ভারত সরকারের প্রধান বিজ্ঞান বিষয়ক উপদেষ্টার কার্যালয়
azadi ka amrit mahotsav

কৌশলগত স্বশাসন এবং বিঘ্নকারী প্রযুক্তির উপর আলোকপাত করে রাইসিনা সায়েন্স ডিপ্লোমেসি ইনিশিয়েটিভ – এর উদ্বোধন পর্ব

प्रविष्टि तिथि: 05 MAR 2026 3:19PM by PIB Agartala

 

নয়াদিল্লি, ০৫ মার্চ, ২০২৬

 

নতুন দিল্লির ভারত মণ্ডপম – এ আজ শুরু হয়েছে রাইসিনা সায়েন্স ডিপ্লোমেসি ইনিশিয়েটিভ (এসডিআই) – এর উদ্বোধন পর্ব। ভারত সরকারের প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টার দপ্তর এবং রাইসিনা ডায়ালগের অঙ্গ হিসেবে অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এই উদ্যোগের সূচনা করেছে।
রাইসিনা এসডিআই – এর প্রথম পর্বে বৈশ্বিক নেতৃত্ব, নীতি নির্ধারক, পণ্ডিত ব্যক্তিরা বিঘ্নকারী প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালনগত ক্ষেত্রে যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী হতে হচ্ছে এবং কৌশলগত স্বশাসনের উদ্ভূত চাহিদা নিরসনে বৈজ্ঞানিক কূটনীতির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে প্রায় ৮০ জন বৈজ্ঞানিক, কূটনীতিক, উদ্ভাবক এবং প্রথম সারির আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এই আলোচনাচক্রে যোগ দেন। মতামত বিনিময়ের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ দিশা-নির্দেশ গড়ে তোলাই এর উদ্দেশ্য।
আজকের এই অনুষ্ঠানে পৌরোহিত্য করেন ভারত সরকারের প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা অধ্যাপক অজয় কুমার সুদ এবং সহ-পৌরোহিত্য করেন ইন্টারন্যাশনাল সায়েন্স কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট স্যর পিটার গ্লুকম্যান এবং জেনেভা সায়েন্স অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি অ্যান্টিসিপেটরের মহানির্দেশক অধ্যাপক মেরিলিন অ্যান্ডারসন। এছাড়াও ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির বৈদেশিক বিষয় সংক্রান্ত দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত ডঃ বিজয় চৌথিয়ল। পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বৈজ্ঞানিক কূটনীতি এখন আর এক জায়গায় দাঁড়িয়ে নেই, সময়ের প্রয়োজনে ও ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার দিকে তাকিয়ে এর পরিবর্তন ঘটাতে হচ্ছে বলে তাঁরা জানান। রাইসিনা এসডিআই হ’ল একটি বৈশ্বিক মঞ্চ। বিভিন্ন প্রেক্ষাপট থেকে বৈজ্ঞানিক কূটনীতির সময়সাময়িক পরিকাঠামো গড়ে তোলাই এর উদ্দেশ্য।
অধ্যাপক সুদ বার্ষিক এই রাইসিনা সায়েন্স ডিপ্লোমেসি উদ্যোগের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে বলেন, বর্তমান সময়ে বেসরকারি ক্ষেত্রগুলি নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করছে। বৈজ্ঞানিক কূটনীতির পরিকাঠামো গড়ে তুলতে তাঁরা কী ভূমিকা পালন করতে পারে, তার পথ-নির্দেশ তৈরি করা দরকার।

*****

PS/Agt

 


(रिलीज़ आईडी: 2236093) आगंतुक पटल : 33
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English