মানবসম্পদবিকাশমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ‘পড়ে ভারত’ প্রচারাভিযানের সূচনা করেছেন, এটি ১০০ দিনের পঠন-পাঠন প্রচার অভিযান, “তরুণ বন্ধুদের” পড়ার বিষয় ভাগ করে নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন

Posted On: 01 JAN 2022 3:27PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি,  ০১ জানুয়ারি, ২০২২
 
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান আজ ১০০ দিনের পঠন-পাঠন প্রচারাভিযান ‘পড়ে ভারত’-এর সূচনা করেছেন। ১০০ দিনের পঠন-পাঠন প্রচারাভিযানের উদ্দেশ্য হলো জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০-র সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে স্থানীয়/ মাতৃভাষা/ আঞ্চলিক/ উপজাতী ভাষায় শিশুদের জন্য বয়সের উপযোগী পড়ার বইয়ের উপস্থিতি নিশ্চিত করার মাধ্যমে আনন্দদায়ক পঠন-পাঠন সংস্কৃতি বিষয়ে প্রচারের ওপর জোর দেওয়া। 
 
প্রচারাভিযানের সূচনায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পঠন-পাঠনের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, শিশুদের আজীবন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। শ্রী প্রধান জানান, যদি অল্প বয়সেই শিশুদের মধ্যে পড়ার অভ্যাস তৈরি করা যায়, তাহলে তাদের মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটবে এবং কল্পনাশক্তি বৃদ্ধি পাবে ও শিশুদের জন্য একটি উপযুক্ত শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হবে।
 
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন যে, পঠন-পাঠন হলো শিক্ষার ভিত্তি, যা শিক্ষার্থীদের স্বাধীনভাবে বই পড়তে অনুপ্রাণিত করে তোলে। এতে তাদের সৃজনশীলতা, জটিল বিষয়ে সমাধানের জন্য ভাবনা-চিন্তা করা, শব্দ ভাণ্ডার বাড়ানো এবং লেখা ও বলার মাধ্যমে কোনো কিছু প্রকাশ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। এটি শিশুদের পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি এবং বাস্তব জীবন সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করতে সাহায্য করবে। যাতে, শিক্ষার্থীরা আনন্দ সহযোগে বই পড়তে পারে এবং এর মাধ্যমে তাদের দক্ষতার বিকাশ ঘটে, তার জন্য একটি দৃঢ় শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি। এই অভ্যাস তাদের আজীবন কাজে লাগবে বলেও মন্তব্য করেন শ্রী প্রধান। 
 
পঠন-পাঠনের জন্য যে ৫টি বই শিক্ষার্থীরা বেছে নিয়েছে, তার নাম ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি সকলকে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য উৎসাহিত করেন।
 
‘পড়ে ভারত’ প্রচারাভিযানটি নার্সারি থেকে অষ্টম শ্রেণীতে পঠন-পাঠনরত শিশুদের ওপর গুরুত্ব দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে। আজ থেকে ১০ই এপ্রিল পর্যন্ত – ১৪ সপ্তাহ (১০০ দিন) ধরে এই প্রচারাভিযান চলবে। জাতীয় ও রাজ্যস্তরে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, শিক্ষিকা, পিতা-মাতা, শিক্ষা ক্ষেত্রে যুক্ত প্রশাসকরা – সকলেই এই কর্মসূচিতে যুক্ত হতে পারবেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীদের কয়েকটি দলে ভাগ করা হবে। প্রত্যেক সপ্তাহে এক একটি দলকে নির্দিষ্ট কিছু বিষয় দেওয়া হবে। এই বিষয়গুলি দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বই পড়ার আনন্দ গড়ে তোলা এবং এর অভিজ্ঞতা যাতে তাদের আজীবন কাজে লাগে সেই লক্ষ্যেই এই প্রচারাভিযান শুরু করা হয়েছে। 
 
১০০ দিনের এই পঠন-পাঠন অভিযানে মাতৃভাষা/ স্থানীয়/ আঞ্চলিক ভাষা সহ ভারতীয় ভাষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। সেই দিনটিকেও এই প্রচারাভিযানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। শিশুদের মাতৃভাষা/ স্থানীয় ভাষায় পঠন-পাঠনে উৎসাহিত করার মাধ্যমে এই দিনটি সারা দেশে ‘নিজের ভাষায় গল্প পড়া’ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করা হবে। এতে সমাজের স্থানীয় ভাষা ও সংস্কৃতির বিষয়ে প্রচার বৃদ্ধি পাবে। 
 
১০০ দিনের পঠন-পাঠন প্রচারাভিযানে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক বা পরিবারের অন্য সদস্যদের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ কাজটি সম্পন্ন করতে হবে। অত্যন্ত সহজ সরল কর্মসূচিটি যাতে বাস্তবায়িত হয় তার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনাও করা হয়েছে। বিদ্যালয় শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগকে শিশুদের জন্য শিক্ষার শক্তিশালী ভিত তৈরিতে এই প্রচারাভিযানে সামিল হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। 
 
CG/SS/SKD/


(Release ID: 1786868) Visitor Counter : 89