সারওরসায়নমন্ত্রক
কোভ্যাকসিন টিকার উৎপাদন বাড়াতে ভারত বায়োটেক সহ আরও ৩টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি
প্রকাশিত:
06 AUG 2021 12:26PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ০৬ অগাস্ট, ২০২১
ওষুধপত্র বা টিকার উৎপাদন খরচ একাধিক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। এর মধ্যে রয়েছে – খরচে ওঠা-নামা, মেধা সম্পদের অধিকার খাতে খরচ, প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন সংস্থায় উৎপাদন পরিমাণ।
কেন্দ্রীয় জৈব প্রযুক্তি দপ্তর কোভিড সুরক্ষা মিশনের আওতায় ভারতীয় কোভিড-১৯ টিকা উদ্ভাবন মিশন রূপায়ণ করছে। জৈব প্রযুক্তি দপ্তরের অধীন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বায়ো টেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্স কাউন্সিল ভারত বায়োটেক সহ আরও তিনটি সংস্থার টিকা উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করছে। এই তিনটি সংস্থা হ’ল – মুম্বাইয়ের হ্যাফকিন বায়োফার্মাসিউটিকাল কর্পোরেশন লিমিটেড; হায়দরাবাদের ইন্ডিয়ান ইমিউনোলজিকালস্ লিমিটেড এবং বুলন্দ শহরের বায়োলজিকালস্ কর্পোরেশন লিমিটেড। এছাড়াও, কোভ্যাকসিন টিকা উৎপাদন প্রযুক্তি গুজরাট কোভিড ভ্যাকসিন কনসোটিয়ামকে হস্তান্তরিত করা হয়েছে। এই কনসোটিয়ামে বেশ কয়েকটি সংস্থা রয়েছে, যাদের জৈব প্রযুক্তি দপ্তরের পক্ষ থেকে আগামী মাসগুলিতে কোভ্যাকসিন টিকার উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক টিকা সংগ্রহের জন্য দেশীয় উৎপাদক সংস্থাগুলিকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত আগাম অর্থ মিটিয়ে থাকে। এই অর্থ টিকা উৎপাদক সংস্থাগুলি তাদের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর কাজে সদ্ব্যবহার করতে পারে। সরকার ইতিমধ্যেই কোভিড-১৯ টিকা উৎপাদনের জন্য মেসার্স বায়োলজিকাল ই সংস্থাকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এদিকে সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন কোভিড-১৯ টিকার কার্যকরিতা যাচাই ও অনুমোদনের জন্য জমা পড়া আবেদনপত্রগুলির প্রেক্ষিতে দ্রুত ছাড়পত্র দিতে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
কেন্দ্রীয় সরকার দেশে কোভিড-১৯ টিকার উৎপাদন ও যোগানের ভিত্তিতে যোগ্য সমস্ত সুফলভোগীর টিকাকরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আগামী ডিসেম্বর মাস নাগাদ পর্যাপ্ত সংখ্যায় কোভিড টিকার যোগান সুনিশ্চিত হবে। এরফলে, ১৮ বছর ও তার বেশি বয়সীদের টিকাকরণের পরিধি বাড়বে।
রাজ্যসভায় আজ এক লিখিত জবাবে এই তথ্য দেন রসায়ন ও সার মন্ত্রী শ্রী মনসুখ মান্ডভিয়া।
CG/BD/SB
(রিলিজ আইডি: 1743204)
ভিজিটরের কাউন্টার : 156