মহাকাশদপ্তর
সংসদীয় প্রশ্ন: যুবিকা
प्रविष्टि तिथि:
29 JUL 2026 4:06PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি ২৯ জুলাই ২০২৬
যুবিকা, অর্থাৎ যুব বিজ্ঞানী কর্মসূচি ২০২৬ সালের ১১ থেকে ২২ মে ইসরোর ৯টি কেন্দ্রে সাফল্যের সঙ্গে পরিচালিত হয়। এই কেন্দ্রগুলি হল বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার, সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার, ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টার, ইউ আর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার, স্পেস অ্যাপ্লিকেশনস সেন্টার, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ রিমোট সেন্সিং, নর্থ-ইস্টার্ন স্পেস অ্যাপ্লিকেশনস সেন্টার, ইসরো প্রপালশন কমপ্লেক্স এবং রিজিওনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টার। ২৮টি রাজ্য ও ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৪৫৬ জন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে।
এই কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিক্ষা ও বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে মহাকাশ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও তার প্রয়োগ সম্পর্কে জানার সুযোগ পান। কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত ছিল প্রবীণ বিজ্ঞানী ও মহাকাশচারীদের সঙ্গে মতবিনিময়, মহাকাশ বিজ্ঞান ও ইসরোর সাফল্য বিষয়ক বক্তৃতা, RH200 রকেটের সরাসরি উৎক্ষেপণ প্রত্যক্ষ করা, অ্যান্টার্কটিকায় ভারতের ভারতী স্টেশনে উপস্থিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, ওয়াটার রকেট প্রদর্শন, এবং হাতে-কলমে বিভিন্ন কাজ শেখা। যার মধ্যে ছিল প্রোগ্রামেবল রোবোটিক কিট ব্যবহার করে সাধারণ রোবোটিক্স নিয়ে কাজ করা, চন্দ্রযান-৩-এর ডিআইওয়াই কিট জোড়া লাগানো, মডেল রকেট তৈরি ও উৎক্ষেপণ এবং টেলিস্কোপের মাধ্যমে আকাশ পর্যবেক্ষণ।
২০২৬-এ যুবিকা কর্মসূচি সংস্করণে ইসরোর ৯টি কেন্দ্রে ৪৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, সেই তুলনায় পূর্ববর্তী সংস্করণে ইসরোর ৭টি কেন্দ্রে জন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ছিল ৩৫০। বর্তমানে এই কর্মসূচির প্রসারে কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্বের কোনো পরিকল্পনা নেই।
যুবিকা কর্মসূচিতে নির্বাচন হয় সম্পূর্ণ মেধা ভিত্তিতে। তবে, গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় এবং কর্মী, জন-অভিযোগ, পেনশন, পারমাণবিক শক্তি ও মহাকাশ বিষয়ক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং আজ লোকসভায় এক লিখিত জবাবে এই তথ্য জানিয়েছেন।
SC/ AB /CS
(रिलीज़ आईडी: 2291232)
आगंतुक पटल : 9