উপ-রাষ্ট্রপতিরসচিবালয়
লাক্ষাদ্বীপের আগত্তিতে মৎস্যচাষ সম্প্রসারণ কর্মসূচীতে যোগদান উপরাষ্ট্রপতির
প্রকাশিত:
31 AUG 2026 3:16PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ৩১ অগাস্ট, ২০২৬
উপ-রাষ্ট্রপতি শ্রী সি. পি. রাধাকৃষ্ণন আজ লাক্ষাদ্বীপের আগাত্তিতে মৎস্যচাষ সম্প্রসারণ কর্মসূচিতে যোগ দেন। অর্নামেন্টাল ফিশারিজের উন্নয়নের লক্ষ্যে কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা মিশন রঙ্গিন মছলি ২০৩১-এরও সূচনা করেন তিনি। তিনি মৎস্য খাতে সুবিধাভোগীদের মধ্যে সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও সহায়তা প্রদান করেন।
সমবেশে ভাষণে উপ-রাষ্ট্রপতি এই অনুষ্ঠানটিকে লাক্ষাদ্বীপের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন এবং ভারতের নীল বিপ্লব-এর ক্ষেত্রে একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর দৃষ্টিভঙ্গির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারতের জাতীয় পতাকায় থাকা নীল চক্রটি নীল বিপ্লব ও সমুদ্র-কেন্দ্রিক অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনার প্রতীক। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারতের মৎস্য ও জলজ চাষ অর্থনীতির একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও বিকাশমান ক্ষেত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনায় লাক্ষাদ্বীপের জন্য ৬২ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।
লাক্ষাদ্বীপের বিশাল সামুদ্রিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই দ্বীপপুঞ্জে আনুমানিক এক লক্ষ টনেরও বেশি মৎস্য আহরণের সম্ভাবনা রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৯৪,০০০ টনই হলো টুনা ও সমগোত্রীয় মাছ। তিনি দ্বীপবাসীদের অধিকতর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৈজ্ঞানিক ও সুস্থায়ী উপায়ে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন।
উপ-রাষ্ট্রপতি ভারতের ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক খাদ্যপণ্য রপ্তানির বিষয়টিও তুলে ধরে বলেন, গত অর্থবছরে এই রপ্তানির পরিমাণ ৭৩,০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে এবং তা বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশে পৌঁছেছে।
স্থায়ী উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি দায়িত্বশীল মৎস্য আহরণ ও সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণের আহ্বান জানান। বেআইনি, অনিয়ন্ত্রিত মৎস্য আহরণের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেন। তিনি তরুণদের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা মৎস্যচাষকে কেবল পৈতৃক পেশা হিসেবে না দেখে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও বিশ্বব্যাপী সুযোগ-সুবিধা দ্বারা চালিত একটি আধুনিক পেশা হিসেবে দেখেন।
সবুজ বিপ্লব ও শ্বেত বিপ্লবের সাথে তুলনা করে উপ-রাষ্ট্রপতি বলেন, নীল বিপ্লবেরও মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রায় একইভাবে আমূল পরিবর্তন আনার ক্ষমতা রয়েছে। তিনি ভারতের ব্লু ইকোনমি বা নীল অর্থনীতিকে বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর একটি শক্তিশালী স্তম্ভ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধচাষ এবং পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রী শ্রী রাজীব রঞ্জন সিং; লাক্ষাদ্বীপের প্রশাসক শ্রী প্রফুল্ল কে. প্যাটেল; কেন্দ্রীয় মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধচাষ এবং পঞ্চায়েতি রাজ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক এস. পি. সিং বাঘেল এবং মৎস্য বিভাগের সচিব ডঃ অভিলাক্ষ লিখি।
SC/AB/SB
(রিলিজ আইডি: 2305143)
ভিজিটরের কাউন্টার : 4