মৎস্য ও পশু পালন এবং দুগ্ধশিল্প মন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

পশ্চিমবঙ্গে মৎস্য ও জলজ চাষের উন্নয়নে প্রকল্প ও কর্মসূচির বাস্তবায়ন নিয়ে যৌথভাবে পর্যালোচনা বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী রাজীব রঞ্জন সিং এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী

উৎপাদন বৃদ্ধি, বাজারের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানো এবং মৎস্যমূল্যকেন্দ্রিক শৃঙ্খলের উন্নয়নে মৎস্য ক্ষেত্রের সুস্থায়ী বৃদ্ধির রূপরেখা সৃষ্টিতে জোর

প্রকাশিত: 21 SEP 2026 6:01PM by PIB Kolkata

কলকাতা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

ভারত সরকারের মৎস্য দফতরের উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গে মৎস্য ও জলজ চাষের উন্নয়ন নিয়ে আজ,  কলকাতায় একটি পর্যালোচনা বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধ উৎপাদন এবং পঞ্চায়েতিমী রাজ মন্ত্রী শ্রী রাজীব রঞ্জন সিং এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক দশকেরও বেশি সময় পর মৎস্য ক্ষেত্রের উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। পশ্চিমবঙ্গের মৎস্য ক্ষেত্রের এখনও অনাবিষ্কৃত সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর রূপরেখা তৈরিই ছিল বৈঠকের মূল লক্ষ্য।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মৎস্য দফতর এবং প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী শ্রী রাজেশ মাহাতো এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যসচিব শ্রী মনোজ কুমার আগরওয়াল। এছাড়াও, ভারত সরকারের মৎস্য দফতর, পশ্চিমবঙ্গের মৎস্য দফতর, ন্যাশনাল ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (NFDB), ICAR-এর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ন্যাশনাল ব্যুরো অফ ফিশ জেনেটিক রিসোর্সেস (NBFGR), CIFE, ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক ফর এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট (NABARD), ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (NCDC), ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ড, কোস্টাল অ্যাকুয়াকালচার অথরিটি (CAA), এক্সপোর্ট ইন্সপেকশন কাউন্সিল (EIC) এবং মেরিন প্রোডাক্টস এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (MPEDA)-র আধিকারিকরা বৈঠকে অংশ নেন।

