• Skip to Content
  • Sitemap
  • Advance Search
Social Welfare

সংস্কৃতি ও ভাষার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

Posted On: 09 FEB 2026 5:39PM

নয়াদিল্লি, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 

মূল বিষয়বস্তু

সংস্কৃতি ও ভাষার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহার নিশ্চিত করছে ভারত। ভাষিনী, অনুবাদিনী, জ্ঞান ভারতম এবং আদি বাণীর মতো জাতীয় প্ল্যাটফর্ম এই উদ্যোগের কেন্দ্রবিন্দু।

পাণ্ডুলিপি ডিজিটাইজেশন, শিক্ষাগত বিষয়বস্তুর অনুবাদ এবং আদিবাসী ও বিলুপ্তপ্রায় ভাষার অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ও জ্ঞানভিত্তিক সম্পদকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা হচ্ছে।

সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল ক্ষেত্রগুলিকে ডিজিটাল ভ্যালু চেনের সঙ্গে যুক্ত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। এর মাধ্যমে কারিগরদের নতুন প্ল্যাটফর্ম ও সুযোগের সঙ্গে সংযুক্ত করা হচ্ছে।

সাংস্কৃতিক সংরক্ষণ থেকে সাংস্কৃতিক অংশগ্রহণ
ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও ভাষাগত বৈচিত্র্য দেশের সামাজিক পরিচয় ও সমষ্টিগত জ্ঞানব্যবস্থাকে গঠন করেছে।

পাণ্ডুলিপি, স্থাপত্য, পরিবেশন শিল্প ও হস্তশিল্প থেকে শুরু করে মৌখিক ঐতিহ্য, লোকসংস্কৃতি এবং আদিবাসী জ্ঞান - ভারতের সংস্কৃতি বহু ভাষা, লিপি ও কথ্য রূপের মাধ্যমে সৃষ্টি ও সংরক্ষিত হয়ে এসেছে।

ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামো হিসাবে ভাষা নির্মাণ

এই ভাষাগত পরিকাঠামোর প্রধান স্তম্ভগুলি হল:

জাতীয় ভাষা অনুবাদ মিশন (এনএলটিএম) – ভাষিনী
২০২২ সালে জাতীয় ভাষা অনুবাদ মিশনের অধীনে ভাষিনী শুরু হয়েছে। ডিজিটাল পরিসরে ভারতের বিস্তৃত ভাষাগত বৈচিত্র্যের চাহিদা পূরণ করাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।

ভাষিনীর ব্যবহারিক উদাহরণ
কাশী তামিল সঙ্গমম ২.০-এ রিয়েল-টাইম বক্তৃতা অনুবাদ
বারাণসীতে অনুষ্ঠিত কাশী তামিল সঙ্গমম অনুষ্ঠানে ভাষিনী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

মহাকুম্ভ ২০২৫-এ বহুভাষিক সহায়তা

মহাকুম্ভ ২০২৫-এ ভাষিনী পরিচালিত ‘কুম্ভ সহায়ক’ চ্যাটবট ব্যবহৃত হয়েছে। মোট ১১টি ভাষায় এই ভয়েস-সক্ষম সহকারি তীর্থযাত্রীদের পথনির্দেশ ও অনুষ্ঠান সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করেছে।

ভারতীয় ভাষার জন্য প্রযুক্তি উন্নয়ন (টিডিআইএল)

টিডিআইএল ভারতের একটি দীর্ঘস্থায়ী সরকারি কর্মসূচি। ভারতীয় ভাষা কম্পিউটিংয়ের মৌলিক প্রযুক্তিগত ভিত্তি এই কর্মসূচির মাধ্যমে গড়ে উঠেছে। একাধিক ভারতীয় ভাষায় লিপি, বক্তৃতা ও পাঠ্য প্রযুক্তি এর আওতায় এসেছে।

অনুবাদিনী (এআইসিটিই)

