Farmer's Welfare
প্রধানমন্ত্রী অন্নদাতা আয় সংরক্ষণ অভিযান (PM-AASHA)
Posted On:
21 AUG 2026 10:28AM
কৃষকদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে MSP-ভিত্তিক মূল্য সহায়তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা
২১ আগস্ট, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী অন্নদাতা আয় সংরক্ষণ অভিযান (PM-AASHA)*
কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার জন্য সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মূল্য সহায়তা কাঠামো। এর আওতায় ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (MSP) কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং কৃষকদের কম দামে ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হওয়ার প্রবণতা কমানোর জন্য বিভিন্ন প্রকল্প রয়েছে। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার NAFED এবং NCCF-এর মতো সংস্থার মাধ্যমে ডাল, তৈলবীজ এবং কোপরা সংগ্রহ করে। ২০২৬-২৭ সালের জন্য ₹৭,২০০ কোটি বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে PM-AASHA কার্যকর মূল্য সহায়তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করেছে। আধার-নির্ভর প্রমাণীকরণ, e-NAM, e-Samriddhi এবং e-Samyukti-এর মতো ডিজিটাল সংস্কারের ফলে, স্বচ্ছতা ও ফসল সংগ্রহের দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের সহায়তা এবং আরও বিস্তৃত ফসল সংগ্রহের আওতা এই প্রকল্পকে আরও শক্তিশালী করেছে।
কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণ
কৃষকদের, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের কাছে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (MSP)-এর সুফল পৌঁছে দিতে সরকার একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে অন্যতম হল প্রধানমন্ত্রী অন্নদাতা আয় সংরক্ষণ অভিযান (PM AASHA)। সরকার ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই প্রকল্প চালু করে। এর লক্ষ্য ছিল কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভোক্তাদের জন্য পণ্যের দামে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
PM AASHA একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় একাধিক মূল্য সহায়তা ব্যবস্থাকে একত্রিত করে। ফসল ও বাজারের পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রতিটি ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হয়। এই প্রকল্প MSP-র কার্যকর বাস্তবায়নকে শক্তিশালী করে এবং কৃষকদের কম দামে ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হওয়ার প্রবণতা কমায়। একইসঙ্গে, এটি কৃষকদের আয়ে স্থিতিশীলতা আনে এবং ভোক্তাদের জন্য খাদ্যপণ্যের দামে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
PM AASHA-এর অধীনে প্রতিটি বিপণন মরশুমের আগে থেকেই ফসল সংগ্রহের প্রস্তুতি শুরু হয়। ফসল বাজারে আসার আগেই কেন্দ্রীয় নোডাল সংস্থা এবং রাজ্য সরকারগুলি ফসল সংগ্রহের পরিকাঠামো প্রস্তুত করে। এই সমন্বিত পদ্ধতির ফলে সময়মতো ফসল সংগ্রহ নিশ্চিত হয় এবং সারা দেশে MSP-এর কার্যকর বাস্তবায়ন আরও শক্তিশালী হয়।
নীতির কাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা
PM AASHA মূলত চারটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান নিয়ে গঠিত: মূল্য সহায়তা প্রকল্প (PSS), মূল্য স্থিতিশীলতা তহবিল (PSF), মূল্য ঘাটতি পরিশোধ প্রকল্প (PDPS) এবং বাজার হস্তক্ষেপ প্রকল্প (MIS)।
১. মূল্য সহায়তা প্রকল্প (PSS)
ফসল কাটার সময় বাজারদর MSP-এর নিচে নেমে গেলে এই প্রকল্পের মাধ্যমে MSP-তে ফসল সংগ্রহ নিশ্চিত করা হয়। এর আওতায় মূলত ডাল, তৈলবীজ এবং কোপরা রয়েছে। রাজ্য সরকারের অনুরোধে ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (NAFED) এবং ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ কনজিউমার্স ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড (NCCF)-এর মতো সংস্থার মাধ্যমে ফসল সংগ্রহ করা হয়। বৈধ জমির নথি থাকা নথিভুক্ত কৃষকরাই এই সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। এর ফলে, মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি কৃষকদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। এর মাধ্যমে কৃষকদের কম দামে ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হওয়ার প্রবণতা রোধ করা এবং বাজারদর হঠাৎ কমে গেলে তাঁদের আয়ের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হয়।
২. মূল্য স্থিতিশীলতা তহবিল (PSF)
3.
