PIB Headquarters
azadi ka amrit mahotsav

রপ্তানি বাণিজ্যে ভারতের বড় সাফল্য : প্রধান প্রধান ক্ষেত্রের জন্য খুলে গেল ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারের মার্কিন বাজার

প্রকাশিত: 09 FEB 2026 12:08PM by PIB Kolkata

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬:

 

মূল বিষয়সমুহ

শুল্ক ৫০% থেকে কমে ১৮% হয়েছে; ১১৩ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বাজারে সিল্ক বা রেশম পণ্য এখন শূণ্য শুল্কে রপ্তানি করা যাবে।

শুল্ক কমে ১৮% হওয়ায় ৪৭৭ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বাজারে বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে।

 ১.৩৬ বিলিয়ন ডলারের ভারতীয় কৃষিপণ্য এখন কোনো অতিরিক্ত শুল্ক ছাড়াই মার্কিন বাজারে প্রবেশ করবে।

মশলা, চা, কফি, ফল, বাদাম এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এখন থেকে বিনা শুল্কে রপ্তানি করা যাবে।

দুগ্ধজাত পণ্য, মাংস, পোল্ট্রি এবং খাদ্যশস্যের মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রের আমদানিতে ছাড় দেওয়া হয়নি।


ভারত কি পেলো?
আমেরিকার আমদানিকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে ভারত বড়সড় ছাড় পেয়েছে, যার মধ্যে ৯০০ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের পণ্যে ১৮% প্রতিযোগিতামূলক শুল্ক হার, ১৫০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে শূন্য শুল্ক এবং ৭২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে কোনো অতিরিক্ত শুল্ক না দেওয়ার সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে। এছাড়াও ৩৫০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর পূর্বের শুল্ক ছাড় বজায় থাকছে এবং ২৩২টি শুল্ক তালিকার ক্ষেত্রে ভারত বিশেষ অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবে।

সূচনা

ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়, যা ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারের মার্কিন বাজারে ভারতীয় পণ্যের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করেছে। ২০২৪ সালে আমেরিকায় ভারতের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৮৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার; এই চুক্তির ফলে বস্ত্র, গয়না, কৃষি, যন্ত্রপাতি এবং ওষুধ শিল্পের মতো প্রধান ক্ষেত্রগুলিতে শুল্ক হ্রাস ও বিশেষ সুবিধা পাওয়ায় রপ্তানি আরও বাড়বে। একইসঙ্গে, দেশের কৃষক, ক্ষুদ্র শিল্প এবং দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষিত রাখতে এই চুক্তিতে বিশেষ সুরক্ষাকবচ রাখা হয়েছে।

শুল্কের এই পরিবর্তনগুলি ভারতীয় রপ্তানির ক্ষেত্রে কতটা সুবিধাজনক

২০২৪ সালে আমেরিকায় ভারতের ৮৬.৩৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি বাণিজ্য এখন নতুন শুল্ক কাঠামোর ফলে লাভবান হবে। এই চুক্তির অধীনে, আগে যে পণ্যগুলিতে ৫০% পর্যন্ত উচ্চ শুল্ক  ছিল, তার মধ্যে প্রায় ৩০.৯৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে শুল্ক কমে ১৮% হয়েছে এবং ১০.০৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে শুল্ক পুরোপুরি তুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ১.০৪ বিলিয়ন ডলারের কৃষিপণ্য এবং সেকশন ২৩২-এর আওতায় আরও ২৮.৩০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি এখন অতিরিক্ত শুল্ক ছাড়াই মার্কিন বাজারে প্রবেশ করবে, যা ভারতীয় পণ্যের দাম ও প্রতিযোগিতার বাজারে বড় সুবিধা দেবে।

প্রধান ক্ষেত্রগুলিতে কাঠামোগত প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা

এই চুক্তির মাধ্যমে ভারতের পক্ষে একটি স্পষ্ট শুল্কগত পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন বাজারে একাধিক প্রতিযোগী দেশ এখনও উচ্চ শুল্কের মুখে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চীন ৩৫ শতাংশ, ভিয়েতনাম ২০ শতাংশ, বাংলাদেশ ২০ শতাংশ, মালেশিয়া ১৯ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়া ১৯ শতাংশ, ফিলিপিন্স ১৯ শতাংশ, কম্বোডিয়া ১৯ শতাংশ এবং থাইল্যান্ড ১৯ শতাংশ।

