PIB Backgrounder
azadi ka amrit mahotsav

গ্রীন হাইওয়ে

সুস্থায়ী সড়ক ব্যবস্থার পথে ভারতের অগ্রযাত্রা

প্রকাশিত: 28 SEP 2026 6:30PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

ভারতের গ্রীন হাইওয়ে ভাবনা বৃক্ষরোপণ, জলবায়ু-সহনশীল নকশা এবং সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহারের মাধ্যমে সড়ক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনছে। গত পাঁচ বছরে দেশের প্রায় ১.৩২ লক্ষ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক জুড়ে ৩.৬১ কোটিরও বেশি চারা রোপণ করা হয়েছে। মিয়াওয়াকি বন থেকে পুনর্ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রী এবং দেশীয় জৈব-বিটুমিন প্রযুক্তি, নানা পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি জাতীয় সড়ক নির্মাণে নতুন দিশা দেখাচ্ছে। National Highways Green Cover Index-এর মাধ্যমে উপগ্রহ-নির্ভর নজরদারি সবুজ আচ্ছাদনের বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন আরও শক্তিশালী করছে। জনসংযোগমূলক উদ্যোগ এবং পরাগসংগ্রাহক প্রাণীর চলাচলের জন্য গ্রীণ করিডর বা হরিৎ অলিন্দ ও পরিবেশ সংরক্ষণের পরিসর বাড়াচ্ছে।

সড়ক নির্মাণের সঙ্গে সবুজায়ন

ভারতের জাতীয় সড়ক এখন শুধু যোগাযোগের পথ নয়। দেশের বৃহত্তর নির্মাণ ও উন্নয়ন প্রক্রিয়াতেও এগুলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সড়ক ব্যবস্থার প্রসারের সঙ্গে দক্ষ, জলবায়ু-সহনশীল এবং পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল করিডর তৈরির উপরও গুরুত্ব বাড়ছে।

গত এক দশকে ভারতের জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্ক প্রায় ৬১ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৪ সালে এর দৈর্ঘ্য ছিল ৯১,২৮৭ কিলোমিটার। ২০২৬ সালের মার্চে তা বেড়ে হয়েছে ১,৪৬,৫৭২ কিলোমিটার। এই দ্রুত প্রসারে যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়েছে। বাজারে পৌঁছনোর সুযোগ বেড়েছে। মানুষ ও পণ্য পরিবহণও দ্রুত হয়েছে।

জাতীয় সড়কের পাশে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ, পুনর্ব্যবহৃত ও বর্জ্য থেকে তৈরি সামগ্রীর ব্যবহার, শক্তি-সাশ্রয়ী নির্মাণ পদ্ধতি এবং সবুজ আচ্ছাদনের উপগ্রহ-নির্ভর নজরদারি জাতীয় সড়ক ব্যবস্থাকে আরও সুস্থায়ী করে তুলছে।

গ্রীন হাইওয়ে নীতি, ২০১৫: নীতির বিবর্তন

ভারতের জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কের সবুজায়ন পরিচালিত হচ্ছে Green Highways (Plantation, Transplantation, Beautification and Maintenance) Policy, 2015-এর মাধ্যমে। এই নীতির লক্ষ্য হল:

জাতীয় সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণের জন্য নীতিগত কাঠামো তৈরি করা।
বায়ুদূষণ ও ধুলোর প্রভাব কমানো। গাছ ও গুল্ম বায়ুদূষণকারী উপাদান শোষণে প্রাকৃতিক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
সড়কের ঢালের মাটির ক্ষয় রোধ করা।
ঝড়ো হাওয়া ও সূর্যরশ্মির প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করা।
স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।

