কৃষিমন্ত্রক
২০২৭-২৮ বিপণন মরশুমের জন্য রবি ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার
প্রকাশিত:
30 SEP 2026 3:19PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটি ২০২৭-২৮ বিপণন মরশুমের জন্য রবি শস্যের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বৃদ্ধির অনুমোদন দিয়েছে।
কৃষকরা যাতে তাঁদের উৎপাদিত ফসলের লাভজনক মূল্য পান, তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার ২০২৭-২৮ বিপণন মরসুমের জন্য রবি শস্যের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বৃদ্ধি করেছে। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি করা হয়েছে সূর্যমুখীর ক্ষেত্রে — কুইন্টাল প্রতি ৬৭৫ টাকা। এর পরেই রয়েছে রেপসিড ও সর্ষে, যার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে কুইন্টাল প্রতি ৪১৩ টাকা। মসুর ডাল, বার্লি, ছোলা এবং গমের ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধির পরিমাণ যথাক্রমে কুইন্টাল প্রতি ৩৯০ টাকা, ১৩৬ টাকা, ৮৩ টাকা এবং ২৫ টাকা।
২০২৭-২৮ বিপণন মরসুমের জন্য নির্ধারিত রবি শস্যের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি কেন্দ্রীয় বাজেট ২০১৮-১৯-এর সেই ঘোষণার সাথে সঙ্গতি বজায় রেখে করা হয়েছে, যেখানে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যকে সর্বভারতীয় গড় উৎপাদন খরচের অন্তত ১.৫ গুণ নির্ধারণ করার কথা বলা হয়েছিল। সর্বভারতীয় গড় উৎপাদন খরচের তুলনায় প্রত্যাশিত লাভের হার হল — গমের ক্ষেত্রে ১০৬ শতাংশ। এরপর রয়েছে রেপসিড ও সর্ষে (৯৬ শতাংশ), মসুর ডাল (৯২ শতাংশ), ছোলা (৫৯ শতাংশ), বার্লি (৫৮ শতাংশ) এবং সূর্যমুখী বা সানফ্লাওয়ার (৫০ শতাংশ)। রবি শস্যের এই বর্ধিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্য কৃষকদের লাভজনক দাম নিশ্চিত করবে এবং শস্য বৈচিত্র্যকরণে উৎসাহিত করবে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকার ডাল ও তৈলবীজের মতো শস্যের (দানাশস্য বা ডালশস্য ছাড়া) চাষকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এগুলোর জন্য উচ্চতর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ঘোষণা করছে।
২০০৪-০৫ থেকে ২০১৩-১৪ সময়কালে গমের সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ২২৫৪ লক্ষ মেট্রিক টন, যা ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৫-২৬ সময়কালে বেড়ে ৩৭১৫ লক্ষ মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে। একইভাবে, ২০০৪-০৫ থেকে ২০১৩-১৪ সময়কালে ৬টি রবি শস্য সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ২৩০২ লক্ষ মেট্রিক টন, যা ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৫-২৬ সময়কালে বেড়ে ৩৯২১ লক্ষ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।
২০০৪-০৫ থেকে ২০১৩-১৪ সময়কালে গম উৎপাদনকারী কৃষকদের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বাবদ ২.৫৬ লক্ষ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছিল। ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৫-২৬ সময়কালে এই অর্থের পরিমাণ বেড়ে ৭.৩১ লক্ষ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ২০০৪-০৫ থেকে ২০১৩-১৪ সময়কালে ৬টি রবি শস্য উৎপাদনকারী কৃষকদের ২.৬৫ লক্ষ কোটি টাকা ন্যূনতম সহায়ক মূল্য প্রদান করা হয়েছিল। এর তুলনায় ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৫-২৬ সময়কালে এই প্রদানের পরিমাণ বেড়ে ৮.৩৬ লক্ষ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
SC/AB/DM
(রিলিজ আইডি: 2317902)
ভিজিটরের কাউন্টার : 6