অর্থমন্ত্রক
অর্থ মন্ত্রকের ২০২৫ সালের বর্ষশেষের পরিক্রমা : আর্থিক পরিষেবা বিভাগ
प्रविष्टि तिथि:
10 JAN 2026 11:30AM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ১০ জানুয়ারি ২০২৬
আর্থিক পরিষেবা বিভাগ (ডিএফ স) ২০২৫ সালে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের ধারা অব্যাহত রেখেছে। 'ইয়োর মানি, ইয়োর রাইট ক্যাম্পেইন', ব্যাঙ্কিং(সংশোধন) আইন, ২০২৫, ইএএসই ৮.০(যার নতুন নাম EASE₹ise), ‘ক্রেডিট লাইন অন ইউপিআই’, ‘হ্যালো! ইউপিআই’-এর মতো এআই-ভয়েস-সক্ষম পেমেন্ট সুবিধা, এনপিএ ব্যবস্থাপনা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, গ্রাহক পরিষেবার উন্নতি, ডিজিটাল রূপান্তরসহ অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত শক্তিশালী ও দৃঢ় ভিত্তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশনের ইএএসই স্টিয়ারিং কমিটির তত্ত্বাবধানে থাকা ইএএসই কর্মসূচি সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক জুড়ে একটি রূপান্তরমূলক পরিবর্তন এনেছে। ২০২২ সালের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত পিএসই মন্থন ২.০-এর ফলস্বরূপ ইএএসইইএক্সি কর্মসূচিটি একটি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃহত্তর, সাহসী এবং বিস্তৃত পরিসর নিয়ে বিকশিত হয়েছিল। এর তিনটি স্তম্ভ ছিল : স্তম্ভ ১- ইএএসই ৫.০ (সাধারণ সংস্কার কর্মসূচি), স্তম্ভ ২ - একটি ৩-বছরের ব্যাঙ্ক-নির্দিষ্ট কৌশলগত রোডম্যাপ এবং স্তম্ভ ৩ - রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলোর মধ্যে একটি সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা। এর মাধ্যমে তাদের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা হয়।
ইএএসই ৫.0 এবং ইএএসই ৬.০ চলাকালীন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলো উদীয়মান ব্যবসায়িক সক্ষমতা অর্জনের জন্য কাজ করেছে। ডিজিটাইজেশন, ডেটা-সক্ষম ক্ষমতা বৃদ্ধি, গ্রাহক পরিষেবা এবং জার্নি এনাবলমেন্ট, বিগ ডেটা অ্যানালিটিক্স, সাইবারসিকিউরিটি, ডেটা একত্রীকরণ এবং ই-কমার্স জায়ান্ট, ফিন-টেক, স্টার্টআপ, এনবিএফসি এবং কো-লেন্ডিং সহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা।
ডিএফএস-এর কৌশলগত হস্তক্ষেপ ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের আর্থিক স্বাস্থ্য এবং দৃঢ়তাকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করেছে। এর ফলে তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলোর মোট এনপিএ অনুপাত ২.২২%-এ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলোর ক্ষেত্রে তা ২.৫৮%-এ নেমে এসেছে। এছাড়া তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলোর প্রভিশন কভারেজ অনুপাত (পিসিআর) মার্চ-২০১৫-এর ৪৯.৩১% থেকে বেড়ে মার্চ-২০২৫-এ ৯৩.১৪%-এ পৌঁছেছে।
আর্থিক অন্তর্ভুক্তি একটি শীর্ষ অগ্রাধিকার হিসেবে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনা (পিএমজেডিওয়াই), প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বীমা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বীমা যোজনা, মুদ্রা, স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া এবং অটল পেনশন যোজনা, এনপিএস বাৎসল্যের মতো উদ্যোগগুলো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছে। ২০২৫ সাল নাগাদ, এই প্রকল্প এবং নীতিগত উদ্যোগগুলো তাদের পরিধি প্রসারিত করেছে। লক্ষ লক্ষ নাগরিক, বিশেষ করে প্রান্তিক সম্প্রদায়ের মানুষ, প্রয়োজনীয় ব্যাঙ্কিং, বীমা এবং পেনশন পরিষেবাগুলিতে যে প্রবেশাধিকার পাচ্ছে এ থেকে তা নিশ্চিত হয়।
