প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী কর্ণাটকের মাইসুরুতে স্বামী বিবেকানন্দ সাংস্কৃতিক যুব কেন্দ্র - বিবেকা স্মারকা উদ্বোধন করেছেন
प्रविष्टि तिथि:
01 AUG 2026 8:35PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ১ অগাস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ কর্ণাটকের মহীশূরে 'স্বামী বিবেকানন্দ কালচারাল ইয়ুথ সেন্টার' বা 'বিবেক স্মারক'-এর উদ্বোধন করলেন। সমবেত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক নাগরিককে অভিবাদন জানানোর পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী শহরের অধিষ্ঠাত্রী দেবী চামুণ্ডেশ্বরীর প্রতি শ্রদ্ধাবনত চিত্তে প্রণাম নিবেদন করেন।
রামকৃষ্ণ মিশনের শিক্ষার সঙ্গে নিজের গভীর আধ্যাত্মিক যোগসূত্রের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাধারণ জীবনযাত্রা থেকে বর্তমান দায়িত্বভার গ্রহণের পথে এই সংস্থার বিশাল প্রভাবের কথা স্মরণ করেন। শ্রী মোদী বলেন, "আপনাদের সবার উপস্থিতির কারণে, মহীশূরের এই পবিত্র ভূমিতে আজ আমি এক ভিন্ন ও শক্তিশালী শক্তির অনুভব করছি।"
দেশের সাংস্কৃতিক চেতনার চিরন্তন কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এই শহরের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী এখানকার বিশাল প্রাসাদ, প্রাণবন্ত উৎসব এবং ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের সুষ্ঠু সংরক্ষণের ভূয়সী প্রশংসা করেন। শ্রী মোদী বলেন, "ভারতের ঐতিহ্য এই শহরের প্রতিটি কণার মধ্যে গভীরভাবে মিশে আছে; আর এটি যে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সংরক্ষিত ও সুশোভিত করা হয়েছে, তা দেখে আমি অত্যন্ত সন্তোষ লাভ করছি।"
নব-উদ্বোধিত 'স্বামী বিবেকানন্দ কালচারাল ইয়ুথ সেন্টার' বা 'বিবেক স্মারক'-এর ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী কিংবদন্তি সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ, কুয়েম্পুর মতো কন্নড় মহাকবি ও পণ্ডিত এবং এই শহরের বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসের মধ্যে থাকা গভীর সংযোগের প্রতি সম্মান জানান। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "এই ঐতিহাসিক কেন্দ্রটির উদ্বোধনের মাধ্যমে আমরা এই মহান মিশনকে এক নতুন ও ব্যাপক বিস্তার দিচ্ছি।"
একজন সাধারণ মানুষকে অসাধারণ ব্যক্তিত্বে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় কঠোর আধ্যাত্মিক সাধনার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী একজন সাধকের সাধনা-পর্যায়ে সহায়তাকারী ও দূরদর্শী ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। শ্রী মোদী বলেন, "সাধনার সময় যিনি একজন সাধককে চিনতে পারেন, তিনিই শেষ পর্যন্ত তাঁর আধ্যাত্মিক সিদ্ধি লাভের ক্ষেত্রে এক অপরিহার্য অংশীদার হয়ে ওঠেন।"
একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনার বিবরণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন কীভাবে ১৩০ বছরেরও বেশি সময় আগে মহীশূরের তৎকালীন মহারাজা এক তরুণ ও অপেক্ষাকৃত অপরিচিত পরিব্রাজক সন্ন্যাসীকে চিনতে পেরেছিলেন এবং তাঁকে সহায়তা করেছিলেন - যে ঘটনাটি স্বামী বিবেকানন্দ পরবর্তীতে আমেরিকা থেকে গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বীকার করেছিলেন। শ্রী মোদী বলেন, "সেই সময়ে - যখন তাঁর খ্যাতি তখনও ছড়িয়ে পড়েনি - তাঁকে যাঁরা চিনতে পেরেছিলেন, তাঁদের মধ্যে তৎকালীন মহারাজার নাম ছিল অন্যতম।" রামকৃষ্ণ আশ্রমের মূল দর্শনের সঙ্গে স্বামী বিবেকানন্দের নিঃস্বার্থ সেবার আদর্শের মেলবন্ধন ঘটিয়ে, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা, চিকিৎসা ও দুর্যোগকালীন ত্রাণকার্যে প্রতিষ্ঠানটির শতবর্ষব্যাপী নিষ্ঠাপূর্ণ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। শ্রী মোদী দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, "সত্যিই, তিনিই প্রকৃত জীবন যাপন করেন যিনি সম্পূর্ণভাবে অপরের জন্য বাঁচেন; আর এই মন্ত্রকে পাথেয় করেই আশ্রমটি তার গৌরবময় একশ বছর পূর্ণ করেছে।"
নব-উদ্বোধিত স্মৃতিসৌধটির ভবিষ্যৎ প্রভাবের কথা বিবেচনা করে, প্রধানমন্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির সামনে এমন এক নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার আহ্বান জানান যারা নিজেদের ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার চেয়েও দেশ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, "আমাদের এখানে এমন যুবসমাজ গড়ে তুলতে হবে যাদের জীবনের পরম লক্ষ্য হবে 'মা ভারত'-এর সেবা করা এবং দরিদ্র মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব করা।"
