প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
অন্ধ্রপ্রদেশে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সূচনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
प्रविष्टि तिथि:
01 AUG 2026 2:56PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ১ আগস্ট ২০২৬
ভারতমাতার জয়।
ভারতমাতার জয়।
ভারতমাতার জয়।
অন্ধ্রপ্রদেশের রাজ্যপাল আব্দুল নাজির জি, গোয়ার রাজ্যপাল এবং এই মাটির সন্তান অশোক গজপতি রাজু জি, মুখ্যমন্ত্রী, আমার বন্ধু চন্দ্রবাবু নাইডু জি, উপ-মুখ্যমন্ত্রী ভাই পবন কল্যাণ জি, আমার মন্ত্রিসভার সহকর্মীবৃন্দ, তরুণ ও উদ্যমী ভাই রামমোহন নাইডু জি, চন্দ্রশেখর পেম্মাসানি জি, ভূপতি রাজু শ্রীনিবাস বর্মা জি, রাজ্য সরকারের মন্ত্রী ভাই নর লোকেশ জি, উপস্থিত অন্যান্য জনপ্রতিনিধিগণ, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ।
আন্দরিকি নমস্কারম ( আন্তরিক নমস্কার) !
বন্ধুগণ,
আজকের দিনটি অন্ধ্রপ্রদেশের উন্নয়নের জন্য, 'সোনালী অন্ধ্র'-এর স্বপ্নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি সৌভাগ্যবান যে উত্তর অন্ধ্রের এই পবিত্র ভূমিতে এমন এক শুভ উপলক্ষে, এমন এক শুভ মাসে উপস্থিত হতে পেরেছি। সর্বপ্রথমে, আমি ভগবান শ্রী বরাহ লক্ষ্মী নরসিংহ স্বামীর চরণে প্রণাম জানাই। আমি শ্রী কূর্মনাথ স্বামী এবং মাতা পদিতাল্লি আম্মাভারুকে প্রণাম জানাই।
বন্ধুগণ,
আজ প্রায় ১৮,০০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন, উৎসর্গ এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। বিমানবন্দরের পাশাপাশি, এই প্রকল্পগুলি অন্ধ্রের সড়ক যোগাযোগের সঙ্গেও সম্পর্কিত। এর মধ্যে শক্তি সুরক্ষা সম্পর্কিত প্রকল্পও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই উন্নয়নগুলি অন্ধ্রের অগ্রগতির গতিকে প্রতীকায়িত করে। এই প্রকল্পগুলির জন্য আমি আপনাদের সকলকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।
বন্ধুগণ,
আজকের এই অনুষ্ঠানটি নতুন ইতিহাস, নতুন রেকর্ড তৈরিরও একটি উপলক্ষ। আজ যেখানে নতুন উন্নয়ন রেকর্ড তৈরি হচ্ছে, সেখানে ধিমসা নৃত্যের একটি সাংস্কৃতিক রেকর্ডও তৈরি হয়েছে। এটি চন্দ্রবাবু নাইডুর এক অনন্য কৃতিত্ব যে তিনি দুটি দিগন্ত স্পর্শ করেছেন। একদিকে আকাশচুম্বী বিমানবন্দরের নির্মাণ, এবং অন্যদিকে আমার আদিবাসী বোনেদের দ্বারা ধিমসা নৃত্যের বিশ্ব রেকর্ড তৈরি। আমি বিশেষ করে চন্দ্রবাবু নাইডুর দূরদৃষ্টির প্রশংসা করি।
১৩,০০০-এরও বেশি আদিবাসী বোন ও কন্যাদের পরিবেশনা, তাঁদের উৎসাহ, তাঁদের শৃঙ্খলা এবং আদিবাসী সংস্কৃতির গর্ব সত্যিই অসাধারণ ছিল। এটি দেশের বৈচিত্র্য এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে সংরক্ষিত আদিবাসী ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করেছে। এই উপস্থাপনার জন্য আমি আপনাদের সকলকে, এবং বিশেষ করে আমার আদিবাসী বোন ও কন্যাদের, আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই।
বন্ধুগণ,