মূল্য স্থিতিশীলতা তহবিল (PSF) ডাল, পেঁয়াজ এবং আলুর মতো প্রয়োজনীয় পণ্যের বাফার মজুত বজায় রেখে ভোক্তাদের দামের ওঠানামা থেকে সুরক্ষা দেয়। কৃষি ও উদ্যানপালন ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য এই তহবিল গঠন করা হয়েছিল। ফসল কাটার সময় পণ্য সংগ্রহ করা হয় এবং চাহিদা কম থাকার মরশুমে তা বাজারে ছাড়া হয়, যাতে দামে হঠাৎ বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যায়। PSF বর্তমানে PM-AASHA-এর সঙ্গে একীভূত হয়েছে, তবে, এটি এখনও ভোক্তা বিষয়ক দফতরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
৩. মূল্য ঘাটতি পরিশোধ প্রকল্প (PDPS)
4.
PDPS-এর আওতায় কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ফসল সংগ্রহ করা হয় না। পরিবর্তে, নির্ধারিত বাজারে MSP এবং প্রকৃত বাজারদরের মধ্যে যে পার্থক্য রয়েছে, তার সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ কৃষকদের সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রদান করা হয়। এই প্রকল্পটি মূলত তৈলবীজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং বড় আকারের ফসল সংগ্রহের পরিকাঠামোর প্রয়োজনীয়তা কমায়। এর ফলে, বাজারভিত্তিক বিক্রয়কে উৎসাহিত করার পাশাপাশি, কৃষকদের MSP-এর সুরক্ষাও নিশ্চিত করা হয়।
৪. বাজার হস্তক্ষেপ প্রকল্প (MIS)
বাজার হস্তক্ষেপ প্রকল্প (MIS)-র মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের পচনশীল কৃষি ও উদ্যানপালনজাত পণ্য সংগ্রহ করা হয়। টমেটো, পেঁয়াজ এবং আলুর মতো পণ্য, যেগুলির ক্ষেত্রে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য প্রযোজ্য নয়, এই প্রকল্পের আওতায় আসে। আগের স্বাভাবিক মরশুমের দামের তুলনায় বাজারদর কমপক্ষে ১০ শতাংশ কমে গেলে এই প্রকল্প কার্যকর করা হয়। NAFED এবং NCCF-এর মতো কেন্দ্রীয় নোডাল সংস্থাগুলির মাধ্যমে পরিচালিত কার্যক্রমের ব্যয় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে ভাগ করে নিয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি হলে এবং বাজারে অতিরিক্ত পণ্য জমে গেলে এই প্রকল্প বিশেষভাবে কার্যকর।
PM-AASHA-এর অধীনে আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি
প্রধানমন্ত্রী অন্নদাতা আয় সংরক্ষণ যোজনা
(PM-AASHA)-এর অধীনে বছরের পর বছর বাজেট বরাদ্দ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪-২৫ সালে এই প্রকল্পের অধীনে প্রকৃত ব্যয় ছিল ₹৫,৪৩৭.৯৯ কোটি। ২০২৫-২৬ সালে বাজেট বরাদ্দ বেড়ে হয় ₹৬,৯৪১.৩৬ কোটি এবং ২০২৬-২৭ সালে তা আরও বাড়িয়ে ₹৭,২০০.০০ কোটি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকদের আয় সহায়তা নিশ্চিত করা এবং কৃষিপণ্যের মূল্যের নিশ্চয়তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার প্রতি সরকারের গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়।
উৎপাদন খরচ থেকে আয়ের নিশ্চয়তা: কৃষকদের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি শক্তিশালী করা
উৎপাদন খরচের তুলনায় উচ্চতর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (MSP) কৃষকদের আয়ের নিশ্চয়তা বাড়ায় এবং PM-AASHA-এর অধীনে বিভিন্ন প্রকল্পের সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ফসলের ধারাবাহিক চাষে উৎসাহ জোগায়।
