উত্তর-পূর্বাঞ্চলেরউন্নয়নসংক্রান্তমন্ত্রক
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রসার
প্রকাশিত:
08 AUG 2022 12:11PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ০৮ অগাস্ট, ২০২২
উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রক ‘এনইসি প্রকল্প’-এর আওতায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে – সড়ক, বাণিজ্য সম্মেলন, কনভেনশন, আলোচনাসভা, কর্মশালা এবং বিশেষজ্ঞ সংবাদ মাধ্যমের প্রচারাভিযান ইত্যাদি।
‘গন্তব্য উত্তর-পূর্ব’ এই শিরোনামে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নত শিল্পকলা ও সংস্কৃতি নিয়ে নানা সময়ে বিভিন্ন জায়গায় সফলভাবে প্রচার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে ২০১৭ সালে চন্ডীগড়ে, ২০১৮ সালে দিল্লিতে ও ২০১৯ সালে বারাণসীতে উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন শিল্পীরা অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণে সুযোগ পান। পাশাপাশি, তাঁরা ‘বি টু বি’ আলোচনাতেও যোগ দেন। এছাড়া, ২০২২ সালে ১০-১৩ এপ্রিল পর্যন্ত গুজরাটের মাধবপুরে আয়োজিত মাধবপুর ঘের উৎসবে উত্তর-পূর্ব ভারতের ৮টি রাজ্যের বিভিন্ন শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন। রানী রুক্মীণীর পরিবারের অংশ হিসাবে অরুণাচল প্রদেশের ৮৪ জনও এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
পরবর্তীতে ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের অর্থানুকূল্যে জাতীয় সংস্কৃতি বিনিময় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে সদস্য রাজ্যগুলির তরফে বিভিন্ন শিল্পকলা, প্রদর্শনী ও যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। ভারতের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির অঙ্গ হিসাবে সাংস্কৃতিক চিন্তাভাবনা বিনিময়ের জন্য অন্যান্য অঞ্চল ও রাজ্যের শিল্পীদেরও এইসব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’, ‘আকাম – এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’ অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেয় কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক। এর ফলে, বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পড়ুয়ারা অন্যান্য রাজ্য সফরে সুযোগ পাবেন। ২০২২ সালের জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ৭৫০ জন স্কুল পড়ুয়া ও ৭৫০ জন কলেজ পড়ুয়া যাত্রার সময় বাদ দিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে ৫ দিনের সফর করছে। এর থেকে ঐ রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন ধারার বিষয়ে নানা অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন তাঁরা।
দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রক আয়োজিত দক্ষ ভারত কর্মসূচি ও প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনার আয়োজন করা হয়েছে। এতে ২০১৫ সাল থেকে এ বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির ৪ লক্ষ ৪১ হাজার প্রার্থীকে স্বল্পকালীন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ৭ লক্ষ ২৫ হাজার প্রার্থীকে দেওয়া হয়েছে প্রাক্-শিক্ষা সংক্রান্ত মান্যতা। সমগ্র শিক্ষা প্রকল্পের আওতায় দেওয়া হচ্ছে বিদ্যালয় শিক্ষা ব্যবস্থার বৃত্তি শিক্ষা। এতে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর স্কুল পড়ুয়াদের বৃত্তি শিক্ষার পাঠক্রম সম্পন্ন করার পর ন্যাশনাল স্কিল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্কের শংসাপত্র দেওয়া হচ্ছে। এই বৃত্তি শিক্ষা পাঠক্রমে যোগাযোগ, দক্ষতা, তথ্য ও যোগাযোগ এবং প্রযুক্তি বিষয়ক দক্ষতা, উদ্যোগ বিষয়ক দক্ষতা ও গ্রিন স্কিল – এর পাঠ দেওয়া হচ্ছে।
লোকসভায় এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী শ্রী জি কিষাণ রেড্ডি।
PG/PM/SB
(রিলিজ আইডি: 1850249)
ভিজিটরের কাউন্টার : 233