PIB Backgrounder
azadi ka amrit mahotsav

গতিশীল ভারতবর্ষ

পর্যটননির্ভর প্রবৃদ্ধির এক দশক

प्रविष्टि तिथि: 25 JUN 2026 11:30AM by PIB Agartala

নয়াদিল্লি, ২৫ জুন, ২০২৬

 

নতুনত্বে আবৃত পর্যটন ক্ষেত্র

পর্যটন শুধু ভ্রমণ বা অবকাশযাপনের ক্ষেত্র নয়। এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। প্রতিটি পর্যটকের সফর হোটেল, পরিবহণ, পর্যটক-সহায়ক, হস্তশিল্পী, রেস্তোরাঁ এবং অসংখ্য স্থানীয় উদ্যোগের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করে। এর ফলে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হয় এবং তৃণমূল স্তরে উদ্যোগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগও প্রসার ঘটে।

ভারতের মতো বৈচিত্র্যময় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ দেশে পর্যটন আঞ্চলিক উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি। এটি উদীয়মান ও প্রত্যন্ত পর্যটনস্থলে বিনিয়োগ আকর্ষণ করে, স্থানীয় মানুষের জন্য সুস্থায়ী জীবিকার সুযোগ তৈরি করে এবং দেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরে। অর্থনৈতিক অবদানের পাশাপাশি, পর্যটন পারস্পরিক সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি করে, মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক সুদৃঢ় করে এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের মর্যাদা বৃদ্ধি করে।

ব্যস্ত নগরী, তীর্থস্থান, শান্ত গ্রাম, সমুদ্রতট, পাহাড় এবং পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল - সব ক্ষেত্রেই দেশের উন্নয়নের ধারায় পর্যটনের ভূমিকা ক্রমশ বাড়ছে। গত এক দশকে নীতিগত উদ্যোগ, উন্নত সংযোগ ব্যবস্থা, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং পর্যটনকেন্দ্রিক পরিকল্পনার মাধ্যমে এই ক্ষেত্রে নতুন গতি এসেছে। বর্তমানে পর্যটন অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে অবস্থান করছে।

২০১৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ভারতে মোট ১৮.১২ কোটি আন্তর্জাতিক আগমন এবং ৯.৩৩ কোটি বিদেশি পর্যটকের আগমন নথিভুক্ত হয়েছে। আন্তর্জাতিক আগমনের মধ্যে বিদেশি নাগরিক ও অনাবাসী ভারতীয় - উভয়েই অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে বিদেশি পর্যটক আগমনের পরিসংখ্যানে শুধু বিদেশি নাগরিকদের গণনা করা হয়েছে।

প্রসারিত জাতীয় সড়ক, আধুনিকীকৃত রেলস্টেশন এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা পর্যটনস্থলগুলিকে আগের তুলনায় অনেক বেশি সহজলভ্য করে তুলেছে। এর ফলে ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর লক্ষ্যে পর্যটনের অবদান আরও শক্তিশালী হয়েছে।

স্বদেশ দর্শন প্রকল্পে পরিকাঠামোয় নবজাগরণ

স্মরণীয় ভ্রমণের অভিজ্ঞতা শুরু হয় গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই। উন্নত সড়ক, সহজলভ্য জন-পরিসর, মানসম্মত আবাসন এবং আধুনিক পর্যটক পরিষেবা একটি পর্যটনস্থলের পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণ করে। এই বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করে সরকার দেশজুড়ে পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

২০১৪ সালে ‘স্বদেশ দর্শন’ ও ‘প্রসাদ’ প্রকল্প চালু হওয়ার মাধ্যমে পর্যটন উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা হয়। বিচ্ছিন্ন প্রকল্পের পরিবর্তে দেশজুড়ে বিভিন্ন ধরনের পর্যটনকেন্দ্রে বৃহৎ পরিসরে উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়।

স্বদেশ দর্শন প্রকল্পের উদ্দেশ্য দেশের পর্যটন পরিকাঠামোর উন্নয়ন। প্রথম পর্যায়ে ১৫টি পর্যটন পরিক্রমায় ৫,০০০ কোটিরও বেশি টাকার ৭৬টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়। এর মধ্যে ৭৫টি প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। ফলে, পর্যটক পরিষেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং দর্শনার্থী সুবিধার উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটেছে।