আর্থিক পরিষেবা বিভাগ ২০২৫ সালে একটি স্থিতিস্থাপক ও প্রগতিশীল আর্থিক পরিস্থিতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এটি ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণে উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রেখেছে।
২০২৫ সালে অর্থ মন্ত্রকের আর্থিক পরিষেবা বিভাগের কিছু প্রধান সাফল্য ও নীতিগত উদ্যোগ নিচে দেওয়া হলো।
ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের কর্মক্ষমতা :
চাপ শনাক্তকরণ, সমস্যাগ্রস্ত হিসাবের সমাধান এবং ব্যাঙ্ক সংস্কারের ক্ষেত্রে সরকারের সামগ্রিক নীতিগত পদক্ষেপের ফলে ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের আর্থিক অবস্থা এবং দৃঢ়তা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।
ভারতীয় ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার উন্নয়নের চক্রটি সমস্ত মাপকাঠিতে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।
অর্থনীতির উৎপাদনশীল ক্ষেত্রগুলিতে ঋণের প্রবাহ ভালো গতিতে বাড়ছে। তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির (এসসিবি) সম্পদের গুণমান ক্রমাগত উন্নত হয়েছে এবং মোট অনাদায়ী ঋণ অনুপাত (জিএনপিএ) ও নিট অনাদায়ী ঋণ অনুপাত (এনএনপিএ) হ্রাস পেয়েছে।
তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির প্রভিশনিং কভারেজ অনুপাত (পিসিআর) ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কম স্লিপেজ অনুপাত, বাজারের থেকে মূলধন সংগ্রহ এবং মুনাফার মাধ্যমে নিট মূলধন বৃদ্ধির ফলে ব্যাঙ্কগুলো তাদের মূলধন পর্যাপ্ততার স্তরকে শক্তিশালী করতে সক্ষম হয়েছে।
• ব্যাঙ্কিং (সংশোধন) আইন, ২০২৫ শাসনব্যবস্থার মান উন্নত করেছে, আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের জন্য সুরক্ষা জোরদার করেছে এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে নিরীক্ষার গুণমান উন্নত করেছে। এছাড়াও এটি ব্যাঙ্কগুলোর বিধিবদ্ধ প্রতিবেদন দাখিলের প্রক্রিয়াকে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের অধীনে নিয়ে এসেছে এবং গ্রাহকদের সুবিধার জন্য মনোনয়ন প্রক্রিয়াকে সহজ করেছে।
• ব্যাঙ্কিং সংস্কারের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে সরকার ‘আপনার পুঁজি, আপনার অধিকার’ শিরোনামে দাবিবিহীন আর্থিক সম্পদ সম্পর্কে তিন মাসব্যাপী (২৫ অক্টোবর থেকে ২৫ ডিসেম্বর) একটি দেশব্যাপী সচেতনতা অভিযান বাস্তবায়িত করেছে। অর্থমন্ত্রীর চালু করা এই অভিযানের ফলে ৪,৫০০ কোটি টাকার দাবি তার প্রকৃত মালিকদের কাছে ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো সচেতনতা, সহজলভ্যতা এবং পদক্ষেপের মাধ্যমে নাগরিকদের ক্ষমতায়ন করা।
এই প্রচারের লক্ষ্য হলো নাগরিকদের তাদের দাবিবিহীন ব্যাঙ্ক আমানত, শেয়ার, লভ্যাংশ, মিউচুয়াল ফান্ড, বীমার অর্থ এবং অন্যান্য আর্থিক সম্পদ দাবি করার ক্ষেত্রে সহায়তা করা। সংশ্লিষ্ট তহবিল নিয়ন্ত্রকদের দ্বারা তৈরি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (এসওপি) এবং প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (এফএকিউ) দাবি প্রক্রিয়াটিকে সহজ, স্বচ্ছ এবং নাগরিক-বান্ধব করে তুলেছে।
• ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (এসবিআই) সফলভাবে ভারতের সর্ববৃহৎ কোয়ালিফাইড ইনস্টিটিউশনাল প্লেসমেন্ট (কিউআইপি) সম্পন্ন করেছে এবং ২৫,০০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। এছাড়াও, এটি আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ৪.৫% প্রতিযোগিতামূলক কুপন হারে, ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের বন্ড সংগ্রহ করেছে। এটি বিশ্ব বাজারে এসবিআই-এর মূল্য প্রস্তাবনা নির্দেশ করে।
দেশীয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং বিদেশী বিনিয়োগকারী উভয়ের জোরালো অংশগ্রহণ ভারতীয় অর্থনীতির এবং এর উপাদানগুলোর সচল অবস্থা ও শক্তিশালী ভিত্তিকে নির্দেশ করে। এটি ভারতের ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্র এবং অর্থনৈতিক গতিপথের প্রতি বিনিয়োগকারীদের দৃঢ় আত্মবিশ্বাসও নির্দেশ করে।
পিএসবি মন্থন
• ডিএফএস ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে পিএসবি মন্থন ২০২৫ শীর্ষক একটি দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সরকারি ক্ষেত্রের ব্যাঙ্কগুলোর ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, শিল্প বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, প্রযুক্তিবিদ এবং ব্যাঙ্কিং পেশাদাররা এতে অংশগ্রহণ করেন।
• এই অনুষ্ঠানে গ্রাহক অভিজ্ঞতা, সুশাসন, উদ্দেশ্যমূলক উদ্ভাবন, ঋণ বৃদ্ধি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, কর্মীবাহিনীর প্রস্তুতি, প্রযুক্তির আধুনিকীকরণ এবং জাতীয় অগ্রাধিকারের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।
• আলোচনাগুলো ডিজিটাল যুগে গ্রাহকদের অভিজ্ঞতাকে নতুন করে কল্পনা করা, সুশাসন ও পরিচালনগত উৎকর্ষকে অন্তর্ভুক্ত করা, উদ্দেশ্যমূলক উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা, টেকসই ঋণ বৃদ্ধি নিশ্চিত করা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামোকে শক্তিশালী করা এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত কর্মীবাহিনী গড়ে তোলার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছিল।
• পিএসবি-গুলো ১২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে পিএসবি মন্থন ২০২৫-এর প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে বিকশিত ভারত @২০৪৭-এর দিকে সরকারি ক্ষেত্রের ব্যাঙ্কগুলোর সম্মিলিত দৃষ্টিভঙ্গি এবং রোডম্যাপের রূপরেখা তুলে ধরা হয়।
অর্থ মন্ত্রকের আর্থিক পরিষেবা বিভাগ (ডিএফএস) সুশাসনের জন্য নিচে উল্লিখিত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে :
পরীক্ষায় প্রার্থী যাচাইয়ের জন্য আইবিপিএস কর্তৃক আধার প্রমাণীকরণের ব্যবহার :
• ডিএফএস ইনস্টিটিউট অফ ব্যাঙ্কিং পার্সোনেল সিলেকশনকে তার পরীক্ষা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় পরিচয় যাচাইয়ের জন্য স্বেচ্ছামূলকভাবে আধার প্রমাণীকরণ (হ্যাঁ/না এবং/অথবা ই-কেওয়াইসি) ব্যবহার করার জন্য অবহিত করেছে।
• এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সুশাসন বৃদ্ধি করা, ন্যায্য অবস্থা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, অনিয়ম প্রতিরোধ করা, পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়াকে সহজ করা এবং ব্যাঙ্কিং, আর্থিক পরিষেবা ও বীমা ক্ষেত্রের নিয়োগ ব্যবস্থার উপর আস্থা জোরদার করা।
আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলোর (আরআরবি) কর্মক্ষমতা:
• সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকারের সামগ্রিক নীতিগত পদক্ষেপ এবং সংস্কারের ফলে , আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্য ও দৃঢ়তা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।
নাবার্ডের তথ্য অনুযায়ী :
• সম্পদের গুণমান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে—
আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলোর মোট অনাদায়ী ঋণের অনুপাত (গ্রস এনপিএ অনুপাত) মার্চ-২০১৬ এর ৬.৮% এবং মার্চ-২০১৯ এর সর্বোচ্চ ১০.৮% থেকে কমে মার্চ-২০২৫-এ ৫.৪%-এ দাঁড়িয়েছে।
• সহনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে—
আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলোর প্রভিশন কভারেজ অনুপাত (পিসিআর) মার্চ-২০১৯ এর ৪০% থেকে বেড়ে মার্চ-২০২৫ এ ৬৫.১%-এ পৌঁছেছে।
• মূলধন পর্যাপ্ত অবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে—
আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলো মার্চ-২০২৫ পর্যন্ত তাদের সর্বোচ্চ মূলধন পর্যাপ্ত অবস্থার অনুপাত (সিআরএআর) অর্থাৎ ১৪.৪% অর্জন করেছে।
• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলো ৬,৮২০ কোটি টাকার সম্মিলিত নিট মুনাফা অর্জন করেছে। এটি সর্বকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
• সরকারের “এক রাজ্য, এক আরআরবি” দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলোর একত্রীকরণের মাধ্যমে ৪৩টি আরআরবি-কে ২৮টিতে একীভূত করা হয়েছে, যা কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। এছাড়াও, ২৮টি আরআরবি-র জন্য একটি সাধারণ লোগো তৈরি করা হয়েছে, যা জনসাধারণের মধ্যে দৃশ্যমানতা এবং গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছে।
• প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণ : গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে, আরআরবিগুলোকে প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিকীকরণ করা হয়েছে যাতে ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে ক্রমবর্ধমান সংখ্যক পরিষেবা প্রদান করা যায়।
• আরআরবি (কর্মচারী) পেনশন সংশোধনী বিধিমালা : ডিএফএস অক্টোবর-২০২৪-এ পেনশন বিধিমালা সংশোধন করেছে, যার অধীনে ৩১.০৩.২০২৫ তারিখ পর্যন্ত ৩৪,৬৪১ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী এবং পারিবারিক পেনশনভোগীদের মধ্যে ৩,১৫৯.৩৮ কোটি টাকার পেনশন ও বকেয়া বিতরণ করা হয়েছে।
• আরআরবি-র বোর্ডে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকর্তাদের মনোনয়ন : আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলোতে সুশাসন ও পরিপালন জোরদার করার জন্য, কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকর্তাদের আরআরবি-র বোর্ডে পরিচালক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
• অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে ঋণদান (পিএসএল):
অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে ঋণদান (পিএসএল) নিয়মের সংশোধন: সর্বশেষ সংশোধনীটি পুর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, সামাজিক পরিকাঠামো, শিক্ষা এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগের মতো মূল ক্ষেত্রগুলিতে ঋণের প্রবাহ বাড়ায় এবং দুর্বল গোষ্ঠীগুলির জন্য সমর্থন জোরদার করে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলোর অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে ঋণদান (পিএসএল) বিভাগের অধীনে বকেয়া ঋণের পরিমাণ ছিল সমন্বিত নিট ব্যাঙ্ক ঋণের ৮৮.৪৪%, যা ৭৫% লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে, বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলোও সমন্বিত নিট ব্যাঙ্ক ঋণের ৪২.১০% অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে ঋণদান অর্জন করেছে, যা ৪০% লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে।
সবার বীমা সবার সুরক্ষা - বীমা আইনের সংশোধন
• সবকা বীমা সবকি রক্ষা (বীমা আইনের সংশোধন) আইন, ২০২৫ নাগরিকদের সুরক্ষা বৃদ্ধি করে, বীমার প্রসার বাড়ায়, বীমা ক্ষেত্রের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে এবং ব্যবসা করার সহজতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যায়।
• গুরুত্বপূর্ণ বিধানগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. এফডিআই সীমা বৃদ্ধি : ভারতীয় বীমা কোম্পানিগুলিতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) সীমা ৭৪% থেকে বাড়িয়ে ১০০% করা হয়েছে। এটি স্থিতিশীল ও টেকসই বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে, প্রযুক্তি হস্তান্তর সহজ করতে, বীমার প্রসার এবং সামাজিক সুরক্ষা বাড়াতে সাহায্য করবে।
২. বাণিজ্য সরলীকরণ : এটি পলিসিধারীদের নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবা এবং সহায়তা নিশ্চিত করে এবং ব্যবসা করার বাণিজ্য সরলীকরণকে উৎসাহিত করে। এর মধ্যে আছে বীমা মধ্যস্থতাকারীদের জন্য এককালীন নিবন্ধনের ব্যবস্থা।
৩. এছাড়াও, বীমা কোম্পানিগুলির জন্য পরিশোধিত ইক্যুইটি মূলধনের শেয়ার স্থানান্তরের জন্য আইআরডিএআই-এর অনুমোদন চাওয়ার সীমা বর্তমান ১% থেকে বাড়িয়ে ৫% করা হয়েছে।
৪. বিদেশি পুনঃবীমাকারীদের জন্য নিট মালিকানাধীন তহবিলের প্রয়োজনীয়তা ৫,০০০ কোটি টাকা থেকে কমিয়ে ১,০০০ কোটি টাকা করা হয়েছে, যা আরও বেশি পুনঃবীমাকারীর প্রবেশকে সহজ করবে এবং দেশে বৃহত্তর পুনঃবীমা সক্ষমতা তৈরিতে সহায়তা করবে।
৫. বীমা সচেতনতা সৃষ্টি : এই সংশোধনীতে ঝুঁকি সুরক্ষা সম্পর্কে নাগরিকদের সচেতনতা বাড়াতে এবং পলিসিধারীদের জন্য শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে একটি পলিসিধারীদের শিক্ষা ও সুরক্ষা তহবিল গঠনেরও বিধান রাখা হয়েছে।
এছাড়াও, ভারতীয় বীমা কোম্পানি এবং বীমা মধ্যস্থতাকারীদের জন্য শর্তাবলী যৌক্তিকীকরণের মাধ্যমে ব্যবসা করার সহজীকরণকে আরও সহজ করতে ৩০.১২.২০২৫ তারিখে ভারতীয় বীমা কোম্পানি (বিদেশি বিনিয়োগ) সংশোধন বিধিমালা, ২০২৫-ও বিজ্ঞাপিত করা হয়েছে।
• সরকারের সঙ্গে সকল অংশীদারদের সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডিজিটাল পেমেন্ট উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