কেন্দ্রীয় মৎস্য, দুগ্ধ উৎপাদন ও পশুপালন ও দুগ্ধ  পঞ্চায়েতী রাজ মন্ত্রী শ্রী রাজীব রঞ্জন সিং ৮৩২.৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ছয়টি জলাধারের উন্নয়নের প্রশাসনিক অনুমোদনপত্র পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাতে তুলে দেন। প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকারের অংশ ৪৯৯.৫০ লক্ষ টাকা।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের মৎস্য ক্ষেত্রের বিপুল অনাবিষ্কৃত সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য উৎপাদনকারী রাজ্য হওয়া সত্ত্বেও উৎপাদনশীলতা, জলজ চাষ, রফতানি এবং মূল্য সংযোজন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের আরও সুযোগ রয়েছে। তিনি জানান, বর্তমানে রাজ্য থেকে প্রায় ৫,০০০ কোটি টাকার মৎস্যজাত পণ্য রফতানি হয়। জলজ চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে এই রফতানি ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার সম্ভাবনা রয়েছে। সুন্দরবনে জলজ চাষনির্ভর রফতানি বৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনার কথাও তিনি তুলে ধরেন। বিশেষ করে ব্ল্যাক টাইগার শ্রিম্প, কাঁকড়া, ইলিশ এবং শৌখিন মাছের মতো উচ্চমূল্যের মৎস প্রজাতি এবং রফতানিমুখী পরিকাঠামোর উন্নয়নের উপর তিনি জোর দেন। জাতীয় স্তরে মৎস্য ক্ষেত্রের বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ২০১৪ সালে ভারতের মৎস্য উৎপাদন ছিল ৯৫.৭ লক্ষ টন। বর্তমানে তা বেড়ে ১৯৭.৭৫ লক্ষ টনে পৌঁছেছে। মৎস্যজাত পণ্যের রফতানিও দ্বিগুণের বেশি বেড়ে ৭৩,৮৯০ কোটি টাকা হয়েছে। আসন্ন PMMSY 2.0-এর আওতায় উন্নত মানের মাছের বীজ, খাদ্য, রোগ নিয়ন্ত্রণ, কোল্ড চেন পরিকাঠামো, মৎস্যবন্দর, মৎস অবতরণ কেন্দ্র এবং গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার উপর তিনি জোর দেন। পশ্চিমবঙ্গে উৎপাদন, উৎপাদনশীলতা ও রফতানি বৃদ্ধিতে ভারত সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মৎস্য ক্ষেত্রের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ভারত সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য রাজ্য সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং সুন্দরবন অঞ্চলের সম্ভাবনার কথা তিনি উল্লেখ করেন। মৎস্য উন্নয়ন ও মৎস্যজীবীদের কল্যাণে PMMSY, ন্যাশনাল ফিশারিজ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম (NFDP) এবং PM-MKSSY-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে তিনি যোগাযোগ ব্যবস্থা, ওয়্যারলেস সংযোগ, কন্ট্রোল রুমের পরিকাঠামো এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যবস্থার উপর আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। Sagarmala-এর মতো উদ্যোগের আওতায় মৎস্যবন্দর, কোল্ড চেন পরিকাঠামো, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং উপকূলবর্তী গ্রামগুলির উন্নয়নের উপরও তিনি জোর দেন। মৎস্য ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষের সর্বাধিক সুবিধা নিশ্চিত করতে মৎস্য প্রকল্পগুলির কার্যকর বাস্তবায়নে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মৎস্য দফতর এবং প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী শ্রী রাজেশ মাহাতো জানান, ২০২৫-২৬ সালে রাজ্যে ২৫.৪৩ লক্ষ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়েছে। এর ফলে, পশ্চিমবঙ্গ দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাছ উৎপাদনকারী রাজ্যের মর্যাদা ধরে রেখেছে। একই সঙ্গে মাছের বীজ উৎপাদনেও রাজ্য শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। উন্নত মানের বীজ, খাদ্য, খামার ব্যবস্থাপনা এবং রোগ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা, গুণমান ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার উপর তিনি জোর দেন। রফতানির সুবিধার্থে পণ্যের উৎস ও গতিপথ চিহ্ণিতকরণ ব্যবস্থা এবং নিয়ন্ত্রক বিধি মেনে চলার ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানান তিনি। PMMSY-এর আওতায় রাজ্যে ১০২.২৩ কোটি টাকার কেন্দ্রীয় অংশ এবং ৬৬.৪৮ কোটি টাকার রাজ্য অংশের মৎস্য সংক্রান্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। ন্যাশনাল ফিশারিজ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন, কোল্ড চেন বা শীতল শৃঙ্খল পরিকাঠামো, মূল্য সংযোজন, বাজারের সঙ্গে সংযোগ এবং মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আরও বেশি ব্যবহারের আহ্বান জানান। মৎস্য ক্ষেত্রের সুস্থায়ী বৃদ্ধির জন্য ভারত সরকার ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভাবে কাজ করার রাজ্য সরকারের অঙ্গীকারের কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যসচিব শ্রী মনোজ কুমার আগরওয়াল রাজ্যের মৎস্য ক্ষেত্রের বিপুল অনাবিষ্কৃত সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এখনও পর্যন্ত রাজ্যের সম্ভাবনার সামান্য অংশই কাজে লাগানো সম্ভব হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়, মৎস্য প্রকল্পগুলির দ্রুত বাস্তবায়ন এবং ন্যাশনাল ফিশারিজ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে মৎস্যচাষিদের আরও বেশি করে যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার উপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। প্রকল্পগুলি সময়মতো বাস্তবায়ন, প্রস্তাবের একটি শক্তিশালী তালিকা তৈরি, সর্বোত্তম পদ্ধতি গ্রহণ এবং নির্দিষ্ট ভাবে দক্ষতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব দিয়ে মৎস্য ক্ষেত্রের উন্নয়ন ও এর উপর নির্ভরশীল মানুষের জীবিকার জন্য বিনিয়োগের সর্বাধিক ব্যবহার এবং বাস্তব ফলাফল নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মৎস্য দফতরের সচিব শ্রী শুভাঞ্জন দাস জানান, রাজ্যে প্রায় ৩২ লক্ষ মানুষের জীবিকা মৎস্য ক্ষেত্রের উপর নির্ভরশীল। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা PMMSY প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন দ্রুত করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রেজারগঞ্জ, কাকদ্বীপ, শঙ্করপুর এবং পেটুয়াঘাটের মৎস্যবন্দরগুলির উন্নয়ন। PMMSY Phase-II-এর আওতায় ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য তিনি আবেদন জানান। ন্যাশনাল ফিশারিজ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মৎস্যজীবীদের নিবন্ধন সম্প্রসারণ, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় জলাধারভিত্তিক মৎস্যচাষের উন্নয়ন, বায়োফ্লক, কেজ কালচার ও সফট-শেল কাঁকড়া চাষের মতো আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার এবং মেরিকালচার, রফতানি সহায়তা, জলজ চাষ নিয়ন্ত্রণ ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগের কথাও তিনি তুলে ধরেন।

মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধ উৎপাদন মন্ত্রকের মৎস্য দফতরের যুগ্মসচিব (মেরিন) ড. সুরভী রাই দফতরের বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচির সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরেন। পশ্চিমবঙ্গে সেগুলির বাস্তবায়নও পর্যালোচনা করেন তিনি। শৌখিন মাছ এবং উচ্চমূল্যের প্রজাতির ক্ষেত্রে রাজ্যের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি পণ্যের উৎস ও গতিপথ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, জাহাজের আধুনিকীকরণের মাধ্যমে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার প্রসার, সুন্দরবনে কাঁকড়া চাষের প্রসার, ফসল কাটার পরবর্তী পরিকাঠামো শক্তিশালী করা, FFPO এবং সমবায় গঠন এবং প্রশিক্ষণ, প্রত্যয়িত মাছের বীজ, কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা ও মৎস্য প্রকল্পগুলির নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক প্রসারের উপর জোর দেন।

মৎস্য ক্ষেত্রের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতিনিধিরা পশ্চিমবঙ্গে মৎস্য উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে একাধিক উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। কোস্টাল অ্যাকুয়াকালচার অথরিটি খামার নিবন্ধনের প্রক্রিয়া দ্রুত করা এবং রফতানি সংক্রান্ত বিধি মেনে চলার ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সহযোগিতার আশ্বাস দেয়। ICAR-CIFA ব্রুডস্টক ব্যবস্থাপনা ও হ্যাচারি নিবন্ধনের মাধ্যমে মাছের বীজের গুণমান উন্নত করা, দেশীয় শৌখিন মাছের প্রজাতির প্রসার এবং বাণিজ্যিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতির চাষ বাড়িয়ে আমদানি কমানোর উপর জোর দেয়। ICAR-CIBA লবণাক্ত জলের জলজ চাষে কাঁকড়া, সিবাস, ব্ল্যাক টাইগার শ্রিম্প ও কেজ কালচারের মতো বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে বৈচিত্র্য আনার বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে।

 ICAR-CMFRI সুস্থায়ী সামুদ্রিক মৎস্য ব্যবস্থাপনা, মাছের মজুত সংরক্ষণ এবং মেরিকালচার, সামুদ্রিক শৈবাল চাষ ও সামুদ্রিক শৌখিন মাছের চাষের প্রসারের উপর জোর দেয়। ICAR-CIFRI মৎস্যচাষিদের জন্য কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির প্রস্তাব দেয়। সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অফ কোল্ডওয়াটার ফিশারিজ রিসার্চ দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে রেনবো ট্রাউট চাষের সুযোগের কথা তুলে ধরে। ICAR-NBFGR জিনগত সম্পদ সংরক্ষণ, ব্রুডস্টক উন্নয়ন, বায়োসিকিউরিটি এবং রোগ পর্যবেক্ষণের উপর জোর দেয়। উৎপাদনশীলতা ও সুস্থায়ী উন্নয়ন বৃদ্ধি এবং রাজ্যের মৎস্যনির্ভর জীবিকা শক্তিশালী করতে প্রতিষ্ঠানগুলি সম্মিলিত ভাবে বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও দক্ষতা বৃদ্ধির সহায়তার আশ্বাস দেয়।

পর্যালোচনা বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গে মৎস্য ও জলজ চাষের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে ভারত সরকার, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে ধারাবাহিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, পরিকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তির ব্যবহার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরিষেবা প্রদানের মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পদক্ষেপের একটি স্পষ্ট কাঠামো তৈরি হয়েছে বৈঠকের আলোচনায়। এর লক্ষ্য পশ্চিমবঙ্গে মৎস্য ক্ষেত্রের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি, জীবিকা আরও শক্তিশালী করা এবং এই ক্ষেত্রের উপর নির্ভরশীল মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
 

********

SSS/SS/KOL..........


(রিলিজ আইডি: 2313338) ভিজিটরের কাউন্টার : 2
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Urdu , हिन्दी