২০২৬-২৭ সালে, সাধারণ ধানের উৎপাদন খরচ ছিল প্রতি কুইন্টালে ₹১,৬২৭, যেখানে MSP ছিল প্রতি কুইন্টালে ₹২,৪৪১। ফলে ব্যবধান ছিল ₹৮১৪। হলুদ সয়াবিনের উৎপাদন খরচ ছিল প্রতি কুইন্টালে ₹৩,৮০৫, যেখানে MSP ছিল প্রতি কুইন্টালে ₹৫,৭০৮। ফলে, ব্যবধান ছিল ₹১,৯০৩।
২০২৬-২৭ সালে, গমের উৎপাদন খরচ ছিল প্রতি কুইন্টালে ₹১,২৩৯ এবং MSP ছিল প্রতি কুইন্টালে ₹২,৫৮৫। ফলে ব্যবধান ছিল ₹১,৩৪৬। অন্যদিকে, পাটের উৎপাদন খরচ ছিল প্রতি কুইন্টালে ₹৩,৬৬২ এবং MSP ছিল প্রতি কুইন্টালে ₹৫,৯২৫। ফলে সর্বোচ্চ ₹২,২৯৩ ব্যবধান পাওয়া যায়। MSP-র এই ন্যায্য মূল্য ব্যবধান মূল্য নিশ্চয়তা আরও শক্তিশালী করে এবং কৃষি বাজারে কৃষকদের আস্থা বাড়িয়ে PM-AASHA-এর উদ্দেশ্যকে আরও সুদৃঢ় করে।
সামগ্রিকভাবে, বিভিন্ন ফসল ও বছরের ক্ষেত্রে MSP ধারাবাহিকভাবে উৎপাদন খরচের তুলনায় বেশি রয়েছে। কৃষকরা যাতে ফসলের ভাল দাম পান, তা নিশ্চিত করে PM-AASHA এই ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে। এর ফলে কৃষকদের স্থিতিশীল আয় এবং কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য একটি সহায়ক কাঠামো গড়ে উঠেছে।
কৃষিক্ষেত্র থেকে বাজার পর্যন্ত সংযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা
কৃষিপণ্যের বিপণন এবং ফসল-পরবর্তী পরিকাঠামো শক্তিশালী করতে সরকার কৃষি পরিকাঠামো তহবিল (AIF) এবং e-NAM-এর মতো একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কৃষি পরিকাঠামো তহবিল (AIF)-এর মাধ্যমে ২,১৪,৪৩৭টি প্রকল্পের জন্য ₹৯৬,৪২৬ কোটি ঋণ অনুমোদন করা হয়েছে। এর ফলে ₹১,৬৬,১৭৯ লক্ষ কোটিরও বেশি বিনিয়োগ সক্রিয় হয়েছে। e-NAM প্ল্যাটফর্ম ২৩টি রাজ্য এবং চারটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ১,৬৫৬টি মান্ডিকে সংযুক্ত করেছে এবং এর মাধ্যমে ₹৪,৯৪,৮৪৭ কোটি মূল্যের বাণিজ্য হয়েছে। e-NAM-এ ৪,৭৭৬টি কৃষক উৎপাদক সংগঠন (FPO) নথিভুক্ত হয়েছে এবং ওপেন নেটওয়ার্ক ফর ডিজিটাল কমার্স (ONDC)-এ ৭,৩৩৪টি FPO অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এছাড়াও, সরকার ৯৯২.৬ লক্ষ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ৫০,২৪৯টি গুদাম এবং ২৫,০৮১টি কৃষি বিপণন পরিকাঠামো প্রকল্প অনুমোদন করেছে।
PM-AASHA-এর সাম্প্রতিক সংস্কারের আওতায় কৃষকদের বায়োমেট্রিক প্রমাণীকরণ, আগে থেকে নথিভুক্ত কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ফসল সংগ্রহ, টমেটো, পেঁয়াজ এবং আলু (TOP) ফসলের পরিবহণে সহায়তা এবং বাজার হস্তক্ষেপ প্রকল্পের অধীনে মূল্য পার্থক্যের অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
বিহার ও ছত্তিশগড়: PM-AASHA-এর বাস্তবায়ন আরও শক্তিশালী করা
বিহারে, ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ কনজিউমার্স ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (NCCF)-র মাধ্যমে প্রথমবারের মতো সংগঠিতভাবে মসুর ডাল সংগ্রহ শুরু হয়েছে।
PM-AASHA-এর আওতায় ৪৮টি প্রাথমিক কৃষি ঋণ সমিতি (PACS) এবং কৃষক উৎপাদক সংগঠন (FPO)-এর মাধ্যমে ডাল সংগ্রহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এ বছর ১০ আগস্ট পর্যন্ত, NCCF ১,০৪২.৬৫ মেট্রিক টন মসুর ডাল সংগ্রহ করেছে। ৩৫৮ জন কৃষক নথিভুক্ত হয়েছেন এবং ২৮৫ জন কৃষক উপকৃত হয়েছেন। একই সময়কালে, NAFED-ও ১,৮১৪.১৩ মেট্রিক টন মসুর ডাল সংগ্রহ করেছে। ৪৯৫ জন কৃষক নথিভুক্ত হয়েছেন এবং ৪৫৫ জন কৃষক উপকৃত হয়েছেন।