এই ভূমি আল্লুরি সীতারাম রাজুর ভূমি। আজ, সেই একই ভূমিতে যেখানে আল্লুরি সীতারাম রাজু আদিবাসীদের স্বার্থে তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, সেই অন্ধ্রপ্রদেশে একটি নতুন বিমানবন্দরের উদ্বোধন করা হচ্ছে। এই বিমানবন্দরটি অন্ধ্র এবং উত্তর অন্ধ্রের অগ্রগতির রানওয়ে। এটি অন্ধ্রের যুবকদের জন্য একটি উন্নত ভবিষ্যতের উৎক্ষেপণ মঞ্চ। আমি অন্ধ্র প্রদেশের জনগণকে এবং দেশের জনগণকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
বন্ধুগণ,
আগে যখন বিমানবন্দর তৈরি করা হতো, তখন সেগুলোর নামকরণ একটিমাত্র পরিবারের নামে করা হতো। আমরা এই প্রথা পরিবর্তন করেছি। আমরা অযোধ্যার বিমানবন্দরের নামকরণ বাল্মীকির নামে করেছি, এবং পাঞ্জাবের বিমানবন্দরের নামকরণ করেছি সন্ত রবিদাসের নামে।
এবং বন্ধুগণ,
,
কেন্দ্রের এনডিএ সরকার এই নতুন বিমানবন্দরটির নামকরণ শ্রী আল্লুরি সীতারাম রাজুর নামে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের প্রত্যেক নাগরিক এবং দেশ ও বিশ্বের প্রত্যেক নাগরিক, যাঁরা এই বিমানবন্দর দিয়ে যাতায়াত করবেন, তাঁরা আল্লুরি সীতারাম রাজুর নামের মাধ্যমে জনসেবা ও জাতীয় সেবার অনুপ্রেরণা খুঁজে পাবেন।
বন্ধুগণ,
বিগত বারো বছরে দেশের বিমান চলাচল খাতে অসাধারণ অগ্রগতি হয়েছে। ২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশে মাত্র ৭৪টি বিমানবন্দর চালু ছিল। আজ এই সংখ্যা ১৬৬-তে পৌঁছেছে। একটা সময় ছিল যখন বিমান ভ্রমণ শুধু বড় শহরগুলিতেই সীমাবদ্ধ ছিল। এনডিএ সরকারের অধীনে ছোট শহরের সাধারণ মানুষও বিমানে ভ্রমণ করছেন। বিগত বারো বছরে শুধু বিমানবন্দরের সংখ্যাই বাড়েনি; আমাদের উড়ান প্রকল্পের কল্যাণে গরিব পরিবারের মানুষেরাও এখন উড়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এই প্রকল্পটি দরিদ্রতমদের স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করেছে। কিছুদিন আগেই সরকার উড়ান প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্ব চালু করেছে। এর জন্যও ঊনত্রিশ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।
বন্ধুগণ,
দেশ বিমান চলাচল খাতে আরও একটি বড় মাইলফলক অর্জন করেছে। কিছুদিন আগে কাশীতে চালু হওয়া স্পোক এয়ারপোর্ট মডেলটি এখন পাঞ্জাবের অমৃতসরে পৌঁছেছে। এর মাধ্যমে অমৃতসর পঁচিশটিরও বেশি আন্তর্জাতিক গন্তব্যের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। এই অন্ধ্রভূমি থেকে আমি এই সাফল্যের জন্য পাঞ্জাবের জনগণকে অভিনন্দন জানাই।
বন্ধুগণ,
আমাদের অন্ধ্রপ্রদেশের মধ্যে সবসময়ই একটি উন্নত ভারতের অগ্রগতির চালিকাশক্তি হয়ে ওঠার সম্ভাবনা ছিল। অন্ধ্রপ্রদেশের উন্নয়নের জন্য আমাদের প্রচেষ্টা যাতে দ্বিগুণ গতিতে এগিয়ে যায়, তা নিশ্চিত করতে আমি একটি ডাবল-ইঞ্জিন সরকারের জন্য অন্ধ্রের জনগণের আশীর্বাদ চেয়েছিলাম। আজ চন্দ্রবাবু নাইডু জি এবং পবন কল্যাণ জি-র নেতৃত্বে পুরো এনডিএ দল অন্ধ্রপ্রদেশের জন্য দ্বিগুণ গতিতে কাজ করছে।
বন্ধুগণ,