এই সাফল্যের ভিত্তিতে ২০২২ সালে চালু হয় ‘স্বদেশ দর্শন ২.০’। এতে সুস্থায়ী ও অভিজ্ঞতানির্ভর পর্যটন উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তরাখণ্ডের তেহরি হ্রদে ভাসমান লগ হাট নির্মাণ এবং হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রে মহাভারত-ভিত্তিক বিষয়ভিত্তিক আকর্ষণ গড়ে তোলা এই উদ্যোগের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

আধ্যাত্মিক পর্যটনের প্রসার

ভারতজুড়ে কোটি কোটি মানুষ প্রতি বছর তীর্থযাত্রায় অংশ নেন। এই সফর শুধু আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করে না, স্থানীয় অর্থনীতি, ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলিকেও শক্তিশালী করে।

আধ্যাত্মিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে ‘প্রসাদ’ প্রকল্পের অধীনে ১,৭০০ কোটিরও বেশি টাকার ৫৪টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। সোমনাথ, শ্রীশৈলম এবং উত্তরপ্রদেশের গোবর্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থানে এই প্রকল্পের মাধ্যমে যাত্রীদের নিরাপত্তা, সুবিধা এবং অভিজ্ঞতার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

একই সঙ্গে পর্যটন উন্নয়নকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিকাশ, গ্রামীণ পর্যটন এবং পূর্বোদয় রাজ্যগুলির উন্নয়ন-লক্ষ্যের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। সাম্প্রতিক কেন্দ্রীয় বাজেটেও গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্থানীয় অর্থনীতির প্রসার এবং উদীয়মান পর্যটন অঞ্চলে নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

আধ্যাত্মিক পর্যটন ভারতের অন্যতম শক্তিশালী ও স্থিতিশীল পর্যটন ক্ষেত্র হিসাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উন্নত পরিকাঠামো ও সমৃদ্ধ ভ্রমণ-অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দেশের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জীবনমানও উন্নত হচ্ছে।

মূলধনি বিনিয়োগে রাজ্যগুলিকে বিশেষ সহায়তা (SASCI)

পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়নের কৌশলকে আরও শক্তিশালী করতে কেন্দ্র সরকার ‘মূলধনি বিনিয়োগে রাজ্যগুলিকে বিশেষ সহায়তা (SASCI) - আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র উন্নয়ন’ কর্মসূচি চালু করেছে। ২০২৪-২৫ সালের বাজেট ঘোষণার পর এই উদ্যোগ কার্যকর হয়।

এই কর্মসূচির লক্ষ্য সম্ভাবনাময় পর্যটনস্থলগুলিকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত করা, পর্যটকদের অভিজ্ঞতা উন্নত করা এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন গতি আনা। ইতিমধ্যে ২৩টি রাজ্যে ৩,২৯৫.৭৬ কোটি টাকার ৪০টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বমানের পর্যটন গন্তব্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সরকারের অঙ্গীকার আরও স্পষ্ট হয়েছে।

সুস্থায়ী পর্যটন, সচেতন ভ্রমণ ও অতিরিক্ত পর্যটন নিয়ন্ত্রণ

পর্যটনের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে সুস্থায়িত্ব এই ক্ষেত্রের দীর্ঘমেয়াদী বিকাশের অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠেছে। প্রাকৃতিক পরিবেশ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং স্থানীয় পরম্পরা সংরক্ষণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দেশের পর্যটন সম্পদকে সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে অতিরিক্ত ভিড়ের সমস্যা মোকাবিলায় সরকার বৈচিত্র্যময় পর্যটন পণ্য গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে। হিমালয় ট্রেকিং ট্রেল, পাখি পর্যবেক্ষণ পরিক্রমা এবং কচ্ছপকেন্দ্রিক পর্যটনের মতো উদ্যোগ পর্যটকদের বিকল্প গন্তব্যে আকৃষ্ট করছে এবং কম পরিচিত অঞ্চলে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। একই সঙ্গে ‘ট্র্যাভেল ফর লাইফ’ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও দায়িত্বশীল ভ্রমণকে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।

সুস্থায়ী পর্যটনের ক্ষেত্রে ভারতের প্রয়াস আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে। মামল্লাপুরম দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যস্থল হিসেবে ‘গ্রীন ডেস্টিনেশনস সিলভার’ আন্তর্জাতিক শংসাপত্র অর্জন করেছে। পাশাপাশি ‘চ্যালেঞ্জ-ভিত্তিক গন্তব্য উন্নয়ন’ উদ্যোগের অধীনে আধ্যাত্মিক ও পরিবেশভিত্তিক পর্যটন ক্ষেত্রে ৬৯৭.৯৪ কোটি টাকার ৩৮টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। অসমের পানিদিহিং পাখি অভয়ারণ্য এবং তেলেঙ্গানার নিজাম সাগর জলাধারভিত্তিক পরিবেশ পর্যটন প্রকল্প এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ও প্রযুক্তির সংযোজন

