সংস্কৃতিমন্ত্রক
সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ: শক্তি এবং আধ্যাত্মিক করুণার একটি প্রদর্শনী
प्रविष्टि तिथि:
25 JAN 2026 8:51PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬
সামাজিক সম্প্রীতি, শান্তি, সহমর্মিতা এবং পারস্পরিক সহাবস্থানের চিরকালীন বৌদ্ধ প্রজ্ঞার প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরতে, ৪০টি দেশের আন্তর্জাতিক সন্ন্যাসী এবং সন্ন্যাসিনীদের একটি বড় গোষ্ঠী আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন, তাঁদের সম্মানিত অতিথি হিসেবে স্বাগত জানানো হবে এবছরের সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে।
এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ইন্টারন্যাশনাল বুদ্ধিস্ট কনফেডারেশন (আইবিসি)। এটি অনুষ্ঠিত হয় ২৪-২৫ জানুয়ারি, ২০২৬-এ। এর থিম ছিল “সম্মিলিত প্রজ্ঞা, ঐক্যবদ্ধ স্বর এবং পারস্পরিক সহাবস্থান।” এটি আয়োজিত হয়েছে সংস্কৃতি মন্ত্রকের সহযোগিতায়। এর লক্ষ্য ছিল বুদ্ধের ভূমি থেকে ভারতের বার্তা প্রকাশ, সংঘর্ষ, বিশ্ব অসাম্য এবং পরিবেশ সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য।
আজ একটি সংবাদিক সম্মেলনে আইবিসি-র মহাসচিব ভেন শর্তসে খেনসুর রিনপোচে জাংচুপ চোয়েদেন বলেন, “কুচকাওয়াজে ভারত তার শক্তি প্রদর্শন করবে, কিন্তু এটি বুদ্ধধম্মের ভূমিও বটে, প্রচারিত করছে শান্তি, ভালোবাসা এবং করুণার বার্তা বিশ্বের অনেক দেশে। আমরা বিশ্বাস করি সহমর্মিতা এবং সংবেদনশীলতার শক্তিতে। বর্তমান বিশ্বে আমাদের প্রয়োজন শান্তি এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সহাবস্থান।”
আইবিসি-র মহানির্দেশক শ্রী অভিজিৎ হালদার বলেন যে, সাধারণতন্ত্র দিবস ভারতের সংবিধান বলবৎ হওয়ার দিবস। বৌদ্ধনীতি প্রভাবিত করেছে ভারতের সংবিধানকে; সাম্য, সহমর্মিতা এবং অহিংসার আদর্শ সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। তিনি বলেন, “বৌদ্ধ সংঘ অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রের এক প্রাচীন মডেল, যা প্রভাবিত করছে ভারতীয় সংসদীয় ব্যবস্থায় গৃহীত গণতান্ত্রিক রীতি এবং প্রক্রিয়াকে।”
তিনি বলেন, কুচকাওয়াজে প্রদর্শিত হবে সশস্ত্র বাহিনী, নৌ এবং বায়ু শক্তির। একদিকে থাকবে সাঁজোয়া উপকরণ এবং অন্যদিকে মহামান্য সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনীদের বড় গোষ্ঠী। এটি হবে শান্তি এবং সহমর্মিতার প্রকাশ। বার্তা পৌঁছবে সবমিলিয়ে সংঘর্ষপূর্ণ বিশ্বে যে সংকল্প ধম্মই একমাত্র পথ।
আইবিসি-র উপমহাসচিব শ্রীলঙ্কার ডঃ দামেন্দ পোরেজ বলেন যে, “বুদ্ধধম্ম ভারতের অপরিহার্য ঐতিহ্য যা আমার দেশে প্রচারিত হয়েছিল। আমরা বুদ্ধের আদর্শ গ্রহণ করার পাশাপাশি শ্রীলঙ্কায় আধ্যাত্মিক জাগরণের বার্তা ধারণ করেছি। ভারত বিশ্বের কাছে আলোকবর্তিকা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে: শক্তি এবং আধ্যাত্মিক করুণা দুটিই প্রদর্শন করছে।”
দু দিনের শিখর সম্মেলনে ৪০টির বেশি দেশ থেকে ৮০০-র বেশি প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বিদেশ থেকে এসেছিলেন ২০০-র বেশি প্রতিনিধি, তার মধ্যে সংঘের প্রতিনিধি ছিলেন ১০০। ভারত থেকে যোগ দিয়েছিলেন কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, পণ্ডিত এবং সাধারণ মানুষ।
SC/AP/SKD
(रिलीज़ आईडी: 2218742)
आगंतुक पटल : 2