গ্রামোন্নয়নমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

বর্তমান দশকে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়ন

Posted On: 19 MAR 2025 1:29PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ১৯ মার্চ, ২০২৫

 

মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মনিশ্চয়তা আইন, (এমজিএনআরইজিএ) ২০২৫-এর উদ্দেশ্য হল, গ্রামাঞ্চলে প্রতিটি পরিবারের জীবিকার সংস্থান করা। প্রত্যেক বাড়ির প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরা যাতে একটি আর্থিক বর্ষে কমপক্ষে ১০০ দিনের কাজ পান, এই আইনের মাধ্যমে সেটি নিশ্চিত করা হয়েছে। ২০০৬-০৭ অর্থবর্ষে এই প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছিল ১১,৩০০ কোটি টাকা। ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৩৩ হাজার কোটি টাকা। গত ১০ বছরে এমজিএনআরইজিএ-য় নিয়মিতভাবে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান অর্থবর্ষে এই প্রকল্পে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ হয়েছে – ৮৬ হাজার কোটি টাকা। কোভিড মহামারীর সময় যাঁরা সঙ্কটে পড়েছিলেন, তাঁদের জীবিকার নিশ্চয়তার জন্য সরকার ১ লক্ষ ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেছে। এর মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পটির যথাযথ বাস্তবায়নে সরকারের অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়েছে। 

২০০৬-০৭ অর্থবর্ষ থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষ পর্যন্ত মোট ১,৬৬০ কোটি কর্মদিবসের সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষ পর্যন্ত তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৩,০২৯ কোটি। একইভাবে, ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৪-২৫ সময়কালে কেন্দ্রীয় সরকার ৭,৮১,৩০২ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। এর ফলে গ্রামাঞ্চলে ৮.০৭ কোটি টাকার সম্পদ তৈরি হয়েছে। এমজিএনআরইজিএ-এর আওতায় বছরে ২৬৬ দিন কাজ করা যায়। এর মধ্যে ১৫০ দিন কৃষি সংক্রান্ত কাজে ব্যয় করা হবে। এছাড়া ৫৮ দিন গ্রামীণ সম্পদ ব্যবস্থাপনা খাতে এবং গ্রামাঞ্চলের পরিকাঠামো নির্মাণে কাজে লাগানো হবে। এর আওতায় চেক ড্যাম, পুকুর খনন, কৃষিকাজে ব্যবহৃত সেচ ব্যবস্থাপনার মতো জলসম্পদের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে এক সময় ২,২৬৪টি ব্লকে জল সঙ্কট ছিল। সরকারের জল সংরক্ষণের জন্য গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে এই সংখ্যা হ্রাস পেয়ে হয়েছে ১,৪৫৬। এমজিএনআরইজিএ-এর আরও একটি বড় সাফল্য হল মিশন অমৃত সরোবরের আওতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ৬৮ হাজারের বেশি সরোবর খনন করা। সমাজের পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের মানুষদের উন্নতির জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে সরকার আরও উদ্যোগী হয়েছে। ফলস্বরূপ, ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে এই প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ ১৭.৬ শতাংশ ছিল, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬.৯৯ শতাংশ।

এই প্রকল্প সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য আধার-ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম অথবা জাতীয় স্তরে মোবাইলের মাধ্যমে নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। আধার-ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম কার্যকর হওয়ায় সুবিধাপ্রাপকদের কাছে দ্রুত অর্থ পৌঁছে যাচ্ছে। সরকার মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মনিশ্চয়তা আইনের স্বচ্ছভাবে প্রয়োগের জন্য ন্যাশনাল ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমও চালু করেছে। এই প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা বৈদ্যুতিন প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ সুবিধা হস্তান্তরের মাধ্যমে তাঁদের উপার্জিত অর্থ পেয়ে থাকেন। একইভাবে, ডিজিটাল পদ্ধতিতে জিআইএস-ভিত্তিক পরিকল্পনা, সম্পদের জিও-ট্যাগিং করার মতো বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ২০১৪-র আগে সোশ্যাল অডিট, এরিয়া অফিসার অ্যাপ সহ বিভিন্ন ব্যবস্থাপনায় নজরদারির কোনো উদ্যোগ ছিল না। বর্তমানে এই উদ্যোগগুলি কার্যকর হওয়ায় এমজিএনআরইজিএ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। 

গত ১০ বছরে এই প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন –
https://static.pib.gov.in/WriteReadData/specificdocs/documents/2025/mar/doc2025319522801.pdf 

 

SC/CB/DM..


(Release ID: 2112903) Visitor Counter : 34


Read this release in: English , Urdu , Hindi , Tamil