• মোট ডিজিটাল পেমেন্ট লেনদেনের পরিমাণ ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২,০৭১ কোটি থেকে ৪১% চক্রবৃদ্ধি হারে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২২,৮৩১ কোটিতে পৌঁছেছে।
• একই সময়ে, লেনদেনের মূল্য ১,৯৬২ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩,৫০৯ লক্ষ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। বর্তমান অর্থবছর ২০২৫-২৬-এ (৩১শে ডিসেম্বর’২৫ পর্যন্ত), ডিজিটাল লেনদেনের পরিমাণ ২০,৩৪৩ কোটি এবং মূল্য ২,৩৫৭ লক্ষ কোটি টাকা।
• দেশের নাগরিকরা বিএইচআইএম-ইউপিআই, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, আইএমপিএস, এনইএফটি, আরটিজিএস, এইপিএস, এনইটিসি, পিপিআই-এর মতো অসংখ্য সহজ ও সুবিধাজনক ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতির সুবিধা পাচ্ছেন, যা উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমকে রূপান্তরিত করে ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি (পিটুপি) এবং ব্যক্তি-থেকে-ব্যবসায়ী (পিটুএম) পেমেন্ট বৃদ্ধি করেছে।
ভীম-ইউপিআই-এর সাফল্য
ইউনিফাইড পেমেন্ট ইন্টারফেস (ইউপিআই) ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পিটুপি) এবং ব্যক্তি থেকে ব্যবসায়ী (পিটুএম) লেনদেনের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং পছন্দের পেমেন্ট মাধ্যম হিসেবে উঠে এসেছে।
দেশের মোট খুচরা পেমেন্ট লেনদেনের ৮১% ইউপিআই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
ইউপিআই যেকোনো অংশগ্রহণকারী ব্যাঙ্ক বা তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ্লিকেশন প্রদানকারীর)একটিমাত্র মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক করার সুবিধা প্রদান করে।
ইউপিআই অভূতপূর্ব অগ্রগতি লাভ করেছে, বার্ষিকভাবে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন টাকার লেনদেন প্রক্রিয়া করছে এবং ভারতকে বিশ্বব্যাপী অন্যতম বৃহত্তম ডিজিটাল পেমেন্ট বাজারে পরিণত করেছে।
এসিআই ওয়ার্ল্ডওয়াইড রিপোর্ট ২০২৪ অনুসারে, বিশ্বব্যাপী রিয়েল-টাইম পেমেন্ট লেনদেনের প্রায় ৪৯% ভারতেই হচ্ছে।
রপ্তানিকারকদের জন্য ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম
• রপ্তানিকারকদের জন্য ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম (সিজিএসই) ০১.১২.২০২৫ তারিখে চালু করা হয়েছে। এটি ব্যাঙ্ক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে (সদস্য ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান এমএল আই) নির্দিষ্ট প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ভারতীয় রপ্তানিকারকদের অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে সক্ষম করবে, যা তাদের বাজারকে বৈচিত্র্যময় করবে এবং তাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
• এটি সদস্য ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণ প্রবাহ বাড়াতে এবং রপ্তানিকারক-ঋণগ্রহীতাদের, বিশেষ করে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগগুলোকে (এমএসএমই) সময়মতো অর্থ প্রবাহ নিশ্চিত করতে উৎসাহিত করে।
• প্রকল্পের বৈশিষ্ট্যসমূহ
• ঋণ সহায়তা : যোগ্য রপ্তানিকারকদের জন্য ২০,০০০ কোটি টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত জামানত-মুক্ত কার্যনির্বাহী মূলধন
• গ্যারান্টি কভারেজ : সদস্য ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এনসিজিটিসি-এর মাধ্যমে ১০০% কভারেজ