ছত্তিশগড়ে PM-AASHA-এর আওতায় ২০০টি সক্রিয় PACS এবং ১২টি FPO-র নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ফসল সংগ্রহের ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। এ বছর ১০ আগস্ট পর্যন্ত, NCCF ১৮,৩৯২.২২৮ মেট্রিক টন ছোলা, ২২.২৩১ মেট্রিক টন মসুর এবং ১,০৩৫.০২০৫ মেট্রিক টন সর্ষে সংগ্রহ করেছে। প্রসঙ্গত, ২১,৭২১ জন কৃষক নথিভুক্ত হয়েছেন এবং ১৩,৭৯০ জন কৃষক উপকৃত হয়েছেন। একই সময়কালে, NAFED ১৭,০২০.৬৫ মেট্রিক টন ছোলা এবং ৩৫৫.০৫ মেট্রিক টন মসুর সংগ্রহ করেছে। মোট ৪৬,১৪৬ জন কৃষক নথিভুক্ত হয়েছেন এবং ১৩,৬৭৩ জন কৃষক উপকৃত হয়েছেন। এই উদ্যোগগুলি MSP-এর আওতায় ফসল সংগ্রহকে শক্তিশালী করেছে, বাজারে কৃষকদের প্রবেশাধিকার বাড়িয়েছে এবং অঞ্চলভিত্তিক ডাল উৎপাদনে স্বনির্ভরতার লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করেছে।
কৃষকদের আয় সুরক্ষিত করা ও বাজার ব্যবস্থা শক্তিশালী করা
PM-AASHA নিশ্চিত ফসল সংগ্রহ, মূল্য স্থিতিশীলতা এবং কার্যকর বাজার হস্তক্ষেপের মাধ্যমে কৃষকদের সহায়তা করার জন্য একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত ব্যবস্থা হিসাবে উঠে এসেছে। এর মাধ্যমে NAFED এবং NCCF-এর মতো সংস্থার মাধ্যমে ডাল, তৈলবীজ এবং কোপরার মতো গুরুত্বপূর্ণ ফসল সময়মতো সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে। অতিরিক্ত ফসল সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপনে বাজারে কৃষকদের প্রবেশাধিকার আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং সম্মিলিতভাবে কৃষকদের ক্ষমতায়ন হয়েছে।
ডিজিটাল সংস্কার এবং পরিকাঠামোগত সহায়তার ফলে বিভিন্ন রাজ্যে ফসল সংগ্রহের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং পরিষেবার পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্মিলিতভাবে, এই উদ্যোগগুলি কৃষকদের ফসলের আরও ভালো মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সাহায্য করেছে, কম দামে ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হওয়ার প্রবণতা কমিয়েছে এবং দেশে একটি স্থিতিশীল ও স্থিতিস্থাপক কৃষি অর্থনীতি গড়ে তুলতে সহায়তা করছে।
তথ্যবিবরণী
Ministry of Agriculture and Farmers Welfare
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2155528®=3&lang=2
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2112407®=3&lang=2
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2246181®=3&lang=2
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2241414®=3&lang=2
https://agriwelfare.gov.in/Documents/AR_Eng_2024_25.pdf
https://www.pib.gov.in/PressNoteDetails.aspx?NoteId=154999&ModuleId=3®=3&lang=2
https://sansad.in/getFile/annex/268/AU2274_YtUhNS.pdf?source=pqars
Cabinet
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2055990®=3&lang=2
Ministry of Finance
www.indiabudget.gov.in/doc/eb/sbe1.pdf
Click here to see pdf.
SSS/RP.......
(Explainer ID: 159687)
आगंतुक पटल : 8
Provide suggestions / comments