বিদ্যুৎমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

বিদ্যুৎ মন্ত্রকের বর্ষশেষ পর্যালোচনা – ২০২৫

प्रविष्टि तिथि: 16 JAN 2026 11:41AM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬

 

২০২৫ সালটি ভারতের বিদ্যুৎক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হয়ে রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, সংবহন এবং বন্টনে ঐতিহাসিক সাফল্য মিলেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ২৪২.৪৯ গিগাওয়াটের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানো হয়েছে। অন্যদিকে, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় জাতীয় স্তরে ঘাটতি ০.০৩ শতাংশ কমেছে।

 ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে মাথাপিছু বিদ্যুতের ব্যবহার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৪৬০ কিলোওয়াট-ঘন্টা। এটি ২০১৩-১৪ বর্ষের তুলনায় ৫২.৬ শতাংশ বেশি।

পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছে। এপ্রিল ২০১৪ থেকে এ পর্যন্ত অচিরাচরিত শক্তির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৮ গিগাওয়াট। এর মধ্যে ১৩০ গিগাওয়াট সৌরশক্তি, ৩৩ গিগাওয়াট বায়ুশক্তি, ৩.৪ গিগাওয়াট বায়োমাস, ১.৩৫ গিগাওয়াট ক্ষুদ্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ৯.৯ গিগাওয়াট বৃহৎ জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের।

২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে (৩০.১১.২০২৫ পর্যন্ত) কয়লা-ভিত্তিক ১৩.৩২ গিগাওয়াট নতুন তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র তৈরির বরাত দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭.২১ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে তাপবিদ্যুৎ উৎপাদনের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২২৬.২৩ গিগাওয়াট। এছাড়া, অতিরিক্ত ৪০.৩৫ গিগাওয়াটের কাজ চলছে। 

আগস্ট ২০২৫-এ কেন্দ্রীয় সরকার অরুণাচল প্রদেশে টাটো-২ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প (৭০০ মেগাওয়াট) অনুমোদন দিয়েছে। ৭২ মাসের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে। এর জন্য খরচ হবে ৮,১৪৬.২১ কোটি টাকা। ২০৩২ সালের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৫৮ গিগাওয়াটের চাহিদা মেটাতে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৩ থেকে ২০৩২ সাল পর্যন্ত জাতীয় বিদ্যুৎ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। এই পরিকল্পনায় মোট খরচ ধরা হয়েছে ৯.১৬ লক্ষ কোটি টাকা। 

পরিচালনগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আর্থিক সুস্থায়িত্বের লক্ষ্যে ১৯,৭৯,৩০,১৩১টি প্রি-পেইড স্মার্ট মিটার, ৫২,৫২,৬৯২টি ডিটি মিটার এবং ২,০৫,৪৭৫টি ফিডার মিটারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১,৩০,৬৭১ কোটি টাকা। 

প্রধানমন্ত্রী জনজাতি আদিবাসী ন্যায় মহা অভিযান (পিএম – জনমন) প্রকল্পের আওতায় দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠী, ধরতী আবা জনজাতীয় গ্রাম উৎকর্ষ অভিযানের আওতায় আদিবাসী বাড়ি এবং প্রধানমন্ত্রী অনুসূচিত জাতি অভ্যুদয় যোজনায় চিহ্নিত সমস্ত বাড়িতে অন-গ্রিড বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১৩,৬৫,১৩৯টি বাড়ির বৈদ্যুতিকরণের কাজে ৬,৫২২ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। 

কলকারখানাগুলিতে গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমাতে এবং কার্বন ক্রেডিট প্রদানের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ মন্ত্রক কার্বন ক্রেডিট ট্রেডিং প্রকল্প চালু করেছে। এমএসএমই-গুলিতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে জুলাই, ২০২৫-এ ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ সহ এডিইইটিআইই চালু করা হয়। 

২ মে, ২০২৫-এ বিদ্যুৎ মন্ত্রক বিদ্যুৎ আইন সংশোধন করে। এর ফলে, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির বকেয়া অর্থ আদায়ের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছে। বিদ্যুৎ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫-এর মাধ্যমে গ্রাহকদের নিজস্ব বিদ্যুৎ মজুতের অধিকার দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। অ-জীবাশ্ম উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভারত নির্ধারিত সময়ের প্রায় পাঁচ বছর আগেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। 

 


SC/MP/DM/16th Jan, 2026


(रिलीज़ आईडी: 2215403) आगंतुक पटल : 10
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , हिन्दी , Tamil , Kannada , Malayalam