• যোগ্যতা : প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ রপ্তানিকারক, যার মধ্যে এমএসএমই এবং এমএসএমই নয় এমন ইউনিট অন্তর্ভুক্ত
• গ্যারান্টি ফি : শূন্য
• মেয়াদ : ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত অথবা ২০,০০০ কোটি টাকার গ্যারান্টি জারি না হওয়া পর্যন্ত।
• ২.০১.২০২৬ তারিখের অগ্রগতি অনুযায়ী -
৮,৭৬৪.৮১ কোটি টাকার (১,৮৪০টি আবেদন) আবেদন জমা পড়েছে, যার মধ্যে ঋণদাতাদের দ্বারা ৩,৩৬১.৮৩ কোটি টাকা (৭৭৪টি আবেদন) মঞ্জুর করা হয়েছে।
এমএসএমই-দের জন্য পারস্পরিক ঋণ গ্যারান্টি প্রকল্প
o এই প্রকল্পটি একটি ঋণ গ্যারান্টি প্রদান করে, যা সদস্য ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলিকে সরঞ্জাম/প্ল্যান্ট ও যন্ত্রপাতি কেনার জন্য এমএসএমই ঋণগ্রহীতাদের ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ঋণ সুবিধা প্রদানে উৎসাহিত করে।
o এছাড়াও, এটি প্ল্যান্ট ও যন্ত্রপাতি/সরঞ্জাম কেনার জন্য ঋণের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করে উৎপাদন খাতে গতি আনতে সহায়তা করে।
আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রকল্পসমূহ
১. প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনা (পিএমজেডিওয়াই)
প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনা (পিএমজেডিওয়াই) ব্যাঙ্কিং সুবিধাগুলিতে সর্বজনীন প্রবেশাধিকার প্রদানের মাধ্যমে সকলের ব্যাপক আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করে চলেছে। এই প্রকল্পটি আগস্ট, ২০২৪ সালে দশ বছর পূর্ণ করেছে।
• পিএমজেডিওয়াই-এর অধীনে অগ্রগতি (৩১.১২.২৫ তারিখ পর্যন্ত):
• পিএমজেডিওয়াই অ্যাকাউন্ট : ৫৭.৩৩ কোটি
• অ্যাকাউন্টে জমার পরিমাণ : ২,৮১,৯১৮ কোটি টাকা
• মহিলাদের অ্যাকাউন্ট : ৩১.৯৮ কোটি
• গ্রামীণ/আধা-শহুরে এলাকার অ্যাকাউন্ট : ৪৪.৮৪ কোটি
• ইস্যুকরা রুপে কার্ড : ৩৯.৫৯ কোটি
২. প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বীমা যোজনা (পিএমএসবিওয়াই)
প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বীমা যোজনা (পিএমএসবিওয়াই) হলো একটি এক বছরের ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা বীমা প্রকল্প, যা বছরে ২০ টাকা বার্ষিক প্রিমিয়ামের বিনিময়ে মৃত্যু/শারীরিক অক্ষমতার জন্য দুর্ঘটনাজনিত সুরক্ষা প্রদান করে এবং ন্যূনতম নথিপত্রের মাধ্যমে দাবি নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে। এই প্রকল্পটি মে ২০২৫ সালে দশ বছর পূর্ণ করেছে।
পিএমএসবিওয়াই-এর অধীনে অগ্রগতি (৩১.১২.২৫ তারিখ পর্যন্ত):
o মোট নথিভুক্তি : ৫৬.০৪ কোটি
o মোট প্রাপ্ত দাবির সংখ্যা : ২,৩৩,২৬৭
o মোট পরিশোধিত দাবির সংখ্যা : ১,৭২,৩৩৫টি, যার পরিমাণ ৩,৪২২.৭৭ কোটি টাকা
৩. প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বীমা যোজনা (পিএমজেজেবিওয়াই)
প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বীমা যোজনা (পিএমজেজেবিওয়াই) হলো একটি এক বছরের জীবন বীমা প্রকল্প, যা প্রতি বছর নবায়নযোগ্য এবং ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী ব্যক্তিদের যেকোনো কারণে মৃত্যুর জন্য ২ লক্ষ টাকার কভারেজ প্রদান করে। প্রকল্পটি মে ২০২৫ সালে দশ বছর পূর্ণ করেছে।
পিএমজেজেবিওয়াই-এর অধীনে অগ্রগতি (৩১.১২.২৫ তারিখ পর্যন্ত):
