অর্থমন্ত্রক
কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের বর্ষ পর্যালোচনা ২০২৫: ব্যয় দপ্তর
प्रविष्टि तिथि:
08 JAN 2026 6:08PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ০৮ জানুয়ারি, ২০২৬
উদ্ভাবনমূলক আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং নীতি সংস্কারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের অধীন ব্যয় দপ্তর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হ’ল, প্রত্যক্ষ সুবিধা হস্তান্তর (ডিবিটি)। এটি ভারত সরকারের ডিজিটাল ইন্ডিয়া উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য।
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রত্যক্ষ সুবিধা হস্তান্তরের আওতায় ৯৬৬টি প্রকল্পের টাকা স্বচ্ছতার সঙ্গে সুবিধাপ্রাপকদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি পাঠানো হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ২১০.৫৬ কোটি লেনদেন হয়েছে এবং ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত ২.৮৭ লক্ষ কোটি টাকা ডিবিটি-র মাধ্যমে সুবিধাপ্রাপকদের প্রদান করা হয়েছে।
মোট ৯৬৬টি প্রকল্পের মধ্যে ৫০টি হ’ল, পুরোপুরি কেন্দ্রীয় প্রকল্প। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য ডিবিটি প্রকল্পগুলি হ’ল – মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্ম নিশ্চয়তা প্রকল্প (এমজিএনআরইজিএ), প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনা (পিএম কিষাণ), প্রত্যক্ষ হস্তান্তরিত লাভ (পহল), জাতীয় সামাজিক সহায়তা কর্মসূচি (এনএসএপি), প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা – গ্রামীণ (পিএমএওয়াই – আর) এবং পিএম সূর্যঘর মুফত বিজলী যোজনা।
এর মধ্যে এমজিএনআরইজিএ প্রকল্পে ৪৮,০২১.৬২ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৩৩,৬৬৯.৮৪ কোটি টাকা এবং পিএম সূর্যঘর যোজনায় ৯,৪৫৩.৮৪ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনায় প্রদান করা অর্থের পরিমাণ ৩৯.৫৩২.৩৭ কোটি টাকা।
নাগরিক-কেন্দ্রিক সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ডিবিটি চালু করা হয়েছিল। ১০.০১.২০২৪ তারিখে চালু করা হয় ডিবিটি ওপেন হাউস। এতে সুবিধাপ্রাপকদের সরাসরি পিএফএমএস-এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এর ফলে, সুবিধাপ্রাপকরা বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি, পিএফএমএস আধিকারিকদের কাছে তাঁদের অভিযোগও জানাতে পারবেন। প্রতিটি কাজের দিনে বেলা ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই ওপেন হাউস চালু থাকে।
অক্টোবর ২০২০-তে কেন্দ্রীয় সরকার বিনা সুদে ‘রাজ্যগুলির জন্য মূলধনী ব্যয়-সংক্রান্ত বিশেষ সহায়তা’ (এসএএসসিআই) প্রকল্প চালু করে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ১০টি ভাগে এই প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ করা হয়। প্রথমভাগে বরাদ্দ করা হয় ৬৮ হাজার কোটি টাকা। রাজ্য সরকারগুলি তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্রকল্পের প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য পাঠাতে পারে। এই প্রকল্পে যে সব ক্ষেত্রে সংস্কারের উপর জোর দেওয়া হয়েছে, সেগুলি হ’ল – খনি ক্ষেত্রে সংস্কার, পুরনো গাড়ি বাতিল ও পথ সুরক্ষায় ইলেক্ট্রনিক ব্যবস্থা, গ্রামীণ এলাকায় জমি সংক্রান্ত সংস্কার, কৃষি ক্ষেত্রে ডিজিটাল গণ পরিকাঠামো, শহরাঞ্চলে জমি সংক্রান্ত সংস্কার, আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা এবং নগর পরিকল্পনায় সংস্কার।
এসএএসসিআই-এর আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ০৪.০১.২০২৬ পর্যন্ত রাজ্য সরকারগুলিকে ৮৩,৫৯৫ কোটি টাকা দিয়েছে কেন্দ্র। একই অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সুপারিশের ভিত্তিতে অর্থ মন্ত্রক (ব্যয় দপ্তর) স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফান্ডে ১৮,২৭৬.৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এছাড়া, দমকল পরিষেবার আধুনিকীকরণের জন্য রাজ্য সরকারগুলিকে ৯৯৪.০৫ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের সুপারিশ মেনে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে বিভিন্ন খাতে রাজ্যগুলিকে মোট ৭৭,৭৯৭.০২ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন, ভাতা, পেনশন এবং কাজের শর্তাবলী পর্যালোচনার জন্য সরকার অষ্টম বেতন কমিশন (সিপিসি) গঠন করা হয়েছে।
SC/MP/SB
(रिलीज़ आईडी: 2212935)
आगंतुक पटल : 7