বস্ত্রমন্ত্রক
বস্ত্র শিল্প
प्रविष्टि तिथि:
21 JUL 2026 2:14PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ২১ জুলাই, ২০২৬
বিশ্ববাজারে চাহিদার ওঠানামা, কাঁচামালের খরচের তারতম্য এবং বাণিজ্য-সংক্রান্ত অন্যান্য চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, ২০২৫-২৬ বর্ষে হস্তশিল্প সহ ভারতের বস্ত্র ও পোশাক ক্ষেত্রের রপ্তানি বেড়ে ৩,২৫,৩৩৯.০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা ২০২৪-২৫ সালের ৩,১৯,৫৭৩.২ কোটি টাকার তুলনায় ১.৮ শতাংশ বেশি। আগের বছরের তুলনায় ২০২৫-২৬ সালে ১০০টিরও বেশি গন্তব্যে ভারতের বস্ত্র ও পোশাক (হস্তশিল্প সহ) রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
মধ্যপ্রদেশ থেকে হস্তশিল্প সহ বস্ত্র ও পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ২০২৪-২৫ সালের ১১,৭৪৮.৯ কোটি টাকার তুলনায় বেড়ে ২০২৫-২৬ সালে ১১,৭৫১.৭ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। একইভাবে, বিহার থেকে রপ্তানির পরিমাণ ২০২৪-২৫ সালের ৩৭৫.৬ কোটি টাকার তুলনায় বেড়ে ২০২৫-২৬ সালে ৪০৯.০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।
ভারতীয় বস্ত্র ও পোশাক ক্ষেত্রের অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করতে সরকার বিভিন্ন প্রকল্প ও উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো –
পিএম মেগা ইন্টিগ্রেটেড টেক্সটাইল রিজিয়নস অ্যান্ড অ্যাপারেল (পিএম মিত্র) পার্কস স্কিম; প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (পিএলআই) স্কিম; ন্যাশনাল টেকনিক্যাল টেক্সটাইলস মিশন; বস্ত্র ক্ষেত্রে সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘সমর্থ’ প্রকল্প; সিল্ক সমগ্র-২; জাতীয় তাঁত উন্নয়ন কর্মসূচি; জাতীয় হস্তশিল্প উন্নয়ন কর্মসূচি; সু-সমন্বিত হস্তশিল্প ক্লাস্টার উন্নয়ন প্রকল্প; রাজ্য ও কেন্দ্রীয় কর এবং শুল্কের ওপর ছাড় প্রকল্প; রপ্তানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্ক ও কর মকুব প্রকল্প; ‘নির্যাত প্রোৎসাহন’ ও ‘নির্যাত দিশা’ সমন্বিত রপ্তানি উন্নয়ন মিশন; এবং রপ্তানিকারকদের জন্য ঋণ নিশ্চয়তা প্রকল্প।
পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক বা নৌ-চলাচল সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত রপ্তানিকারকদের সহায়তা করার লক্ষ্যে, ভারত সরকার রপ্তানি উন্নয়ন মিশনের আওতায় ১৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে ‘রিলিফ’ (RELIEF—Resilience and Logistics Intervention for Export Facilitation) কর্মসূচি চালু করে। দেশে তুলার প্রাপ্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার কাস্টমস ট্যারিফ হেডিং ৫২০১-এর আওতাভুক্ত তুলা আমদানির ওপর ১ জুন থেকে ৩১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শুল্ক ছাড় দিয়েছে।
ভারত-যুক্তরাজ্য
সর্বাত্মক আর্থিক ও বাণিজ্যিক চুক্তি সহ
ভারতের ১৬টি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ইতিমধ্যেই কার্যকর রয়েছে। এছাড়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং নিউজিল্যান্ডের সাথেও ভারত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
২০১৯ সালের মার্চ মাস থেকে চালু থাকা 'রিবেট অফ স্টেট অ্যান্ড সেন্ট্রাল ট্যাক্সেস অ্যান্ড লেভিস' প্রকল্পের আওতায় পোশাক ও তৈরি বস্ত্র রপ্তানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন পর্যায়ে যুক্ত রাজ্য ও কেন্দ্রীয় কর এবং শুল্কের ওপর ছাড় প্রদান করা হয়, যার লক্ষ্য হলো এই ক্ষেত্রগুলির প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এই ক্ষেত্রের রপ্তানিকারকদের জন্য নীতিগত নিশ্চয়তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রকল্পটির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়িয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত করা হয়েছে।
এই উদ্যোগগুলির লক্ষ্য হল, সুস্থায়ী অগ্রগতি নিশ্চিত করা, বস্ত্র উৎপাদন ও বিপণন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, পণ্যের মূল্য সংযোজনকে উৎসাহিত করা, সরবরাহ শৃঙ্খলের সক্ষমতা ও স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করা এবং বিশ্ববাজারে ভারতীয় বস্ত্র শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
আজ লোকসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শ্রী পবিত্র মার্গারিটা এই তথ্য জানান।
SC/MP/DM...
(रिलीज़ आईडी: 2287185)
आगंतुक पटल : 8