কর্মী, জন অভিযোগ ও পেনশন মন্ত্রণালয়"
azadi ka amrit mahotsav

সাধনা শৃঙ্খলা (সিরিজ) ২০২৬-এর অধীনে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির দ্বিতীয় আঞ্চলিক কর্মশালার উদ্বোধন করবেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

৯ অক্টোবর গুয়াহাটিতে সক্ষমতা বৃদ্ধি কমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলির রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে

জাতীয় অগ্রগতির লক্ষ্যে অভিযোজনক্ষম উন্নয়ন ও মানবিক দক্ষতা জোরদার করা

পোস্ট করার দিনক্ষণ: 07 OCT 2026 12:09PM by PIB Agartala

নয়াদিল্লী, ৭ অক্টোবর ২০২৬: সাধনা শৃঙ্খলা (সিরিজ) ২০২৬-এর দ্বিতীয় আঞ্চলিক কর্মশালা ৯ অক্টোবর ২০২৬ অসমের গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কমিশন (সিবিসি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালার উদ্বোধন করবেন অসমের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আটটি রাজ্য—অসম, অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, সিকিম ও ত্রিপুরা—থেকে সংশ্লিষ্টরা এই কর্মশালায় অংশ নেবেন। সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রশিক্ষক, বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ, শিল্পক্ষেত্রের অংশীদার এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্টরাও আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন।

সাধনা শৃঙ্খলা (সিরিজ) ২০২৬ হল ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কমিশন (সিবিসি)-র উদ্যোগে আয়োজিত দেশব্যাপী চারটি আঞ্চলিক কর্মশালার একটি ধারাবাহিক কর্মসূচি। এর লক্ষ্য হল জাতীয় সিভিল সার্ভিসেস সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচি-এর আওতায় সিভিল সার্ভিস প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলিকে সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। ২৯–৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী কর্মশালার পর গুয়াহাটির কর্মশালাটি হবে এই সিরিজের দ্বিতীয় আঞ্চলিক কর্মশালা।

কর্মশালাটিতে অংশগ্রহণকারী রাজ্য ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলিকে নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া, প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তরের সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার জন্য বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ চিহ্নিত করার একটি মঞ্চ প্রদান করবে। প্রস্তাবিত সংস্কারগুলিকে রাজ্যভিত্তিক কর্মপরিকল্পনায় রূপ দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মধ্যে থাকবে প্রাতিষ্ঠানিক পরিচালন ব্যবস্থা উন্নত করা, প্রশিক্ষকদের দক্ষতা বাড়ানো এবং প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলিকে ডিজিটালভাবে সক্ষম ও ভবিষ্যৎ-প্রস্তুত করে তোলার মতো পদক্ষেপ।

জাতীয় পরামর্শ থেকে আঞ্চলিক কর্মপরিকল্পনা

ভবিষ্যৎ-প্রস্তুত, জনমুখী ও নাগরিককেন্দ্রিক সিভিল সার্ভিস গড়ে তোলার মূল ভিত্তি হল প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলি। বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর স্বপ্ন বাস্তবায়নেও এই প্রতিষ্ঠানগুলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। গত এক বছরে কমিশন একাধিক পরামর্শমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ছিল আঞ্চলিক টাস্ক ফোর্সের বৈঠক, ২ থেকে ৮ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সাধনা সপ্তাহ এবং মে ২০২৬-এ আয়োজিত ‘ইনস্টিটিউশনালাইজিং ক্যাপাসিটি বিল্ডিং’ বিষয়ক জাতীয় বিভাগীয় শীর্ষ সম্মেলন।

এই পরামর্শমূলক আলোচনাগুলিতে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলিকে শুধুমাত্র স্বতন্ত্র প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে কৌশলগত ও দক্ষতাভিত্তিক সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের জন্য একটি অভিন্ন কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়।

সাধনা শৃঙ্খলা (সিরিজ)-এর লক্ষ্য হল প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের আলোচনাকে আঞ্চলিক স্তরে নিয়ে যাওয়া এবং এই উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এর মাধ্যমে রাজ্য ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলিকে প্রস্তাবিত সংস্কারগুলিকে নিজ নিজ প্রেক্ষাপট অনুযায়ী রূপ দেওয়া এবং সেগুলিকে বাস্তবায়নযোগ্য অগ্রাধিকারে পরিণত করার প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হবে।