আন্তঃসংযুক্ত বিশ্বের পর্যটন ব্যবস্থা এখন সহজ যাতায়াত, ডিজিটাল উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক দৃশ্যমানতার ওপর নির্ভরশীল। বিগত এক দশকে ভারত যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভ্রমণ-সহজীকরণ এবং আন্তর্জাতিক প্রচারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। এর ফলে, ২০২৪ সালে ২.০৬ কোটি আন্তর্জাতিক আগমন নথিভুক্ত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যটন তালিকায় ভারতের অবস্থান ২০১৬ সালের ২৫তম স্থান থেকে উঠে ২০তম স্থানে পৌঁছেছে।

ই-ট্যুরিস্ট ভিসা ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন ডিজিটাল সংস্কারের ফলে, ভারতে ভ্রমণ আরও সহজ হয়েছে। একই সঙ্গে NIDHI ও NIDHI Plus প্ল্যাটফর্ম আবাসন ও পর্যটন পরিষেবা প্রদানকারীদের নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করেছে।

ভারতের জি-২০ সভাপতিত্ব দেশের বৈচিত্র্যময় পর্যটন গন্তব্য, ঐতিহ্য, হস্তশিল্প এবং সাংস্কৃতিক ঐশ্বর্যকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরেছে। পাশাপাশি, বৈঠক, প্রেরণা, সম্মেলন ও প্রদর্শনীভিত্তিক পর্যটনের ক্ষেত্রেও ভারতের সক্ষমতা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে।

মানবসম্পদ উন্নয়ন ও ভবিষ্যতের লক্ষ্য

একটি সফল ভ্রমণ অভিজ্ঞতার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন পর্যটক-সহায়ক, আতিথেয়তা ক্ষেত্রের কর্মী, হস্তশিল্পী, পরিবহণ পরিষেবা প্রদানকারী এবং স্থানীয় উদ্যোক্তারা। তাই পর্যটন পরিকাঠামোর পাশাপাশি, মানবসম্পদ উন্নয়নেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

২০১৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ফর সার্ভিস প্রোভাইডার্স’ প্রকল্পের মাধ্যমে ৪.৫ লক্ষের বেশি মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে জাতীয় আতিথেয়তা প্রতিষ্ঠান গঠন এবং গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনস্থলে ১০,০০০ পর্যটক-সহায়ককে দক্ষ করে তোলার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।

বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ পর্যটন অর্থনীতিগুলির মধ্যে ভারতের স্থান অষ্টম। এই ক্ষেত্র দেশের অর্থনীতিতে ২৩১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবদান রাখছে। বিশ্ব ভ্রমণ ও পর্যটন পরিষদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দশকে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম পর্যটন অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে।

বিগত এক দশকে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি পর্যটনস্থলের উন্নয়ন হয়েছে। পাশাপাশি, আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জাতীয় সড়ক, আধুনিক বিমানবন্দর, উড়ান প্রকল্প, বন্দে ভারত ট্রেন, রেল আধুনিকীকরণ এবং উন্নত শেষ মাইল সংযোগ পর্যটনকে আরও সহজ ও গতিশীল করে তুলছে।

একই সঙ্গে নবীকৃত ‘ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া’ প্রচারাভিযান, ডিজিটাল প্রচার, আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা, রোডশো এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব ভারতের আন্তর্জাতিক উপস্থিতিকে আরও শক্তিশালী করছে।

ভারত যখন বিশ্বের অন্যতম প্রধান পর্যটন গন্তব্য হয়ে ওঠার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে, তখন পর্যটনের মাধ্যমে জীবিকা সৃষ্টি, ঐতিহ্য সংরক্ষণ, স্থানীয় মানুষের ক্ষমতায়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুস্থায়ী প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভারতের পর্যটন রূপান্তরের যাত্রা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে, আর তার আগামী অধ্যায় হতে চলেছে আরও উচ্চাভিলাষী ও সম্ভাবনাময়।

 

India on the Move

*****

PS/Agt


(रिलीज़ आईडी: 2277876) आगंतुक पटल : 6
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , हिन्दी , Bengali , Gujarati , Tamil