কর্মী, জন-অভিযোগএবংপেনশনমন্ত্রক
মামলা কমাতে ও পেনশনভোগীদের কল্যাণে পেনশন বিধিগুলি পুনরায় খতিয়ে দেখার আহ্বান জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং
प्रविष्टि तिथि:
20 JUL 2026 3:39PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ২০ জুলাই, ২০২৬
কর্মীবর্গ, জন অভিযোগ ও পেনশন বিষয়ক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং আজ পেনশন সংক্রান্ত বিধিগুলির সার্বিক পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে সরকারি নীতিগুলিতে বিবর্তিত সামাজিক বাস্তবতার যথেষ্ট প্রতিফলন ঘটে। তিনি জানিয়েছেন, পেনশন সংক্রান্ত অনেক সমস্যা প্রচলিত বিধির জন্যই ঘটে, কারণ সেগুলি পরিবর্তনশীল সামাজিক প্রয়োজনের সঙ্গে তাল মেলাতে ব্যর্থ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, পেনশন প্রশাসনের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আদালতে যাওয়ার পর বিবাদের নিষ্পত্তি করার তুলনায় সময়ে নীতি সংস্কারের মাধ্যমে মামলা হওয়া আটকানো।
নতুন দিল্লির ডঃ আম্বেদকর ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে অবসরভাতা ও অপসরভাতাভোগীদের কল্যাণ দপ্তর আয়োজিত ‘পেনশন লিটিগেশন’ সংক্রান্ত দ্বিতীয় জাতীয় কর্মশিবিরে ভাষণে মন্ত্রী বলেন, সরকার বিধির সরলীকরণ, উন্নত বিবাদ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, মন্ত্রকগুলির মধ্যে জোরালো সমন্বয় এবং বারবার ঘটে এমন বিষয়গুলি যেগুলি নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা হয় সেগুলিকে চিহ্নিত করে মামলা-মোকদ্দমাহীন পেনশন পরিমণ্ডল গড়ে তুলতে দায়বদ্ধ।
এদিনের অনুষ্ঠানে ডঃ জিতেন্দ্র সিং ‘কমপেন্ডিয়াম অফ কেস লজ অন পেনশন লিটিগেশন’, ‘পেনশন মামলা বিষয়ক একটি প্রচারপত্র’ এবং পেনশন ও পেনশনভোগী কল্যাণ বিভাগের ‘বিশেষ প্রচারাভিযান ৩.০’ চালু করেন, যার লক্ষ্য মামলা ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করা, পরিষেবা প্রদান উন্নত করা এবং নাগরিক-কেন্দ্রিক পেনশন প্রশাসনের প্রসার।
ডঃ জিতেন্দ্র সিং তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেন, সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পেনশন প্রশাসনকেও নিয়মিত পরিবর্তিত হতে হবে। তিনি বলেন, পূর্বেকার প্রশাসনিক কাঠামোয় অনেক তামাদি হওয়া বিধির ফলে সুবিধা প্রাপকদের অসুবিধার সৃষ্টি হতো। গত কয়েক বছরে এরকম বেশ কিছু সংস্থান পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে, যাতে অবসরভাতাভোগী এবং তাদের পরিবারকে আদালতের দ্বারস্থ না হতে হয়।
নিয়মিত নীতি পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়ে ডঃ জিতেন্দ্র সিং বলেন, বারবার মামলা-মোকদ্দমা ইঙ্গিত দেয় যে কিছু বিধির পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক সময়ে একই ধরনের বিবাদের প্রসঙ্গও উঠতে দেখা যায়, সেক্ষেত্রে এগুলিকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে এই সংক্রান্ত নীতিগুলির পর্যালোচনা দ্রুত করা উচিত।
মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, বিবাদ নিষ্পত্তিকে শুধুমাত্র নিষ্পত্তি হিসেবে না দেখে, নীতি উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা উচিত। সরকারের প্রযুক্তি-নির্ভর বিবাদ ব্যবস্থার উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃত্রিম মেধা-নির্ভর প্ল্যাটফর্ম কার্যকারিতা বৃদ্ধি করেছে, কিন্তু অবসরভাতাভোগীদের উদ্বেগের বিষয়গুলি বোঝা এবং পরিষেবা প্রদান ব্যবস্থার উন্নতি করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
ডঃ জিতেন্দ্র সিং পেনশন বিধিগুলির সরলীকরণ করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। নিয়মকানুন সহজ করা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার জোরদার করা এবং পেনশনভোগীদের তাদের প্রাপ্য অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর আরও জোর দেন। পেনশন প্রশাসনের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পেনশনভোগীদের সংখ্যা বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মরত কর্মীদের তুলনায় বেড়ে গেছে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা মূল্যবান জ্ঞান এবং দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার অধিকারী। তাঁরা ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর স্বপ্ন পূরণে অর্থবহ অবদান রাখতে পারেন, তাই তাঁদের কল্যাণ একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অগ্রাধিকার।
এর আগে, অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানিয়ে পেনশন ও পেনশনভোগী কল্যাণ বিভাগের যুগ্ম সচিব ধ্রুবজ্যোতি সেনগুপ্ত বলেন, নীতি সংস্কার, ডিজিটাল শাসন এবং কার্যকর মামলা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পেনশনভোগীদের জীবনযাত্রা সহজ করার লক্ষ্যেই বিভাগটি কাজ করছে। তিনি জানান, গত এক বছরে বিভাগের লিটিগেশন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম-এ মামলার সংখ্যা প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে, যা বিভিন্ন মন্ত্রক, আইনি পরামর্শদাতা এবং বিভাগের মধ্যে উন্নত সমন্বয়ের প্রতিফলন।
সব শেষে ডঃ জিতেন্দ্র সিং বলেন, কার্যকর পেনশন মামলা ব্যবস্থাপনা কেবল একটি আইনি প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি নাগরিক-কেন্দ্রিক প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান যে, সুস্থায়ী নীতি সংস্কার, সহজ প্রক্রিয়া, সময়মতো বিবাদ নিষ্পত্তি এবং সকল পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা অবসরভাতা সংক্রান্ত মামলা কমাবে, সেইসঙ্গে অবসরভাতাভোগীদের মর্যাদা ও কল্যাণ আরও বেশি করে সুনিশ্চিত করবে।
SC/AP/SKD
(रिलीज़ आईडी: 2286738)
आगंतुक पटल : 9