প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান রূপান্তর কাঠামোর দিকে এগিয়ে চলা

আঞ্চলিক কর্মশালাগুলির মাধ্যমে কমিশন রাজ্য সরকার, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছে। এর লক্ষ্য হল এমন একটি সর্বাঙ্গীণ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান রূপান্তর কাঠামো তৈরি করা, যা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলির বৈচিত্র্যময় চাহিদা ও প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই পরামর্শমূলক আলোচনায় প্রাতিষ্ঠানিক পরিচালন ব্যবস্থা ও নেতৃত্বকে শক্তিশালী করা, কার্যকারিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো, প্রশিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এ আই)-সহ উদীয়মান প্রযুক্তির ব্যবহার ও ডিজিটাল রূপান্তরকে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হল প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলিকে মূলত প্রশিক্ষণ সরবরাহ-নির্ভর ব্যবস্থা থেকে বের করে প্রয়োজনভিত্তিক ও দক্ষতাভিত্তিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ব্যবস্থায় রূপান্তরিত করা।

এই কাঠামো প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তরের জন্য একটি অভিন্ন দিকনির্দেশনা দেবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন রাজ্য ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা, অগ্রাধিকার এবং নিজস্ব প্রেক্ষাপটকেও এতে গুরুত্ব দেওয়া হবে। কর্মশালাগুলির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী রাজ্যগুলি নিজেদের অগ্রাধিকার চিহ্নিত করার পাশাপাশি এই সংস্কারগুলিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপও তৈরি করতে পারবে।

এই রূপান্তর প্রক্রিয়ার বাস্তবায়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবে ইউনিফায়েড নিউ-এজ ন্যাশনাল ট্রেনিং ইনিশিয়েটিভ (উন্নতি) পোর্টাল, যা ‘সাধনা সপ্তাহ ২০২৬’-এর সময় চালু করা হয়। একটি অভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ৭০০-রও বেশি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করে উন্নতি-এর লক্ষ্য হল সক্ষমতা বৃদ্ধির চাহিদা ও প্রাতিষ্ঠানিক সরবরাহের মধ্যে ব্যবধান দূর করা। সক্ষমতা বৃদ্ধি পরিকল্পনার মাধ্যমে উঠে আসা দক্ষতার চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলিকে সাড়া দেওয়ার সুযোগ করে দিয়ে এই প্ল্যাটফর্ম প্রাতিষ্ঠানিক পরিচিতি বৃদ্ধি, সহযোগিতা এবং তথ্যভিত্তিক ধারাবাহিক উন্নয়নে সহায়তা করবে।

চারটি আঞ্চলিক কর্মশালার মধ্যে দ্বিতীয় হিসেবে গুয়াহাটির এই পরামর্শমূলক বৈঠক বিজয়ওয়াড়ায় শুরু হওয়া সহযোগিতামূলক উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। এই পরামর্শমূলক বৈঠকগুলি থেকে উঠে আসা মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান রূপান্তর কাঠামো চূড়ান্ত করা হবে। এর ফলে বিভিন্ন রাজ্যের বৈচিত্র্যময় প্রাতিষ্ঠানিক পরিস্থিতি ও প্রয়োজনীয়তা এই কাঠামোয় যথাযথভাবে প্রতিফলিত হবে।

সাধনা শৃঙ্খলা (সিরিজ)-এর মাধ্যমে সক্ষমতা বৃদ্ধি কমিশনের লক্ষ্য হল প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলির এমন একটি সংযুক্ত, দ্রুত অভিযোজনক্ষম ও সাড়া-দিতে সক্ষম পরিকাঠামো গড়ে তোলা, যা সরকারি কর্মীদের নাগরিকদের জন্য আরও উন্নত পরিষেবা ও ফলাফল নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় দক্ষতায় সমৃদ্ধ করতে পারবে। এই উদ্যোগ জাতীয় সিভিল সার্ভিসেস সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচি এবং বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

*****

PS/SG


(প্রেস বিজ্ঞপ্তির আইডি: 2320180) ভিজিটরদের কাউন্টার : 3
এই বিজ্ঞপ্তিটি পড়ুন এভাবে: English , Urdu , हिन्दी , Assamese