পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক
পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আন্তঃমন্ত্রক সাংবাদিক সম্মেলন
পোস্ট করার দিনক্ষণ:
17 MAR 2026 5:31PM by PIB Agartala
নয়াদিল্লি, ১৭ মার্চ ২০২৬
ন্যাশনাল মিডিয়া সেন্টারে পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আজও আন্তঃমন্ত্রক সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল। সেখানকার বিবর্তনশীল পরিস্থিতি সম্পর্কে সাম্প্রতিকতম ছবি তুলে ধরার জন্য নিয়মিত এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন হচ্ছে। আজকের সাংবাদিক সম্মেলনে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস, বন্দর-জাহাজ চলাচল-জলপথ এবং বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জ্বালানি সরবরাহ, সমুদ্র পথের অবস্থা এবং ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সম্পর্কে খবরাখবর দেওয়া হয়।
জ্বালানির সরবরাহ এবং প্রাপ্যতা
পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক বর্তমান জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি এবং এলপিজি-র মতো পেট্রোলিয়াম পণ্যের জোগান বজায় রাখতে গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরে। এইসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে হরমুজ প্রণালীর এখনকার পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে।
অপরিশোধিত তেল এবং শোধনাগার
সবকটি শোধনাগার চূড়ান্ত ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করছে এবং জ্বালানি তেলের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করছে। পেট্রোল ও ডিজেল উৎপাদনে ভারত স্বনির্ভর, তাই অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য কোনও আমদানির প্রয়োজন নেই।
খুচরো বিপণন কেন্দ্র
তেল বিপণন সংস্থাগুলি খুচরো বিপণন কেন্দ্রে জ্বালানি ফুরিয়ে গেছে এমন কোনও খবর দেয়নি। পেট্রোল এবং ডিজেলের সরবরাহ ধারাবাহিকভাবে বজায় রয়েছে।
আতঙ্কিত হয়ে জ্বালানি না কিনতে নাগরিকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে- কারণ মজুত পর্যাপ্ত।
প্রাকৃতিক গ্যাস
অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্রগুলিতে গ্যাস সরবরাহ অক্ষুন্ন রয়েছে। পিএনজি এবং সিএনজি সরবরাহের মাত্রা ১০০ শতাংশ। শিল্প ক্ষেত্রে এবং বাণিজ্য ক্ষেত্রে গ্রাহকদের সরবরাহ ৮০ শতাংশে নিয়ন্ত্রিত।
শহরাঞ্চলে এলপিজি গ্রাহকদের পিএনজি সংযোগ নিতে বলা হচ্ছে। হোটেল, রোস্তেরাঁ, হাসপাতাল কিংবা হস্টেলে অনুমোদিত সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি থেকে পিএনজি সংযোগ নেওয়া যেতে পারে।
আইজিএল, এমজিএল, গেইল গ্যাস এবং বিপিসিএল-এর মতো সংস্থা বাড়িতে এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পিএনজি সংযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে।
সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ককে আরও প্রসারিত করছে সরকার। এক্ষেত্রে অনুমোদন প্রক্রিয়া ত্বরাণ্বিত করার জন্য প্রাদেশিক সরকারগুলিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাইপ লাইন বসানোর ক্ষেত্রে রাস্তা মেরামতি ইত্যাদি নানা বিষয়ে মাশুলে ছাড় দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
এলপিজি
বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষিতে এলপিজি সরবরাহের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা হচ্ছে।
এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটারদের কাছে গ্যাসের মজুত নেই এমন কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
শোধনাগারগুলিতে অভ্যন্তরীণ এলপিজি উৎপাদন ৩৮ শতাংশ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
অনলাইনে এলপিজি বুকিং ৯৪ শতাংশ বেড়েছে। উপযুক্ত প্রাপকের কাছে সিলিন্ডার যাতে পৌঁছয় তা নিশ্চিত করার জন্য ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড কভারেজ সংকট শুরু হওয়ার আগে ৫৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৬ শতাংশ করা হয়েছে।
গৃহস্থালিতে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।
বিহার, দিল্লি, গুজরাট, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, কর্নাটক, মণিপুর, রাজস্থান এবং উত্তরাখণ্ডের মতো কয়েকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের নির্দেশিকা অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে বাণিজ্যের এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ বজায় রাখা হয়েছে।
কেরোসিন
রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য আরও ৪৮,০০০ কিলোলিটার কেরোসিন বরাদ্দ করা হয়েছে। বিতরণ কেন্দ্র চিহ্নিত করার জন্য তাদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিহার, ছত্তিশগড়, মণিপুর, কেরালা, তামিলনাড়ু, উত্তর প্রদেশ, গুজরাট এবং কর্নাটক সুপিরিয়ার কেরোসিন অয়েল বরাদ্দ সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছে।
রাজ্য সরকারগুলির বৈঠক
অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন ১৯৫৫ এবং এলপিজি নিয়ন্ত্রণ বিধি ২০০০ অনুযায়ী মজুত এবং কালোবাজারি রুখতে প্রাদেশিক সরকারগুলি ব্যবস্থা নিতে পারে।
পেট্রোল, ডিজেল এবং এলিপি সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ এবং নজরদারির ক্ষেত্রে মূল দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারগুলির।
১৩.০৩.২০২৬ তারিখে লেখা চিঠি অনুযায়ী ভারত সরকার রাজ্যগুলির মুখ্য সচিব ও জেলা শাসকদের এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলিকে আচমকা পরিদর্শনের পরামর্শ দিয়েছে।
২৭টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল কন্ট্রোল রুম খুলেছে এবং সাংবাদিক বৈঠক করছে।
রাজস্থান, তেলঙ্গানা, গোয়া, হিমাচল প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, জম্মু-কাশ্মীর ও তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলি জেলাস্তরে নজরদারি কমিটি গঠন করেছে। অন্য রাজ্যগুলিকেও এই পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
আইনী পদক্ষেপ
দেশে এলপিজি-র কালোবাজারি রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১২,০০০-এরও বেশি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছে এবং ১৫,০০০-এরও বেশি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত হয়েছে। দিল্লি, গোয়া, উত্তর প্রদেশ, জম্মু-কাশ্মীর, কেরালা ও মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে এ ধরনের কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল বিপণন সংস্থাগুলি ২,৫০০-রও বেশি জায়গায় বিপণন কেন্দ্রে এবং এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটারদের অফিসে ২৫০০-রও বেশি আচমকা তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে।
সরকারের অন্যান্য পদক্ষেপ
এলপিজি সরবরাহ বজায় রাখতে, বিশেষত গৃহস্থালি, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ অক্ষুন্ন রাখতে সরকার বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
১৪ মার্চ ২০২৬-এ এলপিজি নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পিএনজি গ্রাহকদের এলপিজি সংযোগ ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে এলপিজি সরবরাহের ওপর চাপ কমে।
শহরাঞ্চলে ২৫ দিন পর এবং গ্রামাঞ্চলে ৪৫ দিন পর বুকিং করা যাবে।
কেরোসিন এবং কয়লার সংস্থানে জোর দেওয়া হচ্ছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল কোম্পানিগুলি ডিজিটাল বুকিং-এর কথা বলছে, আতঙ্কিত হয়ে বুকিং না করতে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
বেশ কয়েকটি রাজ্যে বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহে সেখানকার সরকারের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।
সাধারণ নাগরিকদের পরামর্শ
নাগরিকদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
আইভিআরএস, এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপ, মোবাইল অ্যাপ এবং ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম মারফত বুকিং করা যেতে পারে।
ডিজিটাল বুকিং-এর অনুরোধ জানানো হচ্ছে এবং এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটারদের দোকানে ভিড় না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
পিএনজি এবং বিদ্যুৎ চালিত সরঞ্জাম ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে গ্রাহকদের।
ভুয়ো খবরে কান না দিতে এবং সরকারি সূত্রের ওপর নির্ভর করতে বলা হচ্ছে নাগরিকদের।
সমুদ্র পথে নিরাপত্তা এবং জাহাজ চলাচল
বন্দর, জাহাজ চলাচল এবং জলপথ মন্ত্রক পারস্য উপসাগর এলাকার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং সেখানে ভারতীয় জাহাজ এবং নাবিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে।
ওই অঞ্চলে ভারতীয় নাবিকরা নিরাপদে রয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় কোনও অবাঞ্ছিত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে পশ্চিম পারস্য উপসাগর এলাকায় ভারতের পতাকা লাগানো ২২টি জাহাজ রয়েছে এবং তাতে নাবিক রয়েছেন মোট ৬১১ জন। তাঁদের নিরাপত্তার দিকটিতে কড়া নজর রেখেছে জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত মহানির্দেশনালয়।
ডিজি সিপিং কন্ট্রোল রুম চালু হওয়ার পর ৩১৮০টি ফোন কল এবং ৫৮৭৫টি ই-মেলের জবাব দেওয়া হয়েছে। ১৫০টি ফোনকল এবং ৩৭৮টি ই-মেলের জবাব দেওয়া হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। এইসব ই-মেল এবং ফোন এসেছে ওই অঞ্চলে থাকা নাবিক, তাঁদের পরিবার এবং সংশ্লিষ্ট নানা পক্ষের থেকে।
জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত মহানির্দেশনালয় উপসাগরীয় এলাকার বিভিন্ন বিমানবন্দর এবং অন্যান্য কেন্দ্র থেকে ৪৪৭ জন ভারতীয় নাবিককে ফেরানোর বিষয়ে সহায়তা প্রদান করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬১ জনকে ফেরানোর বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এলপিজি বহনকারী জাহাজ শিবালিক মুন্দ্রা বন্দরে এবং আরও একটি জাহাজ নন্দা দেবী আজ সকালে কান্দলা বন্দরে পৌঁছেছে। পূর্ব উপকূলের এন্নোর এবং হলদিয়া সহ বিভিন্ন জায়গায় এলপিজি পাঠানোর ব্যবস্থা হচ্ছে।
এলপিজি খালাসের কাজ যথাশীঘ্র সম্ভব সম্মন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় নথি আগে থেকেই তৈরি করে রাখা হয়েছে।
বড় বড় বন্দরগুলি থেকে জাহাজ চলাচলের ওপর নজর রাখা হচ্ছে। কন্টেনার রাখার ব্যবস্থাও হচ্ছে আগেভাগেই।
জওহরলাল নেহরু বন্দরের কাছে রাস্তায় কন্টেনার পাওয়া গেছে- এমন খবর ভুল।
জওহরলাল নেহরু বন্দর এলাকায় ভিড় কমানো হচ্ছে।
সালালা এবং খোর ফক্কনের মতো বন্দর অভিমুখে রওনা হয়েছে আরও জাহাজ। আজ ২০০টি কন্টেনার নিয়ে রওনা হবে আরও একটি জাহাজ। আটকে থাকা কন্টেনারের সংখ্যা ২ দিনের মধ্যে আরও কমবে।
বন্দর, জাহাজ চলাচল এবং জলপথ মন্ত্রক সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর সদাসতর্ক লক্ষ্য রেখে চলেছে।
ওই অঞ্চেল ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা
এই বিষয়টি সম্পন্ন হচ্ছে ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয় দূতাবাসগুলির মারফত। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে :
পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির ওপর বিদেশ মন্ত্রক সতর্ক নজর রেখে চলেছে। খোলা হয়েছে বিশেষ কন্ট্রোল রুম। প্রাদেশিক সরকারগুলির সঙ্গে সমন্বয় ভিত্তিতে কাজ চলছে।
বিদেশ মন্ত্রী বেলজিয়ামে গিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
ওই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিদেশ মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রী।
৭০০ জনেরও বেশি ভারতীয় নাগরিক ইরান থেকে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানে চলে গেছেন।
আর্মেনিয়া চলে যাওয়া ২৮৪ জনের মধ্যে ১৩০ জন আজ দেশে ফিরবেন।
সবসময় চালু রয়েছে বিদেশ মন্ত্রকের কন্ট্রোল রুম।
ওই অঞ্চলের সমস্ত ভারতীয় দূতাবাস ২৪ ঘণ্টা কাজ করে চলেছে, রয়েছে ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন।
২৮ ফেব্রুয়ারির পর ওই অঞ্চল থেকে ২ লক্ষ ৪৪ হাজার যাত্রী ভারতে ফিরে এসেছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আকাশ পথ আজ কিছু সময় বন্ধ থাকার পর ফের খুলেছে। আজ সেখান থেকে ৭০টি বিমান এসে পৌঁছনোর কথা।
সৌদি আরব এবং ওমান থেকে ভারতে উড়ান পরিষেবা চালু রয়েছে।
কাতারে আকাশপথ আংশিক খোলা রয়েছে, আজ ৩টি বিমান এসে পৌঁছানোর কথা।
কুয়েতের আকাপথ ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ। সৌদি আরব থেকে ভারতে বিশেষ বিমান এসে পৌঁছানোর কথা।
বাহরিন এবং ইরাকের আকাশপথ বন্ধ। সেখানে থাকা ভারতীয়দের সৌদি আরব হয়ে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হচ্ছে।
১৩ মার্চ সোহারের ঘটনায় নিহত ২ ভারতীয়ের দেহ জয়পুরে তাঁদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। গভীর শোক জানানো হয়েছে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে।
আহত ভারতীয় নাগরিকদের চিকিৎসার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে সেখানকার ভারতীয় দূতাবাস।
বাসরায় ভারতীয় দূতাবাস কর্মীরা ১৫ জন ভারতীয়কে সব ধরনের সহায়তা করছেন। তাঁদের দ্রুত দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে।
ইরাকি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে ভারতীয় দূতাবাস। মৃত ভারতীয়ের দেহ যথাশীঘ্র ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।
সম্প্রতি ৫ জন ভারতীয় নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং ১ জন নিঁখোজ। ওমান থেকে ২ জনের দেহ আজ ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
নিঁখোজ ভারতীয়দের বিষয়ে ওমান, ইরাক এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ভারতীয় দূতাবাস ওই দেশগুলির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে। যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের দেহ খুব শীঘ্রই ফিরিয়ে আনা হবে।
সরকার পরিস্থিতির ওপর সদা সতর্ক নজর রেখে চলেছে। দেশের স্বার্থ রক্ষায় সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করে চলেছে বিভিন্ন মন্ত্রক।
*****
PS/Agt
(প্রেস বিজ্ঞপ্তির আইডি: 2241564)
ভিজিটরদের কাউন্টার : 4