অনুবাদিনী একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক বহুভাষিক অনুবাদ প্ল্যাটফর্ম। সর্বভারতীয় কারিগরি শিক্ষা পরিষদ এই প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করেছে। শিক্ষাগত, কারিগরি ও জ্ঞানভিত্তিক বিষয়বস্তু ভারতীয় ভাষায় বৃহৎ স্তরে অনুবাদ করাই এর লক্ষ্য।

জ্ঞান ভারতম মিশন

জ্ঞান ভারতম একটি জাতীয় মিশন। ভারতের পাণ্ডুলিপি-ভিত্তিক ঐতিহ্য ও প্রথাগত জ্ঞানব্যবস্থার সমীক্ষা, নথিভুক্তিকরণ, ডিজিটাইজেশন ও প্রচার এই মিশনের আওতায় রয়েছে। জাতীয় ডিজিটাল ভাণ্ডার গঠন এই উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

জ্ঞান-সেতু

(জ্ঞান ভারতমের অধীনে জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উদ্ভাবন চ্যালেঞ্জ)

পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণ, পাঠোদ্ধার, পুনরুদ্ধার ও প্রবেশাধিকারের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর সমাধান সংগ্রহের উদ্দেশ্যে জ্ঞান-সেতু শুরু করা হয়েছে।

আদি বাণী – আদিবাসী ভাষার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্ল্যাটফর্ম
আদি বাণী একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম।

আদিবাসী ভাষার সংরক্ষণ, প্রসার ও পুনরুজ্জীবন এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। ভারতের সাংস্কৃতিক ও মৌখিক ঐতিহ্যে আদিবাসী ভাষার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে অংশগ্রহণ ও সুযোগ সৃষ্টি
সংস্কৃতি, ভাষা ও জ্ঞানে প্রবেশাধিকার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরবর্তী লক্ষ্য হল অর্থনৈতিক সুযোগ ও সামাজিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা। ভারতের সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল ক্ষেত্রে এই বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

ঐতিহ্যবাহী দক্ষতা, স্থানীয় জ্ঞান ও সম্প্রদায়ভিত্তিক চর্চার উপর এই ক্ষেত্রগুলির জীবিকা নির্ভরশীল।

কারিগর ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর পথ

ভাষা-অন্তর্ভুক্ত প্ল্যাটফর্মের  সাহায্যে উন্নত বাজার প্রবেশাধিকার

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক অনুবাদ ও অনুসন্ধান সরঞ্জাম কারিগরদের পণ্য, গল্প ও সাংস্কৃতিক মূল্য বিভিন্ন ভাষা ও অঞ্চলে উপস্থাপন করতে সহায়তা করছে।

সংস্কৃতি, ভাষা ও জীবিকার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

সরকারি ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মূল লক্ষ্য হল সাংস্কৃতিক অংশগ্রহণ, সামাজিক ক্ষমতায়ন ও সুস্থায়ী জীবিকা নিশ্চিত করা। অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক উন্নয়নের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে নীতি আয়োগের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনেও এই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন রয়েছে।
এই উদ্যোগগুলি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে শুধুমাত্র একটি প্রযুক্তিগত উপকরণ হিসেবে নয়, বরং একটি জন-কল্যাণমূলক সম্পদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। ভারতের সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত বৈচিত্র্য এই ব্যবস্থার কেন্দ্রে থাকবে। মানবকেন্দ্রিক এই দৃষ্টিভঙ্গি মানবতার জন্য প্রযুক্তির ধারণাকে আরও শক্তিশালী করে। অন্তর্ভুক্তি, অংশগ্রহণ ও সুযোগের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সৃজনশীল সম্প্রদায় একটি ডিজিটালি ক্ষমতায়িত ও সামাজিকভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যতে সক্রিয় অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

Click here for pdf file. 


*****
SSS/SS

(Explainer ID: 157276) आगंतुक पटल : 12
Provide suggestions / comments
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , हिन्दी , Manipuri , Gujarati , Telugu , Kannada , Malayalam
Link mygov.in
National Portal Of India
STQC Certificate