এই নীতি বাস্তবায়নে একাধিক পক্ষ একসঙ্গে কাজ করছে। অনুমোদিত কাজের পরিধি অনুযায়ী স্বনির্ভর গোষ্ঠী, বেসরকারি সংস্থা, রাজ্য বন দফতর, বন উন্নয়ন নিগম এবং ঠিকাদাররা বৃক্ষরোপণের কাজ করছেন। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI) এবং অন্যান্য সংস্থার আঞ্চলিক দফতরের মাধ্যমে সামগ্রিক নজরদারির জন্য একটি Plantation Cell গঠন করা হয়েছে।

সবুজ করিডর: বৃক্ষরোপণ ও বনসৃজন

জাতীয় সড়কের সবুজায়ন এখন শুধু কতগুলি চারা লাগানো হয়েছে, সেই হিসাবেই মাপা হচ্ছে না। চারার টিকে থাকা, বৃদ্ধি এবং সড়ক করিডর জুড়ে তার বিস্তারও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। এ বছর জুলাই মাস পর্যন্ত গত পাঁচ বছরে প্রায় ১.৩২ লক্ষ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক জুড়ে ৩.৬১ কোটিরও বেশি চারা রোপণ করা হয়েছে।

বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি, বৃহত্তর পরিবেশ ব্যবস্থাপনার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগে বৃক্ষরোপণের নজরদারি মূলত মাঠপর্যায়ের কর্মীদের পরিদর্শনের উপর নির্ভর করত। এখন তার সঙ্গে ড্রোন ও উপগ্রহ-নির্ভর নজরদারি যুক্ত হয়েছে। সবুজ আচ্ছাদন বাড়াতে মিয়াওয়াকি পদ্ধতিতে বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে। জাতীয় সড়ক নির্মাণের জন্য কোথাও গাছ কাটা প্রয়োজন হলে ক্ষতিপূরণমূলক বনসৃজন এবং গাছ প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে।

সুস্থায়ী সামগ্রীর ব্যবহারে পরিবর্তন

ভারতের জাতীয় সড়ক নির্মাণে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর সামগ্রীর পরিবর্তে জৈবভিত্তিক ও পুনর্নবীকরণযোগ্য সমাধানের ব্যবহার বাড়ছে।

 এ বছর জানুয়ারি মাসে কৃষিজ অবশিষ্টাংশের পাইরোলাইসিসের মাধ্যমে তৈরি Bio-Bitumen প্রযুক্তি হস্তান্তরের কথা ঘোষণা করা হয়। Technology Transfer (TT) হল এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফল, জ্ঞান এবং মেধাস্বত্ব সরকারি ও বেসরকারি ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছয়। “Bio-Bitumen via Pyrolysis: From Farm Residue to Roads” প্রযুক্তিটি যৌথ ভাবে তৈরি করেছে CSIR-Central Road Research Institute (CSIR-CRRI), New Delhi এবং CSIR-Indian Institute of Petroleum (CSIR-IIP), Dehradun।

বিটুমিন হল জৈব তরল ও হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ। রাস্তা তৈরিতে এটি ব্যবহার করা হয়। সড়ক নির্মাণ শিল্পে এটি ‘কালো সোনা’ নামে পরিচিত। বর্তমানে ভারত তার বিটুমিনের প্রয়োজনের প্রায় ৫০ শতাংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে।

 জৈব-বিটুমিনের মতো নতুন প্রযুক্তি আমদানিনির্ভরতা কমাতে পারে। একই সঙ্গে দেশের নিজস্ব উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে পারে। এই প্রযুক্তিতে ফসল কাটার পর পাওয়া ধানের খড়কে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে পাইরোলাইসিসের মাধ্যমে জৈব তেল তৈরি করা হয়। পরে এই জৈব তেলের সঙ্গে প্রচলিত বিটুমেন মিশিয়ে জৈব-বিটুমিন তৈরি করা হয়।