স্বামী বিবেকানন্দের যুগে ভারতীয় যুবসমাজের পরাধীন অবস্থার সঙ্গে তাদের বর্তমান বিশ্বব্যাপী আধিপত্যের তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, সেই দার্শনিক যুবশিক্ষাকেই জাতি গঠনের মূল ভিত্তি হিসেবে গণ্য করতেন। শ্রী মোদী বলেন, "একসময়ে শৃঙ্খলিত ভারতীয় যুবসমাজ আজ সমগ্র বিশ্বের উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে এক অভাবনীয় গতি সঞ্চার করছে।"
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে অর্জিত অভাবনীয় প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সাফল্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতি, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল উৎপাদন সক্ষমতা অর্জনের পেছনে তরুণদেরই মূল ভূমিকা রয়েছে। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, "আজ আমাদের তরুণদের অসামান্য দক্ষতার জোরেই ভারত এআই, ডিপ টেক, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে এক গৌরবোজ্জ্বল নতুন অধ্যায় রচনা করছে।"
মহাকাশ গবেষণা ও শিল্প খাতে সাম্প্রতিক এক ঐতিহাসিক মাইলফলকের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি উদ্যোগে তৈরি রকেটের সফল উৎক্ষেপণকে দেশের ডিজিটাল ও উৎপাদন বিপ্লবের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। শ্রী মোদী বলেন, "'আত্মনির্ভর ভারত' বা 'মেক ইন ইন্ডিয়া'—যে কর্মসূচিই হোক না কেন, এর চূড়ান্ত সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি হলো ভারতের তরুণদের শক্তি।"
জনমিতিক লভ্যাংশ বা 'ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড'-কে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে সরকারের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সঠিক সুযোগ, সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা এবং শক্তিশালী শিক্ষিকাঠামোর সহায়তা পেলেই কেবল তরুণদের সক্ষমতা জাতীয় শক্তিতে রূপান্তরিত হতে পারে। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "তরুণদের সক্ষমতা তখনই কোনো জাতির প্রকৃত শক্তিতে পরিণত হয়, যখন তারা নিজেদের মাটিতে দাঁড়িয়ে বড় স্বপ্ন দেখার পূর্ণ আত্মবিশ্বাস লাভ করে।"
উচ্চশিক্ষার পরিকাঠামোয় গত এক দশকে ব্যাপক সম্প্রসারণের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী চমকপ্রদ সব পরিসংখ্যান পেশ করেন। তিনি জানান, এই সময়ে ৬৫০টিরও বেশি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় ও ১৪,০০০ কলেজ স্থাপিত হয়েছে; আইআইএম ও আইআইটি-র মতো বহু শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে এবং চিকিৎসা শিক্ষায় আসন সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করে ১,৪০,০০০ এমবিবিএস আসনে উন্নীত করা হয়েছে। শ্রী মোদী বলেন, "আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, আজ সারা ভারত জুড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ক্রমাগত ও দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে।"
শিক্ষাব্যবস্থার সামগ্রিক আধুনিকীকরণের বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী 'জাতীয় শিক্ষানীতি'র প্রশংসা করেন, যা একবিংশ শতাব্দীর চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষাকাঠামোকে নতুন করে সাজিয়ে তুলছে। শ্রী মোদী বলেন, "একদিকে আমরা যেমন পরিকাঠামোর ব্যাপক আধুনিকীকরণ করছি, তেমনই অন্যদিকে আধুনিক প্রয়োজনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থাকেও গড়ে তুলছি।"
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার রূপান্তরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ১৪,০০০-এরও বেশি 'পিএম শ্রী' স্কুল গড়ে তোলা এবং শিশুদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনী মানসিকতা বিকাশের লক্ষ্যে ১০,০০০ 'অটল টিঙ্কারিং ল্যাব' প্রতিষ্ঠার বিষয়টি তুলে ধরেন। “শিক্ষা যেন কেবল পুঁথিগত না হয়; আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে শিশুদের মধ্যে উদ্ভাবনী শক্তি এবং গভীর বৈজ্ঞানিক মানসিকতা যেন সক্রিয়ভাবে গড়ে ওঠে,”—দৃঢ়ভাবে বললেন শ্রী মোদী।
স্বামী বিবেকানন্দের সাম্যের আদর্শের সঙ্গে আধুনিক শিক্ষা সংস্কারের যোগসূত্র স্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী বৈষম্যমূলক বাধাগুলো পদ্ধতিগতভাবে দূর করার বিষয়টিকে স্বাগত জানান। তিনি গর্বের সঙ্গে সৈনিক স্কুল ও এনডিএ-তে মেয়েদের ভর্তির সুযোগ এবং মাতৃভাষায় পেশাগত ডিগ্রি কোর্স চালুর মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপগুলোর কথা উল্লেখ করেন। শ্রী মোদী বলেন, “শিক্ষা ও সুযোগের ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য থাকা উচিত নয় - আজ এটিই দেশের এক ও অভিন্ন লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে।”
