PIB Backgrounder
azadi ka amrit mahotsav

পরিচ্ছন্নতার ঊর্ধ্বে: স্বচ্ছতার পথ বদলে দেওয়া মহিলা ও রূপান্তরকামী উদ্যোগীরা

প্রকাশিত: 30 SEP 2026 1:18PM by PIB Kolkata

নয়া দিল্লি , ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 

 

একটি পরিচ্ছন্ন শহরকে অনেক সময় বোঝা যায় এমন কিছু জিনিসের অনুপস্থিতি দিয়ে। রাস্তায় আর বর্জ্য পড়ে থাকে না। প্রয়োজনের সময় স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত পরিষেবা পাওয়া যায়। কিন্তু এই দৃশ্যমান পরিবর্তনের পিছনেও রয়েছে এমন কিছু জীবনকাহিনী, যেগুলির কথাও সামনে আসা দরকার।

এই কাহিনী সেই মহিলাদের, যাঁরা বর্জ্য থেকে জীবিকার পথ তৈরি করছেন। নিজেদের এলাকায় পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিদিনের সমস্যাকে সুযোগে পরিণত করছেন। তাঁদের পাশাপাশি, রয়েছেন রূপান্তরকামী সম্প্রদায়ের সদস্যরা। স্যানিটেশন পরিষেবায় তাঁরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন। স্বীকৃতিও পাচ্ছেন। বিভিন্ন শহরে স্বচ্ছতা এখন শুধু জনপরিষেবা নয়। এটি হয়ে উঠছে মর্যাদা, উদ্যোগ, অংশগ্রহণ ও সুযোগের ক্ষেত্র।

এই অংশগ্রহণের মানসিকতা জাতীয় স্তরে জায়গা পেয়েছে 'স্বচ্ছতা হি সেবা' ২০২৬-এ। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এই কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। প্রতি বছর এই অভিযান নাগরিক, প্রতিষ্ঠান ও নেতৃত্বকে একত্র করে। স্বচ্ছতা-র জন্য স্বেচ্ছাসেবা ও সম্মিলিত উদ্যোগ আরও শক্তিশালী করাই এর লক্ষ্য।

“Swachhata Mein Sahbhag; Swachh Bharat, Viksit Bharat”-এর ভাবনাকে সামনে রেখে 'স্বচ্ছতা হি সেবা ২০২৬' পরিচ্ছন্নতা আন্দোলনের কেন্দ্রে যৌথ দায়িত্বকে রেখেছে। পরিচ্ছন্ন ও বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্যে সরকারের সব স্তর এবং সমাজের সব অংশের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এই কর্মসূচি সেই বার্তাই তুলে ধরছে।

এই সম্মিলিত উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির উত্তরপ্রদেশের লোনিতে দেখা যাচ্ছে। একসময় যে জিনিসকে বর্জ্য হিসাবে দেখা হত, সেটিই সেখানে জীবিকার উৎস হয়ে উঠছে।

বর্জ্য যখন জীবিকার পথ

গোশালা ও ডেয়ারির আশপাশে গোবর অনেক সময় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। নালা ও নিকাশির পথ আটকে যায়। লোনির কৃষ্ণ বিহার কলোনিতে একদল মহিলা অবশ্য এর অন্য একটি পথ খুঁজে নিয়েছেন। তাঁরা গোবর দিয়ে ধূপকাঠি ও লোবান কাপ তৈরি শুরু করেন।

মাত্র ৮-১০ জন মহিলাকে নিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল। পরে এই উদ্যোগ আরও অনেকের জীবিকার সুযোগ তৈরি করে। লোনি নগর পালিকা পরিষদের এক মহিলা আধিকারিক তাঁদের কাজের সম্ভাবনা বুঝতে পারেন। তিনি উৎপাদকদের সঙ্গে গোশালার মালিকদের যোগাযোগ করিয়ে দেন। এর ফলে, গোবরের নিয়মিত জোগান ও ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

একটি সহজ ভাবনা ধীরে ধীরে জায়গা করে নেয়। বর্জ্য হিসাবে বিবেচিত কোনও জিনিসকে কি নতুন জীবন দেওয়া যায়?

