শিল্পওবাণিজ্যমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী শ্রী পীযূষ গোয়েল ২০৩০-৩১-এর মধ্যে ২ ট্রিলিয়ন রপ্তানির লক্ষ্য পূরণের জন্য কর্মপরিকল্পনার সমীক্ষা বৈঠকে পৌরোহিত্য করেছেন

প্রকাশিত: 29 APR 2026 7:24PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

 

কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী শ্রী পীযূষ গোয়েল পৌরোহিত্য করেছেন একটি উচ্চস্তরের সমীক্ষা বৈঠকে ভারতের ২০৩০-৩১-এর মধ্যে ২ ট্রিলিয়ন রপ্তানির লক্ষ্য পূরণে কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে এবং এক্সপোর্ট প্রোমোশন মিশন (ইপিএম) রূপায়ণ পর্যালোচনা করতে।

 

ভারত ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যার মধ্যে পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং পরিষেবা রপ্তানির পরিমাণ ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাণিজ্য দপ্তর একটি সুসংগঠিত রপ্তানি পর্যবেক্ষণ কাঠামো তৈরি করেছে, যা জাতীয় লক্ষ্যমাত্রাকে ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, বস্ত্র, ইলেকট্রনিক্স, ওষুধ, রাসায়নিক এবং পরিষেবা — এই ক্ষেত্রগুলির জন্য আলাদা আলাদা করে জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা নির্দিষ্ট করেছে। 

 

কাঠামোটি পর্যালোচনা করে শ্রী গোয়েল জানান, এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণের সাফল্যের ভিত্তি হবে তিনটি প্রধান স্তম্ভ। এর মধ্যে সময়সীমাসহ সুস্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কী করতে হবে এবং যেখানে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রের জন্য নোডাল যুগ্ম সচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এগুলিকে সরবরাহ এবং চাহিদার ভিত্তিতে শ্রেণীবিভক্ত করা হয়েছে, যা যুক্ত প্রধান কাজের সুযোগের সঙ্গে এবং ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং দীর্ঘমেয়াদের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে। তিনি আন্তঃদপ্তর সমন্বয়ের গুরুত্বের উপরও জোর দিয়েছেন, একেকটি কাজের জন্য সহায়ক মন্ত্রক এবং দপ্তরকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যাতে রপ্তানি সম্পর্কিত বিষয়গুলির কার্যকরী সমাধান নিশ্চিত হয়। এছাড়া শ্রী গোয়েল তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক তত্ত্বাবধান প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরেন, যাতে অগ্রগতির নিয়মিত খোঁজ রাখা যায়। সচিব এবং মন্ত্রী স্তরে পর্যালোচনার ব্যবস্থা থাকে।

 

মন্ত্রী আরও নির্দেশ দেন যে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে অগ্রাধিকার ক্ষেত্রগুলিকে চিহ্নিত করতে হবে, যেখানে রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানি নির্ভরতা কমানোর বিকল্প রণকৌশল স্থির করতে হবে।

 

শ্রী গোয়েল ইপিএম রূপায়ণের পর্যালোচনা করেন। তিনি বলেন, ইপিএম-এর অধীনে ১০টি উপাদান কার্যকর করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে সুদ মকুব, বিকল্প অর্থ বিনিয়োগ, ই-কমার্স রপ্তানিকারকদের জন্য ঋণ সহায়তা, রপ্তানি ঋণের জন্য সমমূল্যের সাহায্য, নতুন ধরনের রপ্তানির সুযোগের জন্য ঝুঁকি ভাগ করে নেওয়া, পরীক্ষার জন্য সহায়তা, নিরীক্ষা এবং শংসায়ন, বাজারজাত করার সহায়তা, রপ্তানি গুদাম এবং লজিস্টিকের জন্য সহায়তা, অভ্যন্তরীণ পরিবহণ এবং মাল ওঠানো-নামানোর জন্য সহায়তা এবং তথ্যানুসন্ধান। শ্রী গয়াল ইপিএম-এর অধীনে চালু ত্রাণ কর্মসূচিরও পর্যালোচনা করেন। 

 

কার্যকর রূপায়ণের উপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন সব কর্মসূচির সুবিধা তৃণমূল স্তরে রপ্তানিকারকদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। তিনি এক্সপোর্ট প্রোমোশন কাউন্সিলের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রচার ও প্রসারে প্রয়াস নেওয়ার নির্দেশ দেন। শ্রী গোয়েল বিদেশের গুদাম এবং লজিস্টিক্সের পাশাপাশি পরীক্ষা, নিরীক্ষা এবং শংসায়নের উপর জোর দিতে বলেন।

 

শ্রী গোয়েল বলেন, কৃষি রপ্তানি এবং অণু এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগকে বিশেষভাবে নজরে রাখতে হবে। বাজারের সুবিধা খুঁজতে সাহায্যের পরিধি আরও বেশি করে বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছেন তিনি। এছাড়া তিনি জোর দিয়েছেন তিন বছর অন্তর বাণিজ্য মেলা, ক্রেতা-বিক্রেতা বৈঠক-পাল্টা বৈঠক এবং বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের মতো বিষয়ের উপর, যাতে রপ্তানিকারক এবং এক্সপোর্ট প্রোমোশন কাউন্সিল আগাম অনুমান করতে পারে পরিস্থিতি সম্পর্কে। 

 

মন্ত্রী ‘ব্র্যান্ড ইন্ডিয়া’ জোরালো করার গুরুত্বের উপর জোর দেন। সব শেষে শ্রী গোয়েল বলেন, সমস্ত উদ্যোগ যেন প্রকৃতই রপ্তানিকারকদের সাহায্য করে। দুই ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের লক্ষ্য পূরণ সম্ভব, যদি শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে কাজ করা যায়, ঠিক সময়ে তত্ত্বাবধান করা যায় এবং আন্তঃদপ্তর সমন্বয় থাকে।

 

SC/AP/SKD


(রিলিজ আইডি: 2256916) ভিজিটরের কাউন্টার : 4
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: Marathi , English , Urdu , हिन्दी , Gujarati