Rural Prosperity
জনৌষধির সাশ্রয়ী ওষুধে আর্থিক অনটন ভুলে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত
Posted On:
05 MAR 2026 11:18AM
০৫ মার্চ, ২০২৬
ভূমিকা
'প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জনৌষধি পরিয়োজনা'-র অধীনে পরিচালিত 'প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জনৌষধি কেন্দ্র'গুলি স্বল্পমূল্যে মানসম্মত ওষুধ সরবরাহ করে সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বিস্তার করছে। এই কেন্দ্রগুলি কেবল চিকিৎসার খরচই কমায় না, প্রবীণ নাগরিক এবং দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত পরিবারগুলির স্বনির্ভরতা বৃদ্ধিতেও সহায়কের ভূমিকা পালন করছে।

'সাশ্রয়ী ওষুধ, ৬০ বছর বয়সেও অটুট আত্মবিশ্বাস'
শ্বেতা জি নামের এক প্রবীণ নাগরিক গত আট বছর ধরে ডায়াবেটিস, অ্যাসিডিটি, ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট, ভিটামিন এবং ইনসুলিনের জন্য তার বাড়ির কাছের জনৌষধি কেন্দ্রের ওপর নির্ভর করেন। সাশ্রয়ী মূল্যে ওষুধের সহজলভ্যতা তার মাসিক খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে, যা তাকে স্বাধীনভাবে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে সক্ষম করেছে।
'দূরে নয়, নয় বড় বিল; কেবল সেবা'
গোবর্ধন জি তুলে ধরেছেন, কিভাবে হাতের কাছের এই কেন্দ্রটি রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিসের ওষুধ সহজলভ্য করে তুলেছে। ওষুধের সাশ্রয়ী মূল্য এবং নিকটবর্তী কেন্দ্রগুলি রোগীদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া বা অন্যের ওপর নির্ভর না করেই চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে, যা স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা ও মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।
'আর্থিক স্বস্তি'
সঞ্জীব কুমার জানান যে, বেসরকারি ফার্মেসিতে যেখানে তার এবং তার স্ত্রীর ওষুধের খরচ ৬,০০০ থেকে ৭,০০০ টাকা হতো, জনৌষধি কেন্দ্রে সেই একই ওষুধ মাত্র ২,০০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এই সঞ্চয় তার আর্থিক চাপ কমিয়ে পারিবারিক বাজেট পরিকল্পনাকে আরও সহজতর করেছে।
'পকেটে টান না দিয়েই স্বাস্থ্যসেবা'
অশোক কুমার নামের একজন মেকানিক্যাল কাজকর্ম করেন এমন কর্মী জানান যে, সাশ্রয়ী মূল্যের ওষুধ শ্রমজীবী পরিবারগুলির জন্য স্বাস্থ্যসেবাকে সহজলভ্য করেছে। এই কেন্দ্রগুলি কোনো প্রকার আর্থিক টানাপোড়েন ছাড়াই পরিবারগুলিকে তাদের চিকিৎসার প্রয়োজন মেটাতে সাহায্য করছে।
'প্রেসক্রিপশন নিয়ে দুশ্চিন্তার অবসান'
শ্রী সুনীল কুমার বলেন যে, আগে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন হাতে পেলে ওষুধের খরচ নিয়ে প্রায়ই উদ্বেগ তৈরি হতো। জনৌষধি কেন্দ্রগুলি সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য ওষুধ সরবরাহ করায় সেই আর্থিক দুশ্চিন্তা এখন অনেকটাই দূর হয়েছে।
'সমাজের ক্ষমতায়নে এক দিব্যাঙ্গ উদ্যোক্তা'
শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও দিব্যাঙ্গ উদ্যোক্তা রাম আধার নিজের জনৌষধি কেন্দ্র পরিচালনার মাধ্যমে সমাজের সেবা করছেন। তার দোকানে প্রতিদিন গড়ে ৩০-৪০ জন ক্রেতা আসেন। এটি প্রমাণ করে যে, এই প্রকল্পটি একদিকে যেমন স্থানীয় পর্যায়ে সাশ্রয়ী ওষুধের প্রাপ্যতা বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে উদ্যোক্তা তৈরিতেও ভূমিকা রাখছে।
উপসংহার
স্বাস্থ্যসেবাকে সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করতে জনৌষধি কেন্দ্রগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ওষুধের খরচ কমিয়ে, প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এবং স্থানীয় পর্যায়ে উদ্যোগপতি তৈরির সুযোগ করে দেওয়ার মাধ্যমে এই কর্মপন্থা আর্থিক স্বস্তি, মর্যাদা ও সামাজিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করছে এবং সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে।
তথ্যসূত্র
Ministry of Chemicals and Fertilizers
Click here to see pdf
********
SSS/PK/5.3.26
(Features ID: 157703)
आगंतुक पटल : 22
Provide suggestions / comments