এই প্রযুক্তিতে জৈব পদার্থের পাইরোলাইসিসের মাধ্যমে একাধিক মূল্যবান সামগ্রী তৈরি হয়। এর মধ্যে রয়েছে রাস্তার জন্য জৈব-বাইন্ডার, শক্তি-সাশ্রয়ী গ্যাসীয় জ্বালানি, জৈব-কীটনাশক উপাদান এবং উচ্চমানের কার্বন। ব্যাটারি, জল পরিশোধন এবং উন্নত সামগ্রী তৈরিতেও এগুলির ব্যবহার রয়েছে। ভবিষ্যতে এটি নির্গমনমুক্ত ও সাশ্রয়ী সমাধান দিতে পারে।

মেঘালয়ের Jorabat-Shillong Expressway (NH-40)-এ জৈব-বিটুমিন ব্যবহার করে ১০০ মিটার দীর্ঘ পরীক্ষামূলক রাস্তা সফল ভাবে তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তিটির ব্যবহারিক সম্ভাবনা প্রমাণিত হয়েছে। এই প্রযুক্তি কৃষিজ অবশিষ্টাংশের ব্যবস্থাপনাতেও সহায়ক। জাতীয় সড়ক নির্মাণের নির্ধারিত মানদণ্ডের সঙ্গে এই প্রযুক্তিকে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে একই বছরে শিল্প ও বাণিজ্যিক স্তরে জৈব-বিটুমিন প্রযুক্তি সম্প্রসারণকারী প্রথম দেশ হিসাবে ভারত উঠে এসেছে।

সড়ক নির্মাণে পুনর্ব্যবহৃত সামগ্রী এবং শিল্পক্ষেত্রের উপজাত ব্যবহারের পরিমাণও বাড়ছে।

 তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপজাত Fly Ash এবং Pond Ash এখন সড়কের বাঁধ ও অন্যান্য নির্মাণকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। Reclaimed Asphalt Pavement (RAP), Construction and Demolition (C&D) waste এবং পুনর্ব্যবহৃত aggregate-ও প্রযুক্তিগত নির্দিষ্টকরণ মেনে উপযুক্ত জাতীয় সড়কের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এছাড়াও, প্লাস্টিক বর্জ্য, slag, crumb rubber, bio-bitumen এবং অন্যান্য পুনর্ব্যবহৃত সামগ্রী ও শিল্পজাত উপজাতের ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। এই পদ্ধতিগুলি সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহার বাড়ায়। প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করে। জাতীয় সড়ক নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত পরিবেশগত সমস্যাও কমাতে সাহায্য করে।

জনসমন্বয় ও জনসচেতনতা

গ্রীন হাইওয়ে উদ্যোগের প্রভাব সবচেয়ে স্পষ্ট মাটির স্তরে। সেখানে বৃক্ষরোপণের সঙ্গে জীববৈচিত্র্য ও মানুষের অংশগ্রহণকে যুক্ত করা হচ্ছে। বিভিন্ন রাজ্যের অভিজ্ঞতা দেখাচ্ছে, জাতীয় সড়কের জায়গাগুলি কী ভাবে বৃহত্তর পরিবেশ সংরক্ষণের কাজে ব্যবহার করা যায়।

জাতীয় সড়কের সবুজায়ন থেকে পরাগসংগ্রাহক প্রাণীর করিডর

জাতীয় সড়কের পাশে হরিৎ অলিন্দ কেবল ছায়া বা সৌন্দর্য বৃদ্ধির কাজে লাগে না। Delhi-Amritsar-Katra Expressway-এর নির্দিষ্ট অংশে “Trees for Bees” কর্মসূচির অধীনে পরাগসংগ্রাহক প্রাণীর চলাচলের জন্য-ও করিডর তৈরি করা হচ্ছে।

এই উদ্যোগে বিভিন্ন মরশুমে ফুল ও মধুরসের জোগান দিতে স্থানীয় পরিবেশের উপযোগী উদ্ভিদ প্রজাতি লাগানো হচ্ছে। এর ফলে, মৌমাছি ও অন্যান্য পরাগসংগ্রাহক প্রাণীর জন্য ধারাবাহিক আবাসস্থল তৈরি হচ্ছে।

