• Sitemap
  • Advance Search
Infrastructure

খনি ও খনিজ (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী আইন, ২০২৬

Posted On: 19 AUG 2026 5:27PM

১৯ আগস্ট, ২০২৬

 

রাজ্যগুলির সংগৃহীত রাজস্ব ও কেন্দ্র-রাজ্য বণ্টন ব্যবস্থা

বর্তমানে রাজ্য সরকারগুলি খনি ক্ষেত্র থেকে রয়্যালটি, নিলাম প্রিমিয়াম, ড্যাড রেন্ট, ডিস্ট্রিক্ট মিনারেল ফাউন্ডেশন (DMF)-এ প্রদান, জিএসটি এবং ট্রানজিট ফি সহ প্রায় ১৪ ধরনের কর ও ফি সংগ্রহ করে। ফলে, কিছু রাজ্যে খনি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত কর প্রদান করতে হয়।

খনি ক্ষেত্র থেকে অর্জিত মোট রাজস্বের প্রায় ৯০ শতাংশ রাজ্যগুলির কাছে যায়। বিগত এক দশকে খনিজ রাজস্বে রাজ্যগুলির শেয়ার প্রায় ২৮ শতাংশ বেড়ে ২০২৫-২৬ সালে ১,১৪,৫৪৯.২৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এই বছর এই সংশোধনী আইন কার্যকর হওয়ার পরও রাজ্যগুলির রাজস্ব আয়ে কোনো হ্রাস ঘটবে না; খনিজ উৎপাদন থেকে অর্জিত রাজস্বের প্রায় ৯০ শতাংশ রাজ্যগুলিই পেতে থাকবে।

২০১৫ সাল থেকে খনিজ ক্ষেত্রে হওয়া প্রধান সংস্কার ও অগ্রগতি সমূহ

২০১৫ সালের পর থেকে খনি ক্ষেত্রকে আরও স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক এবং ভবিষ্যৎ চাহিদার উপযোগী করতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে:

* *স্বচ্ছ ই-নিলাম* ২০১৫ সালের পর থেকে পছন্দভিত্তিক বরাদ্দের অবসান ঘটিয়ে ই-নিলাম ব্যবস্থা চালু হয়। মোট ১৭টি রাজ্যে ৭২৩টি প্রধান খনিজ ব্লক নিলাম করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে সর্বোচ্চ ২১২টি ব্লক নিলাম এবং ৩৬টি কার্যকর করা হয়েছে। কয়লার ক্ষেত্রে ১৪১টি খনি নিলাম ও ২৩টি কার্যকর হয়েছে।

* *উৎপাদন বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান:* ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রধান খনিজ উৎপাদনের মূল্য ২৬.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আকরিক লোহা রেকর্ড ৩১৩ মিলিয়ন টন এবং চুনাপাথর ৪৮৪ মিলিয়ন টন উৎপাদিত হয়েছে। চুনাপাথরে ভারত দ্বিতীয়, দস্তায় তৃতীয়, আকরিক লোহায় চতুর্থ এবং বক্সাইটে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

* *জাতীয় ক্রিটিক্যাল মিনারেল মিশন:* ১৬,৩০০ কোটি টাকার বাজেটে 'ন্যাশনাল ক্রিটিক্যাল মিনারেল মিশন' (NCMM) অনুমোদিত হয়েছে। এনএমইডিটি (NMEDT) এবং জিএসআই (GSI) ১,২০০টি ক্রিটিক্যাল মিনারেল প্রকল্পে কাজ করছে। ২০২৫ সালের সংস্থান অনুযায়ী বিদেশে অনুসন্ধানে সহায়তা দিচ্ছে এনএমইডিটি। কাবিল (KABIL) আর্জেন্টিনায় লিথিয়াম অনুসন্ধানের একচেটিয়া অধিকার পেয়েছে।

* *প্রসেসিং, পুনর্ব্যবহার ও গবেষণা:* ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর ১,৫০০ কোটি টাকার ক্রিটিক্যাল মিনারেল রিসাইক্লিং ইনসেনটিভ স্কিম চালু করা হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ, গুজরাট, ওড়িশা এবং মহারাষ্ট্রে 'ক্রিটিক্যাল মিনারেল প্রসেসিং পার্ক' গড়তে ৫০০ কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পরপর তিনটি বাজেটে মৌলিক শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়েছে এবং নয়টি ইনস্টিটিউটকে সেন্টার অব এক্সিলেন্স (CoE) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

* *অনুসন্ধান ব্যবস্থা ও পরিচালনা:* ২০১৪ সাল থেকে অনুসন্ধানমূলক কর্মকাণ্ড প্রায় ২০০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, ৫১টি বেসরকারি সংস্থাকে এতে যুক্ত করা হয়েছে। জিপিএস প্রযুক্তিসহ ডিজিটাল মনিটরিং নিশ্চিত করতে 'ইউনিফাইড মাইনিং পোর্টাল' (UMP) চালু হয়েছে। মাইনিং লিজের এলাকা ১০ শতাংশ এবং কম্পোজিট লাইসেন্সের এলাকা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত এককালীন বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তা

২০১৫ সালে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কল্যাণে ডিস্ট্রিক্ট মিনারেল ফাউন্ডেশন (DMF) এবং প্রধানমন্ত্রী খনিজ ক্ষেত্র কল্যাণ যোজনা (PMKKKY) চালু হয়। বর্তমানে ৬৫৬টি ডিএমএফ কাজ করছে। সংগৃহীত অর্থ স্থানীয় পরিকাঠামো যেমন সড়ক, হাসপাতাল, স্কুল ও পানীয় জলের উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়।

২০২৬ সালের সংশোধনী আইনটি একটি সুনির্দিষ্ট ও স্থিতিশীল কর পরিকাঠামো প্রদান করে যা বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে, দেশীয় উৎপাদন বাড়াবে এবং খনিজের আমদানি নির্ভরতা কমাবে।

রাজস্বে প্রভাব এবং অর্থনীতি ও সাধারণ নাগরিকের সুবিধা

* *রাজস্ব সুরক্ষার নিশ্চয়তা:* এই আইন রাজ্যগুলির রাজস্ব কমায় না। রয়্যালটি, নিলাম প্রিমিয়াম, ডিএমএফ এবং জিএসটির অংশ রাজ্যগুলি পেতেই থাকবে। ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত রাজ্যগুলি খনি থেকে ৭ লক্ষ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব পেয়েছে। ২০২৫-২৬ সালে রাজ্যগুলির খনিজ রাজস্ব প্রায় ৩৫৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৮২,৩৬৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

* *গৌণ খনিজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্যতা:* সংশোধিত আইনটি গৌণ খনিজ (যেমন বালু, নুড়ি, পাথর, মাটি, গ্রানাইট, মার্বেল ইত্যাদি) নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারগুলির বর্তমান ক্ষমতা বা কর আরোপের এখতিয়ারে কোনো হস্তক্ষেপ করে না। রাজ্যগুলি প্রায় ৫০টি গৌণ খনিজ নিজস্ব নিয়মেই পরিচালনা করবে।

তথ্যবিবরণী:

Ministry of Coal

Ministry of Mines

Click here to see pdf

 

*******

SSS/PK/Kol...

(Explainer ID: 159662) आगंतुक पटल : 5
Provide suggestions / comments
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , हिन्दी , Kannada