গ্রীষ্মের মাসগুলিতে ধূপ উৎপাদন যখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে, তখন এই উদ্যোগে প্রায় ৪০-৫০ জন মহিলা কাজ করেন। তাঁদের কাছে এই কাজ শুধু পণ্য তৈরির কাজ নয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জীবিকা, মর্যাদা এবং বর্জ্যকে প্রয়োজনীয় সামগ্রীতে পরিণত করার তৃপ্তি। এই পণ্য বিক্রি করে নগর পালিকা পরিষদও সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ রাজস্ব পায়। এর ফলে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় উদ্যোগ এবং পুরসভার রাজস্বের মধ্যে একটি যোগসূত্র তৈরি হয়েছে।

পণ্যগুলির মধ্যেও পুনর্ব্যবহারের ভাবনা রয়েছে। প্রচলিত পদ্ধতিতে ধূপজাত পণ্য তৈরিতে কাঠের গুঁড়ো প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়। শুকনো গোবরের গুঁড়ো প্রায় ৩০-৩৫ শতাংশ মেশালে কাঠের গুঁড়োর প্রয়োজন কমে যায়। পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি, এটি একটি পরিবেশবান্ধব ও সুস্থায়ী সমাধান হিসাবে উঠে এসেছে।

একটি কলোনিতে শুরু হওয়া এই কাজ এখন অনেক দূর পৌঁছে গিয়েছে। দিল্লি, মুম্বই, পঞ্জাব, গুজরাত ও হায়দরাবাদ-সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় এই পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। কোভিড পর্বে বড় বড় সংস্থার জন্যও এগুলি তৈরি করা হয়েছিল। তখন মরিশাস ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকেও অর্ডার এসেছিল।

মহিলারা এখানেই থেমে থাকেননি। শ্মশান, হোমযজ্ঞ এবং অন্যান্য কাজে ব্যবহারের জন্য গোবর থেকে জ্বালানি কাঠ তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে। গোবরের ফুলের টব তৈরির সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরে এই টব মাটিতে মিশে সার হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

এখানে পরিচ্ছন্নতার অর্থ শুধু বর্জ্য সরিয়ে দেওয়া নয়। বর্জ্য থেকে আর কি তৈরি করা সম্ভব, সেই প্রশ্ন তোলাও পরিচ্ছন্নতার অংশ।

বর্জ্য সংগ্রাহক থেকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নেতৃত্বে

বিহারের পটনায় একই ধরনের উদ্যোগের দেখা মিলছে। সেখানে মহিলারা পুরনো ধারণা বদলে পরিচ্ছন্নতার কাজে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নতুন চেহারা দিচ্ছেন।

শহরের Pink Material Recovery Facility (MRF)-এ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কেন্দ্রে রয়েছেন মহিলারা। মূলত মহিলারাই এই কেন্দ্র পরিচালনা করেন। একজন মহিলা সুপারভাইজার এর নেতৃত্বে রয়েছেন। কেন্দ্রে শুকনো ও ভেজা বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। প্রতিদিন ২ টন শুকনো বর্জ্য এবং ১.৫ টন ভেজা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষমতা রয়েছে এই কেন্দ্রের।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মহিলাদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরির ভাবনা থেকেই Pink MRF-এর ধারণা আসে। প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত দলটি Patna Municipal Corporation (PMC)-এর কাছে Pink MRF তৈরির প্রস্তাব দেয়। PMC এই উদ্যোগে সহায়তা করে। মাত্র তিন মাসে কেন্দ্রটি তৈরি হয়। এর আলাদা রং ও নকশাও স্থানীয় মানুষের নজর কেড়েছে। এর মাধ্যমে উদ্যোগটি নিয়ে সচেতনতা তৈরি হয়েছে।

‘Cash for Waste’ কর্মসূচির মাধ্যমে এই ভাবনা মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। নাগরিকরা শুকনো বর্জ্য নিয়ে এসে নির্ধারিত হারে টাকা পেতে পারেন। বর্জ্যের মূল্য তৈরি হচ্ছে। নাগরিকরা অংশগ্রহণে উৎসাহ পাচ্ছেন। পরিচ্ছন্নতার কাজে শহর আরও একদল সহায়ক হাত পাচ্ছে।

