পরিবেশ, অরন্য ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

মঙ্গোলিয়ার উলানবাটোরে ইউএনসিসিডি কপ১৭-এ শ্রী ভূপেন্দ্র যাদব: ২০১১-২০২০ সালের মধ্যে ভারত ২১.৭৬ মিলিয়ন হেক্টর জমি পুনরুদ্ধার করেছে, তৈরি হয়েছে ১.২২ বিলিয়ন কর্মদিবস

प्रविष्टि तिथि: 24 AUG 2026 2:58PM by PIB Agartala

নতুন দিল্লি, ২৪ অগাস্ট, ২০২৬

কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্র যাদব আজ বলেছেন, ভূমি পুনরুদ্ধার ভারতের প্রতিষ্ঠিত জাতীয় অগ্রাধিকার এবং এটি সুস্থায়ী ভূমি ব্যবস্থাপনা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় কার্যক্রম এবং গ্রামোন্নয়নে দেশের প্রয়াসের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। মঙ্গোলিয়ার উলানবাটোরে ইউনাইটেড নেশনস কনভেনশন টু কমব্যাট ডেজার্টিফিকেশন (ইউএনসিসিটি)-র সপ্তদশ কনফারেন্স অফ দ্য পার্টিস (কপ১৭)-এ আইইউসিএন আয়োজিত একটি পার্শ্ব অনুষ্ঠানে ভাষণে শ্রী যাদব বলেন, ভারত এই পুনরুদ্ধারকে একটি পৃথক ঘটনা হিসেবে দেখে না, দেখে সুস্থায়ী সহনশীল উন্নয়নের জরুরি উপাদান হিসেবে।

মন্ত্রী বলেন, বন চ্যালেঞ্জের বিশ্বের প্রধান সংকল্পকারীদের অন্যতম ভারত। ২০১৫-য় ভারত প্রাথমিকভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল অবক্ষয়িত ও বনশূন্য ভূমি পুনরুদ্ধারের, যা পরে ২০৩০-এর মধ্যে ২৬ মিলিয়ন হেক্টরে উন্নীত করা হয়। তিনি বলেন, এই প্রতিশ্রুতিটি সমস্যার ব্যাপ্তি এবং এর মোকাবিলায় জাতীয় ক্ষমতার উপর বিশ্বাসের প্রতিফলন।

শ্রী যাদব বলেন, ২০১১-২০২০-র মধ্যে বন চ্যালেঞ্জ নিয়ে সম্প্রতি দ্বিতীয় অগ্রগতির প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারত। এই সময়ে ২১.৭৬ মিলিয়ন হেক্টর জমি পুনরুদ্ধারের আওতায় এসেছে উল্লেখযোগ্য আর্থিক সহায়তায়। তৈরি করেছে ১.২২ বিলিয়ন মানবদিবস। মন্ত্রী বলেন, এই সংখ্যা থেকে বোঝা যায়, পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে পরিবেশগত এবং আর্থ-সামাজিক ফল পাওয়া যায়। প্রত্যেকটি প্রাকৃতিক পরিমণ্ডলে পরিবেশগত এবং আর্থ-সামাজিক বৈশিষ্ট্যগুলি মেনে পুনরুদ্ধার করতে হবে।

শ্রী যাদব বলেন, ভারত ২০২১-২০২৫-কে পরবর্তী প্রতিবেদন চক্র হিসেবে নিয়েছে। এই চক্রে মূলত জোর দেওয়া হয়েছে তিনটি বিষয়ে – পুনরুদ্ধার করা ভূমির আয়তন, আর্থিক বিনিয়োগ এবং সৃষ্ট কর্মসংস্থান। পুনরুদ্ধারের জন্য দেশের হাতে সাক্ষ্য-প্রমাণ মজবুত করাও এর লক্ষ্য। মন্ত্রী বলেন, কোনো প্রতিশ্রুতির বিশ্বাসযোগ্যতা শেষ পর্যন্ত নির্ভর করে রূপায়ণের উপর। তাই ভারত তৈরি করেছে একটি বহুক্ষেত্রীয় এবং ভূপ্রকৃতি-ভিত্তিক পদ্ধতি।

শ্রী যাদব জানান, ‘গ্রিন ইন্ডিয়া মিশন’ বনাঞ্চল এবং বৃক্ষ রোপণ বাড়িয়েছে, পরিবেশ পরিমণ্ডলের উন্নতি হয়েছে, জলবায়ুর প্রভাব সহ্য করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ‘কম্পেনসেটরি অ্যাফরেস্টেশন ফান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড প্ল্যানিং অথরিটি’-র মাধ্যমে যথেষ্ট পরিমাণে অর্থ প্রদান করা হচ্ছে ক্ষতিপূরণমূলক বনায়ন এবং সংশ্লিষ্ট পুনরুদ্ধার কাজে। শহরে সবুজ বৃদ্ধির জন্য ‘নগর বন যোজনা’ প্রসারিত হয়েছে শহর এবং তার আশপাশ অঞ্চলে।

শ্রী যাদব জানান, এই অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে যে পুনরুদ্ধারের কাজ কোনো একক কর্মসূচি বা ক্ষেত্রের মাধ্যমে করা যায় না। বিভিন্ন পরিবেশ পরিমণ্ডল, ক্ষেত্র এবং প্রশাসনের স্তর জুড়ে সমন্বয় দরকার – স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে। মন্ত্রী বলেন, ২০৩০-এর পর ভারতের লক্ষ্য শুধু মাত্র আরও জমি পুনরুদ্ধার করাই নয়, পুনরুদ্ধারের কাজটাই ভালোভাবে করা, যেন তার ফল সুদূরপ্রসারী হয়। মন্ত্রী বলেন, এর জন্য প্রয়োজন উদ্ভাবনী আর্থিক ব্যবস্থা যাতে আরও বেশি করে সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ আসে, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক স্তরে জ্ঞান, প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতার আদানপ্রদান আরও ভালোভাবে হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়মিত অংশগ্রহণ থাকে। মন্ত্রী বলেন, পুনরুদ্ধারের কাজ মূলত করে থাকে স্থানীয় মানুষ। কারণ তারা এর উপরই নির্ভরশীল এবং এর দেখাশোনা করে তারাই।

শ্রী যাদব সব শেষে বলেন, পুনরুদ্ধারের মাত্রা বাড়াতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে ভারত দায়বদ্ধ। ভারতের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে যে, অত্যন্ত উচ্চাসী প্রতিশ্রুতি প্রয়োগ ক্ষেত্রে ফল দেয় যখন প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা, নিয়মিত অর্থ সাহায্য, বৈজ্ঞানিক উপায়, নিবিড় তদারকি এবং সর্বক্ষেত্রে এবং সরকারের সব স্তরে অংশীদারিত্ব জোরালো হয়। তিনি বলেন, ভারত এই অভিন্ন কর্মসূচিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সকল অংশীদারের সঙ্গে কাজ করার জন্য আগ্রহী।

*****

PS/Agt


(रिलीज़ आईडी: 2302801) आगंतुक पटल : 5
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: Tamil , Kannada , English , Urdu , हिन्दी , Bengali