ক্ষেত্রভিত্তিক সুফল-
বস্ত্র ও পোশাক

বস্ত্র রপ্তানির উপর শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে। সিল্ক রপ্তানিতে শূন্য শুল্ক সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, মার্কিন বাজারে নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই বাজারের পরিমাণ ১১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

চামড়া ও জুতো ক্ষেত্র

এই চুক্তির ফলে চামড়া ও জুতোর ক্ষেত্রে ভারতের জন্য উল্লেখযোগ্য সুফল এসেছে। মার্কিন বাজারে ভারতকে সর্বাধিক পছন্দের সরবরাহকারী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। রপ্তানির উপর শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে, ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের মার্কিন বাজারে প্রবেশাধিকার আরও সহজ হয়েছে।

রত্ন ও গয়না রপ্তানি

রত্ন ও গয়না রপ্তানির উপর শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের মার্কিন বাজারে অগ্রাধিকারমূলক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হয়েছে।

গৃহসজ্জা সামগ্রী

গৃহসজ্জা সামগ্রীর উপর শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে, ৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের মার্কিন বাজারে নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। কাঠ ও আসবাবপত্র, বালিশ, কুশন, কুইল্ট, কমফোর্টার, অ-বিদ্যুৎচালিত বাতি এবং সংশ্লিষ্ট গৃহসজ্জা সামগ্রী এই শুল্ক কাঠামোর সুবিধা পাবে।

খেলনা রপ্তানি

ভারত থেকে খেলনা রপ্তানির উপর শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে, ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের মার্কিন বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি পেয়েছে।

যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ
(বিমান যন্ত্রাংশ বাদে)

এই চুক্তির ফলে, যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ ক্ষেত্রে ভারতের জন্য উল্লেখযোগ্য সুবিধা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শিল্প বাজারে প্রবেশাধিকার আরও উন্নত হয়েছে। রপ্তানির উপর শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে, ৪৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের মার্কিন যন্ত্রপাতি বাজারে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

কৃষি: কৃষকদের সুরক্ষা বজায় রেখে রপ্তানি সম্প্রসারণ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৃষি বাণিজ্যে ভারতের উদ্বৃত্ত ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৪ সালে ভারতের কৃষি রপ্তানি ছিল ৩.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং আমদানি ছিল ২.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

কৃষি রপ্তানিতে শূন্য শুল্ক সুবিধা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১.৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ভারতীয় কৃষি রপ্তানির উপর কোনও অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করবে না।

শক্ত সুরক্ষা-সহ নিয়ন্ত্রিত বাজার উন্মুক্তকরণ

পূর্ববর্তী বাণিজ্য চুক্তির ধারাবাহিকতায় কৃষিপণ্যের সংবেদনশীলতা অনুযায়ী বাজার প্রবেশাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রস্তাবগুলির মধ্যে রয়েছে তাৎক্ষণিক শুল্ক প্রত্যাহার, পর্যায়ক্রমিক শুল্ক প্রত্যাহার সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত, শুল্ক হ্রাস, অগ্রাধিকার মার্জিন এবং ট্যারিফ রেট কোটা ব্যবস্থা।

শিল্প রপ্তানিতে ৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের শূন্য শুল্ক সুবিধা

৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের শিল্প রপ্তানির উপর কোনও অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে না।

সেকশন ২৩২-এর আওতায় বিমান যন্ত্রাংশ, যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ, জেনেরিক ওষুধ ও ঔষধি উপাদান এবং প্রাথমিক অটো যন্ত্রাংশে শূন্য অতিরিক্ত শুল্ক প্রযোজ্য হবে।

কৃষি ব্যতীত ক্ষেত্রে বাজার উন্মুক্তকরণে দৃঢ় সুরক্ষা

বাজার প্রবেশাধিকার কাঠামো চূড়ান্ত করার আগে শিল্প সংগঠন, ক্ষেত্রভিত্তিক সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের সঙ্গে বিস্তৃত পরামর্শ করা হয়েছে। পণ্যের সংবেদনশীলতা ও ক্ষেত্রভিত্তিক প্রয়োজনের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়েছে।

বাণিজ্য সুবিধা ও গুণমানসম্পন্ন পরিকাঠামো শক্তিশালীকরণ

শুল্ক সংস্কারের পাশাপাশি, এই চুক্তি বাণিজ্য সুবিধা বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছে। অশুল্কগত ব্যবস্থার বিষয়গুলিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রযুক্তিগত বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা সমাধানের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণের অধিকার বজায় রেখে ভারসাম্যপূর্ণ বাজার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।

