ভূ-বিজ্ঞানমন্ত্রক
সংসদে প্রশ্নোত্তর : বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় সংক্রান্ত আগাম পূর্বাভাস ব্যবস্থাপনা
প্রকাশিত:
11 MAR 2026 12:17PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ১১ মার্চ, ২০২৬
বর্তমানে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর প্রবল বর্ষণ ও ঘূর্ণিঝড় সংক্রান্ত পূর্বাভাস দিনে চারবার করে দিয়ে থাকে। এই পূর্বাভাস জেলাভিত্তিক করা হয়। প্রতিটি পূর্বাভাসের বৈধতা সাতদিন পর্যন্ত থাকে। আবহাওয়া দপ্তর ঝুঁকিপূর্ণ সব জেলায় যাতে যথাযথ সময়ে পূর্বাভাস পৌঁছে দেওয়া যায়, সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করে। এক্ষেত্রে কমন অ্যালার্টিং প্রোটোকল (সিএপি), মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট, হোয়াটসঅ্যাপ সহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমের সাহায্য নেওয়া হয়। তবে, স্বয়ংক্রিয় সাইরেন সহ অন্যান্য পরিকাঠামো পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে রাজ্যের বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন রাজ্যের আপৎকালীন পরিচালন কেন্দ্রগুলির কাছে। ভারতের আবহাওয়া দপ্তর কেন্দ্রীয় জল কমিশনকে বৃষ্টিপাত সংক্রান্ত পূর্বাভাস দিয়ে থাকে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় জল কমিশন ৩৫০টি পূর্বাভাস সংক্রান্ত কেন্দ্রে এই তথ্য পাঠিয়ে থাকে। কমিশন উপত্যকা-ভিত্তিক বন্যার পূর্বাভাস দিয়ে থাকে।
ফ্লাড ওয়াচ ইন্ডিয়া মোবাইল অ্যাপটি কেন্দ্রীয় জল কমিশন ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট চালু করে। এই অ্যাপের মাধ্যমে ২০০টি কেন্দ্রে বন্যার পূর্বাভাস সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব এবং বিহারের মতো রাজ্যে পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি থাকে না। এই রাজ্যগুলিতে জেলাওয়াড়ি অতিভারী, ভারী সংক্রান্ত বর্ষণের সতর্কতা নির্দিষ্ট সময় অন্তর পাঠানো হয়। নাগরিকদের এই পূর্বাভাস প্রেরণের ক্ষেত্রে সবরকমের ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হয়। এ সংক্রান্ত সতর্কতা আবহাওয়া দপ্তরের জাতীয় এবং রাজ্যস্তরের ওয়েবসাইটে নিয়মিত দেওয়ার পাশাপাশি, সামাজিক মাধ্যমে নিবন্ধীকৃত ব্যবহারকারীদের কাছেও পাঠানো হয়। পাশাপাশি, রাজ্য ও জাতীয় স্তরে সংবাদমাধ্যমে উদ্দেশে নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিও প্রেরণ করা হয়। আকাশবাণীর মাধ্যমে মৎস্যজীবীদের জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতা জারি করা হয়। ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশন ইনফরমেশন সার্ভিস এসএমএস-এর মাধ্যমে মৎস্যজীবীদের নিয়মিত সতর্কবার্তা পাঠায়।
রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিলের মাধ্যমে আগাম সতর্কতা প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। জনসাধারণের কাছে এই তথ্য পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি, মানুষকে বিভিন্ন বিপর্যয় সম্পর্কেও সচেতন করে তোলা হয়। কেন্দ্রীয় সরকার সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তার জন্য রাজ্যের কোনো অনুরোধ আসলে তা দ্রুততার সঙ্গে বিচার করে। এক্ষেত্রে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল এবং ন্যাশনাল ডিজাস্টার মিটিগেশন ফান্ডের সহায়তা নেওয়া হয়।
লোকসভায় আজ এই তথ্য দিয়েছেন ভূ-বিজ্ঞান মন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং।
SC/CB/DM..
(রিলিজ আইডি: 2238123)
ভিজিটরের কাউন্টার : 5