বিদ্যুৎমন্ত্রক
জাতীয় গ্রিডে অজীবাশ্ম জ্বালানী প্রবাহের সংযুক্তি
প্রকাশিত:
16 MAR 2026 4:44PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ১৬ মার্চ, ২০২৬
জাতীয় গ্রিডে অজীবাশ্ম জ্বালানী প্রবাহের সংযুক্তির বিষয়টিতে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। এই লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে সমীক্ষা এবং পর্যালোচনা চলছে। ধারাবাহিকতা, লোড ব্যালেন্সিং প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশেষ লক্ষ্য রাখা হবে, যাতে গ্রিড ব্যবস্থাপনায় সমস্যা না হয়।
২০৩০ সাল নাগাদ ৫০০ গিগাওয়াটেরও বেশি পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে সংবহনের লক্ষ্য রাখা হয়েছে। এই কাজ হবে পর্যায়ক্রমে।
এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ সংবহনের বিষয়টি এখানে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলায় রাজ্যগুলিকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে কেন্দ্র। গ্রিড এনার্জি করিডর প্রকল্পের আওতায় আন্তঃরাজ্য করিডর গড়ে তোলার কর্মসূচি রূপায়িত হচ্ছে ১০টি রাজ্যে। প্রথম পর্যায়ে ২৪ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ সংবহনের ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। আরও ২০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ সংবহনের পরিকাঠামো গড়ে উঠবে দ্বিতীয় পর্যায়ে। পুনর্নবীকরণযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের সময়-ভিত্তিক প্রাপ্যতার বিষয়ে পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য আঞ্চলিক কেন্দ্র গড়ে তোলায় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংবহনের বিষয়টির মধ্যে যাতে ধারাবাহিকতা থাকে, সেজন্য সৌর – বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পের মতো কর্মসূচি বিশেষ কর্যকর হতে পারে। এছাড়াও, প্রযুক্তিগত নানা বিষয়ও রয়েছে। ভারি শিল্প মন্ত্রক সেল ব্যাটারি স্টোরেজ সংক্রান্ত একটি জাতীয় কর্মসূচির আওতায় উৎপাদন সংযুক্ত উৎসাহদান ব্যবস্থাপনা চালু করেছে।
বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে সংবহন ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ করে তোলা সরকারের লক্ষ্য। সেজন্য ২০২৪ – এ জাতীয় বিদ্যুৎ পরিকল্পনা (পর্যায় – ২, সংবহন) সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেখানে ২০২৩-২০৩২ পর্যন্ত চাহিদা অনুযায়ী, সংবহন ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত।
২০৩৪-২০৩৫ নাগাদ দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ৪৪৬ গিগাওয়াটে দাঁড়াবে বলে পূর্বাভাস। সেকথা মাথায় রেখে তাপবিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা ৩ লক্ষ ৭ হাজার মেগাওয়াটে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। এটি পূরণ করতে হলে তাপবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ ৯৭ হাজার মেগাওয়াটে নিয়ে যাওয়া দরকার। ২০৩১-২০৩২ নাগাদ জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা আরও ৪ হাজার ২৭৪ মেগাওয়াট বাড়িয়ে তোলার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। বর্তমানে যেসব জলবিদ্যুৎ প্রকল্প রূপায়ণের স্তরে রয়েছে, তার কাজ শেষ হলে পাওয়া যাবে আরও ১২,৭২৩.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। ২০২৯-২০৩০ নাগাদ পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা আরও ৬ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পুনর্নবীকরণযোগ্য উৎস থেকে মোট ১ লক্ষ ৫৭ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিবিধ প্রকল্প বর্তমানে রূপায়ণের স্তরে রয়েছে। এর মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ খাতে ৬৭ হাজার ২৮০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ প্রকল্প রূপায়ণের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত।
রাজ্যসভায় আজ এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী শ্রী শ্রীপদ নায়েক।
SC/AC/SB…
(রিলিজ আইডি: 2240885)
ভিজিটরের কাউন্টার : 12