শিল্পওবাণিজ্যমন্ত্রক
১২ বছরের রূপান্তরমূলক অগ্রগতি - ফলতা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
২০১৪-১৫ থেকে ২০২৫-২৬ আর্থিকবছরের মধ্যে রপ্তানি ৮ গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, কর্মসংস্থান হয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় তিনগুণ
प्रविष्टि तिथि:
10 JUN 2026 3:50PM by PIB Kolkata
কলকাতা, জুন ১০, ২০২৬
বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের অধীন ফলতা স্পেশাল ইকোনমিক জোন বা ফলতা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গত ১২ বছরে ভারতের রপ্তানি-নির্ভর প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। কলকাতায় আয়োজিত এক প্রেস কনফারেন্সে ডেভেলপমেন্ট কমিশনার দীনবন্ধু সিং জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে স্পেশাল ইকোনমিক জোনের রপ্তানি মোট ৮৫,০৯৩ কোটি টাকাতে পৌঁছেছে, যা ২০১৪-১৫ সালের তুলনায় প্রায় ৮ গুণ বেশি। একই সময়ে কর্মসংস্থান ৪৯,৮৭৯ থেকে বেড়ে ১,২৩,৮২৯ হয়েছে, যা পূর্ব ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, রপ্তানি ও চাকরির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ফলতা স্পেশাল ইকোনমিক জোনের উন্নয়ন কমিশনারের অধীন ওডিশায় সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের জন্য একটি নতুন স্পেশাল ইকোনমিক জোন বা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল অনুমোদিত হয়েছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে ১,২৫০ কোটি টাকা রপ্তানি এবং আগামী পাঁচ বছরে ২৫০-এর বেশি কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্তমানে ফলতা SEZ-এ ৫৫টি অনুমোদিত ইউনিট রয়েছে, যার মধ্যে ৪২টি চালু রয়েছে। ডেভেলপমেন্ট কমিশনারের আওতায় পূর্ব ভারতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও আইটি/আইটিইএস SEZ অন্তর্ভুক্ত, যা রপ্তানি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
গত ১২ বছরের ধারাবাহিক অগ্রগতি সরকারের রপ্তানি বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ভারতের বিশ্বব্যাপী ভ্যালু চেইন বা মূল্য শৃঙ্খলে অবস্থান শক্তিশালী করার নীতির সাফল্যকে প্রতিফলিত করে।
ফলতা SEZ-এর আওতায় পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, বিহার, সিকিম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যসমূহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে মূল কার্যক্রম পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডে কেন্দ্রীভূত।
১৯৮৪ সালে এটি একটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে স্পেশাল ইকোনমিক জোন বা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়।

*******
SSS/AS/Kol/10.6.26....
(रिलीज़ आईडी: 2271179)
आगंतुक पटल : 34
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें:
English