পাটনার স্বচ্ছতার যাত্রায় আরও একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। পুরনো ও ব্যবহার-অযোগ্য যানবাহনকে মোবাইল Pink Toilets হিসাবে নতুন ব্যবহার দেওয়া হয়েছে। একসময় যে যানগুলি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল, এখন সেগুলিই গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ক পরিষেবায় কাজে লাগছে। রাস্তায় 3R-এর Reduce, Reuse and Recycle নীতির বাস্তব প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে।

পরিচ্ছন্নতার বার্তা সমাজে পৌঁছে দিচ্ছেন মহিলারা

মহিলা ও স্বচ্ছতার গল্প শুধু তাঁরা যে বর্জ্য সামলান, সেখানেই শেষ নয়। তাঁদের কাজের প্রভাব সমাজের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ছে।

ভোপালে ২৫০ জন মহিলা ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডারের একটি দল পুরসভার সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে। দলের সদস্যরা ২৫টি ওয়ার্ডে ‘Bartan Banks’ গড়ে তুলেছেন। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করাই এর লক্ষ্য। সামাজিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য বাসন দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে, স্থানীয় অনুষ্ঠানগুলি শূন্য-বর্জ্য নীতিতে আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে।

৬০ সদস্যের ‘Swachhata Kitty Group’-ও একসঙ্গে কাজ করার অন্য একটি পথ দেখিয়েছে। প্রত্যেক মহিলা প্রতি মাসে ১০০ টাকা করে দেন। এর মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত বিভিন্ন সামাজিক কাজের জন্য একটি যৌথ তহবিল তৈরি হয়েছে। অনেকের ছোট ছোট অবদান মিলেই পরিচ্ছন্ন পাড়ার জন্য সম্মিলিত দায়বদ্ধতা তৈরি করছে।

উত্তরাখণ্ডে এই উদ্যোগের নাম ‘Bainni Sena’, অর্থাৎ ‘বোনেদের বাহিনী’। মোট ৫৭টি গোষ্ঠীর ৫৭০ জন মহিলা নিজেদের ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত কাজের নজরদারি করেন। তাঁরা নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অভিযোগের কথা সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে দিতে সাহায্য করেন। সচেতনতা কর্মসূচি পরিচালনা করেন। পুরসভা ও স্যানিটেশন কর্মীদের মধ্যে সমন্বয়েও সহায়তা করেন।

শহরের পরিচ্ছন্নতা যেখানে সত্যিকার অর্থে নির্ধারিত হয়, তাঁদের কাজ সেখানেই। পাড়ায়, মানুষের সঙ্গে কথোপকথনে এবং কেউ দায়িত্ব নিয়ে পরিচ্ছন্নতার দিকে এগিয়ে আসার ছোট ছোট মুহূর্তে তাঁদের কাজের প্রতিফলন দেখা যায়।

শিলং-এ Iynnehskhem Self-Help Group বর্জ্য থেকে জীবিকার নতুন পথ খুঁজে নিয়েছে। গোষ্ঠীর মহিলারা বাড়ি থেকে ভেজা বর্জ্য সংগ্রহ করেন। জৈব-বিয়োজ্য বর্জ্যকে কম্পোস্টে পরিণত করেন। একসময় তাঁরা বর্জ্য সংগ্রহের কাজ করতেন। পরে পুনর্বাসন উদ্যোগের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ পান। কম্পোস্ট তৈরিকে কেন্দ্র করে নতুন জীবিকার পথ তৈরি করেন। তাঁদের ঐক্যের জন্য ভালোবেসে তাঁদের নাম দেওয়া হয়েছে ‘Meri Maidens of Marton’।

দৈনন্দিন কাজের মাধ্যমে এই মহিলারা স্বচ্ছতাকে শুধু দায়িত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখছেন না। তাঁরা একে সম্মিলিত যত্নের সংস্কৃতিতে পরিণত করছেন।