সবুজ আচ্ছাদন ধরে রাখা

অন্ধ্রপ্রদেশে জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কের পাশে ধারাবাহিকভাবে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। ২০১০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে রাস্তার দুপাশে এবং মধ্যবর্তী অংশে প্রায় ১৮ লক্ষ চারা রোপণ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব কমানো এবং জাতীয় সড়ক ব্যবহারকারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে এই গাছগুলির পরিচর্যা করা হচ্ছে।

২০২৬-২৭ সালে রাজ্যজুড়ে রাস্তার দুপাশে এবং মধ্যবর্তী অংশে আরও ৩.৮৬ লক্ষ চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।  এ বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবসে “Ek Ped Maa Ke Naam” উদ্যোগের অধীনে অন্ধ্রপ্রদেশ জুড়ে প্রায় ৩,২০০টি চারা রোপণ করা হয়েছে। এই সব উদ্যোগ মিলিয়ে জাতীয় সড়কের পাশে শুধু গাছ লাগানোর ভাবনা থেকে গ্রীন করিডর বা হরিৎ অলিন্দ গড়ে তোলার দিকে পরিবর্তন স্পষ্ট হচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে এই হরিৎ অলিন্দ রক্ষা করতে স্থানীয় মানুষও অংশ নিচ্ছেন।

আগামী দিনের জাতীয় সড়ক নির্মাণ

আজ ভারতের জাতীয় সড়ক ব্যবস্থা বৃহৎ পরিসরের নির্মাণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণের সংযোগস্থলে দাঁড়িয়ে। স্থানীয় মানুষের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ থেকে দেশীয় জৈব-বিটুমিন, প্রতিটি পদক্ষেপের মধ্যে একটি সাধারণ ভাবনা রয়েছে। উন্নয়ন ও সবুজ আচ্ছাদন পাশাপাশি, এগোতে পারে। গ্রীন হাইওয়ের এই উদ্যোগ দেশের বৃহত্তর জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গেও যুক্ত। এর মধ্যে রয়েছে জলবায়ু সংক্রান্ত পদক্ষেপ, আত্মনির্ভরতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন। প্রযুক্তিনির্ভর ও সুস্থায়ী নির্মাণ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিকশিত ভারতের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এই প্রয়াস।

ভারতের জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্ক যত বাড়ছে, তার সঙ্গে সবুজ আচ্ছাদনও বাড়ছে।

তথ্যসূত্র 

Ministry of Road Transport & Highways / NHAI

https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2272639&reg=48&lang=2

https://www.pib.gov.in/newsite/PrintRelease.aspx?relid=128298&reg=3&lang=2

https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2291229&reg=3&lang=1

https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1794693&reg=48&lang=2

https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2145745&reg=48&lang=2

https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2226651&reg=1&lang=1

https://www.pib.gov.in/PressReleaseIframePage.aspx?PRID=2042496&reg=48&lang=2

https://www.pib.gov.in/Pressreleaseshare.aspx?PRID=2145745&reg=3&lang=2

https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2086035

https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2039982&reg=48&lang=2

https://nhai.gov.in/nhai/sites/default/files/mix_file/NRSC_NH-GCI_FinalReport_09Dec2025.pdf

https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2237080&reg=3&lang=1

https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2269433&reg=48&lang=2

https://nhai.gov.in/nhai/sites/default/files/mix_file/NRSC_NH-GCI_FinalReport_09Dec2025.pdf

Ministry of Science & Technology / CSIR

https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2212118&lang=1&reg=1

Ministry of Agriculture & Farmers Welfare

https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2246872&reg=20&lang=1

Click here to see pdf 


**
SSS/SS.....


(রিলিজ আইডি: 2316508) ভিজিটরের কাউন্টার : 7
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Urdu , हिन्दी , Gujarati