আইসিটি, সেমিকন্ডাক্টর ও ডিজিটাল ইন্ডিয়া

এই চুক্তির মাধ্যমে ভারতের ডিজিটাল ভিত্তি আরও মজবুত হয়েছে। উন্নত সেমিকন্ডাক্টর চিপ, সার্ভার যন্ত্রাংশ এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত উপাদানে প্রবেশাধিকার সহজ হয়েছে। এর ফলে ভারতের ডেটা সেন্টার ও ডিজিটাল ইন্ডিয়া উদ্যোগের সম্প্রসারণে সহায়তা মিলবে। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং পরিকাঠামোর নির্ভরযোগ্য প্রবেশাধিকার ভারতের ডিজিটাল ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সম্প্রসারিত করতে সহায়তা করবে।

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা পরিকাঠামো

চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্ষেত্রে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শক্তিশালী পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। উন্নত মানের রোগনির্ণয় ও অস্ত্রোপচার সরঞ্জামে সহজ প্রবেশাধিকার উন্নত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো বিস্তারে সহায়ক হবে।

ভারত-মার্কিন ডিজিটাল বাণিজ্য অংশীদারিত্ব

ডিজিটাল বাণিজ্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দ্রুততম বর্ধনশীল ক্ষেত্রগুলির অন্যতম। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ৪.৩৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ২০২৪ সালে ডিজিটাল পরিষেবা রপ্তানি বেড়ে ৪.৭৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। বার্ষিক বৃদ্ধির হার ৯.৮ শতাংশ।

গ্রাহকের কল্যাণ: দেশীয় সরবরাহে চাপ না দিয়ে আমদানি বৃদ্ধি

এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রাহক কল্যাণও জোরদার হয়েছে। নির্বাচিত গ্রাহক পণ্যের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত আমদানির সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর ফলে, চাহিদার ঘাটতি পূরণ হবে। একই সঙ্গে কৃষক ও দেশীয় উৎপাদকদের উপর কোনও অতিরিক্ত চাপ পড়বে না।

উৎপাদন ও মূল্য শৃঙ্খল মজবুতকারী মধ্যবর্তী পণ্য

রপ্তানি ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় মধ্যবর্তী উপাদানে প্রবেশাধিকার সহজ করা হয়েছে। কাঁচামাল ও বিশেষ বিশেষ যন্ত্রাংশ প্রতিযোগিতামূলক শর্তে প্রবেশ করায় মূল্য সংযোজিত উৎপাদন আরও মজবুত হবে। আন্তর্জাতিক সরবরাহ শৃঙ্খলে ভারতের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

উচ্চ ও অগ্রসর প্রযুক্তি আমদানি

এই চুক্তি প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে ভারতের প্রয়াসকে সমর্থন করে। উচ্চ প্রযুক্তি ও কৌশলগত পণ্যে প্রবেশাধিকার দেশীয় সক্ষমতা গঠনে সহায়ক হবে। উন্নত প্রযুক্তিতে প্রবেশ ভারতের ডিজিটাল ও শিল্প রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করবে। আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যও আরও শক্তিশালী হবে।

ভবিষ্যুৎমুখী কৌশলগত অংশীদারিত্ব

ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি দুই প্রধান আন্তর্জাতিক অর্থনীতির মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

৩০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের বাজারে প্রবেশাধিকার, রপ্তানির বড় অংশে শুল্কের যুক্তিসঙ্গতীকরণ, বিপুল পণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা এবং ডিজিটাল ও কৌশলগত প্রযুক্তি সহযোগিতা এই চুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছে। এর ফলে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারতের অবস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে।

একই সঙ্গে সংবেদনশীলতা-ভিত্তিক নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতির সাহায্যে কৃষক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ এবং দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। বৃদ্ধি ও সুরক্ষা, প্রতিযোগিতা ও স্থিতিস্থাপকতা এবং সম্প্রসারণ ও জাতীয় স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা হয়েছে। এর ফলে, দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানি-নির্ভর বৃদ্ধি, গভীর আন্তর্জাতিক সংযুক্তি এবং অর্থনৈতিক স্থিতি অর্জনের পথ সুগম হয়েছে।

Click here to see pdf 

SSS/AS....


(রিলিজ আইডি: 2225450) ভিজিটরের কাউন্টার : 5
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Gujarati , Tamil