অন্তর্ভুক্তি যখন স্বাস্থ্য পরিষেবার চেহারা বদলায়

ওড়িশায় রূপান্তরকামী ব্যক্তিরা শহরের স্যানিটেশন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। এই পরিবর্তনের সূচনা কটকে। সেখানে পুরনিগম রূপান্তরকামী ব্যক্তিদের নিয়ে একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী গঠন করে। তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। একটি Septage Treatment Plant-এর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও তাঁদের দেওয়া হয়।

এটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। যে সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে প্রাতিষ্ঠানিক কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে, সেই সম্প্রদায়ের সদস্যরাই এখন একটি প্রযুক্তিনির্ভর স্যানিটেশন কেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করছেন। পরে এই মডেল ওড়িশার বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। Urban Local Bodies স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে অংশীদারিত্বে Faecal Sludge and Septage Management (FSSM) এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু করে।

ভুবনেশ্বরে Swikruti স্বসহায়ক গোষ্ঠি Basuaghai-তে ৭৫-KLD Faecal Sludge Treatment Plant (FSTP) পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেয়। দায়িত্ব গ্রহণের আগে সদস্যদের প্রয়োজনীয় পরিচিতিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রযুক্তিগত ও পরিচালনাগত প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।

Swikruti-এর সভাপতি মেঘনা সাহুর কাছে এই পরিবর্তন অত্যন্ত ব্যক্তিগত। তিনি বলেন, “এখন আমরা গর্বের সঙ্গে নিজেদের পরিচয় গ্রহণ করতে পারি এবং পেশাগত পরিসরে অংশ নিতে পারি।” জাতীয় ও বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠান থেকে আসা পড়ুয়া এবং দর্শনার্থীদের সামনে গোষ্ঠীর সদস্যরা নিজেদের কাজের কথা ব্যাখ্যা করেন। এই মুহূর্তগুলি তাঁকে গর্বিত করে। এই কাজের গুরুত্ব শুধু চাকরির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর মাধ্যমে পেশাগত পরিচয়, আত্মবিশ্বাস ও স্বীকৃতির সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ভুবনেশ্বর পুরনিগম সাতটি cesspool vehicle-এর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজেও রূপান্তরকামী গোষ্ঠীগুলিকে যুক্ত করেছে। চালক ও সহায়ক কর্মীদের ন্যূনতম প্রযোজ্য মজুরি দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম এবং বর্জ্য অপসারণের নিয়ম সম্পর্কেও তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

রূপান্তরকামী ব্যক্তিদের জীবিকার সুযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে ওড়িশার এই উদ্যোগ প্রশংসা পেয়েছে। অন্যদের অনুসরণের পথও তৈরি হয়েছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ কিভাবে উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থার পথ তৈরি করতে পারে, এই উদ্যোগ তার নজির।

স্বচ্ছতার গভীরতর অর্থ

এই ঘটনাগুলি দেখাচ্ছে, স্বচ্ছতা শুধু পরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি করে না। এর মাধ্যমে জীবিকার সুযোগ তৈরি হতে পারে। অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়তে পারে। স্বীকৃতি মিলতে পারে। আসল পরিবর্তন শুধু বর্জ্যের সঙ্গে কী করা হচ্ছে, তার মধ্যে নেই। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত মানুষের জন্য কী নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে, তার মধ্যেও রয়েছে।

একসময় সমাজের প্রান্তে থাকা মানুষ যখন স্বচ্ছতা-র কেন্দ্রে জায়গা করে নেন, তখন পরিচ্ছন্নতার অর্থ আরও গভীর হয়। এটি হয়ে ওঠে সম্মিলিত উদ্যোগ। এর ভিত তৈরি হয় মর্যাদা, সুযোগ এবং নিজের জায়গা খুঁজে পাওয়ার অনুভূতিতে।

তথ্যসূত্র

Ministry of Jal Shakti

https://www.pib.gov.in/newsite/erelcontent.aspx?lang=2&reg=48&relid=294881

Click here to see pdf 

 

****
SSS/ S Saha


(রিলিজ আইডি: 2317500) ভিজিটরের কাউন্টার : 3
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Urdu , हिन्दी , Gujarati