• Skip to Content
  • Sitemap
  • Advance Search
Economy

ভারত - নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি

ভারতের অন্যতম দ্রুত সম্পন্ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি

Posted On: 22 DEC 2025 10:13PM

২২ ডিসেম্বর, ২০২৫

মূল বিষয়সমূহ

- ভারত - নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় ভারতের ১০০ শতাংশ রপ্তানি পণ্যের উপর শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে।
- পনেরো বছরের মধ্যে ২,০০০ কোটি মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার হবে।
- দুগ্ধ ও কৃষিক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা হয়েছে। বস্ত্র ও চর্মশিল্পের মতো শ্রমনির্ভর ক্ষেত্রে এটি বড় সাফল্য।
- নিউজিল্যান্ড প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্য ও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পরিষেবা বিষয়ে সংযুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
- স্টেম স্নাতক ও দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য উন্নত শিক্ষার্থী চলাচল ব্যবস্থা এবং পড়াশোনার পর ওয়ার্ক ভিসার সুযোগ। মোট ৫,০০০ দক্ষ পেশাজীবীর জন্য নতুন ভিসা ব্যবস্থার পথ খুলেছে।

ভূমিকা

অর্থনৈতিক বৃদ্ধি গতিশীল করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অবস্থান শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ভারত ধারাবাহিকভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারিত করেছে। গত পাঁচ বছরে ছয়টি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের পর, চলতি মাসে ওমানের সঙ্গে চুক্তির পরই ভারত ও নিউজিল্যান্ড একটি ভবিষ্যৎমুখী মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা সম্পন্ন করেছে। এটি দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্কে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

এই চুক্তির মাধ্যমে নিউজিল্যান্ডের বাজারে ভারতীয় পণ্যের জন্য নজিরবিহীন শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলি সুরক্ষিত রাখা হয়েছে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার হয়েছে এবং জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নকে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সালের মার্চ মাসে ভারত ও নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করে। একাধিক দফার আলোচনার পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। এটি ভারতের অন্যতম দ্রুত সম্পন্ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই চুক্তির ফলে নিউজিল্যান্ডের বাজারে ভারতীয় পণ্যের প্রবেশাধিকার ও শুল্ক সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে ওশেনিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের বৃহত্তর বাজারে প্রবেশের পথ খুলবে।

এই চুক্তির মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদের অন্যতম প্রধান যোগানদাতা হিসেবে ভারতের ভূমিকা আরও দৃঢ় হবে। আয়ুষ এবং যোগ প্রশিক্ষক, ভারতীয় রন্ধনজীবী, সঙ্গীত শিক্ষকসহ বিভিন্ন পরিষেবা ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হবে। তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং নির্মাণ ক্ষেত্রেও পরিষেবা সহযোগিতা বিস্তৃত হবে।

সার্বিকভাবে এই চুক্তি একটি নিরাপদ ও স্বচ্ছ কাঠামো গড়ে তুলেছে। এর ফলে, বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়বে, পরিষেবা বাণিজ্য জোরদার হবে, চলাচলের সুযোগ তৈরি হবে, দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে এবং কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে।

 

ভারত - নিউজিল্যান্ড দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক

ভারত ও নিউজিল্যান্ডের অংশীদারিত্ব অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও জনগণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। বর্তমানে নিউজিল্যান্ড ওশেনিয়া অঞ্চলে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার।

৪৯,৩৮০ মার্কিন ডলার মাথাপিছু আয়ের মাধ্যমে নিউজিল্যান্ড ওশেনিয়ার উচ্চ আয়ের অর্থনীতিগুলির অন্যতম। ২০২৪ সালে নিউজিল্যান্ডের মোট আমদানি ছিল ৪,৭০০ কোটি মার্কিন ডলার এবং রপ্তানি ছিল ৪,২০০ কোটি মার্কিন ডলার। ২০২৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের বিদেশে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৪২,২৬০ কোটি মার্কিন ডলার।

নিউজিল্যান্ডে প্রায় ৩ লক্ষ প্রবাসী ভারতীয় বসবাস করেন। নিউজিল্যান্ডের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫ শতাংশ। এই প্রবাসী সমাজ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিকভাবে আরও দৃঢ় করে তুলেছে।

এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সেই সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে-

- পণ্য বাণিজ্য ২০২৩-২৪ সালে ৮,৭৩০ লক্ষ মার্কিন ডলার থেকে ২০২৪-২৫ সালে বেড়ে ১৩০ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। বৃদ্ধি হয়েছে ৪৯ শতাংশ।
- নিউজিল্যান্ডে ভারতের পণ্য রপ্তানি ২০২৪-২৫ সালে ৭১.১ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। বৃদ্ধি হয়েছে ৩২ শতাংশ।
- পরিষেবা বাণিজ্যে ২০২৪ সালে ভারতের রপ্তানি ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৬৩.৪ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।
- ২০১৫-১৬ সালে ৮৫.৫ কোটি মার্কিন ডলার থেকে ২০২৪-২৫ সালে দ্বিপাক্ষিক পণ্য বাণিজ্য বেড়ে ১২৯.৮ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। এই সময়ে ভারতের রপ্তানি ১৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমদানি বেড়েছে মাত্র ৭.২১ শতাংশ। ২০২৪-২৫ সালে নিউজিল্যান্ড থেকে আমদানির তুলনায় ভারতের রপ্তানি বেশি ছিল। ফলে ভারতের পক্ষে ইতিবাচক বাণিজ্য ভারসাম্য বজায় রয়েছে।

