কৃষিমন্ত্রক
পিএম-কিষাণ প্রকল্পে অযোগ্য সুবিধাপ্রাপকদের অর্থ প্রাপ্তির প্রসঙ্গ
Posted On:
18 MAR 2025 6:04PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ১৮ মার্চ, ২০২৫
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ২০১৯-এর ফেব্রুয়ারিতে পিএম-কিষাণ প্রকল্পের সূচনা করেন। এই প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। প্রতি বছর তিনটি সমান কিস্তিতে প্রত্যক্ষ সুবিধা হস্তান্তরের মাধ্যমে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ৬ হাজার টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়। যেসব কৃষকের অ্যাকাউন্ট আধারের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে, তাঁরাই এই সুবিধা পান। পুরো প্রকল্পটিকে স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করা হয়। ইতোমধ্যে ১৯টি কিস্তিতে কৃষকদের ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার কোটি টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
পিএম-কিষাণ পোর্টালে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের থেকে যাচাই করা তথ্যগুলির ওপর ভিত্তি করে কৃষকদের আর্থিক সহায়তা করা হয়। যোগ্য সুবিধাপ্রাপকরাই যাতে এই প্রকল্পে যুক্ত হতে পারেন, সে বিষয়ে নজর রাখা হয়। যেসব কৃষক এই প্রকল্পের বিভিন্ন শর্ত পূরণ করতে পারেননি, তাঁদের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। যখন তাঁরা শর্তগুলি পূরণ করেন, তখন তাঁদের বকেয়া অর্থ সহ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। যেসব কৃষক আয়কর দেন, কোনো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় অথবা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন, যাঁরা সাংবিধানিক কোনো পদে আসীন – সেইসব কৃষকদের এই প্রকল্পে অর্থ প্রদান করা হলে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি প্রদেয় অর্থ ফেরত নেয়। এ পর্যন্ত ৪১৬ কোটি টাকা অযোগ্য কৃষকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।
পিএম-কিষাণ প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বজায় রাখার জন্য বেশ কিছু প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হয়েছে। পিএম-কিষাণ পোর্টাল এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কৃষকরা নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারেন, এই প্রকল্পের সুবিধা তাঁরা পাবেন কিনা সে সংক্রান্ত তথ্য জানতে পারেন এবং মুখাবয়ব শনাক্তকরণের মধ্য দিয়ে ই-কেওয়াইসি জমা দিতে পারেন। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের কথা বিবেচনা করে ই-কেওয়াইসি-র সূচনা করা হয়েছে। এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করার জন্য ইতিমধ্যেই ৫ লক্ষের বেশি কমন সার্ভিস সেন্টার নানাবিধ সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও, অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাপনা, কৃত্রিম মেধার পরিচালনায় চ্যাটবট ও কিষাণ ই-মিত্র-এর মতো বিভিন্ন ব্যবস্থাপনা কার্যকর হয়েছে। রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে কৃষি মন্ত্রক যৌথভাবে মাঝেমধ্যেই নাম নথীভূক্ত করার জন্য বিশেষ অভিযান চালায়। যোগ্য কৃষকরা যাতে কোনভাবেই এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, সেটি নিশ্চিত করা হয়।
আন্তর্জাতিক খাদ্য নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (আইএফপিআরআই) ২০১৯ সালে একটি সমীক্ষা চালায়। এই সমীক্ষায় দেখা গেছে পিএম-কিষাণ প্রকল্প গ্রামাঞ্চলের আর্থিক উন্নয়নে অনুঘটকের কাজ করছে। কৃষকদের এর ফলে কোনো ঋণ নিতে হয় না। কৃষিক্ষেত্রে আগের থেকে বর্তমানে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও, কৃষিকাজে ঝুঁকি গ্রহণের জন্য এই প্রকল্প কৃষকদের উৎসাহিত করে।
কেন্দ্রীয় সরকার কৃষককল্যাণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের সূচনা করেছে। পিএম-কিষাণ প্রকল্পের সঙ্গে কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মতো বিভিন্ন প্রকল্পকে যুক্ত করা হয় যাতে যোগ্য কৃষকরা উপকৃত হন।
লোকসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এই তথ্য জানিয়েছেন কৃষি ও কৃষককল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শ্রী রামনাথ ঠাকুর।
SC/CB/DM.
(Release ID: 2112707)
Visitor Counter : 23