বিজ্ঞানওপ্রযুক্তিমন্ত্রক
যোগ্য সুবিধাভোগীরা যাতে সহায়তা পান, তা নিশ্চিত করতে অংশীদারদের মধ্যে ১ লক্ষ কোটি টাকার আরডিআই তহবিল সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানালেন ডঃ জিতেন্দ্র সিং
প্রকাশিত:
01 SEP 2026 4:35PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং আজ অংশীদারদের মধ্যে ১ লক্ষ কোটি টাকার গবেষণা, উন্নয়ন ও উদ্ভাবন তহবিল (আরডিআই তহবিল) সম্পর্কে আরও বেশি সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। যাতে, আবেদনকারীরা এর উদ্দেশ্য, যোগ্যতা এবং সহায়তার যথাযথ প্রক্রিয়া বুঝতে পারেন তা নিশ্চিত করা দরকার।
টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (টিডিবি)-এর ৩০তম প্রতিষ্ঠা দিবসে ভাষণ দিতে গিয়ে ডঃ জিতেন্দ্র সিং বলেন যে, আরডিআই তহবিলের উদ্দেশ্য, সহায়তার জন্য যোগ্য অংশীদার ও সংস্থা এবং তারা কীভাবে এই তহবিল গ্রহণ করতে পারে, সে সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির উপর জোর দেওয়া। তিনি বলেন, বিপুল সংখ্যক আবেদনপত্র জমা পড়া এই তহবিলের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আরও স্বচ্ছতা এবং প্রচারের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।
মন্ত্রী বলেন যে, হাজার হাজার আবেদনপত্র জমা পড়ছে, যার মধ্যে এমন আবেদনকারীরাও রয়েছেন যারা আরডিআই তহবিলের প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য বুঝতে পারেন না। তিনি তহবিল প্রক্রিয়া সম্পর্কে কোনো ভুল বোঝাবুঝি যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।
ডঃ জিতেন্দ্র সিং বলেছেন যে, আরডিআই তহবিলের উদ্দেশ্য হলো প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং গবেষণাকে এমনভাবে সহায়তা করা, যা বিজ্ঞান ও গবেষণার অগ্রগতিতে ভূমিকা রয়েছে। এই তহবিলের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য যাতে অংশীদাররা বুঝতে পারেন, তা নিশ্চিত করার প্রয়াস নিতে হবে।
মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, তহবিল প্রদানের প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ এবং এতে যথাযথ সুরক্ষাব্যবস্থা রয়েছে। সরকার যেখানেই সম্ভব, সেখানে আরও সুরক্ষাব্যবস্থার জন্য পরামর্শ গ্রহণে আগ্রহী। তিনি বলেন, প্রচার ও সচেতনতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন যে, উন্নততর সচেতনতা সঠিক ধরনের মানুষদের বৈজ্ঞানিক ও গবেষণার অগ্রগতি এবং জাতীয় অর্থনীতির বিকাশে সাহায্য করবে।
টিডিবি-র ভূমিকার কথা উল্লেখ করে ডঃ জিতেন্দ্র সিং বলেন, এই ধরনের উদ্যোগগুলো যাদের জন্য ,তাদের শিক্ষিত করার ক্ষেত্রেও বোর্ডকে একটি ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, যেহেতু প্রযুক্তি এবং নীতিগত কাঠামো দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, তাই অংশীদারদের মানসিকতাও সেই অনুযায়ী পরিবর্তন করা প্রয়োজন।
মন্ত্রী বলেন ৩০তম প্রতিষ্ঠা দিবসের এই উপলক্ষ চেতনাকে কতদূর প্রসারিত হয়েছে ফিরে দেখার একটি সুযোগ।
তিনি গত ১২ বছরে সরকারের কর্মসূচিতে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে উচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কৃতিত্ব দেন।
তিনি স্টার্ট-আপ পরিমন্ডলের বিকাশের ওপরও আলোকপাত করেন। স্টার্ট-আপগুলো শুধু বেঙ্গালুরু বা হায়দ্রাবাদেই সীমাবদ্ধ নয়, ৫০ শতাংশেরও বেশি স্টার্ট-আপ ছোট শহরগুলো থেকে আসে এবং উদ্যোক্তা হওয়াটা কেবল তরুণদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি এই ইকোসিস্টেমে নারীদের অংশগ্রহণের ওপরও আলোকপাত করেন।
মন্ত্রী বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের কথাও বলেন। বায়োটেকনোলজি এবং পারমাণবিক খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই পরিমন্ডলকে শক্তিশালী করার জন্য প্রতিষ্ঠান এবং অংশীদারদের মধ্যে সম্পদ একত্রীকরণ এবং সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন যে, টিডিবি সরকারি-বেসরকারি সমন্বয় এবং প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরশীলতার একটি মডেল তৈরি করেছে, যা ভারতের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হয়ে উঠতে পারে এবং শুধু ভারতেই নয়, গ্লোবাল সাউথেও অবদান রাখতে পারে।
মন্ত্রী বলেন যে, টিডিবি-র প্রথম ত্রিশ বছর ছিল গবেষণাগার ও বাজারের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির বছর, আর আগামী ত্রিশ বছরে ভারত থেকে বিশ্বমানের প্রযুক্তি চ্যাম্পিয়ন তৈরির ওপর মনোযোগ দেওয়া উচিত।
SC/AB/SKD
(রিলিজ আইডি: 2305601)
ভিজিটরের কাউন্টার : 8