আজ দেশ ক্রমাগত ব্লু ইকোনমিকে শক্তিশালী করছে। আমাদের লক্ষ্য এই পুরো অঞ্চলটিকে একটি উপকূলীয় অর্থনৈতিক করিডোর হিসেবে গড়ে তোলা। এই লক্ষ্যে, বিশাখাপত্তনম থেকে কৃষ্ণাপত্তনম পর্যন্ত আমাদের পুরোনো বন্দরগুলোকে আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। আমরা মুলাপেটা এবং রামায়াপত্তনমেও নতুন বন্দর নির্মাণ করছি।
বন্ধুগণ,
বন্দর উন্নয়নের পাশাপাশি, অন্ধ্রপ্রদেশ জুড়ে মহাসড়ক এবং এক্সপ্রেসওয়ের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। বিশাখাপত্তনম-রায়পুর এক্সপ্রেসওয়ের মতো প্রকল্পগুলো এই সমগ্র অঞ্চলের অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করছে।
বন্ধুগণ,
এই সমগ্র অঞ্চলটি যাতে দেশের প্রধান শিল্প কেন্দ্রগুলির সঙ্গে সহজে সংযুক্ত হতে পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য অন্ধ্রপ্রদেশে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার রেল প্রকল্পের কাজ চলছে। রাজ্যের সমগ্র রেল নেটওয়ার্ক বিদ্যুতায়িত করা হয়েছে। ১০০টিরও বেশি রেল স্টেশনকেও আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে।
বন্ধুগণ,
আজ, পিএম গতিশক্তি ন্যাশনাল মাস্টার প্ল্যানও এই অঞ্চলের উন্নয়নে একটি প্রধান ভূমিকা পালন করছে। পিএম গতিশক্তির মাধ্যমে, সমগ্র অঞ্চল জুড়ে রেলপথ, বন্দর এবং বিমানবন্দরগুলিকে একীভূত করা হচ্ছে। যখন এই আধুনিক লজিস্টিকস নেটওয়ার্ক প্রস্তুত হবে, তখন শিল্পগুলি আরও ভালো সংযোগ পাবে, কৃষকরা উপকৃত হবেন এবং ব্যবসা করার সুবিধাও বাড়বে।
বন্ধুগণ,
অন্ধ্রপ্রদেশ বরাবরই একটি দূরদর্শী রাজ্য। অন্ধ্রের যুবকরা সফটওয়্যার, আইটি এবং প্রযুক্তি খাতে বিশ্বব্যাপী নিজেদের ছাপ রেখেছেন। তাই, সরকার এখানকার প্রতিভাকে অন্ধ্রপ্রদেশের উন্নয়ন শক্তির সঙ্গে যুক্ত করতে চায়। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে আমাদের প্রতিভাবান যুবকদের মেধা থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং দেশ যতটা সম্ভব উপকৃত হোক। এই লক্ষ্যে, আমাদের মনোযোগ এখন সেমিকন্ডাক্টরের মতো ভবিষ্যৎমুখী প্রযুক্তি শিল্পের উপর। বিশাখাপত্তনমে নতুন সেমিকন্ডাক্টর প্ল্যান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এই দিকে একটি বড় পদক্ষেপ। চন্দ্রবাবুর নেতৃত্বে আমাদের অন্ধ্রপ্রদেশ এখন শুধু সফটওয়্যার নয়, উৎপাদনেরও একটি কেন্দ্র হয়ে উঠবে। এর ফলে অন্ধ্রপ্রদেশে ভবিষ্যৎমুখী কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং প্রযুক্তি শিল্পের জন্য একটি নতুন পরিবেশ গড়ে উঠবে।
বন্ধুগণ,
বিশ্ব অর্থনীতির যেকোনো প্রবৃদ্ধিকেন্দ্র শুধু একটি কারখানা দিয়ে তৈরি করা যায় না; এর জন্য একটি সম্পূর্ণ ইকোসিস্টেম প্রয়োজন। আজ অন্ধ্রপ্রদেশে আমরা প্রবৃদ্ধির জন্য ঠিক সেই ইকোসিস্টেমটিই তৈরি করছি। চন্দ্রবাবু নাইডু ব্যক্তিগতভাবে দিনরাত কাজ করেন। এর ফলে বিশ্বের অনেক বড় বড় কোম্পানি এখানে বিনিয়োগ করতে চাইছে।
বন্ধুগণ,
