শ্রমওকর্মসংস্থানমন্ত্রক
সরকার লেবার কোডের মাধ্যমে কর্মচারী এবং নিয়োগকারীদের মধ্যে অধিকার ও বাধ্যবাধকতার ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করেছে : শ্রী গাঙ্গোয়ার
প্রকাশিত:
22 SEP 2020 6:53PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লী, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
শ্রম ও কর্মসংস্থান দপ্তরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী শ্রী সন্তোষ গাঙ্গোয়ার আজ লোকসভায় ৩টি লেবার কোড আলোচনার জন্য পেশ করেছেন। মন্ত্রী বলেছেন, এই কোডগুলি কর্মচারী এবং নিয়োগকারীদের স্বার্থ, অধিকার এবং বাধ্যবাধকতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য আনা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, শ্রমিকের কল্যাণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিশ্চিত করার জন্য এই কোডগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। এই ৩টি কোড হল- ১. ওএসএইচ কোড, ২. আইআর কোড এবং ৩. সামাজিক নিরাপত্তা কোড।
গত ৭৩ বছরের মধ্যে এই প্রথম বেশ কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম তৈরি করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানিয়েছেন প্রথাগতভাবে কর্মসংস্থানের জন্য নিয়োগ পত্রের অধিকার এখানে যুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, পরিযায়ী শ্রমিকদের সংজ্ঞার পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন থেকে যারা ঠিকাদারদের মাধ্যম ছাড়াই অন্য রাজ্যে কাজ করতে যাবেন তারাও পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে বিবেচিত হবেন। এরফলে দেশের বিভিন্ন জন-কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা তারা পাবেন।
একইভাবে শ্রী গাঙ্গোয়ার জানিয়েছেন, কর্মচ্যুত কর্মীদের অন্য কাজের বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, এই কোডের মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিধান হল অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক, জিআইজি এবং প্ল্যাটফর্ম শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা বলয়ে নিয়ে আসা হবে। শ্রী গাঙ্গোয়ার আরও বলেছেন, ট্রেড ইউনিয়নের গুরুত্বকে স্বীকৃতি দিয়ে ত্রিস্তরীয় মীমাংসা প্রক্রিয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য শিল্পোদ্যোগ পর্যায়, রাজ্য পর্যায় এবং জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা করার ব্যবস্থা এখানে রাখা হয়েছে।
মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন লেবার কোডে যে পরিবর্তনগুলি আনা হয়েছে সেগুলি অভূতপূর্ব সংস্কারের কথা মাথাই রেখেই করা হয়েছে। প্রযুক্তি, কাজের ধারা, কাজের জায়গার সুবিধা এবং কাজের প্রকৃতির বিষয়গুলি বিবেচনা করে বলা যায় গত ৭৩ বছরে দেশে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। ৭০ বছর আগেও কেউ ভাবতে পারতেন না একজন বাড়ি থেকেও কাজ করতে পারেন। আর তাই আন্তর্জাতিক পটভূমিকার পরিবর্তন এবং ভবিষ্যতের কাজের ধারার কথা বিবেচনা করে শ্রম আইনে পরিবর্তনগুলি আনা হয়েছে। এই কারণে ঐতিহাসিক ৪টি লেবার কোডকে বাস্তবায়িত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শ্রী গাঙ্গোয়ার আরও জানান, কিভাবে ৪টি সাব কমিটি, ১০টি আন্তঃমন্ত্রী পর্যায়ের কমিটি, ট্রেড ইউনিয়ন, কর্মচারী সংগঠন, রাজ্য সরকার, বিশেষজ্ঞ, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এবং জনসাধারণের সঙ্গে এই লেবার কোডগুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ২-৩ মাস ধরে জনসাধারণ বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
মন্ত্রী লোকসভার সদস্যদের কাছে এগুলি নিয়ে আলোচনা করে সর্বসম্মতভাবে তা গ্রহণ করার আবেদন জানিয়েছেন।
CG/CB/NS
(রিলিজ আইডি: 1657961)
ভিজিটরের কাউন্টার : 184