• মোট তালিকাভুক্তি : ২৬.২৪ কোটি
• মোট প্রাপ্ত দাবির সংখ্যা : ১০,৫৫,০৯২
• মোট পরিশোধিত দাবির সংখ্যা : ১০,২১,৬৭৮টি, যার পরিমাণ ২০,৪৩৩.৫৬ কোটি টাকা
৪. প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা (পিএমএমওয়াই)
প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা (পিএমএমওয়াই) এপ্রিল ২০২৫ সালে তার ১০ বছর পূর্ণ করেছে, যা ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলিকে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক জামানত-মুক্ত ঋণের সুবিধা প্রদান করে আসছে।
মুদ্রা-এর অধীনে অগ্রগতি (প্রকল্প চালুর পর থেকে ০২.০১.২৬ তারিখ পর্যন্ত)
মোট অনুমোদিত অ্যাকাউন্ট : ৫৬.৩২ কোটি
তফসিলি জাতি/তফসিলি উপজাতি অ্যাকাউন্ট : ১২.৩১ কোটি
মহিলাদের অ্যাকাউন্ট : ৩৭.৬৩ কোটি
মোট অনুমোদিত পরিমাণ : ৩৮.১৯ লক্ষ কোটি টাকা
মোট বিতরণযোগ্য পরিমাণ : ৩৭.৩২ লক্ষ কোটি টাকা
৫. স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া স্কিম (এসইউপিআই)
২০১৬ সালে চালু হওয়া স্ট্যান্ড-আপ ইন্ডিয়া প্রকল্পটি তফসিলি জাতি/তফসিলি উপজাতি এবং মহিলাদের মধ্যে উদ্যোক্তা তৈরিকে উৎসাহিত করে। স্ট্যান্ড-আপ ইন্ডিয়া প্রকল্পের অধীনে অগ্রগতি (৩১.০৩.২৫ তারিখ পর্যন্ত (প্রকল্প চালুর পর থেকে ৩১.১০.২০২৫ তারিখ পর্যন্ত বিতরণ)
অনুমোদিত অ্যাকাউন্ট : ২.৭৫ লক্ষ
অনুমোদিত পরিমাণ : ৬২,৭৯০.৪৫ কোটি টাকা
বিতরণকৃত পরিমাণ : ৪০,৮৫১.০৯ কোটি টাকা
মহিলাদের অ্যাকাউন্ট : ২.০৫ লক্ষ
৬. অটল পেনশন যোজনা (এপিওয়াই):
অটল পেনশন যোজনা (এপিওয়াই) দরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের জন্য সার্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা প্রদানে এক দশক পূর্ণ করেছে। প্রকল্পটি মে ২০২৫ সালে দশ বছর পূর্ণ করেছে।
গত ১৮ বছরে এপিওয়াই -এর অধীনে অগ্রগতি :
o ৮.৫৯ কোটিরও বেশি গ্রাহক নথিভুক্ত হয়েছেন (৩১.১২.২০২৫ তারিখ পর্যন্ত)।
৭. এনপিএস বাৎসল্য :
এনপিএস বাৎসল্য, যা পেনশন তহবিল নিয়ন্ত্রক ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ১৮ বছরের কম বয়সী নাবালকদের জন্য একটি অবদানভিত্তিক পেনশন প্রকল্প, এর লক্ষ্য হলো প্রাথমিক পেনশন পরিকল্পনা এবং দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক নিরাপত্তা প্রচার করা।
• ১,৬৫,৮৮২ জন গ্রাহক নথিভুক্ত হয়েছেন (৩১.১২.২০২৫ তারিখ পর্যন্ত)।
৮. নীতি উদ্যোগ/প্রকল্প : কেসিসি
১৯৯৮ সালে চালু হওয়া কিষাণ ক্রেডিট কার্ড (কেসিসি) কৃষকদের বীজ, সার এবং কীটনাশকের মতো কৃষি উপকরণ কেনার জন্য এবং ফসল উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নগদ/কার্যকরী মূলধনের চাহিদা মেটানোর জন্য সময়োপযোগী ও সাশ্রয়ী ঋণ প্রদান করে। ২০১৯ সালে এই প্রকল্পটি পশুপালন, দুগ্ধ এবং মৎস্য ক্ষেত্রের কার্যকরী মূলধনের চাহিদা পূরণের জন্য প্রসারিত করা হয়েছিল।
পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনার আওতায় ঋণের অগ্রগতি :
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে চালু হওয়া পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনার লক্ষ্য হলো প্রতি মাসে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে এক কোটি পরিবারকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার আওতায় আনা।
SC/PM/AS
(रिलीज़ आईडी: 2213299)
आगंतुक पटल : 18