সেমিকন্ডাক্টরের পাশাপাশি এখানে এআই পরিকাঠামো এবং ডেটা সেন্টারের কাজও চলছে। গুগলও এখানে ১৫ বিলিয়ন ডলারের একটি এআই এবং ক্লাউড পরিকাঠামো ক্যাম্পাস তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। আরও অনেক বিশ্বব্যাপী কোম্পানিও এখানে নতুন সম্ভাবনা দেখছে। এটি অন্ধ্রপ্রদেশ এবং দেশের যুবকদের ব্যাপকভাবে উপকৃত করছে।
বন্ধুগণ,
অন্ধ্রপ্রদেশের শিল্পোন্নতির গল্প শুধু ডিজিটাল প্রযুক্তিতেই সীমাবদ্ধ নয়। কেন্দ্রীয় সরকারও নাক্কাপল্লীতে একটি বড় ফার্মা পার্ককে সমর্থন করছে। এর মাধ্যমে অন্ধ্রপ্রদেশ দেশের একটি প্রধান ঔষধশিল্প কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে উঠবে। সবুজ শক্তির ক্ষেত্রে, শুধুমাত্র রায়লসীমা অঞ্চলেই ৫ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে। আজ, আমি অন্ধ্রপ্রদেশের আপনাদের সকলকে আবারও আশ্বস্ত করছি যে আমাদের সরকার, এই ডাবল-ইঞ্জিন সরকার, এই সমস্ত সম্ভাবনাকে বাস্তবায়িত করতে দিনরাত কাজ করে যাবে।
বন্ধুগণ,
অন্ধ্রপ্রদেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে কী গতিতে কাজ এগিয়ে চলেছে, তা আপনারা এই ঘটনা থেকেই অনুমান করতে পারেন যে, শুধুমাত্র আমার শেষ তিনটি সফরেই আমি এখানে ২ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করেছি। আমি আনন্দিত যে অন্ধ্রের এই উন্নয়ন যাত্রায় 'উত্তর অন্ধ্র'-ও ক্ষমতায়িত হচ্ছে। আমরা বিশাখাপত্তনম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ভি.ই.আর.)-কে দেশের একটি প্রধান শিল্প কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলছি। আমাদের লক্ষ্য হলো ভি.ই.আর.-কে এশিয়ার একটি শীর্ষস্থানীয় অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট পর্যন্ত সবকিছুই এই মিশনের অংশ।
বন্ধুগণ,
আমাদের সরকারের মূলমন্ত্র হলো "বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান"। তাই, সরকার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে এবং বেসরকারি খাতকেও বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করছে। আপনারাও জানেন যে, বিনিয়োগ বাড়লে উৎপাদন বাড়ে, রপ্তানি বাড়ে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। কর্মসংস্থান বাড়লে মানুষের আয় বাড়ে এবং পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়, আর অন্ধ্র প্রদেশে আমরা ঠিক এটাই ঘটতে দেখছি।
বন্ধুগণ,
আমি আত্মবিশ্বাসী যে, আজ এখানে ঘোষিত সমস্ত প্রকল্প, যেগুলোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে, সেগুলো একটি সোনালী অন্ধ্র এবং একটি উন্নত ভারতের স্বপ্ন পূরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। মাননীয় চন্দ্রবাবু নাইডুর নেতৃত্বে, অন্ধ্র প্রদেশ একটি উন্নত ভারতের স্বপ্ন পূরণের জন্য শক্তির এক প্রধান উৎস হয়ে উঠছে। এই সমস্ত প্রকল্পের জন্য আমি আবারও অন্ধ্র প্রদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানাই।
অনেক ধন্যবাদ!
ভারতমাতার জয়।
ভারতমাতার জয়।
ভারতমাতার জয়।
অনেক ধন্যবাদ!
SC/SB/DM
(रिलीज़ आईडी: 2293107)
आगंतुक पटल : 4