স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক
ইন্ডিয়ান ফার্মাকোপিয়ার দশম সংস্করণ প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে.পি. নাড্ডা
प्रविष्टि तिथि:
02 JAN 2026 1:46PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ০২ জানুয়ারি, ২০২৬
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ এবং রসায়ন ও সার মন্ত্রী শ্রী জে.পি নাড্ডা ইন্ডিয়ান ফার্মাকোপিয়ার২০২৬ (আইপি ২০২৬)-এর দশম সংস্করণ প্রকাশ করলেন। নতুন দিল্লির ডঃ আম্বেদকর ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে ঔষধ মানক সংক্রান্ত ভারতের সরকারি পুস্তকের এই প্রকাশকে ঔষধের মান, স্বাস্থ্য নিরাপত্তা এবং তার কার্যকারিতাকে আরও শক্তিশালী করার দেশের চলতি প্রয়াসে এক উল্লেখযোগ্য ভিত্তিকে সূচিত করছে।
নতুন এই সংস্করণ প্রকাশ করে শ্রী নাড্ডা বলেন, ইন্ডিয়ান ফার্মাকোপিয়া দেশে ঔষধের মান নির্ণয়ে সরকারি পুস্তক হিসেবে সূচিত, যাকে ঔষধ ক্ষেত্রে দেশের নিয়মতান্ত্রিক পরিকাঠামোর এক ভিত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বলেন, দশম সংস্করণের এই প্রকাশনায় ধরা পড়েছে ঔষধ ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি, বিশ্বজুড়ে সর্বোত্তম ব্যবস্থাসমূহ, ঔষধ প্রস্তুতি এবং ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে ভারতের ক্রমবর্ধমান নেতৃত্ব।
শ্রী নাড্ডা আরও বলেন, ইন্ডিয়ান ফার্মাকোপিয়ায় ২০২৬-এ ১২১টি নতুন অধ্যায় সংযোজিত হয়েছে। ফলে, এই গ্রন্থে মোট অধ্যায়ের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩,৩৪০-এ। তিনি আরও বলেন, নিরাময় ক্ষেত্র বিশেষ করে যক্ষ্মা, মধুমেয়, এবং ক্যান্সার নিরোধক বিভিন্ন ঔষধের গুণমানের যে অগ্রগতি ঘটেছে, তা যেমন এই সংস্করণে ধরা পড়েছে, তার পাশাপাশি আয়রন সমৃদ্ধ ওষুধের গুণগত মানের দিকটিও ফুটে উঠেছে। ফলে, জাতীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচির বিভিন্ন ক্ষেত্রে ওষুধের আরও বেশি সর্বাত্মক মান সুনিশ্চিত করার প্রতিফলন ঘটেছে এতে।
ঔষধের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইন্ডিয়ান ফার্মাকোপিয়ার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ সরকারের স্বাস্থ্য কূটনীতির অধীন তা অনেক বেশি বিষয় ভিত্তিক নজরমুখী হয়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, ভারতের ঔষধ পুস্তক দক্ষিণী বিশ্বে ১৯টি দেশে স্বীকৃত। ভারতীয় ফার্মাকোপিয়া কমিশন (আইপিসি)-এর অধীন দেশে ঔষধ ক্ষেত্রের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কর্মসূচি (পিভিপিআই)-র উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছে। তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঔষধ ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণে ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ডেটা বেসে অবদানগত ক্ষেত্রে ভারতের স্থান যেখানে ছিল ১২৩, তা ২০২৫-এ অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে। আইপিসি এবং পিভিপিআই দলের এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যকে সাধুবাদ জানিয়ে শ্রী নাড্ডা বলেন, ঔষধ ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ পরিমণ্ডলে ধরা দেয় যে, রোগীর নিরাপত্তা, গুণগত মানের নিশ্চয়তা এবং বলিষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ পরিকাঠামো ক্ষেত্রে ভারতের সুস্থায়ী দায়বদ্ধতা।
নিয়ন্ত্রণ পরিকাঠামো ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রসঙ্গ তুলে ধরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ইন্ডিয়ান ফার্মাকোপিয়ায় ২০২৬-এ রক্ত সঞ্চালন বিজ্ঞান সহ এই প্রথম ২০টি রক্ত উপাদান সম্বন্ধীয় অধ্যায় সংযোজিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদর্শী নেতৃত্বে ভারত সরকার স্বাস্থ্য পরিষেবা ক্ষেত্র এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করেছে। গুণগতমান, স্বচ্ছতা এবং জনকল্যাণে সরকারের অবিচল দায়বদ্ধতার সুস্থায়ী প্রয়াস ইন্ডিয়ান ফার্মাকোপিয়া ২০২৬-এ ধরা পড়েছে বলে তিনি জানান।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব শ্রীমতী পূণ্য সলিলা শ্রীবাস্তব ইন্ডিয়ান ফার্মাকোপিয়া ২০২৬-এর প্রকাশ সম্পর্কে বলেন বৃহদায়তন বিজ্ঞান ভিত্তিক এই ঔষধ গ্রন্থ দেশজুড়ে নিরাপদ, কার্যকরী এবং গুণগত মান সমৃদ্ধ ঔষধের প্রাপ্যতা সুনিশ্চিত করতে অপরিহার্য।
SC/AB/SKD
(रिलीज़ आईडी: 2210910)
आगंतुक पटल : 7