চরিত্র গঠনে শারীরিক সুস্থতা ও শৃঙ্খলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘খেলো ইন্ডিয়া গেমস’-এর মতো ব্যাপক উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় ক্রীড়া সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সরকারি প্রচেষ্টাকে তুলে ধরেন। শ্রী মোদী বলেন, “আজ খেলাধুলাকে আমাদের জাতি-গঠন প্রক্রিয়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধারা হিসেবে সরকারি স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে এবং সক্রিয়ভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে।”
তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া পরিকাঠামোর ব্যাপক সম্প্রসারণের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সাফল্যের সম্পর্ক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে দেশের প্রতিযোগিতামূলক পারফরম্যান্সে উল্লেখযোগ্য উন্নতির কথা উল্লেখ করেন; আর এই সাফল্যের মূলে রয়েছে মূলত ছোট শহর থেকে উঠে আসা উদীয়মান ক্রীড়াবিদরা। শ্রী মোদী বলেন, “আমাদের অসাধারণ ক্রীড়াবিদরা নতুন নতুন দুর্দান্ত রেকর্ড গড়ছেন এবং আমাদের মেয়েরা প্রতিনিয়ত দেশের গৌরব বৃদ্ধি করে চলেছে।”
সমাজের বৃহত্তর কল্যাণে নিবেদিত নব-উদ্বোধিত এই স্মৃতিসৌধ থেকে সরাসরি অনুপ্রেরণা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় যুবসমাজের সামনে বেশ কিছু নাগরিক চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। শ্রী মোদী বলেন, "স্বামী বিবেকানন্দজির মতোই, এই 'বিবেক স্মারক' আমাদের এক বৃহত্তর লক্ষ্যের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করার গভীর অনুপ্রেরণা জোগায়।"
দেশের পরিচ্ছন্নতম শহরগুলোর তালিকায় ধারাবাহিকভাবে স্থান করে নেওয়ায় শহরের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী নাগরিকদের পরিবেশ ও জল সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি কঠোর ও 'মিশন-মোড' বা বিশেষ কর্মযজ্ঞের মতো দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আহ্বান জানান। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, "মূল্যবান জলের প্রতিটি ফোঁটা বাঁচানোর জন্য আমাদের অবশ্যই অত্যন্ত তৎপর হয়ে একটি কঠোর কর্মযজ্ঞের (মিশন-মোড) মাধ্যমে কাজ করতে হবে।"
বাল্মীকি রামায়ণের কন্নড় অনুবাদের প্রকাশনা উদযাপনকালে প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে স্মার্টফোনের যুগের বিভ্রান্তি কাটিয়ে রাজ্যের সমৃদ্ধ সাহিত্যিক ঐতিহ্যের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে পুনরায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। শ্রী মোদী প্রশ্ন রাখেন, "আমরা কি তরুণ প্রজন্মকে স্ক্রিন বা ডিজিটাল পর্দা থেকে সরে এসে আমাদের গৌরবময় কন্নড় সাহিত্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত হতে জোরালোভাবে অনুপ্রাণিত করতে পারি?"
'ভোকাল ফর লোকাল' (স্থানীয় পণ্যের পক্ষে সোচ্চার হওয়া)-এর ধারণাকে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী নাগরিকদের উপহারের প্রয়োজনে স্থানীয় হস্তশিল্প, রেশম এবং চন্দন কাঠের পণ্য কিনে দেশীয় কারিগরদের সক্রিয়ভাবে সহায়তা করার আহ্বান জানান। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "ভারতীয়দের কঠোর পরিশ্রমে তৈরি উপহার সামগ্রী বেছে নেওয়া একদিকে যেমন আমাদের সংস্কৃতিকে সুন্দরভাবে তুলে ধরবে, তেমনই স্থানীয় পরিবারগুলোকে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তাও প্রদান করবে।"
কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোরালো আহ্বানের মধ্য দিয়ে নিজের ভাষণ শেষ করার সময় প্রধানমন্ত্রী বর্তমান প্রজন্মের ওপর স্বামী বিবেকানন্দের মহান জাতীয় লক্ষ্য বাস্তবায়নের গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেন। তিনি যুব-ক্ষমতায়নের আলোকবর্তিকা হিসেবে এই স্মৃতিসৌধের ভবিষ্যৎ ভূমিকা সম্পর্কে দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেন। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, "আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, বর্তমান প্রজন্মকে এই বিশাল দায়িত্ব পালনে সহায়তা করার জন্য 'বিবেক স্মারক' নিরন্তর এক শক্তিশালী শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করবে।"
SC/SB/AS
(रिलीज़ आईडी: 2293476)
आगंतुक पटल : 13
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें:
English
,
Urdu
,
Marathi
,
हिन्दी
,
Assamese
,
Manipuri
,
Punjabi
,
Gujarati
,
Tamil
,
Telugu
,
Kannada
,
Malayalam