• Skip to Content
  • Sitemap
  • Advance Search
Technology

ইন্ডিয়া–এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬: সাত চক্র

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবের সাতটি বিষয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা

Posted On: 08 FEB 2026 12:11PM

নয়াদিল্লি, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 

মূল বিষয়বস্তু

ইন্ডিয়া–এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ আন্তর্জাতিক দক্ষিণে আয়োজিত প্রথম আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলন।

সাতটি চক্র বা ওয়ার্কিং গ্রুপের মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি দেশ যুক্ত হয়েছে। দায়িত্বশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গঠনে এই অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিস্তৃত চিত্র তুলে ধরে।

এই সামিট তিনটি সূত্রের উপর প্রতিষ্ঠিত। সূত্রগুলি হল- মানুষ, প্রকৃতি এবং অগ্রগতি।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মূল নীতিগুলি এই সূত্রগুলির মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়েছে।

ভূমিকা

ভারতের উন্নয়নযাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। এই পর্যায়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটি প্রধান সহায়ক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ভারতের ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটি কৌশলগত জাতীয় উপকরণ। প্রযুক্তির গণতান্ত্রিকীকরণে এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ব্যাপক স্তরে প্রবেশাধিকার, অন্তর্ভুক্তি ও সমতা নিশ্চিত করাই এর লক্ষ্য।

এই প্রযুক্তিগত পরিবর্তন মানব কর্মকাণ্ডের প্রতিটি ক্ষেত্রে অগ্রগতির নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। প্রযুক্তি ও শাসন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে। উদীয়মান প্রযুক্তি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক নীতি আলোচনায় ভারতের সক্রিয় অংশগ্রহণ এই প্রবণতাকেই প্রতিফলিত করে।

মূল নীতি: এআই ইমপ্যাক্ট নির্ধারণকারী তিনটি সূত্র

জনমানব:

মানবকেন্দ্রিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসার। অধিকার সুরক্ষা, পরিষেবায় প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, আস্থা নির্মাণ এবং সমাজের সর্বস্তরে ন্যায্য সুফল নিশ্চিত করাই এই সূত্রের লক্ষ্য।

প্রকৃতি:

পরিবেশগতভাবে সুস্থায়ী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অগ্রগতি। শক্তি-সাশ্রয়ী ব্যবস্থা, দায়িত্বশীল সম্পদ ব্যবহার এবং জলবায়ু ও পরিবেশ সংরক্ষণে সহায়ক প্রযুক্তির ব্যবহার এই সূত্রের কেন্দ্রে রয়েছে।

অগ্রগতি:

উদ্ভাবন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীলতা ও উন্নয়নমূলক ফল অর্জনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার। অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নিশ্চিত করাই এই সূত্রের উদ্দেশ্য।

বিষয়ভিত্তিক ক্ষেত্র: ইন্ডিয়া–এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর সাত চক্র

সামিটের আলোচনা সাতটি পরস্পর-সংযুক্ত বিষয়ভিত্তিক চক্র বা ওয়ার্কিং গ্রুপের মাধ্যমে সংগঠিত। প্রতিটি চক্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি নির্দিষ্ট প্রভাবক্ষেত্রের উপর গুরুত্ব দেয়। নীতি ও বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে এই চক্রগুলির মাধ্যমে সূত্রগুলিকে কার্যকর কর্মপরিকল্পনায় রূপ দেওয়া হচ্ছে।

মানব সম্পদ: আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহযোগিতার ভিত্তি হিসেবে ভারতের প্রতিভা ভাণ্ডার

ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত গ্রহণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উদ্ভাবন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধির নতুন দিশা খুলে দিয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর অর্থনীতির জন্য কর্মশক্তিকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অঞ্চল ও সামাজিক-অর্থনৈতিক স্তর নির্বিশেষে ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

সামাজিক ক্ষমতায়নের জন্য অন্তর্ভুক্তি: অন্তর্ভুক্তিমূলক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভারতে সামাজিক অন্তর্ভুক্তি বিস্তারের একটি কার্যকর পথ তৈরি করেছে। ভাষা, অঞ্চল ও সক্ষমতার ভিন্নতা সত্ত্বেও পরিষেবায় প্রবেশাধিকার ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারতের ডিজিটাল  জন- পরিকাঠামো এই প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে বাস্তব সামাজিক ফলাফলে রূপ দিতে সহায়তা করছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে সামাজিক ক্ষমতায়নের প্রধান উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক হেলথএআই এনগেজমেন্ট

