্চলের ব্যাপক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
লেহ বাইপাস (লেহ) – এর দৈর্ঘ্য ৪৮.১০৮ কিলোমিটার। এর সঙ্গে জাতীয় মহাসড়ক-১ (শ্রীনগর-লেহ) এবং জাতীয় মহাসড়ক-৩ (লেহ-মানালী)-এর সংযোগ ঘটানো হবে। এর ফলে লেহ শহরে যানজট কমবে এবং প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে সহজে যাওয়া যাবে। লেহ বিমানবন্দরের সঙ্গে এর সরাসরি সংযোগের ফলে শিল্প-বাণিজ্যের বিশেষ উন্নতি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
চিত্রকূট-মাঝগাঁওয়া-সান্তা শাখা দু’লেন থেকে চার লেনের করা (মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশ) – এর দৈর্ঘ্য ৭৭.১০২ কিলোমিটার। চিত্রকূট-সান্তা করিডরটি দু’লেন থেকে চার লেনের করা হচ্ছে। মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশের মধ্য দিয়ে যাওয়া এই করিডর আন্তঃরাজ্য সংযোগ, পণ্য পরিবহণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উন্নতি ঘটাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
চার লেনের রৌরকেলা-সিথিও মহাসড়ক (ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড) – এর দৈর্ঘ্য ১৫৬.১০ কিলোমিটার। ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের মধ্য দিয়ে যাওয়া এই গ্রিনফিল্ড মহাসড়ক পাঁচটি জেলাকে সংযুক্ত করেছে। এর মধ্যে একটি সি-ফুড ক্লাস্টার এবং একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলও রয়েছে।
ছ’লেনের পাটনা রিং রোড মহাসড়ক (বিহার) – এর দৈর্ঘ্য ৯.৯৮ কিলোমিটার। এই করিডর জাতীয় মহাসড়ক ৩০ এবং জাতীয় মহাসড়ক ৯২২-এর সঙ্গে সংযোগসাধন করে পাটনা ও সংলগ্ন অঞ্চলের যানজট কমাবে। আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাবে।
SC/SD/DM
(রিলিজ আইডি: 2223055)
ভিজিটরের কাউন্টার : 6