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য

- ভারতের জন্য ১০০ শতাংশ পর্যন্ত রপ্তানি পণ্যের উপর শুল্ক প্রত্যাহার।
- পনেরো বছরে ২,০০০ কোটি মার্কিন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি।
- কৃষি উৎপাদনশীলতায় অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কৃষকদের সঙ্গে সহযোগিতা।
- বস্ত্র, পোশাক, চর্মশিল্প, জুতো, রত্ন ও গয়না, প্রকৌশল পণ্য এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যে শুল্কহীন বিপণীর সুবিধা।
- ভারত ৭০.০৩ শতাংশ ট্যারিফ লাইনে বাজার প্রবেশাধিকার দিয়েছে। ২৯.৯৭ শতাংশ বাদ রাখা হয়েছে।
- দুগ্ধ, নির্বাচিত কৃষিপণ্য, চিনি, কৃত্রিম মধু, তেল, অস্ত্র, রত্ন ও গয়না, তামা ও অ্যালুমিনিয়াম পণ্য বাদ রাখা হয়েছে।
- ৩০ শতাংশ ট্যারিফ লাইনে তাৎক্ষণিক শুল্ক প্রত্যাহার।
- ৩৫.৬০ শতাংশ পণ্যে ৩ থেকে ১০ বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে শুল্ক প্রত্যাহার।
- ৪.৩৭ শতাংশ পণ্যে শুল্ক হ্রাস।
- ০.০৬ শতাংশ পণ্য শুল্ক কোটা ব্যবস্থার আওতায়।

ভারতীয় পণ্যের জন্য উন্নত বাজার প্রবেশাধিকার

- নিউজিল্যান্ড ৮,২৮৪-টি ট্যারিফ লাইনে তাৎক্ষণিকভাবে শুল্ক প্রত্যাহার করেছে।
- বস্ত্র, চর্মশিল্প, যানবাহন ও যন্ত্রাংশের মতো পণ্যে আগে প্রায় ১০ শতাংশ শুল্ক ছিল। তা এখন শূন্য হবে।
- কৃষিপণ্য, প্রকৌশল পণ্য ও শ্রমনির্ভর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সুবিধা মিলবে।
- কাঠ, কোকিং কয়লা ও ধাতব বস্তু আমদানির মাধ্যমে দেশীয় শিল্প উপকৃত হবে।

কৃষি, প্রযুক্তি ও কৃষক আয়ের বৃদ্ধি

- কিউই ফল, আপেল ও মধুর বিপণনে মান নিশ্চিত করতে এবং উৎপাদনকারীদের সুরক্ষা প্রদান করতে নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।
- উৎকর্ষ কেন্দ্র স্থাপন, উন্নত চারা, প্রশিক্ষণ এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করা হবে।
- এই পণ্যগুলির জন্য শুল্ক কোটা ব্যবস্থার মাধ্যমে সীমিত বাজার প্রবেশাধিকার দেওয়া হবে।
- সমস্ত কোটার যৌথ কৃষি উৎপাদনশীলতা পরিষদের মাধ্যমে তদারকি করা হবে।

পণ্যের বাইরে উন্নত সুযোগ
পরিষেবা

- নিউজিল্যান্ড ১১৮-টি পরিষেবা ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মোট ১৩৯-টি ক্ষেত্রে ভারতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
- আয়ুর্বেদ, যোগ ও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা বিষয়ে প্রথমবার সংযুক্তি স্বাক্ষর। এর ফলে আয়ুষ ব্যবস্থার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জোরদার হবে।

চলাচল ও শিক্ষা

- শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা কাজের সুযোগ পাবে। এটি শিক্ষার্থীদের চলাচল এবং ওয়ার্ক ভিসা বিষয়ক নিউজিল্যান্ডের স্বাক্ষরিত সর্বপ্রথম চুক্তি। 
- পড়াশোনা শেষে দীর্ঘমেয়াদী ওয়ার্ক ভিসা।
- মোট ৫,০০০ দক্ষ পেশাজীবীর জন্য তিন বছরের ভিসা।
- প্রতি বছর ১,০০০ তরুণের জন্য ওয়ার্কিং হলিডে ভিসা। এই ভিসা ১২ মাসের মেয়াদে একাধিকবার নিউজিল্যান্ডে প্রবেশাধিকার দেবে।
- এগুলি ভারতীয় শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক 

বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা

মোট - ১৫ বছরে ২,০০০ কোটি মার্কিন ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ।
- জৈব পণ্য সনদের যৌথ স্বীকৃতি।
- ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের জন্য সহযোগিতা।
- আয়ুষ, পর্যটন ও ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহায়তা।

সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান

- আয়ুষ ও ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানে বিশেষ সহযোগিতা।
- মাওরি জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিনিময়।

নিয়ন্ত্রক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়

- ওষুধ ও চিকিৎসা যন্ত্রে দ্রুত অনুমোদন ব্যবস্থা।
- ভারতের ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই-এর জন্য নিউজিল্যান্ডে শক্তিশালী সুরক্ষা ব্যবস্থা।
- শুল্ক ছাড়, বৈদ্যুতিন নথিকরণ ও দ্রুত পণ্য ছাড়পত্র প্রদান।
- আইন উপেক্ষা রোধ করতে উৎপত্তি বিধির কঠোর পরিকাঠামো।

ভবিষ্যৎ পথচলা

যৌথ ঘোষণার পর আলোচ্য নথি প্রকাশ করা হতে পারে। অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে চুক্তি স্বাক্ষর ও কার্যকর হবে।

ক্ষেত্রভিত্তিক দিকগুলি

ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত অথবা অগ্রাধিকারমূলক বাজার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হয়েছে। এর ফলে ভারতের রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং ওশেনিয়া অঞ্চলে ভারতীয় শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

ভারতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নেটওয়ার্ক

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির লক্ষ্য ভারতীয় ব্যবসা, কৃষক, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করা এবং একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মূল্য শৃঙ্খলে ভারতের ভূমিকা আরও দৃঢ় করা। এই সমঝোতার মাধ্যমে পণ্য ও পরিষেবা বাণিজ্য সংক্রান্ত নির্দিষ্ট দায়বদ্ধতা নির্ধারিত হয়। বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা ও স্বত্বাধিকার সম্পর্কিত বিষয়ও এতে অন্তর্ভুক্ত থাকে।

অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারতের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি শুল্ক হ্রাস বা প্রত্যাহারের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ায়। পণ্য ও পরিষেবার জন্য উন্নত বাজার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হয়। মেধাস্বত্ব সুরক্ষা জোরদার হয়। মান নির্ধারণ ও সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়। বিনিয়োগকারীদের জন্য ন্যায্য আচরণ নিশ্চিত করা হয়। সামগ্রিকভাবে এই চুক্তিগুলি সীমান্ত পেরিয়ে ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি স্থিতিশীল ও পূর্বানুমেয় পরিবেশ গড়ে তোলে।

আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক উপস্থিতি ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারণের ফলে, ভারত এখন বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি পছন্দের অংশীদার হিসেবে উঠে এসেছে।

ভারতের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মুক্ত বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক চুক্তি

- ইন্ডিয়া-ওমান কমপ্রিহেনসিভ ইকনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ), ২০২৫
- ইন্ডিয়া-ইউকে কমপ্রিহেনসিভ ইকনমিক অ্যান্ড ট্রেড এগ্রিমেন্ট (সিইটিএ), ২০২৫
- ইন্ডিয়া-ইএফটিএ ট্রেড অ্যান্ড ইকনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (টিইপিএ) সুইৎজারল্যান্ড, নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং লিশটেনস্টাইনের সঙ্গে, ২০২৪
- ইন্ডিয়া-ইউনাইটেড আরব এমিরেটস কমপ্রিহেনসিভ ইকনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ), ২০২২
- ইন্ডিয়া-অস্ট্রেলিয়া ইকনমিক কোঅপারেশন অ্যান্ড ট্রেড এগ্রিমেন্ট (ইসিটিএ), ২০২২
- ইন্ডিয়া-মরিশাস কমপ্রিহেনসিভ ইকনমিক কোঅপারেশন অ্যান্ড পার্টনারশিপ (সিইসিপিএ), ২০২১

সমাপ্তি

ভারত - নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ভারতের বাণিজ্য কূটনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই চুক্তির মাধ্যমে পণ্য, পরিষেবা, বিনিয়োগ ও কৃষিক্ষেত্রে বাস্তব ও বিস্তৃত সুফল মিলবে। কৃষক, ক্ষুদ্র উদ্যোগ, শিক্ষার্থী ও দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য এই চুক্তি সমানভাবে লাভজনক হবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারতের বিশ্বাসযোগ্য ও ভবিষ্যতমুখী অংশীদার হিসেবে অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে এবং বিশ্বসংযুক্ত বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর লক্ষ্য অগ্রসর হবে।

তথ্যসূত্র

Ministry of Commerce and Industry

https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2207300&lang=2&reg=3

International Trade Administration

https://www.trade.gov/free-trade-agreement-overview

 

PIB Achieves

https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2206194&reg=3&lang=1

Click here to see in PDF

 

SSS/RS

(Explainer ID: 156682) आगंतुक पटल : 61
Provide suggestions / comments
Link mygov.in
National Portal Of India
STQC Certificate