ভাষিনী

এআই-সমর্থিত কৃষক পরিষেবা প্রদান

অনুষ্ঠান বহির্ভূত কর্মশক্তির অন্তর্ভুক্তিতে এআই

স্থিতিস্থাপকতা, উদ্ভাবন ও দক্ষতা: দেশীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উদ্ভাবনের মাধ্যমে স্থিতিস্থাপকতা জোরদার

ভারতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিতে দক্ষতা ও সুস্থায়ী উন্নয়নের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিবেশগত দায়িত্ব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবেশাধিকারের সঙ্গে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সমন্বয় এই দৃষ্টিভঙ্গির মূল ভিত্তি।

বিজ্ঞান: ভারতে এআই-সমর্থিত বৈজ্ঞানিক গবেষণা

গবেষণা ক্রমশ তথ্যনির্ভর ও সহযোগিতামূলক হয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য, কৃষি ও জলবায়ু ক্ষেত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক গবেষণার বাস্তব প্রয়োগ জোরদার করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে গবেষণায় অংশগ্রহণের পরিধিও বিস্তৃত হচ্ছে।

এআই সম্পদের গণতান্ত্রিকীকরণ: যৌথ এআই সম্পদ উন্নয়ন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য কম্পিউটিং ক্ষমতা, তথ্য ও পরিকাঠামোর প্রয়োজন। এই সম্পদগুলির বণ্টন এখনও অসম। এই চক্রের মাধ্যমে সমান প্রবেশাধিকার ও যৌথ ব্যবহারের কাঠামো গড়ে তোলার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও সামাজিক কল্যাণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: প্রভাবের বিস্তার

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও সামাজিক অগ্রগতির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে বৃহৎ স্তরে বাস্তবায়ন করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ। এই ওয়ার্কিং গ্রুপ বা কর্মী গোষ্ঠি পরিমাপযোগ্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক ফল প্রদানকারী এআই সমাধানের বিস্তারে কাজ করছে।

সাতটি চক্র একত্রে দায়িত্বশীল উদ্ভাবন, ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং পরিমাপযোগ্য প্রভাবের পথ নির্মাণ করছে। নীতি, প্রযুক্তি, শাসন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশ ও ক্ষেত্রভিত্তিক কার্যকর ফল নিশ্চিত করার একটি সুসংগঠিত কাঠামো তৈরি হয়েছে।

উপসংহার

ইন্ডিয়া–এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে আলোচনায় ভারতের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করেছে। সাত চক্র ও মানুষ, প্রকৃতি এবং অগ্রগতির তিন সূত্রের ভিত্তিতে এই সামিট উন্নয়নমুখী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি কাঠামো এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

নীতি ও বাস্তবায়নের সংযোগ এবং উদ্ভাবন ও জনস্বার্থের সমন্বয়ে দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের একটি সুসংগঠিত পথ নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি ও সুস্থায়ী উন্নয়নের সঙ্গে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সামঞ্জস্য এই কাঠামোর মূল লক্ষ্য।

এই সামিট আন্তর্জাতিক এআই সহযোগিতায় ভারতকে একটি আহ্বায়ক ও অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। অভিন্ন মানদণ্ড, সহযোগিতামূলক কাঠামো এবং জনকল্যাণমূলক সমাধানের বিস্তার এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী হয়েছে। আলোচনার পর্ব থেকে বাস্তব প্রয়োগের দিকে এই অগ্রগতি দায়িত্বশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নয়নকেন্দ্রিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতিকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

তথ্যসূত্র

Ministry of Electronics & IT

Ministry of Earth Sciences

Ministry of Agriculture & Farmers Welfare

 

NITI Aayog

 

PIB Backgrounders

India–AI Impact Summit 2026

Principal Scientific Adviser (PSA)

Click here to see in PDF

***
SSS/SS

(Explainer ID: 157249) आगंतुक पटल : 4
Provide suggestions / comments
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , हिन्दी , Gujarati
Link mygov.in
National Portal Of India
STQC Certificate